রাজনীতি
বিএনপিসহ ১২ দলের সঙ্গে ইসির বৈঠক আজ
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এরই অংশ হিসেবে আজ রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপিসহসহ ১২ দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংলাপ বসতে যাচ্ছে ইসি।
বুধবার (১৯ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত জামায়াতে ইসলামী, বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টি (বিএমজেপি), ইনসানিয়াত বিপ্লব, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), গণসংহতি আন্দোলন ও জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের (এনডিএম) সঙ্গে সংলাপে বসবে ইসি।
পরে দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিএনপি, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি), গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি), নাগরিক ঐক্য, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি (বিআরপি) ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) এর সঙ্গে মতবিনিময় করবে সংস্থাটি
গত ১৭ নভেম্বর ইসির জনসংযোগ শাখার সহকারী পরিচালক মো. আশাদুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার, রোববার ও সোমবার দুই সেশনে ১২টি করে মোট ৩৬টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সঙ্গে নির্বাচনি সংলাপ করেছে ইসি।
প্রসঙ্গত, নতুন দুটি দল নিয়ে বর্তমানে ৫৫টি নিবন্ধিত দল রয়েছে। এর বাইরে আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত ও তিনটির নিবন্ধন বাতিল রয়েছে।
রাজনীতি
নাহিদের রাজনৈতিক কার্যালয়ে গুলির ঘটনা ‘সত্য নয়’
রাজধানীর বাড্ডা এলাকায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের রাজনৈতিক কার্যালয়ে কোনো ধরনের গুলির ঘটনা ঘটেনি। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) তার নির্বাচনি কার্যালয়ের পার্শ্ববর্তী ভবনে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বাড্ডা থানায় নতুন অফিসার ইনচার্জ (ওসি)। তিনি জানিয়েছেন, গতকাল মঙ্গলবার রাতে চাঁদা না পেয়ে দুই রাউন্ড গুলির ঘটনা ঘটছে।
এবিষয়ে নাহিদ ইসলাম জানিয়েছেন, নির্বাচনি অফিসে গুলির ঘটনা রাজনৈতিক নয়। এরসঙ্গে কোনো রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নেই।
এবিষয়ে এনসিপির নির্বাচনি মিডিয়া উপ-কমিটির প্রধান মাহাবুব আলম বলেন, বাড্ডায় ৩৮ নং ওয়ার্ড এনসিপির সাংগঠনিক অফিসের পাশে গতকাল গুলির ঘটনা ঘটেছে। এটি নির্বাচনি অফিস বা নাহিদ ইসলাম এর অফিস নয়। ঘটনার সাথে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা নেই বলে আমাদের মনে হচ্ছে।
রাজনীতি
সুখবর পেলেন বিএনপির ১৩ নেতা
দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে দীর্ঘ সময় দলের বাইরে থাকার পর অবশেষে বড় সুখবর পেলেন বিএনপির ১৩ জন নেতা। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে তাদের ওপর আরোপিত বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের কথা জানানো হয়েছে। নেতাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে দলের হাইকমান্ড তাদের পুনরায় দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সকল পর্যায়ের পদ ফিরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এই সিদ্ধান্তের ফলে মেহেরপুর জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক জুলফিকার আলী ভুট্টো এবং সিলেট জেলা মহিলা দলের সাবেক সহসভাপতি খোদেজা রহিম কলি আবারও আনুষ্ঠানিকভাবে দলীয় রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার সুযোগ পেলেন। এছাড়া রংপুরের পীরগাছা উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক শাহ মো. ফরহাদ হোসেন অনুও তার হারানো পদ ফিরে পেয়েছেন। মূলত সাংগঠনিক ভিত শক্তিশালী করতেই তৃণমূলের এসব নেতাদের পুনরায় দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
