জাতীয়
আগুন-ককটেল হামলাকারীকে গুলির নির্দেশ ডিএমপি কমিশনারের
জানমালের ঝুঁকি তৈরি হয় এমনভাবে কেউ যদি গাড়িতে আগুন দিতে বা ককটেল নিক্ষেপ করতে উদ্যত হয়, তাহলে পুলিশকে গুলি চালাতে নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মোহাম্মদ সাজ্জাদ আলী।
রবিবার (১৬ নভেম্বর) দুপুরে ওয়্যারলেস বার্তার মাধ্যমে এই নির্দেশনা জারি করা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন ডিএমপি কমিশনার নিজেই।
গণমাধ্যমকে বলেন, ‘হ্যাঁ, আমি এমন নির্দেশই দিয়েছি। কেউ যদি বাসে আগুন দেয় বা ককটেল ছোড়ে এবং পুলিশকে আক্রমণ করে, তাহলে তারা কী চুপচাপ বসে থাকবে?’
জুলাই অভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনার বিচারের রায় ঘনিয়ে আসায় ১০ থেকে ১৩ নভেম্বর বিক্ষোভ ও ‘ঢাকা লকডাউন’ কর্মসূচি দেয় কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা থাকা আওয়ামী লীগ।
উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের কমিশনার একই ধরনের নির্দেশনা দেওয়ার পাঁচদিন পর ডিএমপি কমিশনার এই নির্দেশ দিলেন।
জাতীয়
ইসিতে তৃতীয় দিনের আপিল শুনানি চলছে
নির্বাচন কমিশনে (ইসি) শুরু হয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে করা আপিলের শুনানি। সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় দ্বিতীয় দিনের আপিল শুনানি শুরু হয়েছে। যা চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আজ ১৪১-২১০ নম্বর আপিল শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। আর মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) ২১১ থেকে ২৮০ নম্বর আপিলের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। এতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের প্রার্থীরা রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরতে পারবেন।
এর আগে গত শনিবার আপিল শুনানির প্রথম দিনে ১ থেকে ৭০ নম্বর আপিলের শুনানি শেষ করা হয়। এরমধ্যে মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল মঞ্জুরের সংখ্যা ৫১টি এবং মনোনয়নপত্র গ্রহণের বিরুদ্ধে আপিল মঞ্জুরের সংখ্যা ১টি। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী এস এ কে একরামুজ্জামানের মনোনয়নপত্র গ্রহণের বিরুদ্ধে আপিল মঞ্জুর হওয়ায় ওই প্রার্থীর (এস এ কে একরামুজ্জামান) মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। আর ১৫টি আবেদন নামঞ্জুর হয়েছে এবং ৩টি আবেদন অপেক্ষমাণ রাখা হয়েছে।
এরপর রোববার (১১ জানুয়ারি) দ্বিতীয় দিনের আবেদনের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। দ্বিতীয় দিনে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ৭০ জনের আপিল শুনানি করেছে। এরমধ্যে ৫৭ জনের আপিল মঞ্জুর করেছে ইসি।
আরও জানা গেছে, নানা কারণে ৭ জনের আপিল নামঞ্জুর করেছে এবং ৬ জনের আপিল পেন্ডিং রাখা হয়েছে। পেন্ডিং তালিকায় থাকাদের বিভিন্ন সময় দেওয়া হয়েছে। এছাড়া শনিবার বিবেচনাধীন থাকা মুন্সীগঞ্জ–৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মহিউদ্দিনের আপিল মঞ্জুর হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। এরপর ২১ জানুয়ারি রিটার্নিং কর্মকর্তারা চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দ দেবেন। নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি এবং প্রচার চালানো যাবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার, সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।
এমকে
জাতীয়
দায়িত্ব ছাড়ার পর যে ৩ কাজ করবেন প্রধান উপদেষ্টা
আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের পর বিজয়ী দলের হাতে ক্ষমতা তুলে দেবেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তারপর তিনি কি করবেন- জনমনে এমন নানান প্রশ্ন রয়েছে। তবে, জাপানের প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের সহধর্মিনী আকিয়ে আবের সঙ্গে বৈঠককালে সেই পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন ড. ইউনূস।
রোববার (১১ জানুয়ারি) বিকেলে প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার জানান, রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বৈঠককালে আকিয়ে আবে প্রধান উপদেষ্টার কাছে নির্বাচন পরবর্তী সময়ের পরিকল্পনা জানতে চেয়েছিলেন।
