রাজনীতি
প্রধান উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ জানাল বিএনপি
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের দেওয়া ভাষণে ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন ও গণভোটের ঘোষণা পুনর্ব্যক্ত করায় তাকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বিএনপি।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠক শেষে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথমার্ধে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঘোষণা পুনর্ব্যক্ত করেছেন এবং সংসদ নির্বাচনের দিন গণভোট আয়োজনের ঘোষণাও দিয়েছেন। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় স্থায়ী কমিটির সভা এ ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছেন ও প্রধান উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
মির্জা ফখরুল আরও বলেন, সভায় ১৭ অক্টোবর ঐক্যমতের ভিত্তিতে স্বাক্ষরিত ‘জুলাই জাতীয় সনদ’র ওপর জনগণের সম্মতি গ্রহণের জন্য গণভোট অনুষ্ঠানের আহ্বান জানানো হয়েছে।
একইসঙ্গে যত দ্রুত সম্ভব জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের জন্য সরকার ও নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রতি আহ্বান জানিয়েছে স্থায়ী কমিটি।
রাজনীতি
পলাতক আ. লীগ নেতা একরামুজ্জামানের মনোনয়ন বৈধ, প্রতিবাদে বিক্ষোভ
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য ‘পলাতক’আওয়ামী লীগ নেতা সৈয়দ এ. কে. একরামুজ্জামানের দাখিল করা মনোনয়নপত্রটি বৈধ ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।
শুক্রবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা শারমিন আক্তার জাহান যাচাই-বাছাই শেষে তার মনোনয়নপত্রটি বৈধ ঘোষণা করেন। এ ঘটনার প্রতিবাদে নাসিরনগরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
একরামুজ্জামানের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ছাত্র-জনতার ওপর হামলা এবং হত্যা মামলা রয়েছে। নির্বাচন কার্যালয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তিনি এক সময় বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ছিলেন।
তবে দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে ২০২৪ সালের দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশ নেওয়ায় তাকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়। ওই নির্বাচনে জয়লাভ করার পর তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে আওয়ামী লীগে যোগ দেন। ২০২৪ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বোটক্লাবে তৎকালীন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীর উপস্থিতিতে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি দলটিতে যোগ দেন।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে দাখিল করা হলফনামায় একরামুজ্জামান উল্লেখ করেছেন, তার বিরুদ্ধে বর্তমানে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানা, নাসিরনগর, যাত্রাবাড়ী এবং উত্তরা পূর্ব ও পশ্চিম থানায় মোট সাতটি মামলা তদন্তাধীন রয়েছে। এসব মামলার বেশিরভাগই জুলাই গণঅভ্যুত্থান সংশ্লিষ্ট।
এদিকে একরামুজ্জামানের মনোনয়ন বাতিলের দাবি জানিয়েছিলেন ওই আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও নাসিরনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হান্নান। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, একরামুজ্জামান সাতটি মামলার পলাতক আসামি। এছাড়া তিনি একটি বিতর্কিত রাজনৈতিক অবস্থানের লোক। একজন পলাতক আসামি কীভাবে নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন? আমরা এটি বাতিলের জন্য লিখিত অভিযোগ দিয়েছিলাম।
নাসিরনগর থানার ওসি মো. শাহীনূর ইসলাম জানান, নাসিরনগর থানার মামলায় একরামুজ্জামান জামিন নেননি। তিনি কাগজে-কলমে পলাতক আছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা শারমিন আক্তার জাহান বলেন, সব কাগজপত্র সঠিক থাকায় একরামুজ্জামানের মনোনয়নপত্রটি বৈধ ঘোষণা করা হয়। অপর প্রার্থীর লিখিত অভিযোগ নির্বাচন কমিশনে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে আপত্তি থাকলে আপিল করার সুযোগ রয়েছে।
রাজনীতি
পদত্যাগ করলেন এনসিপির আরেক নেত্রী, জানালেন কারণ
এবার জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন সৈয়দা নীলিমা দোলা নামে এক নেত্রী। শনিবার (৩ জানুয়ারি) বিকেলে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়ে পদত্যাগপত্রও সঙ্গে যুক্ত করেছেন তিনি। ফরিদপুর অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে দলটিতে ছিলেন সৈয়দা নীলিমা দোলা।
এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে ঐক্য গঠনের মধ্য দিয়ে দলটির একাধিক নেত্রী পতত্যাগ করেন। এবার সেই মিছিলে যুক্ত হলেন ফরিদপুর জেলার মহিলা লীগের সভাপতির মেয়ে সৈয়দা নীলিমা দোলা।
