রাজনীতি
তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহালের রায় ফ্যাসিস্ট তৈরির পথ রুদ্ধ করবে: রিজভী
নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহালের রায় ফ্যাসিস্ট তৈরির পথ রুদ্ধ করবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) রাজধানীর খামারবাড়িতে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ মিলনায়তনে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’র উদ্যোগে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে নিহত ও আহত পরিবার এবং দুস্থ-অসহায় ও নির্যাতিত পরিবারের মাঝে চিকিৎসা সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘গণতন্ত্রের পথচলায় কেউ যেন নতুন করে ফ্যাসিস্ট হয়ে না উঠতে পারে, সেজন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহালের রায় ইতিবাচক হিসেবে কাজ করবে। ক্ষমতায় টিকে থাকতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করেছিলেন শেখ হাসিনা। তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহালের রায় ফ্যাসিস্ট তৈরির পথ রুদ্ধ করবে।’
তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনা মানবতা ধারণ করতে পারেননি বলে নিষ্ঠুরতা দেখিয়েছেন। তিনি যে নিষ্ঠুরতা করেছেন বাংলাদেশে, কেউ আর এমন নিষ্ঠুরতা করতে পারেনি। তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহাল হওয়ায় ন্যায় ও গণতন্ত্রের পথে বড় অগ্রগতি এসেছে। এ রায় অত্যন্ত ইতিবাচক। এই রায়ের মাধ্যমে গণতন্ত্রের প্রাণভোমরা আবারও পুনরুজ্জীবিত হয়েছে। ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী করতেই আওয়ামী লীগ তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা বাতিল করেছিল।’
তিনি আরও বলেন, ‘ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠা হলে সেই সরকারের কোনো মানবতা থাকে না। তাই শেখ হাসিনার মধ্যে মানবিক আচরণ ছিল না। রাষ্ট্রক্ষমতায় তিনি কঠোর ও নিষ্ঠুরতা প্রদর্শন করেছেন।’
তারেক রহমানের জন্মদিন পালন না করার সিদ্ধান্তের বিষয়ে বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, ‘তারেক রহমান গতবারও জন্মদিন পালন করেননি। এবারও তিনি নির্দেশ দিয়েছেন যাতে তার জন্মদিন পালন না করা হয়। কত মানুষ অসুস্থ ক্ষুধার্ত, অভাবের তাড়নায় কিংবা হাসপাতালের বিল পরিশোধ করতে না পেরে মা তার সন্তানকে বিক্রি করে দিচ্ছে। এ অবস্থায় কীভাবে জন্মদিন পালন করবেন তারেক রহমান। একজন জাতীয় নেতা তিনি। দেশের মানুষ কীভাবে রয়েছে, জনগণ কীভাবে থাকে সে বিষয়টি তিনি মনের গভীর থেকে উপলব্ধি করতে পারেন বলেই তিনি জাতীয় নেতা। মানুষকে কষ্টে রেখে তিনি জন্মদিন পালন করতে চাননি। ‘আমরা বিএনপি পরিবার’র মাধ্যমে তিনি অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন। তাদের নানাভাবে সহায়তা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। যদি বিএনপি ক্ষমতায় আসে, তাহলে তারেক রহমানের মানবিক ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের পরিধি আরও বাড়বে।’
অনুষ্ঠানে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’র প্রধান পৃষ্ঠপোষক তারেক রহমানের পক্ষ থেকে অর্ধশতাধিক অসহায় পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়।
এমকে
রাজনীতি
২০ বছর পর চট্টগ্রাম যাচ্ছেন তারেক রহমান
দীর্ঘ ২০ বছর ৭ মাস পর আগামী ১৮ জানুয়ারি চট্টগ্রামে যাচ্ছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সেদিন সন্ধ্যায় নগরের ঐতিহাসিক জমিয়তুল ফালাহ মসজিদে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিলে অংশ নেবেন।
বিএনপির নেতারা জানিয়েছেন, তারেক রহমানের এই সফর সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক। তিনি কোনো নির্বাচনি প্রচারণা বা রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন না।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ১৮ জানুয়ারি সকালে তারেক রহমান বিমানে ঢাকা থেকে কক্সবাজার যাবেন। সেখানে শহীদ ছাত্রদল নেতা ওয়াসিম আকরামের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। এরপর তিনি সড়কপথে চট্টগ্রামে যাবেন। সফরকালে কোথাও কোনো পথসভা, জনসমাবেশ বা বক্তব্যের কর্মসূচি নেই।