জবাবে প্রধান উপদেষ্টা জানান, তিনি মূলত তিনটি বিষয়ে ফোকাস করে নির্বাচন পরবর্তীসময়ে উনার কাজ করবেন। সেগুলো হলো-
প্রথমত: ডিজিটাল হেলথকেয়ার ডেভেলপমেন্ট বিষয়ে কাজ করবেন, যেন স্বাস্থ্যসেবায় দেশের ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর নারীদের প্রবেশাধিকার বাড়ে। এছাড়া প্রবাসী বাংলাদেশিরা ডিজিটাল পদ্ধতির মাধ্যমে যেন তাদের পরিবারের সদস্যদের স্বাস্থ্যসেবার খোঁজখবর রাখতে পারেন সে ব্যবস্থা করবেন।
দ্বিতীয়ত: তরুণ উদ্যোক্তা তৈরির যে কাজটি তিনি করে চলেছেন সেটি করবেন।
তৃতীয়ত: থ্রি জিরো নিয়ে যে কাজ করছেন সেটি অব্যাহত রাখবেন।
প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আরও বলেন, আততায়ীর গুলিতে নিহত জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার অত্যন্ত সুসম্পর্ক ছিল। সাক্ষাৎকালে প্রধান উপদেষ্টা তাদের সম্পর্কের স্মৃতিচারণ করেন।
বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনের পর মার্চের তৃতীয় সপ্তাহে সাসাকাওয়া ফাউন্ডেশনের আমন্ত্রণে তিনি জাপান সফর করবেন। এই ফাউন্ডেশন বিশেষত ওশিয়ান রিসার্চ নিয়ে গবেষণা করে। তিনি সেখানে একটি কনফারেন্সে যোগ দেবেন এবং এ বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে কিভাবে কোলাবরেশন বাড়ানো যায় তা নিয়ে কথা বলবেন।
এমকে
জাতীয়
আজ ঢাকায় আসছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত
বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন আজ ঢাকায় পৌঁছাবেন। ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের ১৮তম রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।সোমবার (১২ জানুয়ারি) বিকাল ৫টা ৪৫ মিনিটে কাতার এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তার পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
রোববার (১১ জানুয়ারি) গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে ঢাকাস্থ যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসসহ ইমিগ্রেশন সূত্র। বিমানবন্দরে নতুন রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানাতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাসহ যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন। ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিন শূন্য থাকা রাষ্ট্রদূতের পদ পূর্ণ হতে যাচ্ছে তার আগমনে।
এর আগে গত ৯ জানুয়ারি বিকালে ওয়াশিংটনে শপথ নেন বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত হিসেবে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। তিনি ওয়াশিংটনে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে শপথ নেন। যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবস্থাপনা ও সম্পদবিষয়ক উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইকেল জে রিগাস তাকে শপথবাক্য পড়ান।
গত সেপ্টেম্বরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনকে বাংলাদেশে রাষ্ট্রদূত হিসেবে মনোনয়ন দেন। ডিসেম্বরে সিনেট তার মনোনয়ন অনুমোদন করে। সিনেটের অনুমোদন পেয়ে ক্রিস্টেনসেন লিংকডইনে এক পোস্টে বলেন, ‘বাংলাদেশের পরবর্তী রাষ্ট্রদূত হিসেবে সিনেটের অনুমোদন পেয়ে আমি সম্মানিত বোধ করছি এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।’
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, ক্রিস্টেনসেন মার্কিন পররাষ্ট্র সেবার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এবং সিনিয়র ফরেন সার্ভিস কাউন্সেলের সদস্য। তিনি ২০১৯ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কাউন্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২২ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত তিনি যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্র্যাটেজিক কমান্ডের বৈদেশিক নীতি উপদেষ্টা ছিলেন। তার অন্যান্য কর্মস্থলের মধ্যে ম্যানিলা, সান সালভাদর, রিয়াদ ও হো চি মিন সিটি উল্লেখযোগ্য। তিনি ন্যাশনাল ওয়ার কলেজ থেকে ন্যাশনাল সিকিউরিটি স্ট্র্যাটেজিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