বগুড়া জেলা বিএনপির বড় একটি অংশ এই সুখবরের তালিকায় রয়েছেন। যার মধ্যে নন্দীগ্রাম উপজেলা ও পৌর বিএনপির সাবেক দুই সভাপতি মো. এ কে আজাদ এবং মো. কামরুল হাসান জুয়েলের নাম রয়েছে। কাহালু ও গাবতলী উপজেলার বিভিন্ন ইউনিটের একাধিক নেতাও তাদের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের চিঠি পেয়েছেন। আবেদনের পর দলের প্রতি তাদের আনুগত্য যাচাই করেই এই ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় কমিটি।
বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার হওয়া এই নেতারা এখন থেকে দলের নীতি ও আদর্শ মেনে সাধারণ নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে কাজ করতে পারবেন। এই ঘোষণার পর সংশ্লিষ্ট জেলা ও উপজেলাগুলোতে তৃণমূলের কর্মীদের মধ্যে আনন্দ ও উৎসাহ লক্ষ্য করা গেছে।
রাজনীতি
তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করলেন সানজিদা তুলি
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ঢাকা-১৪ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার সানজিদা ইসলাম তুলি। ‘মায়ের ডাক’ নামক ভুক্তভোগী পরিবারের সংগঠনের সমন্বয়ক তিনি।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) গুলশানে বিএনপির চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বিএনপির মিডিয়া উইং থেকে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বৈঠকে দেশের সার্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং ঢাকা-১৪ আসন নিয়ে পলিসিভিত্তিক আলোচনা হয়।
বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, এ সময় সানজিদা ইসলাম তুলিকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দিয়েছেন তারেক রহমান।
এমকে
রাজনীতি
জামায়াতসহ ১১ দলীয় সমঝোতার চূড়ান্ত ঘোষণা বিকালে
জামায়াতসহ ১১ দলীয় নির্বাচনি সমঝোতার চূড়ান্ত ঘোষণা আসছে আজ। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বিকেল চারটার দিকে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে যৌথ সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ ঘোষণা দেওয়ার কথা রয়েছে।
জামায়াতে ইসলামীর একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তবে গতকাল মঙ্গলবার মধ্যরাত পর্যন্ত এ বিষয়ে সাংবাদিকদের আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। আজ বুধবার সকালে সংবাদ সম্মেলন বিষয়ে গণমাধ্যমকে আমন্ত্রণ জানানো হতে পারে বলে জানা গেছে।
এর আগে মঙ্গলবার দিনভর ১১ দলের আসন সমঝোতা নিয়ে একাধিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এসব বৈঠকে জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসসহ শরিক বিভিন্ন দলের নেতারা অংশ নেন। বৈঠকে বেশির ভাগ দলের আসন চূড়ান্ত করা হলেও ইসলামী আন্দোলনের আসন প্রাপ্তি নিয়ে এখনো কিছু অসন্তোষ রয়ে গেছে বলে জানা গেছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ক্ষেত্রেও কয়েকটি বিষয়ে সমাধান বাকি রয়েছে।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, এসব বাকি বিষয় চূড়ান্ত করতে আজ দুপুরের আগেই আরেক দফা বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। ওই বৈঠকে সমঝোতা সম্পন্ন হলে বিকেলে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ১১ দলীয় নির্বাচনি সমঝোতার ঘোষণা দেওয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানসহ ১১ দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।
এমকে
রাজনীতি
প্রতিটি হত্যার বিচার হতে হবে এ মাটিতে: মির্জা ফখরুল
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদি, ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান মুছাব্বির এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী এস এম শাহরিয়ার আলম সাম্য হত্যার বিচার নিয়ে ফেসবুকে আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ পোস্ট দেন তিনি।
পোস্টে তিনি লেখেন, আজ ঢাকা এয়ারপোর্টে নামলাম। সঙ্গে আমার স্ত্রী! একটি তরুণ তার স্ত্রীকে নিয়ে এগিয়ে এলো আমার দিকে।
‘স্যার, আপনারা ক্ষমতায় এলে, জাস্টিস ফর হাদি!’
বিএনপি মহাসচিব আরও লেখেন, একটি ছেলে, একদম তরুণ, যে ছিল গণতন্ত্রের পক্ষে, নির্বাচন নিয়ে কী উচ্ছ্বাস, প্রচারণা চালাচ্ছিল, তাকে এভাবে হত্যা করা হলো! এর বিচার হতেই হবে, মুবাসসির, সাম্য- প্রতিটি হত্যার বিচার হতে হবে এ মাটিতে। ইনশাআল্লাহ।
এমকে



