ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
নর্দান ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসি অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান
নর্দান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের (এনইউবি) ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমান।
রবিবার (২৩ নভেম্বর) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব (মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ) সুলতান আহমেদ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১০-এর ধারা ৩১ (১) অনুযায়ী অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমানকে চার বছরের জন্য ভাইস চ্যান্সেলর পদে নিয়োগ প্রদান করা হলো। তিনি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নির্ধারিত বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা ভোগ করবেন এবং সংশ্লিষ্ট আইনের সকল বিধান অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করবেন। আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
শিক্ষাজীবনে অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমান অসাধারণ কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগ থেকে অনার্সে রেকর্ড মার্কস নিয়ে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হন। কানাডার ডালহৌসি ইউনিভার্সিটি থেকে তিনি ফাইন্যান্স ও মার্কেটিং-এ ডাবল মেজরসহ এমবিএ সম্পন্ন করেন, যেখানে তিনি শীর্ষ ১ শতাংশ গ্র্যাজুয়েটদের মধ্যে (সর্বোচ্চ গ্রেড নিয়ে) অবস্থান করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগ থেকে মাস্টার্সে প্রথম শ্রেণিতে দ্বিতীয় এবং একই বিভাগ থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
দীর্ঘ ৩৫ বছরের একাডেমিক ক্যারিয়ারে অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগে তিন বছর চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। একই সঙ্গে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্বাচিত সিন্ডিকেট সদস্য, সিনেট সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে কিছু সময়ে ডিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। দেশের শীর্ষ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়—নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়, আইইউবি-সহ একাধিক প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিন অ্যাডজাঙ্কট ফ্যাকাল্টি হিসেবে পাঠদান করেছেন।
গবেষণা ও প্রকাশনায় তিনি নিজস্ব অবস্থান সুদৃঢ় করেছেন। ৪টি বিদেশি আর্টিকেল, তিনটা রিসার্চ মনোগ্রাফসহ ৩৫টিরও বেশি প্রকাশনা রয়েছে তার। ড. মো. মিজানুর রহমানের তত্ত্বাবধানে একাধিক শিক্ষার্থী এমফিল এবং পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি দীর্ঘদিন যাবত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মার্কেটিং অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সহসভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
শিক্ষাক্ষেত্রের পাশাপাশি শিল্প-খাতেও তার সক্রিয় ভূমিকা রয়েছে। তিনি বিভিন্ন নামিদামি প্রতিষ্ঠানের স্বতন্ত্র পরিচালক এবং স্ট্র্যাটেজিক অ্যাডভাইজার হিসেবে কাজ করেন। বিভিন্ন সময় তিনি ঢাকার বেশ কিছু প্রখ্যাত কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি/সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি নর্থ সাউথ সোসাইটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা আজ, মানতে হবে ৫ নির্দেশনা
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২৫-এর লিখিত পরীক্ষা আজ শুক্রবার অনুষ্ঠিত হবে। বিকেল ৩টা থেকে ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত এই লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
তিন পার্বত্য জেলা ছাড়া দেশের সব জেলায় একযোগে এই পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে। এ পরীক্ষায় অংশ নেবেন ১০ লাখ ৮০ হাজার ৮০ জন পরীক্ষার্থী। কেন্দ্রে প্রবেশসহ একাধিক বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।
পরীক্ষার্থীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা
প্রবেশের সময়: পরীক্ষা বিকেল ৩টায় শুরু হলেও পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই অন্তত ১ ঘণ্টা আগে (দুপুর ২টার মধ্যে) কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে। দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে কেন্দ্রের সব প্রবেশপথ বন্ধ করে দেওয়া হবে। এরপর আর কোনো প্রার্থীকে ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হবে না।
কান উন্মুক্ত রাখা: ব্লুটুথ বা কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস শনাক্ত করতে এবার পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ শর্ত দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষা চলাকালে পরীক্ষার্থীদের উভয় কান উন্মুক্ত রাখতে হবে। তল্লাশির সময় প্রয়োজনে টর্চলাইট দিয়ে কান পরীক্ষা করা হবে।
নিষিদ্ধ সামগ্রী: কেন্দ্রে মোবাইল ফোন, ক্যালকুলেটর, স্মার্ট ওয়াচ, যেকোনো ধরনের ঘড়ি, পার্টস বা কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস বহন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এসব সামগ্রী পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক বহিষ্কার ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র: পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য রঙিন প্রিন্ট করা প্রবেশপত্র ও মূল জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সঙ্গে আনা বাধ্যতামূলক। উত্তরপত্র (ওএমআর) পূরণে অবশ্যই কালো কালির বলপয়েন্ট কলম ব্যবহার করতে হবে।
সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা সম্পন্ন করতে প্রতিটি কেন্দ্রে ১৪৪ ধারা জারি থাকবে। নিয়োগের নামে কোনো অসাধু চক্রের সঙ্গে লেনদেন না করার জন্য প্রার্থীদের সতর্ক করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
