পুঁজিবাজার
মার্জিন রুলসের রিটের রিকল আগামীকাল
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) মার্জিন বিধিমালা, ২০২৫ বিষয়ে রিটের শুনানি শেষে ইনজাংশন জারি করেছে হাইকোর্ট। একইসঙ্গে সকল ফোর্স সেল কার্যক্রম স্থগিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে রায়ের আধা ঘণ্টা পরে আদেশের ওপর রিকল বা পুনঃশুনানি দিন ধার্য করা হয়। এবিষয়ে শুনানি শেষে আগামীকাল (মঙ্গলবার) রায় ঘোষণা হবে।
আজ সোমবার (১৭ নভেম্বর) এনেকস ৩৪ নং কোর্টে শুনানি শেষে বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজীর নেতৃত্বাধীন দ্বৈত বেঞ্চে আলোচিত এই রুলের বিষয়ে শুনানি হয়।
বিনিয়োগকারীদের পক্ষে এডভোকেট মো. কামাল হোসেন রিটের শুনানিতে অংশ নেন। তিনি অর্থসংবাদকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, বিএসইসি মার্জিন বিধিমালা, ২০২৫ বিষয়ে আজ শুনানি শেষে আদালত রুল ও ইনজাংশন জারি করে। সকল ফোর্স সেল কার্যক্রম স্থগিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে আরও বিস্তারিত শুনানি জন্য আজকের আদেশের আধা ঘণ্টার মধ্যে রিকল করা হয়। আগামীকাল (মঙ্গলবার) এবিষয়ে রায় ঘোষণা হবে।
বিএসইসির করা নতুন মার্জিন আইনে বলা হয়েছিলো-
(১) মার্জিন অর্থায়নকারী স্টক এক্সচেঞ্জের মূল বোর্ডে তালিকাভুক্ত ‘এ’ এবং ‘বি’ ক্যাটাগরির শেয়ারসমূহ ব্যতিত অন্য কোনো সিকিউরিটিতে মার্জিন অর্থায়ন করিতে পারিবে না। তবে শর্ত থাকে যে, ‘বি’ ক্যাটাগরিভুক্ত কোনো কোম্পানি বার্ষিক ন্যূনতম ৫ শতাংশ লভ্যাংশ বিতরণ না করিলে ‘বি’ ক্যাটাগরির কোনো শেয়ার ক্রয়ের নিমিত্ত মার্জিন অর্থায়ন করা যাইবে না।
আরও শর্ত থাকে যে, মার্জিন অর্থায়নকৃত ‘এ’ এবং ‘বি’ ক্যাটাগরির কোনো শেয়ার পরবর্তীতে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে রূপান্তরিত হইলে, বা ‘বি’ ক্যাটাগরিভুক্ত কোনো কোম্পানি বার্ষিক ন্যূনতম ৫% লভ্যাংশ প্রদান না করিলে, মার্জিন অর্থায়নকারী সংশ্লিষ্ট গ্রাহককে অনতিবিলম্বে নোটিশ প্রদান করত: তৎপরবর্তী ৬০ (ষাট) ট্রেডিং দিবসের মধ্যে উক্ত শেয়ারসমূহ আবশ্যিকভাবে বিক্রয় করিয়া উহা সমন্বয় করিবে।
(২) উপবিধি (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, স্টক এক্সচেঞ্জ এর এসএমই, এটিবি বা ওটিসি প্ল্যাটফর্ম বা বোর্ডে তালিকাভুক্ত কোনো সিকিউরিটিতে মার্জিন অর্থায়ন করা যাইবে না;
(৩) এই বিধিমালা কার্যকর হইবার কারণে বিদ্যমান মার্জিন হিসাবে রক্ষিত কোনো সিকিউরিটি মার্জিন অর্থায়ন অযোগ্য (non-marginable) সিকিউরিটিতে রূপান্তরিত হইলে, মার্জিন অর্থায়নকারী সংশ্লিষ্ট গ্রাহককে অনতিবিলম্বে নোটিশ প্রদান করত: তৎপরবর্তী ৬ (ছয়) মাসের মধ্যে, উক্ত সিকিউরিটি আবশ্যিকভাবে বিক্রয় করিয়া উক্ত হিসাব সমন্বয় করিবে; ব্যাখ্যা। এই উপবিধিতে “বিদ্যমান মার্জিন হিসাব” বলিতে এই বিধিমালা সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হইবার পূর্বের কোনো মার্জিন হিসাবকে বুঝাইবে।
১১ নং ধারায় মার্জিন অর্থায়নে বিধি-নিষেধে বলা হয়েছে- কোনো ‘মার্জিন অর্থায়নকারী’ নিম্নোক্ত বিধি-নিষেধ বা শর্তাবলি আবশ্যিকভাবে পরিপালন না করিয়া কোনো মার্জিন অর্থায়ন করিতে পারিবে না, যথা:
(১) কোনো গ্রাহকের হিসাবে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজে, মার্জিন অর্থায়ন দিবসের অব্যবহিত পূর্বের ০১ (এক) বছর গড়ে, ন্যূনতম ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকার বিনিয়োগ না থাকিলে, উক্ত হিসাবে মার্জিন অর্থায়ন করা যাইবে না। তবে শর্ত থাকে যে, মার্জিন অর্থায়নের পর কোনো মার্জিন হিসাবে (margin account) মার্জিন অর্থায়নযোগ্য সিকিউরিটি ব্যতিত অন্য কোনো সিকিউরিটি সংরক্ষণ করা যাইবে না;
(২) উপবিধি (১) পরিপালন সাপেক্ষে, মার্জিন অর্থায়ন দিবসে উক্ত হিসাব বা পোর্টফোলিওতে ন্যূনতম ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকা বা সমমূল্যের মার্জিন সংরক্ষিত না থাকিলে, কোনো ভাবেই, উক্ত হিসাবে মার্জিন অর্থায়ন করা যাইবে না: তবে শর্ত থাকে যে, বিদ্যমান গ্রাহকের মার্জিন হিসাবে ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকার কম পোর্টফোলিও মূল্য বা বিনিয়োগ থাকিলে, এই বিধিমালা সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হইবার ১ (এক) বছরের মধ্যে উক্ত মার্জিন হিসাবের পোর্টফোলিও ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকায় উন্নীত করিতে হইবে, নতুবা মার্জিন অর্থায়নকারী উল্লিখিত গ্রাহকের মার্জিন হিসাব সমন্বয় করত: উহা বন্ধ করিবে; ব্যাখ্যা। “বিদ্যমান গ্রাহক” বলিতে এই বিধিমালা সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হইবার পূর্বের মার্জিন হিসাবধারী কোনো গ্রাহককে বুঝাইবে।
(৩) মার্জিন অর্থায়নের জন্য বিবেচ্য সিকিউরিটির উন্মুক্ত বাজার মূলধন ন্যূনতম ৫০ (পঞ্চাশ) কোটি টাকা না হইলে উহাতে কোনো মার্জিন অর্থায়ন করা যাইবে না: তবে শর্ত থাকে যে, কোনো কারণে মার্জিন অর্থায়নকৃত কোনো সিকিউরিটি’র উন্মুক্ত বাজার মূলধন পরবর্তীতে ৫০ (পঞ্চাশ) কোটি টাকার নিচে নামিয়া গেলে, মার্জিন অর্থায়নকারী সংশ্লিষ্ট গ্রাহককে অনতিবিলম্বে নোটিশ প্রদান করত: তৎপরবর্তী ৬০ (ষাট) ট্রেডিং দিবসের মধ্যে, উক্ত সিকিউরিটি আবশ্যিকভাবে বিক্রয় করিয়া উহা সমন্বয় করিবে:
আরও শর্ত থাকে যে, মার্জিন অর্থায়নযোগ্য সিকিউরিটির উন্মুক্ত বাজার মূলধন (free float market capital), স্টক এক্সচেঞ্জ, উহার ওয়েবসাইটে নিয়মিতভাবে প্রকাশ করিবে;
(৪) মার্জিন অর্থায়নের জন্য বিবেচ্য সিকিউরিটির পূর্ববর্তী মূল্য-আয় [trailing P/E (price earning ratio)] অনুপাত ৩০ (ত্রিশ) এর অধিক হইলে উহাতে কোনো মার্জিন অর্থায়ন করা যাইবে না:
তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত বিবেচ্য সিকিউরিটির মূল্য-আয় (পি/ই) অনুপাত ৩০ (ত্রিশ) বা খাতভিত্তিক মধ্যম মূল্য-আয় অনুপাত এর দ্বিগুণ, যাহা কম হয়, তাহার ভিত্তিতে মার্জিন অর্থায়নযোগ্য সিকিউরিটি নির্বাচন করিতে হইবে;
(৫) মার্জিন অর্থায়নের জন্য পূর্ববর্তী মূল্য-আয় অনুপাত নির্ধারণের ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত পন্থা অবলম্বন করিতে হইবে: পূর্ববর্তী মূল্য-আয় অনুপাত সিকিউরিটির সর্বশেষ ট্রেডিং দিবসের সমাপনী মূল্য ভাগ (1) সর্বশেষ ধারাবাহিক ০৪ (চার) প্রান্তিকের শেয়ার প্রতি আয় এর যোগফল: তবে শর্ত থাকে যে, মার্জিন অর্থায়নের জন্য বিবেচ্য সিকিউরিটি নির্ধারণের সুবিধার্থে স্টক এক্সচেঞ্জ, মূল্য-আয় অনুপাত উহার ওয়েবসাইটে নিয়মিতভাবে প্রকাশ করিবে:
আরও শর্ত থাকে যে, সংশ্লিষ্ট সিকিউরিটির মূল্য-আয় অনুপাত বা খাতভিত্তিক মূল্য-আয় অনুপাত নির্ধারণের ক্ষেত্রে শেয়ার প্রতি ঋণাত্মক আয়কে কোনো ভাবেই বিবেচনা করা যাইবে না;
(৬) কোনো ইস্যুয়ার কোম্পানির নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণীতে, নিরীক্ষকের প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট কোম্পানি বা ব্যবসার অস্তিত্বের হুমকি বা এইরূপ ঝুঁকি উল্লেখপূর্বক বিরূপ মন্তব্য প্রদত্ত হইলে, উক্ত সিকিউরিটি বা ইস্যুয়ার কোম্পানির শেয়ার ক্রয়ের নিমিত্ত কোনো মার্জিন অর্থায়ন করা যাইবে না: তবে শর্ত থাকে যে, নিরীক্ষকের প্রতিবেদনে উক্তরূপ ঝুঁকির উল্লেখ থাকিলে, স্টক এক্সচেঞ্জ, উহা নিয়মিতভাবে ওয়েবসাইটে প্রকাশ করিবে;
(৭) কোনো সিকিউরিটি ইস্যুয়ার কোম্পানির ব্যবসায় কার্যক্রম সম্পূর্ণরূপে বন্ধ থাকিলে, উক্ত সিকিউরিটি বা ইস্যুয়ার কোম্পানির শেয়ার ক্রয়ের নিমিত্ত কোনো মার্জিন অর্থায়ন করা যাইবে না: তবে শর্ত থাকে যে, কোনো কোম্পানির ব্যবসায় কার্যক্রম বন্ধ সংক্রান্ত কোনো তথ্য থাকিলে, স্টক এক্সচেঞ্জ, উহা নিয়মিতভাবে ওয়েবসাইটে প্রকাশ করিবে;
(৮) কোনো স্টক এক্সচেঞ্জ কর্তৃক উহার তালিকাভুক্ত কোনো সিকিউরিটিকে ‘এন’, ‘জেড’, ও ‘জি’, ক্যাটাগরিভুক্ত করা হইলে উহাদিগতে কোনো মার্জিন অর্থায়ন করা যাইবে না;
(৯) কোনো স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত নয় বা অ-তালিকাভুক্ত কোনো সিকিউরিটিতে কোনো মার্জিন অর্থায়ন করা যাইবে না;
(১০) মার্জিন অর্থায়নকারী বা উহার উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ইস্যুকৃত তালিকাভুক্ত বা অ-তালিকাভুক্ত কোনো সিকিউরিটিতে কোনো মার্জিন অর্থায়ন করা যাইবে না: তবে শর্ত থাকে যে, গ্রাহকের নিজস্ব তহবিল বা জমাকৃত অর্থে উক্ত সিকিউরিটি ক্রয়ের ক্ষেত্রে এই বাধা-নিষেধ প্রযোজ্য হইবে না;
(১১) কোনো পাবলিক অফার বা রাইট ইস্যুতে অংশ গ্রহণের নিমিত্ত কোনো মার্জিন হিসাবধারীর অনুকূলে কোনো মার্জিন অর্থায়ন করা যাইবে না;
(১২) কোনো তালিকাভুক্ত কোম্পানির কোনো পরিচালককে, কোনো অবস্থাতেই, স্বীয় কোম্পানির কোনো শেয়ার ক্রয়ের নিমিত্ত মার্জিন অর্থায়ন করা যাইবে না; এবং
(১৩) কোনো অবস্থাতেই গ্রাহকের লককৃত বা বন্ধকীকৃত বা আবদ্ধকৃত বা কোনো তালিকাভুক্ত কোম্পানির পরিচালক কর্তৃক ধারণকৃত কোনো শেয়ার বা সিকিউরিটিকে মার্জিন হিসেবে জমা রাখিয়া কোনো মার্জিন অর্থায়ন করা যাইবে না।
এসএম
পুঁজিবাজার
বিএটি’র লভ্যাংশ ঘোষণা
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি বৃটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ কোম্পানি লিমিটেড (বিএটি) গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। কোম্পানিটি আলোচিত বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ৩০ শতাংশ লভ্যাংশ দেবে। এর পুরোটাই নগদ লভ্যাংশ।
সোমবার (২ মার্চ) অনুষ্ঠিত কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে সর্বশেষ হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর লভ্যাংশ সংক্রান্ত এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ডিএসই সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