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, দীর্ঘ সময় পর তারেক রহমান চট্টগ্রামে আসছেস এ খবরে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। ১৮ জানুয়ারি সন্ধ্যায় জমিয়তুল ফালাহ মসজিদে দোয়া মাহফিলে অংশ নেওয়ার পর তিনি চট্টগ্রামেই রাত্রিযাপন করবেন। ১৯ জানুয়ারির কর্মসূচি সম্পর্কে এখনো কোনো নির্দেশনা পাওয়া যায়নি।
নগর বিএনপির একাধিক নেতা মনে করছেন, তারেক রহমানের এই সফর সাংগঠনিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এতে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা তৈরি হবে, যা আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থীদের জন্য ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
এর আগে সর্বশেষ ২০০৫ সালের ৬ মে চট্টগ্রাম সফর করেছিলেন তারেক রহমান। প্রায় দুই দশক পর তার এই আগমনকে কেন্দ্র করে নগর বিএনপির বিভিন্ন স্তরে প্রস্তুতি ও আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
রাজনীতি
সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে মুছাব্বির হত্যা: মির্জা ফখরুল
অন্তর্বর্তী সরকারকে বেকায়দায় ফেলতেই স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক নেতা আজিজুর রহমান মুছাব্বিরকে হত্যা করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে এক শোক বার্তায় এ প্রতিক্রিয়া জানান তিনি। দুষ্কৃতকারীদের দ্বারা সংঘটিত অমানবিক ও নৃশংস এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন মির্জা ফখরুল।
শোক বার্তায় বিএনপি মহাসচিব বলেন, ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আওয়ামী স্বৈরাচারী শাসকগোষ্ঠীর পতনের পর দুস্কৃতিকারিরা আবারো দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টিসহ নৈরাজ্যের মাধ্যমে ফায়দা হাসিলের অপতৎপরতায় লিপ্ত হয়েছে। দুষ্কৃতকারীদের নির্মম ও পৈশাচিক হামলায় ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান মুছাব্বির নিহতের ঘটনা সেই অপতৎপরতারই নির্মম বহিঃপ্রকাশ।
তিনি বলেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারকে বেকায়দায় ফেলতেই এ ধরনের লোমহর্ষক ঘটনার বারবার পুনরাবৃত্তি ঘটানো হচ্ছে। তাই এসব দুষ্কৃতকারীকে কঠোর হস্তে দমনের বিকল্প নেই।
তিনি আরও বলেন, গণতন্ত্র ও মানুষের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠাসহ দেশের মানুষের জানমাল রক্ষায় দল-মত-নির্বিশেষে সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। না হলে ওত পেতে থাকা আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের দোসররা মাথাচাড়া দিয়ে দেশের অস্তিত্ব বিপন্ন করতে মরিয়া হয়ে উঠবে।
বিএনপি মহাসচিব শোক বিবৃতিতে আজিজুর রহমান মুছাব্বিরকে হত্যাকারী দুষ্কৃতকারীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানান। একই সঙ্গে নিহতের রুহের মাগফিরাত কামনাসহ শোকার্ত পরিবার-পরিজনদের প্রতি গভীর সহমর্মিতা জ্ঞাপন করেন।
এর আগে, গতকাল বুধবার রাত ৮টার কিছু পরে ঢাকায় কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউতে হোটেল সুপারস্টারের পাশে আহসানউল্লাহ টেকনোলজি ইনস্টিটিউটের গলিতে তাকে গুলি করা হয়। এ সময় তার সঙ্গে থাকা তেজগাঁও থানার ভ্যানশ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আবু সুফিয়ান ব্যাপারি মাসুদও গুলিবিদ্ধ হন।
স্থানীয়রা দুজনকে উদ্ধার করে বিআরবি হাসপাতালে নিয়ে গেলে মুছাব্বিরকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। পরে এ ঘটনায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে তেজগাঁও থানায় মামলা করেন তার স্ত্রী সুরাইয়া বেগম।
এমকে
রাজনীতি
যুক্তরাষ্ট্রে খালেদা জিয়ার নামে সড়কের নামকরণ
তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নামে যুক্তরাষ্ট্রে একটি সড়কের নামকরণ করা হয়েছে। ‘খালেদা জিয়া স্ট্রিট’ নামে এ সড়ক দেশটির মিশিগান অঙ্গরাজ্যে অবস্থিত। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিএনপি মিডিয়া সেল এ তথ্য নিশ্চিত করে।
