পুঁজিবাজার
যমুনা অয়েলের লভ্যাংশ ঘোষণা
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড গত ৩০ জুন,২০২৫ তারিখে সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। কোম্পানিটি আলোচিত বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১৮০ শতাংশ নেগদ লভ্যাংশ দেবে।
বুধবার (১১ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে সর্বশেষ হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর লভ্যাংশ সংক্রান্ত এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কোম্পানি সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, সর্বশেষ বছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ৫৮ টাকা ৭০ পয়সা। আগের বছর শেয়ার প্রতি ৪০ টাকা আয় হয়েছিল।
গত ৩০ জুন,২০২৫ তারিখে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ২৭৪ টাকা ৩ পয়সা।
আগামী ৩১ জানুয়ারি, সকাল ১১টায় ডিজিটাল প্ল্যাটফরমের মাধ্যমে কোম্পানিটির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এর জন্য রেকর্ড তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ২৪ ডিসেম্বর।
এসএম
পুঁজিবাজার
পুঁজিবাজারের উন্নয়নে বিআইসিএম ও ব্র্যাক ইপিএলের মধ্যে চুক্তি
আর্থিক শিক্ষা, বাজার গবেষণা এবং দক্ষতা উন্নয়নে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ক্যাপিটাল মার্কেট (বিআইসিএম) এবং ব্র্যাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজ লিমিটেড (ব্র্যাক ইপিএল)।
এই চুক্তির মাধ্যমে বিনিয়োগকারী সচেতনতা বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে একাডেমিক জ্ঞান ও বাস্তব ইন্ডাস্ট্রি চাহিদার মধ্যকার ব্যবধান কমানোর একটি কাঠামো প্রতিষ্ঠিত হলো।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) বিআইসিএমের এক্সিকিউটিভ প্রেসিডেন্ট ওয়াজিদ হাসান শাহ এবং ব্র্যাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজ লিমিটেডের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার আহসানুর রহমান সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।
এ সময় সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিআইসিএমের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর ফয়সাল আহমদ খান এবং ব্র্যাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজ লিমিটেডের হেড অব রিসার্চ সালিম আফজাল শাওন।
তিন বছর মেয়াদি এই চুক্তির আওতায় উভয় প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থী, পেশাজীবী এবং খুচরা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আর্থিক সাক্ষরতা বৃদ্ধিতে যৌথভাবে কাজ করবে। এই সহযোগিতার মাধ্যমে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার দ্বিমুখী বিনিময় নিশ্চিত করা হবে।
বিআইসিএম ব্র্যাক ইপিএল পেশাজীবীদের জন্য কাস্টমাইজড প্রশিক্ষণ মডিউল তৈরি করবে, আর ব্র্যাক ইপিএলের পেশাজীবীরা বিআইসিএমের বিভিন্ন প্রোগ্রামে অতিথি বক্তা হিসেবে অংশ নিয়ে বাস্তব বাজারভিত্তিক অভিজ্ঞতা তুলে ধরবেন। পাশাপাশি, যোগ্য বিআইসিএম শিক্ষার্থীদের জন্য ইন্টার্নশিপ ও সেক্টরাল অ্যাটাচমেন্টের সুযোগ প্রদান করা হতে পারে, যা ভবিষ্যতে কর্মসংস্থানের পথও তৈরি করতে পারে।
এমকে
পুঁজিবাজার
সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজের সর্বোচ্চ দরপতন
সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে দরপতনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্রমতে, বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) কোম্পানিটির শেয়ার দর ৩০ পয়সা বা ৭ দশমিক ৩২ শতাংশ কমেছে।
দরপতনের এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ছিল বিচ হ্যাচারি লিমিটেড। কোম্পানিটির শেয়ার দর ৭.০১ শতাংশ কমেছে। আর তৃতীয় স্থানে থাকা তুং হাই নিটিং অ্যান্ড ডাইংয়ের শেয়ারদর ৬.২৫ শতাংশ কমেছে।