জকসু নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ হয়েছে: ভিপি প্রার্থী রাকিব
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) নির্বাচনে পরাজয়ের পর ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ছাত্রদল সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান প্যানেলের ভিপি প্রার্থী এ কে এম রাকিব। তিনি নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ বলে অভিহিত করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
ফেসবুক পোস্টে রাকিব বলেন, একটি অবাধ, সুষ্ঠু এবং স্বচ্ছ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রার্থী হিসেবে আমি হেরে গেলেও, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী হিসেবে বুক ফুলিয়ে বলতে পারি অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো জগন্নাথেও ছাত্র সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে, এটাই আমার গর্ব।
তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই আমার লক্ষ্য ছিল শিক্ষার্থীদের স্বার্থে কাজ করা। নির্বাচিত প্রতিনিধিরা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করে যাবেন এটাই আমার প্রত্যাশা।
এ সময় তিনি বিজয়ী প্রতিনিধিদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, জকসু নির্বাচনে জয়ী সব প্রার্থীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
প্রসঙ্গত, গতকাল মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত জকসু নির্বাচনে শিবির সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেল থেকে ৫,৫৫৮ ভোট পেয়ে ভিপি নির্বাচিত হন রিয়াজুল ইসলাম। অন্যদিকে, ছাত্রদল সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান’ প্যানেলের ভিপি প্রার্থী এ কে এম রাকিব পেয়েছেন ৪,৬৮৮ ভোট।
এমকে
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
‘স্থায়ী বহিষ্কার’ হচ্ছেন ঢাবির আওয়ামীপন্থী চার শিক্ষক
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আওয়ামীপন্থী চার শিক্ষককে স্থায়ী বহিষ্কারের সুপারিশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেট। অভিযুক্ত চার শিক্ষককেএক সপ্তাহের মধ্যেকারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দিন আহমদ।
অভিযুক্ত চার শিক্ষক হলেন- অধ্যাপক জিনাত হুদা, অধ্যাপক আ ক ম জামাল উদ্দিন, অধ্যাপক সাদেকা হালিম ও অধ্যাপক মশিউর রহমান।
এমকে
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
জকসুতে শিবির সমর্থিত প্যানেলের নিরঙ্কুশ জয়
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনে ছাত্রশিবির সমর্থিত অদম্য জবিয়ান ঐক্য প্যানেলের ভিপি, জিএস, এজিএস পদে নিরঙ্কুশ জয়লাভ করেছে।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাত ১১ টা ৩০ মিনিটে কেন্দ্রীয় সংসদের ৩৮ কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড . কানিজ ফাতিমা কাকলী ।
৩৮ কেন্দ্রের ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে শিবির সমর্থিত অদম্য জবিয়ান ঐক্য প্যানেলের ভিপি রিয়াজুল ইসলাম ৫৫৬৪ ভোট পেয়ে জয়লাভ করে। তার নিকটতম ছাত্রদল সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ নির্ভিক জবিয়ান প্যানেলের ভিপি প্রার্থী এ কেএম রাকিব পেয়েছেন ৪৬৮৮ ভোট। তাদের দুজনের মধ্যে ভোটের ব্যবধান ৮৮০ টি।
সাধারন সাধারন (জিএস) পদে শিবির সমর্থিত অদম্য জবিয়ান ঐক্য প্যানেলের আব্দুল আলিম আরিফ পেয়েছেন ৫৪৭০ ভোট। তার নিকটতম ছাত্রদল সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ নির্ভিক জবিয়ান প্যানেলের জিএস প্রার্থী খাদিজাতুল কুবরা পেয়েছেন ২২০৩ ভোট। ছাত্রদলের জিএস থেকে ৩২৬৭ ভোট বেশি পেয়েছে শিবির সমর্থিত ভিপি প্রার্থী।
এজিএস পদে শিবির সমর্থিত অদম্য জবিয়ান ঐক্য প্যানেলের মাসুদ রানা পেয়েছেন ৫০০২ ভোট। তার নিকটতম ছাত্রদল সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ নির্ভিক জবিয়ান প্যানেলের এজিএস প্রার্থী বিএম আতিকুর তানজিল পেয়েছেন ৩৮৬৮ ভোট।
এমকে
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
জকসু নির্বাচন: ২৬ কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা, এগিয়ে ছাত্রশিবির
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে ২৬টি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের রিয়াজুল ইসলাম ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের এ কে এম রাকিবের চেয়ে ৩৫১ ভোটে এগিয়ে আছেন।
ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, ভিপি পদে শিবির সমর্থিত রিয়াজুল ইসলাম পেয়েছেন ৩৩৬৪ ভোট। অন্যদিকে ছাত্রদল সমর্থিত একে এম রাকিব পেয়েছেন ৩০১৩ ভোট।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় জকসুর ৩৯ কেন্দ্রের মধ্যে ২৬ কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশনার ড. আনিসুর রহমান, অধ্যাপক ড. শহিদুল ইসলাম ও অধ্যাপক ড. জুলফিকার মাহমুদ।
এদিকে জিএস এবং এজিএস পদে মোট ভোটে এগিয়ে রয়েছে ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল। জিএস পদে ছাত্রশিবিরের আব্দুল আলিম আরিফ ৩৪৮৯ এবং ছাত্রদলের খাদিজাতুল কুবরা ১৩৭৯ ভোট পেয়েছেন।
এজিএস পদে শিবিরের মাসুদ রানা ৩১০৬ এবং ছাত্রদলের বি এম আতিকুর রহমান তানজিল ২৬৭৭ ভোট পেয়েছেন।
জকসু নির্বাচনের শুরু থেকেই হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পূর্বাভাস পাওয়া গেছে। আগের ২২ কেন্দ্রের ঘোষিত ফলাফলে এগিয়ে ছিলেন ছাত্রদলের রাকিব। তবে পরবর্তী কেন্দ্রগুলোর ফলাফলে ব্যবধান কমিয়ে লিড নেন রিয়াজুল।
নির্বাচন কমিশন সূত্রমতে, হল সংসদে ৭৫ শতাংশ এবং কেন্দ্রীয় সংসদে ৬৫ শতাংশ ভোট পড়েছে। পরে সন্ধ্যা ৬টার দিকে ভোট গণনা শুরু হলেও প্রায় সাড়ে ৩ ঘণ্টা পর টেকনিক্যাল কারণে তা বন্ধ হয়ে যায়। পরে আবারও শুরু হয় গণনা।
এমকে