সর্বশেষ বছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১০ টাকা ৮১ পয়সা, যা আগের বছর ৩২ টাকা ৪২ পয়সা ছিল।
গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ১০২ টাকা ৫০ পয়সা।
আগামী ৩০ এপ্রিল কোম্পানিটির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এর জন্য রেকর্ড তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ১ এপ্রিল।
পুঁজিবাজার
মাকসুদ বিদায়, বিএসইসির নতুন চেয়ারম্যান হচ্ছেন ফরিদুল ইসলাম
প্রাক্তন সিনিয়র সচিব ড. মো: ফরিদুল ইসলামকে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেয়ার আভাস পাওয়া গেছে।
শিগগিরই নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগের প্রজ্ঞাপণ জারি হবে। অর্থমন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ এ বিষয়ে আদেশ জারি হচ্ছে। মন্ত্রণালয় সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
দেশের পুঁজিবাজারের ইতিহাসে এক কলঙ্কজনক অধ্যায়ের সমাপ্তি হচ্ছে। খন্দকার রাশেদ মাকসুদের স্বৈরাচারী আচরণে দেশের শেয়ারবাজার তলানিতে পৌঁছেগেছে। ব্যর্থ মাকসুদ কমিশনের বিচারের দাবীতে গত দেড় বছর বিনিয়োগকারীদের আন্দোলন অবশেষে আলোরমুখ দেখেছে বলে বাজার সংশ্লিষ্টরা ধন্যবাদ জানিয়েছে বর্তমান সরকারকে।
এমএন
পুঁজিবাজার
মাকসুদ কমিশন অপসারণের আভাসে শেয়ারবাজারে বড় উত্থান
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (বিএসইসি) বড় পরিবর্তনের আভাস দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বর্তমান সরকার বাংলাদেশ ব্যাংকে পরিবর্তন এনেছে এবং বীমা উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান পদত্যাগ করেছেন। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে প্রথম কার্যদিবসে শেয়ারবাজারে বড় ধস নামলেও, বিএসইসিতে পরিবর্তনের জোরালো আভাসে দ্বিতীয় কার্যদিবসে ঘুরে দাঁড়িয়েছে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার।
সোমবার (২ মার্চ) সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন আত্মবিশ্বাস দেখা গেছে।
সূত্র মতে, এদিন দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৭২ পয়েন্ট বেড়ে ৫৫৩৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। যা আগের কার্যদিবসে সূচকটি ১৩৯ পয়েন্ট হারিয়েছিল। আজ লেনদেন হওয়া ৩৯৪টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৩৪০টির বা ৮৬ শতাংশের বেশি কোম্পানির শেয়ার দর বেড়েছে।
সূত্র মতে, আজ ডিএসইতে ৭৭৯ কোটি ৯৫ লাখ ৯১ হাজার টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিলো ৭৭৫ কোটি ৫৬ লাখ ৯৯ হাজার টাকা। এ হিসেবে লেনদেন বেড়েছে ৪ কোটি ৩৯ লাখ টাকার বা ১ শতাংশ।
সূত্র মতে, এদিন ডিএসইতে মোট ৩৯৪টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। লেনদেনে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ৩৪০টির, কমেছে ৪২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১২টি।
