প্রবাস
শ্রীলঙ্কায় বাংলাদেশি পর্যটকদের জন্য জরুরি বার্তা
শ্রীলঙ্কায় চলমান প্রতিকূল আবহাওয়া এবং এর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় থাকা বাংলাদেশি পর্যটকদের বিষয়ে কলম্বোতে বাংলাদেশ হাইকমিশন গভীরভাবে উদ্বেগ্ন প্রকাশ করে এক জরুরি বার্তা দিয়েছে।
শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) পাঠানো জরুরি বার্তায় বলা হয়, ‘বাংলাদেশ হাইকমিশন পরিস্থিতি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং সব বাংলাদেশি পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শ্রীলঙ্কার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ ও সমন্বয় বজায় রেখে কাজ করছে।’
‘কোনও বাংলাদেশি পর্যটক যদি কোথাও আটকে পড়ে থাকেন, কোনও ধরনের অসুবিধার সম্মুখীন হন— আপনার আবাসস্থল কিংবা যাত্রাপথে ফিরে যেতে না পারেন, অথবা যেকোনও জরুরি সহায়তা, পরামর্শ বা প্রয়োজনে হাইকমিশনের সঙ্গে নিম্নোক্ত হটলাইনে যোগাযোগ করুন— জরুরি হটলাইন: +94 71 760 6394, +94 71 368 0461।’
এতে আরও বলা হয়, ‘আমরা বাংলাদেশি পর্যটকসহ সবাইকে অনুরোধ করছি—নঅনুগ্রহ করে শান্ত থাকুন, হোটেল বা ঘরের ভেতরে বা নিরাপদ আশ্রয়ে অবস্থান করুন, এবং স্থানীয় প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুসরণ করুন। আপনাদের নিরাপত্তাই আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।’
এমকে
পর্যটন
ভিজিটর ভিসা নিয়ে যে বার্তা দিল মার্কিন দূতাবাস
ভিজিটর ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে কাজ করার অনুমোদন নেই বলে এক বার্তায় এ কথা জানিয়েছে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দূতাবাস এ কথা জানিয়েছে।
বার্তায় উল্লেখ করা হয়, বি১/বি২ ভিসা, মনে রাখুন ভিজিটর ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে কিছু ব্যবসায়িক কার্যক্রম করা যায়, যেমন চুক্তি নিয়ে আলোচনা/দরকষাকষি করা এবং সম্মেলনে অংশগ্রহণ করা। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রে থেকে পারিশ্রমিক গ্রহণ করা বা যুক্তরাষ্ট্রের কোনো নিয়োগকর্তার জন্য কাজ করা অনুমোদিত নয়।
প্রবাস
বাংলাদেশিসহ পাঁচ লাখ অভিবাসীকে বৈধতা দিল স্পেন
ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) অন্য দেশগুলো যখন সীমান্তে দেয়াল তুলছে, তখন স্পেন হাঁটছে ভিন্ন পথে। যখন আশপাশের দেশগুলো অভিবাসী বহিষ্কার নিয়ে আলোচনা করছে, তখন স্পেন অন্তর্ভুক্তির পথ বেছে নিয়েছে।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) স্পেন সরকার প্রায় পাঁচ লাখ অনিয়মিত অভিবাসীকে বৈধ করার ঘোষণা দিয়েছে। এতে স্পষ্ট হলো, যাদের এত দিন ‘অদৃশ্য’ বলা হতো, তারাই স্পেনের উন্নয়নের বড় চলনশক্তি।
এই প্রক্রিয়া দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য সরকার ‘রাজকীয় ডিক্রি’ বা বিশেষ নির্বাহী আদেশ জারি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ফলে আজ মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পরপরই কোনো দীর্ঘ সংসদীয় বিতর্ক ছাড়াই এটি কার্যকর হবে।
এই সিদ্ধান্ত শুধু নীতিগত পরিবর্তন নয়, বরং ইউরোপের কোনো একক দেশে নেওয়া সবচেয়ে বড় মানবিক ও অর্থনৈতিক উদ্যোগগুলোর একটি। এর মাধ্যমে স্পেন নিজেকে অভিবাসীবান্ধব দেশ হিসেবে আরও স্পষ্টভাবে প্রতিষ্ঠিত করল।