শহর কর্তৃপক্ষের এ সিদ্ধান্তকে বাংলাদেশের ইতিহাস, নেতৃত্ব এবং গণতন্ত্রের প্রতি এক অনন্য স্বীকৃতি হিসেবে দেখছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা।
মূলত, হ্যামট্রমিক সিটির জোসেফ ক্যাম্পাও এবং কোনাল্ট স্ট্রিটের মধ্যবর্তী অংশটি খালেদা জিয়ার নামে নামকরণের প্রস্তাবটি সম্প্রতি সিটি কাউন্সিল অনুমোদন দেয়। প্রবাসীদের মতে, এটি কেবল একটি সড়কের নতুন পরিচয় নয়, বরং বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংগ্রামের এক আন্তর্জাতিক দলিল।
অবশ্য যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে বাংলাদেশের কোনো নেতার নামে রাস্তার নামকরণ এবারই প্রথম নয়। এর আগে শিকাগো শহরে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নামে একটি সড়কের নামকরণ করা হয়েছিল।
এমকে
রাজনীতি
শনিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন তারেক রহমান
আগামী শনিবার দেশের জাতীয় পর্যায়ের গণমাধ্যমগুলোর সম্পাদক ও সাংবাদিকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় রাজধানীর বনানীতে হোটেল শেরাটনের গ্র্যান্ড বলরুমে এ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠিত হবে।
বিএনপির দলীয় সূত্র জানায়, জাতীয় সংবাদপত্র, রেডিও, টেলিভিশন, সংবাদ সংস্থা ও অনলাইন গণমাধ্যমের সম্পাদক এবং সাংবাদিকদের সম্মানে এ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানের আয়োজন করছে বিএনপি।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সই করা এক আমন্ত্রণ বার্তায় গণমাধ্যমের সম্পাদক ও সাংবাদিকদের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য আন্তরিক আহ্বান জানানো হয়েছে।
আমন্ত্রণ বার্তায় বলা হয়, নানান বাস্তবতার কারণে বিগত কয়েক বছর ধরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে দেশের গণমাধ্যম সম্পাদক, সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীদের সরাসরি দেখা-সাক্ষাৎ কিংবা শুভেচ্ছা বিনিময়ের সুযোগ হয়নি। সেই প্রেক্ষাপটে দীর্ঘ সময় পর জাতীয় পর্যায়ের গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি এ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে।
বিএনপির পক্ষ থেকে আশা প্রকাশ করা হয়েছে, এ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে গণমাধ্যমের সঙ্গে দলটির পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও যোগাযোগ আরও সুদৃঢ় হবে।
রাজনীতি
ঋণখেলাপিরা সংসদে গেলে ঋণ মেরে দেওয়ার আইন বানাবে: হাসনাত
ঋণ খেলাপিরা সংসদে গেলে ঋণ মেরে দেওয়ার আইন বানাবে বলে মন্তব্য করেছেন এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ৬ নম্বর ফতেহাবাদ ইউনিয়নের জয়পুর চাঁন মিয়া সুপার মার্কেটে শহীদ ওসমান হাদির রুহের মাগফেরাত কামনা করে মিলাদ ও দোয়ার মাহফিলে তিনি এই মন্তব্য করেন।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, “রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে আমরা নতুন কিছু প্রত্যাশা করেছিলাম। কিন্তু আমরা দেখলাম ঋণখেলাপিদের মনোনয়ন দিতে। এই ঋণখেলাপিদের সংসদে পাঠিয়ে আসলে তারা জনগণকে কী বার্তা দিতে চায়, সেটা আমাদের বোধগম্য নয়। যারা জনগণের টাকা মেরে দিচ্ছে, যারা ট্যাক্সের টাকা মেরে দিচ্ছে, তারা সংসদে গিয়ে মূলত তাদের এই ঋণ যেন না দিতে হয়, সেই বন্দোবস্ত তারা করবে। সংসদ সদস্য হয়ে তারা যেন ঋণটাকে মেরে দিতে পারে, এই ধরনের আইন বানাবে। সেজন্য ব্যালটের মধ্য দিয়ে ঋণখেলাপিদের ‘না’ বলতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের দেশে ভারতীয়রা গুণ্ডামি চালিয়েছিল। ভারত থেকে বসে ঠিক করে দিয়েছে, আমাদের দেশটা কে চালাবে। বিভিন্ন ব্যাংকের মতো এজেন্ট দিয়েছে। যাকে এজেন্ট দেওয়া হয়েছিল, সেই এজেন্ট মালিকের কথামতো দেশ চালিয়েছিল। যখন পারে নাই, তখন এজেন্টকে মালিক সরিয়ে নিয়ে গেছে।’
মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে জামায়াত ও এনসিপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
এমকে