পদত্যাগপত্রে সৈয়দা নীলিমা দোলা লিখেছেন, জাতীয় নাগরিক পার্টির সকল দায়িত্ব ও পদ থেকে পদত্যাগ করছি। আমি মনে করি, এনসিপির পক্ষে এখন আর মধ্যপন্থী রাজনীতির নতুন পথ সৃষ্টি সম্ভব নয়। এতদিন আমি এনসিপির সঙ্গে ছিলাম কারণ আমি মনে করেছিলাম, দলটি জুলাই পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনীয় রাষ্ট্রীয় সংস্কারের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করবে। তবে সম্প্রতি দলটির নানা সিদ্ধান্তের পর আমার কাছে এটুকু স্পষ্ট, এই দলটি সম্পূর্ণভাবে ডানপন্থী ঘরানায় ঢুকে পড়ছে এবং সেই ধারার রাজনীতিকেই তারা পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছে। জামায়াতের সাথে এনসিপির যে নির্বাচন কেন্দ্রিক জোট তা কোনো কৌশলগত জোট নয়, যদি হতো তাহলে এত নেতাকর্মী পদত্যাগ করতো না। দলের নেতাকর্মীদের চোখে ধূলো দিয়ে এই জোট করা হয়েছে এবং মনোনয়ন দেবার নাম করে তীব্র প্রতারণা করা হয়েছে।
‘‘পদত্যাগ করার পর সাধারণত দলে থেকে যাওয়াদের অনেকে এমনটা বলেন যে, ক্ষমতা ও গুরুত্ব দেওয়ার পরেও আমরা চলে গেলাম কেন? তাই দলের সকলের স্বার্থে জানিয়ে রাখি, আমাকে কেউ কোনো ক্ষমতা দেয়নি বরং আমার প্রগতিশীল মানসিকতা এবং নিজের ব্যক্তিগত ক্যারিয়ারের পরিচয় এনসিপিকে শক্তি যুগিয়েছে এতোদিন। যারা পদত্যাগ করছেন তাদের বামপন্থী বলে ফ্রেমিং করাটাও একটা গেইম প্ল্যানেরই অংশ বলে আমি মনে করি। কেননা, এতে করে জামায়াতের কাছে দল বিক্রি করা সহজ। বামপন্থীরা বেরিয়ে যাচ্ছে কেন এই পাল্টা প্রশ্ন আমি করতে চাই। তাহলে কী যারা রয়ে গেলো সকলেই ডানপন্থী? আপনারা না একটা সেন্ট্রিস্ট দল?’’
পদত্যাগপত্রে সৈয়দা নীলিমা দোলা আরো লিখেছেন, ‘‘একটি বিষয় বলা দরকার, আমি এনসিপিতে আসার আগেও রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক স্পেসে গুরুত্বপূর্ণ অনেক কাজ করেছি। এনসিপিতে আসার পরেও করেছি।
সুতরাং দলের সাথে আদর্শিক জায়গা ছাড়া আমার আদান-প্রদান খুবই সীমিত। বর্তমান পরিস্থিতিতে মনে হচ্ছে, আমার মতো কর্মীকে ধরে রাখার সামর্থ্য এনসিপির এখন আর নেই। আমি এও মনে করি যে, জুলাইয়ের জনতার কাছে এনসিপির অনেক দায় রয়েছে। অভ্যুত্থানের পর এনসিপির ওপর বাংলাদেশের মানুষ যে বিশ্বাস ও আস্থা রেখেছিল তা বিগত কয়েক মাসে চূর্ণবিচূর্ণ হয়েছে। আমি মনে করি আসন্ন কঠিন সময়ে জনতা এনসিপিকে এর সমুচিত জবাব দেবে। তবে একথাও সত্য, ইতিমধ্যে দল হিসেবে এনসিপি সেসব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া শুরু করেছে।’’
‘‘এনসিপির ভেতরে থেকেই আমি তীব্র লড়াই চালিয়ে গেছি। দলটা যেন সেন্ট্রিস্ট অবস্থানে থাকে সে জন্য নারী, শিশু, শ্রমিক, আদিবাসী, হিজড়া, হিন্দু, মাজারকেন্দ্রিক জনগণকে এক করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু গত দেড় বছরজুড়ে অন্তবর্তী সরকারের আমলে প্রায় সব ঘরানার প্রান্তিক মানুষের ওপর চলা অনিয়ন্ত্রিত অনাচার ও নির্যাতন নিয়ে প্রতিবাদ জানানোর ব্যাপারে গণ অভ্যুত্থানের পর গঠিত এই ‘তারুণ্যনির্ভর’ দলকে অন্তত পাঁচ দিন করে ভাবতে হয়েছে। এমন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তাদের মনমরা ও দায়সারা প্রতিবাদ আমার রাজনৈতিক অভিপ্রায়ের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং দেশের আপামর মানুষের জন্যেও তা হতাশার।’’
পদত্যাগপত্রে সৈয়দা নীলিমা দোলা লিখেছেন, সবশেষে এই বলব যে, আমার বা আমার মত মানুষদের এনসিপি থেকে বিদায় এটাই প্রমাণ করে যে বাংলাদেশে এনসিপি ছাড়াও জুলাইয়ের আরও একটি পক্ষশক্তি আছে। এ মানুষেরা বাংলার জনতা ও জমিনকে চেনে বলেই আমি ধারণা পোষণ করি। এনসিপির বর্তমান নেতৃত্বের প্রতি শুভকামনা জানিয়ে বলতে চাই, রাজনৈতিক প্রয়োজনে নেগোসিয়েশন বা দফারফা সবাই বা বেশিভাগ দল করলে করুক, এনসিপির জন্য তা নিতান্ত বেমানান। কারণ, এনসিপি হাজারো জুলাই শহীদের রক্তের উপর দাঁড়িয়ে রাজনীতি করতে এসেছিল। আমি দলটির নেতাদের বলতে চাই, ধর্মীয় রাজনীতিকে ফ্রন্টে এনে পলিটিক্স খেলার জন্য শহীদেরা জান দেননি। আপনাদের মনে করিয়ে দেওয়া দরকার, ২০২৪ সালের জুলাই মাসে বাংলাদেশে কোনো ধর্মীয় বিপ্লব বা অভ্যুত্থান হয়নি। তবে আপনারা এই অভ্যুত্থানকে ধর্মীয় মোড়কে ভরে আওয়ামী বয়ানকে প্রতিষ্ঠিত করার পথে রয়েছেন। এজন্য আপনাদের লাল সালাম। পৃথিবীর যাবতীয় সমৃদ্ধি আপনাদের ঘিরে রাখুক।
এমকে
রাজনীতি
তারেক রহমানের একান্ত সচিব আব্দুস সাত্তার, প্রেসসচিব সালেহ
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের একান্ত সচিব হিসেবে সরকারের সাবেক সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার ও প্রেসসচিব হিসেবে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এ এ এম সালেহ (সালেহ শিবলী) নিয়োগ পেয়েছেন।
শনিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, ‘সংশ্লিষ্ট সবার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে, বাংলাদেশ সরকারের সাবেক সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের একান্ত সচিব হিসেবে এবং ঢাকা রিপোর্টাস ইউনিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এ এ এম সালেহকে (সালেহ শিবলী) প্রেসসচিব হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে।’
এমকে
রাজনীতি
জামায়াত আমিরের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা
ঢাকা-১৫ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আমির মো. শফিকুর রহমানের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার (৩ জানুয়ারি) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা মহানগরীর আওতাধীন আসনগুলোর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. ইউনুচ আলী বলেন, সব কাগজপত্র ঠিক থাকায় এবং তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ না থাকায় মো. শফিকুর রহমানের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হলো।
এর আগে, গত ২৯ ডিসেম্বর জামায়াতে ইসলামীর একটি প্রতিনিধি দল ডা. শফিকুর রহমানের পক্ষে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিল।
তফসিল অনুযায়ী, ইসি ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের ৫ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারি। আপিল নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। রিটার্নিং কর্মকর্তা চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে প্রতীক বরাদ্দ করবেন ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি। প্রচার চালানো যাবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত। আর ভোট গ্রহণ হবে ১২ ফেব্রুয়ারি।
এমকে
রাজনীতি
তারেক রহমানের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা
বগুড়া-৬ (সদর) আসনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছেন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা। শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকাল ১০টা ২৫ মিনিটে তার মনোনয়নপত্রটি যাচাই-বাছাই শেষে বৈধ ঘোষণা করা হয়।
এছাড়া, একই আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী আবিদুর রহমান সোহেলের মনোনয়নপত্রও বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। তবে, এই আসনে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) মনোনীত প্রার্থী দিলরুবা নূরীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, আয়কর রিটার্ন জমা না দেওয়ায় তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে গত ২৯ ডিসেম্বর, নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী শেষ দিনে ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬ আসনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষে মনোনয়নপত্র দাখিল করা হয়।
ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমানের পক্ষে মনোনয়নপত্র জমা দেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক ও ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ফরহাদ হালিম।
গুলশান, বনানী, বারিধারাসহ অভিজাত এলাকা নিয়ে ঢাকা-১৭ আসন গঠিত। দলীয় সূত্র জানায়, গত ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরার পর গত শনিবার তারেক রহমান ঢাকা-১৭ আসনের ভোটার হন।
অন্যদিকে, বগুড়া-৬ আসনে তারেক রহমানের পক্ষে এই মনোনয়নপত্র দাখিল করেন বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলাম, জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন, জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলী আজগর তালুকদার ও বগুড়া শহর বিএনপির সভাপতি হামিদুল হক চৌধুরী।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৯১ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত হওয়া সব কটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৬ আসন ছিল বিএনপির দখলে। এর মধ্যে ১৯৯১ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত চারবার এই আসন থেকে সংসদ সদস্য হন বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।
এক-এগারোর পর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ২০০৮ সালে বাংলাদেশে প্রথম ছবিসহ ভোটার তালিকা তৈরি হয়। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমান কারামুক্ত হয়ে ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর লন্ডনের উদ্দেশে বাংলাদেশ ছেড়েছিলেন। বিদেশে থাকায় তখন ভোটার তালিকায় তিনি অন্তর্ভুক্ত হননি। এর পরপর আওয়ামী লীগের শাসনকালে তিনি দেশে আসেননি, ভোটারও হননি।
গত বছর জুলাই অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ ক্ষমতাচ্যুত হয়। এরপর গঠিত হয় অন্তর্বর্তী সরকার। ১১ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে। তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি হবে ভোটগ্রহণ।
এমকে