এছাড়াও, ডিএসইতে দরপতনের শীর্ষ দশে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হলো- অ্যাপোলো ইস্পাত কমপ্লেক্স লিমিটেড, জাহিনটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ, ওয়াইম্যাক্স ইলেকট্রোডস, বিডি থাই অ্যালুমিনিয়াম, আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক, রতনপুর স্টিল রি-রোলিং মিলস এবং ঢাকা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড।
এমকে
পুঁজিবাজার
দর বৃদ্ধির শীর্ষে এপেক্স স্পিনিং
সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৯০ কোম্পানির মধ্যে ১০২ টির শেয়ারদর বৃদ্ধি পেয়েছে। এরমধ্যে সর্বোচ্চ দর বৃদ্ধি পেয়েছে এপেক্স স্পিনিং অ্যান্ড নিটিং মিলস লিমিটেড।
ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ডিএসইতে সর্বোচ্চ দর বৃদ্ধি পাওয়া কোম্পানিটির শেয়ারদর আগের কার্যদিবসের তুলনায় ১৮ টাকা ৪০ পয়সা বা ৯ দশমিক ৯৬ শতাংশ বেড়েছে। এর ফলে কোম্পানিটি দর বৃদ্ধির তালিকায় প্রথম স্থান দখল করে নেয়।
দর বৃদ্ধির এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ছিল এপেক্স ট্যানারি। কোম্পানিটির শেয়ার দর ৯ দশমিক ৮৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। আর তৃতীয় স্থানে থাকা এনসিসিবিএল মিউচুয়াল ফান্ড-ওয়ানের দর বেড়েছে ৫ দশমিক ২৬ শতাংশ।
এছাড়াও, ডিএসইতে দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হচ্ছে- বাংলাদেশ ল্যাম্পস পিএলসি, ট্রাস্ট ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, ফার্স্ট বাংলাদেশ ফিক্সড ইনকাম ফান্ড, রহিম টেক্সটাইল, এপেক্স ফুডস, মোজাফফর হোসেন স্পিনিং এবং ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড।
এমকে
পুঁজিবাজার
লেনদেনের শীর্ষে স্কয়ার ফার্মা
সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে লেনদেনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) কোম্পানিটির ১৯ কোটি ১৭ লাখ ৫৩ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর ফলে কোম্পানিটি লেনদেনের তালিকায় প্রথম স্থান দখল করে।
এদিন লেনদেনের এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ছিল সিটি ব্যাংক পিএলসি। কোম্পানিটির ১১ কোটি ২২ লাখ ৯৫ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আর ৬ কোটি ৯০ লাখ ৪০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন করে তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে এ্যাপেক্স স্পিনিং ও নিটিং মিলস লিমিটেড।
এছাড়াও, ডিএসইতে লেনদেনের শীর্ষ দশে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হলো- ওরিয়ন ইনফিউশন লিমিটেড, মালেক স্পিনিং মিলস পিএলসি, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স, সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ, এসিআই, লাভেলো এবং খান ব্রাদার্স।
এমকে
পুঁজিবাজার
শেষ কার্যদিবসে সূচকের মিশ্র প্রতিক্রিয়া, সামান্য বেড়েছে লেনদেন
সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্য সূচকের মিশ্র প্রতিক্রিয়ায় লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ২২০ শেয়ারের দর পতন হয়েছে। অন্যদিকে টাকার অংকে লেনদেনের পরিমান সামান্য বেড়েছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ডিএসইর প্রধান সূচক ‘ডিএসইএক্স’ ৭ দশমিক ৫২ পয়েন্ট কমেছে। বর্তমানে সূচকটি অবস্থান করছে ৪ হাজার ৯৫৮ পয়েন্টে।
এছাড়া, ডিএসইর অপর সূচক ‘ডিএসইএস’ ১ দশমিক ৯৭ পয়েন্ট কমে ৯৯৫ পয়েন্ট এবং ‘ডিএস-৩০’ সূচক ৪ দশমিক ৫০ পয়েন্ট বেড়ে ১৯১২ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
আজ ডিএসইতে ৩৭৯ কোটি ৮০ লাখ ১৭ হাজার টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিলো ৩৬৯ কোটি ৬৭ লাখ ৯৬ হাজার টাকা।
এদিন ডিএসইতে মোট ৩৯০টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়েছে। লেনদেনে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ১০২টি কোম্পানির, বিপরীতে ২২০ কোম্পানির দর কমেছে। পাশাপাশি ৬৮টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দর অপরিবর্তিত রয়েছে।
কাফি