এর আগে ঢাকায় সর্বশেষ মার্কিন রাষ্ট্রদূত ছিলেন পিটার হাস। তিনি ২০২২ সালের মার্চ থেকে ২০২৪ সালের এপ্রিল পর্যন্ত বাংলাদেশে দায়িত্ব পালন করেন। পিটার হাসের পর ঢাকায় মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পদটি শূন্য ছিল। এ সময়ে চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্সের রুটিন দায়িত্ব পালন করছেন ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসন।
এমকে
জাতীয়
‘হ্যাঁ’ ভোটে সিল দিতে ফটোকার্ড প্রকাশ করল সরকার
আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটে সিল মারার জন্য উৎসাহ দিতে ফটোকার্ড প্রকাশ করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। আজ রবিবার প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর থেকে এক বিজ্ঞপ্তি বার্তায় ফটোকার্ড প্রকাশের কথা জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তি বার্তায় বলা হয়েছে, রবিবার (১১ জানুয়ারি) থেকে আগামী ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত আটটি ফটোকার্ড শেয়ার করা হবে। গণভোটের প্রচারণার অংশ হিসেবে এই কার্যক্রম চালু করা হয়েছে।
ফটোকার্ডে লেখা রয়েছে, ‘আমাদের সবার স্বপ্নের বাংলাদেশ বাস্তবে গড়ার জন্য হ্যাঁ-তে সিল দিন।’
এর আগে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদ নিয়ে গণভোটের বিষয়ে সারা দেশে প্রচার কার্যক্রমের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে ১০টি সুপার ক্যারাভ্যান। গত ২২ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ভোটের গাড়ির উদ্বোধন করা হয়।
এসব গাড়ি ৬৪ জেলা ও ৩০০ উপজেলায় ঘুরে বেড়াবে।
তারা মানুষের দুয়ারে দুয়ারে গিয়ে নির্বাচন ও গণভোট সম্পর্কে তথ্য পৌঁছে দেবে বলে উদ্বোধনের সময় বার্তা দেওয়া হয়।
জাতীয়
হলফনামায় অপ্রদর্শিত সম্পদের মালিকরা শাসক হতে পারে না: দুদক চেয়ারম্যান
নির্বাচনী হলফনামায় প্রদর্শিত হয়নি এমন সম্পদের মালিকদের আগামী দিনে শাসক হিসেবে দেখতে চাই না বলে মন্তব্য করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন।
রোববার (১১ জানুয়ারি) দুদকের সাংবাদিকদের সংগঠন রিপোর্টার্স অ্যাগেইনস্ট করাপশন (র্যাক)-এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
র্যাকের সভাপতি শাফি উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক তাবারুল হকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে দুদক কমিশনার মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাফিজ আহ্সান ফরিদ এবং সচিব মোহাম্মদ খালেদ রহীম উপস্থিত ছিলেন।
২০০৮ সালের নির্বাচনের উদাহরণ টেনে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘আপনাদের মনে করিয়ে দিই ২০০৮ সালের নির্বাচনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হলফনামায় সম্পদের যে বিবরণী দিয়েছিলেন এবং বাস্তবে আমরা যে সম্পত্তি পেয়েছি, তার মধ্যে ছিল বিস্তর ব্যবধান। সেই সময় যদি দুর্নীতি দমন কমিশন এবং নির্বাচন কমিশন সঠিকভাবে কাজ করত, তাহলে তখনই তার প্রার্থিতা বাতিল হওয়ার কথা ছিল; কিন্তু সেটি হয়নি।’
মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দেওয়া হলফনামার তথ্য যাচাইয়ের জন্য সাংবাদিকদের সহযোগিতা চেয়ে ড. আবদুল মোমেন বলেন, ‘স্বল্প সময়ে আমাদের পক্ষে অত সূক্ষ্মভাবে কাজ করা কঠিন। আপনারা যদি কোনো ব্যক্তির সম্পদের বিষয়ে সন্দিহান হন, তবে অনুগ্রহ করে সেই তথ্য সবার আগে আমাদের দিন। আপনারা নিজেরাও তো অনুসন্ধানকারী। অনুসন্ধান করে আমাদের সহায়তা করুন। আমরা চাইব না হলফনামায় প্রদর্শিত হয়নি, এমন সম্পদের মালিক আগামী দিনে শাসক হিসেবে আসুক।’
রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রত্যাশা ব্যক্ত করে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, সবার জন্য সুশাসন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা আমাদের লক্ষ্য। একটি ন্যায়নিষ্ঠ ও সুবিচারসম্পন্ন রাষ্ট্র গঠনের জন্য দুর্নীতি নিরসন জরুরি। আমাদের প্রত্যাশা থাকবে, আগামীতে যারা শাসক হবেন তারা যেন অবশ্যই ন্যায়নিষ্ঠ হন।
এমকে