একবিংশ শতাব্দীতে ইউরোপের আর কোনো দেশ এত বড় পরিসরে অভিবাসীদের বৈধতার সুযোগ দেয়নি। আগে ইতালি বা গ্রিস সীমিত আকারে কিছু খাতে অভিবাসী নিয়মিতকরণ করলেও, স্পেনের এই ডিক্রি গৃহস্থালি কাজ থেকে শুরু করে হাই-টেক স্টার্টআপ—সব খাতের জন্য উন্মুক্ত। এমনকি ২০০৫ সালের বহুল আলোচিত ‘সাপাতেরো নিয়মিতকরণ’ কর্মসূচিকেও এটি ছাড়িয়ে গেছে।
বার্সেলোনা, মাদ্রিদ ও ভালেন্সিয়ার মতো শহরে বসবাসরত হাজার হাজার বাংলাদেশি, ভারতীয় ও পাকিস্তানি পরিবারের জন্য এই ডিক্রি বড় স্বস্তি নিয়ে এসেছে।
বর্তমানে স্পেনে প্রায় ৫০ হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি বসবাস করছেন বলে ধারণা করা হয়। তাদের একটি বড় অংশ দীর্ঘদিন ধরে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় কঠিন জীবন কাটাচ্ছিলেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই আইনের ফলে প্রায় ১৫ থেকে ২০ হাজার বাংলাদেশি সরাসরি উপকৃত হতে পারেন। পর্যটন, কৃষি ও খুচরা ব্যবসা খাতে কাজ করা এসব প্রবাসী এখন বৈধ শ্রম চুক্তি করতে পারবেন, সরকারি স্বাস্থ্যসেবা পাবেন এবং নির্বিঘ্নে দেশে পরিবারের কাছে যাতায়াত করতে পারবেন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে প্রায় ৫ লাখ ‘ছায়া শ্রমিক’ সুরক্ষিত নাগরিক জীবনে প্রবেশ করবেন।
স্পেন সরকারের এই সিদ্ধান্তের পেছনে রয়েছে অর্থনৈতিক বাস্তবতা। দেশটির কল্যাণ রাষ্ট্র টিকিয়ে রাখতে বিপুল সংখ্যক শ্রমিক প্রয়োজন। পাঁচ লাখ মানুষকে বৈধ করলে বছরে প্রায় দুই বিলিয়ন ইউরো কর ও সামাজিক নিরাপত্তা অনুদান সরকারি কোষাগারে যোগ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এই ডিক্রি বিশেষভাবে নির্মাণ শিল্প, বয়স্কদের যত্ন ও সেবা খাতের শ্রম সংকট কমাতে সহায়ক হবে। যেখানে দক্ষিণ এশীয় অভিবাসীরা আগে থেকেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছেন।
প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ ও পদেমোস দলের এই ‘রাজকীয় ডিক্রি’কে অনেকেই রাজনৈতিক মাস্টারস্ট্রোক হিসেবে দেখছেন। সংসদীয় ভোট এড়িয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ায় বিরোধীদের বাধা দেওয়ার সুযোগ কমে গেছে। ফলে অনিশ্চয়তায় থাকা পাঁচ লাখ মানুষের জন্য বৈধতার পথ প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই খুলে যাচ্ছে।
এমকে
পর্যটন
২১ জানুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্রে যেতে ‘ভিসা বন্ড’ দিতে হবে
আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশের নাগরিকদের মধ্যে যারা ব্যবসা বা পর্যটনের উদ্দেশ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যাবেন, তাদের সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হবে।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) ঢাকার মার্কিন দূতাবাস এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে।
বার্তায় জানানো হয়, ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশের নাগরিকদের মধ্যে যারা ব্যবসা বা পর্যটনের উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রের (বি১/বি২) ভিসার জন্য অনুমোদিত হবেন, তাদের সর্বোচ্চ ১৫,০০০ মার্কিন ডলার পর্যন্ত একটি ভিসা বন্ড জমা দিতে হবে। তবে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারির আগে ইস্যু করা বৈধ বি১/বি২ ভিসাধারীদের ক্ষেত্রে এই শর্ত প্রযোজ্য নয়।
বার্তায় আরও জানানো হয়, সাক্ষাৎকারের আগে বন্ড পরিশোধ করবেন না। আগাম বন্ড পরিশোধ করলে তা ভিসার নিশ্চয়তা দেয় না এবং তৃতীয় পক্ষের ওয়েবসাইট প্রতারণামূলক হতে পারে। সাক্ষাৎকারের আগে পরিশোধ করা কোনো অর্থই ফেরতযোগ্য নয়। ভিসার শর্তাবলি যথাযথভাবে অনুসরণ করলে বন্ডের অর্থ ফেরত দেওয়া হবে।