অপরদিকে, সোমবার (২ মার্চ) চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) মূল্য সূচকের ইতিবাচক প্রবণতায় লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন সিএসইতে লেনদেন হওয়া ১৯৭ টি কোম্পানির মধ্যে ১৩৯টি কোম্পানির শেয়ারের দর বৃদ্ধি পেয়েছে, কমেছে ৪৪টি এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৪টি। এদিন সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১৪৯ পয়েন্ট বেড়ে ১৫৫০০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। টাকার অংকে লেনদেন হয়েছে ১৯ কোটি ৪৫ লাখ টাকার শেয়ার।
যা আগের কার্যদিবসে সিএসইতে ১২ কোটি ৭৮ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছিল। আর সূচক সিএএসপিআই ২৪৬ পয়েন্ট কমেছিল।
বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এরই মধ্যে কয়েক দফায় বিএসইসিতে পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছেন। এরই মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক ও আইডিআরএ-তে পরিবর্তন আসায় এখন বিএসইসি পুনর্গঠনের বিষয়টি সময়ের ব্যাপার মাত্র। ‘মাকসুদ কমিশন’ অপসারিত হচ্ছে—এমন জোরালো খবরেই বিনিয়োগকারীরা আবার শেয়ার ক্রয়ে সক্রিয় হয়েছেন।
এমএন
পুঁজিবাজার
ব্লক মার্কেটে ৪৩ কোটি টাকার লেনদেন
সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে প্রধান ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে মোট ৩৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এদিন ব্লক মার্কেটে ৪৩ কোটি ২৭ লাখ ৯৭ হাজার টাকার লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, সোমবার (০২ মার্চ) কোম্পানিগুলোর মোট ৮৮ লাখ ৪৫ হাজার ৩৮১টি শেয়ার ৭৩ বারে লেনদেন হয়েছে। যার আর্থিক মূল্য ৪৩ কোটি ২৭ লাখ ৯৭ হাজার টাকা।
ব্লক মার্কেটে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে ওরিয়ন ইনফিউশন লিমিটেডের ১১ কোটি ২৩ লক্ষ ৪০ হাজার টাকার, দ্বিতীয় স্থানে রেনাটা পিএলসির ৮ কোটি ২৩ লাখ ৩৫ হাজার টাকার এবং তৃতীয় স্থানে আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ৪ কোটি ২৬ লাখ ৪০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।
এমএন
পুঁজিবাজার
দরপতনের শীর্ষে রহিমা ফুড কর্পোরেশন
সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে দরপতনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে রহিমা ফুড কর্পোরেশন লিমিটেড।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্রমতে, সোমবার (০২ মার্চ) রহিমা ফুড কর্পোরেশন লিমিটেডের শেয়ার দর ৯ টাকা ৫ পয়সা বা ৭ শতাংশ কমেছে। এর ফলে কোম্পানিটি দরপতনের শীর্ষে অবস্থান করেছে।
দরপতনের এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ছিল আজিজ পাইপস লিমিটেড। কোম্পানিটির শেয়ার দর ১ দশমিক ৬৯ শতাংশ কমেছে। আর তৃতীয় স্থানে থাকা ইনফর্মেশন সার্ভিসেস নেটওয়ার্ক লিমিটেডের শেয়ারদর ৩ দশমিক ০৫ শতাংশ কমেছে।
এছাড়াও, ডিএসইতে দরপতনের শীর্ষ দশে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হলো- ইনটেক লিমিটেড, রেনউইক যঞ্জেশ্বর অ্যান্ড কোম্পানি, আইসিবি এমপ্লোয়ি প্রোভিডেন্ট মিউচুয়াল ফান্ড ওয়ান, গ্রামীন ওয়ান, ব্র্যাক ব্যাংক, শ্যামপুর সুগার মিলস লিমিটেড এবং বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসির দরপতন হয়েছে।
এমএন