প্রবাস
কাতারে বাংলাদেশিদের সতর্ক করল দূতাবাস
কাতারে বাংলাদেশি প্রবাসীদের ইউরোপ ও আমেরিকার বিভিন্ন দেশে অভিবাসনের জন্য প্রলোভন দেখিয়ে বিপুল পরিমাণে অর্থ আত্মসাৎ করছে দেশটির বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিরা। এমন অভিযোগ পাওয়ার কথা জানিয়েছে দোহায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস।
এই বিষয়ে কাতারে বসবাসরত বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য বিশেষ সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ সতর্কবার্তা দিয়েছে কাতারের দোহায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, কিছু ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান ইউরোপ ও আমেরিকার স্বপ্নীল উন্নত জীবনের আশ্বাস দিয়ে নানা প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে বাংলাদেশিদের মধ্যে আগ্রহ সৃষ্টি করছে। পরবর্তী সময়ে এ প্রলোভনের বশবর্তী হয়ে অনেক কাতার প্রবাসী বাংলাদেশি বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে প্রতারিত ও সর্বস্বান্ত হচ্ছেন। ইতোমধ্যে অনেকে বাংলাদেশ দূতাবাসে এ বিষয়ে অভিযোগ দাখিল করেছেন।
দূতাবাস বলছে, এ প্রেক্ষিতে ইউরোপ ও আমেরিকার বিভিন্ন দেশে যাবার জন্য লোভের বশবর্তী হয়ে কোনও ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে যেকোনও পরিমাণ অর্থ প্রদানে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করার জন্য সবাইকে অনুরোধ জানানো হলো।
কাফি
প্রবাস
ফের বিশ্বের সেরা বিজ্ঞানীর তালিকায় অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করে আবারও বিশ্বের সেরা বিজ্ঞানীদের তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন মালয়েশিয়া প্রবাসী বাংলাদেশি বিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান।
গবেষণা, অ্যাকাডেমিক উৎকর্ষ ও বৈশ্বিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এডি সায়েন্টিফিক ইনডেক্স র্যাঙ্কিং ২০২৬-এ তিনি মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং শাখায় মালয়েশিয়ায় প্রথম, এশিয়ায় দ্বিতীয় এবং বিশ্বে সপ্তম স্থান অর্জন করেছেন।
সম্প্রতি প্রকাশিত এডি সায়েন্টিফিক ইনডেক্স ২০২৬ অনুযায়ী, ইঞ্জিনিয়ারিং ও টেকনোলজি/মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে বিশ্বের ৩৩ হাজার ৩৭১ জন বিজ্ঞানীর মধ্যে এই মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান অর্জন করেন অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান।
২০২৫ সালেও একই র্যাঙ্কিংয়ে তিনি বিশ্বে সপ্তম অবস্থানে ছিলেন, যা তার গবেষণায় ধারাবাহিক উৎকর্ষ ও স্থিতিশীল সাফল্যের সুস্পষ্ট প্রমাণ।
এছাড়া, স্কলারজিপিএস ২০২৫ অনুযায়ী টেকসই জ্বালানি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি গবেষণায় তিনি বিশ্বসেরা বিজ্ঞানী হিসেবে প্রথম স্থান অর্জন করেন। একই বছরে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও এলসেভিয়ারের যৌথ বিশ্লেষণে প্রকাশিত বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায়, মালয়েশিয়ার বিজ্ঞানীদের মধ্যে এনার্জি গবেষণায়ও তিনি প্রথম স্থান অধিকার করেন।
অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান সানওয়ে ইউনিভার্সিটি থেকে উদ্যোক্তা ও উদ্ভাবনে উৎকর্ষতা পুরস্কার এবং শিক্ষার্থীদের কৃতজ্ঞতা স্বীকৃতি (শিক্ষাদান) পুরস্কার লাভ করেন। পাশাপাশি, ২০২৫ সালের ওবাদা পুরস্কারে ‘বিশিষ্ট বিজ্ঞানী’ ক্যাটাগরিতে তিনি সম্মানিত হন। বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে এই পুরস্কার বিশ্বব্যাপী অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ। ২০২৫ সালে সারা বিশ্ব থেকে মাত্র আটজন বিশিষ্ট বিজ্ঞানী এই সম্মানে ভূষিত হন-যাদের মধ্যে অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান অন্যতম।
গুগল স্কলারে তথ্য অনুযায়ী, অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমানের এইচ-ইনডেক্স ১৪৫ এবং তার গবেষণায় ৮৬ হাজারেরও বেশি সাইটেশন রয়েছে। তিনি ময়মনসিংহ জেলার কৃতি সন্তান এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সাবেক শিক্ষার্থী।
বর্তমানে তিনি মালয়েশিয়ার স্বনামধন্য সানওয়ে ইউনিভার্সিটিতে অধ্যাপনা করছেন।
২০১৪ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত নিজ গবেষণা ক্ষেত্রে শীর্ষ ১ শতাংশ গবেষক হিসেবে অবস্থান করার জন্য তিনি ক্ল্যারিভেট অ্যানালিটিক্স কর্তৃক বিশ্বসেরা গবেষক হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেন। তার গবেষণা কার্যক্রম মালয়েশিয়ার উচ্চশিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃকও স্বীকৃত।
এমএক্সিন-ভিত্তিক ন্যানোম্যাটেরিয়াল গবেষণায় স্কোপাস ডেটা বিশ্লেষণে মালয়েশিয়ায় প্রথম স্থান এবং ন্যানোফ্লুইড গবেষণায় ওয়েব অব সায়েন্স অনুযায়ী বিশ্বে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন তিনি।
তরুণ গবেষকদের অনুপ্রাণিত করতে অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান তার ২৮ বছরের গবেষণা অভিজ্ঞতা অনলাইন সেমিনার, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং একটি ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে নিয়মিতভাবে শেয়ার করে যাচ্ছেন। পাশাপাশি, অসহায় ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের সহায়তায়ও তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন।
নিজ উদ্যোগে ১৫ লাখ মার্কিন ডলারের বেশি ব্যয়ে তিনি সানওয়ে ইউনিভার্সিটিতে একটি অত্যাধুনিক গবেষণাগার স্থাপন করেছেন। এই গবেষণাগারে জ্বালানি প্রযুক্তি, উন্নত উপাদান, এনার্জি স্টোরেজ, সৌর শক্তি এবং বিশুদ্ধ পানি উন্নয়ন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা পরিচালিত হচ্ছে।
জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশ সরকার তাকে বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (সিআইপি) সম্মাননা প্রদান করে।
এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি প্রসঙ্গে অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান বলেন, এই অর্জন কোনো একক ব্যক্তির নয়। শিক্ষার্থী, গবেষণা দল, সহকর্মী, প্রতিষ্ঠান ও অর্থায়নকারী সংস্থার সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলেই এই সাফল্য সম্ভব হয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, এই অর্জন শুধু একজন গবেষকের ব্যক্তিগত সাফল্য নয়; বরং এটি মালয়েশিয়ার উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার আন্তর্জাতিক অবস্থানকে আরও দৃঢ় করেছে। ভবিষ্যতেও শিক্ষা ও গবেষণায় নতুন নতুন মাইলফলক অর্জনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান।




