Connect with us
৬৫২৬৫২৬৫২

জাতীয়

১৩ নভেম্বর সারাদেশে খোলা থাকবে দোকান ও শপিংমল: মালিক সমিতি

Published

on

সাপ্তাহিক

আগামী বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) ঢাকা সহ বাংলাদেশের সব দোকান, বাণিজ্য বিতান এবং শপিংমল যথারীতি খোলা থাকবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি।

বুধবার (১২ নভেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে সংগঠনটি।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এতে বলা হয়, বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি ও ঢাকা মহানগর দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতির স্ট্যান্ডিং কমিটির যৌথ সভায় আগামী ১৩ নভেম্বর ঢাকাসহ বাংলাদেশের সব দোকান, বাণিজ্য বিতান এবং শপিংমল খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তাই বৃহস্পতিবার ঢাকাসহ দেশের সব দোকান, বাণিজ্য বিতান এবং শপিংমল যথারীতি খোলা থাকবে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এদিকে, ১৩ নভেম্বর কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সারাদেশে লকডাউন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। এরপর থেকেই ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে একের পর এক বাস ও গাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও বিভিন্ন স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটাচ্ছে দুর্বৃত্তরা। এসব ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে জনমনে। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, দুর্বৃত্তরা যেভাবে নাশকতা চালাচ্ছে, তাতে রাস্তায় চলাচল করা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে। যে কোনো সময় ককটেল এসে শরীরে লাগতে পারে। এছাড়া পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, ভয়াবহ পরিস্থিতি অপেক্ষা করাছে কিনা, তা নিয়ে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

কেউ কেউ বলছেন, সম্ভবত প্রতিশোধ নিতে মরিয়া আওয়ামী লীগ মাঠে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে। সেরকমটা হলে পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, সেটা নিয়ে আতঙ্কিত মূলত কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ১৩ নভেম্বরের কর্মসূচি ঘিরে জনমনে ভীতি ছড়ানোর চেষ্টা চলছে।

তবে রাজধানীতে শঙ্কার কিছু নেই বলে আশ্বস্ত করেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী। তিনি বলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ একটি দল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে। গত কয়েক দিনে রাজধানীতে ককটেল বিস্ফোরণ, যানবাহনে অগ্নিসংযোগ ও ঝটিকা মিছিলের সঙ্গে জড়িত ৫৫২ জন গ্রেফতার করেছে ডিএমপি। তবে গ্রেফতারদের অধিকাংশই রাজধানীর বাইরে থেকে আসা। হেলমেট ও মাস্ক পরে হামলা চালানো হচ্ছে। এসব কাজে অপ্রাপ্ত বয়স্কদেরও ব্যবহার করা হচ্ছে।

অপরিচিত কাউকে আশ্রয় না দেয়ার আহ্বান জানিয়ে রাজধানীবাসীর উদ্দেশে ডিএমপি কমিশনার বলেন, নিজের যানবাহন অন্য কাউকে দেয়ার আগে ও আগন্তুক কাউকে সন্দেহ হলে পুলিশকে জানাবেন। অরক্ষিত বাসেই বেশি আগুন দেয়া হয়েছে। কম প্যাসেঞ্জারবাহী বাসে আগুন দেয়া হচ্ছে। এ অবস্থায় নাশকতাকারীদের দমনে জনগণের সহযোগিতা চাই। নাশকতাকারীদের প্রতিহত করবে ঢাকাবাসী।

এ বিষয়ে সরকার সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলমও। তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ১৩ নভেম্বর কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের লকডাউন নিয়ে সতর্ক আছে সরকার, আশঙ্কার কারণ নেই। কোনো ধরনের সন্ত্রাস সহ্য করা হবে না। কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। সন্দেহভাজন কাউকে দেখলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানাবেন।

লকডাউন কর্মসূচি ঘিরে রাজধানীসহ সারা দেশে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও। সম্ভাব্য নাশকতা প্রতিরোধে শুরু হয়েছে সাঁড়াশি অভিযান বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল। বিজিবি বলছে, আগামীকালকে ঘিরে ডাকা লকডাউন কর্মসূচিতে কেউ যাতে কোন নাশকতা করতে না পারে তার প্রস্তুতি হিসেবে রাজধানীতে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি কেউ নাশকতা করার চেষ্টা করলে তা কঠোরভাবে দমন করা হবে।

আর কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে ঢাকার রাজপথে কর্মসূচি কঠোরভাবে দমন করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘এটা ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর নয়, এটা জুলাই, চিরকালের জন্য।’

শেয়ার করুন:-

জাতীয়

এই সরকার ভারতের আধিপত্য থেকে বাংলাদেশকে মুক্ত করেছে: আইন উপদেষ্টা

Published

on

সাপ্তাহিক

অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল বলেছেন, এই সরকার এসে ভারতের আধিপত্য থেকে বাংলাদেশকে মুক্ত করেছে। ভারতের যে আগ্রাসী একটা ভূমিকা ছিল সব জায়গায়, সেখান থেকে স্বাধীন কন্ঠে কথা বলতে পারছে।

তিনি বলেন, অবশ্যই সমালোচনার কিছু কিছু যৌক্তিক দিক আছে। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে সমালোচনাটা নির্দয় পর্যায়ে চলে যায়। ১০টা জিনিসের যদি সরকার ৪টা জিনিস করে, ৪টা করেছে সেটা বলেন, এরপর যে ৬টা করতে পারে নাই সেটার জন্য সমালোচনা করেন। কিন্তু এরকম কিছুই দেখবেন না।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

শনিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজ (সিজিএস) এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘রাজনৈতিক দল, মানবাধিকার এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা’ শীর্ষক পলিসি ডায়ালগে তিনি এসব কথা বলেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

বিচার বিভাগের সংস্কারের কথা উল্লেখ করে আসিফ নজরুল বলেন, এখন বিচার বিভাগে পদ সৃষ্টি, বদলি, পদোন্নতি, বাজেট অ্যালোকেশনসহ সবকিছু উচ্চ আদালতে দিয়ে দেওয়া হয়েছে। এটা কি সংস্কার না? রাষ্ট্রের এত বড় একটা অঙ্গের বাংলাদেশের ৫৪ বছরের ইতিহাসে এটা কোনো সংস্কার না? এটা কি আপনাদের মনে হয় না বাংলাদেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় একসময় ভূমিকা রাখবে? সংস্কার ম্যাজিক লাইট না যে সঙ্গে সঙ্গে ভূমিকা রাখবে।

তিনি বলেন, আমরা একটা গুম কমিশন করেছি। এটা অসাধারণভাবে কাজ করেছে। এই কমিশনের অভিজ্ঞতার আলোকে আমরা একটা হিউম্যান রাইটস কমিশন ল করেছি। আমি আপনাদের প্রত্যয়ের সঙ্গে বলি, দক্ষিণ এশিয়ার যে কোনো হিউম্যান রাইটস আইনের চেয়ে আমাদের আইনটা বেটার হয়েছে। আমরা এই আইন অনুযায়ী অচিরেই হিউম্যান রাইটস কমিশনে নিয়োগ দিতে যাচ্ছি। এটা কি কোনো সংস্কার না? আমাদের এই বিপ্লব পরবর্তী সময়ে প্রত্যাশা ম্যানেজমেন্ট একটা বিশাল ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের আরও কিছু কাজের বিবরণ দিয়ে শ্রোতাদের উদ্দেশে প্রশ্ন উত্থাপন করে উপদেষ্টা বলেন, আমাদের যে রিজার্ভ বেড়েছে, আমাদের যে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ আছে, আমাদের যে ব্যাংকিং খাতে ভগ্নপ্রায়, বিধ্বস্ত ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা এবং আস্থা ফিরে এসেছে এগুলি কোনো সাফল্য না? আমাদের যে ২০ হাজারেরও বেশি হয়রানিমূলক মামলা, যেখানে প্রায় ৫ লাখ আসামি ছিল বিরোধীদলের, ভিন্নমতের। সেই মামলা প্রত্যাহার হয়েছে। এগুলো কি কোনো সাফল্য না?

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

জাতীয়

দেশে চালের ঘাটতি নেই, তারপরও কেন দাম বাড়ে- প্রশ্ন সিপিডির

Published

on

সাপ্তাহিক

আন্তর্জাতিক বাজারে চালের দাম ৪০ শতাংশ কমেছে। দেশে চাল উৎপাদনেও ঘাটতি নেই। তারপরও কেন দাম বাড়ে— এ প্রশ্ন রেখে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) বলছে, এ ক্ষেত্রে চালের উৎপাদন খরচ ও ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট বড় কারণ।

শনিবার ধানমন্ডিতে প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয়ে ‘বাংলাদেশ অর্থনীতি ২০২৫-২৬: নির্বাচনী বাঁকে বহুমাত্রিক ঝুঁকি’ শীর্ষক মিডিয়া বিফ্রিংয়ে সিপিডি’র নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন এ বিষয়ে তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এ সময়ে সিপিডির সম্মানীয় ফেলো প্রফেসর মোস্তাফিজুর রহমান ও গবেষণা পরিচালক গোলাম মোয়াজ্জেম উপস্থিত ছিলেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

সিপিডির গবেষণা প্রবদ্ধ উপস্থাপনকালে ফাহমিদা খাতুন বলেন, ২০২৩ সাল থেকে উচ্চ মূল্যস্ফীতি এখনও চলমান রয়েছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে মূল্যস্ফীতি কমছে, তবে কমার হার ধীর। লক্ষ্যমাত্রা থেকে অনেক পিছিয়ে রয়েছে। ডিসেম্বর মাসে মূল্যস্ফীতি ৮.৪৯ শতাংশ। খাদ্য মূল্যস্ফীতি আরও কমে এসেছে। তবে খাদ্য বহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশ। সুতরাং খাদ্যের মূল্য কিছুটা কমলেও অন্যান্য পণ্যের দাম বেশি।

তিনি বলেন, খাদ্যের দাম কেন কমছে না? যেমন: চালের মূল্যের সঙ্গে অন্যান্য পণ্যের মূল্যস্ফীতির সম্পৃক্ততা রয়েছে। তথ্যে পাওয়া যায় চালের চাহিদা ৩১ মিলিয়ন মেট্রিক, আর উৎপাদন ৪৪ মিলিয়ন টন। অর্থাৎ চালের উৎপাদনে ঘাটতি নেই। তারপরও কেন দাম বাড়ে। এ ক্ষেত্রে চালের উৎপাদন খরচ ও ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট বড় কারণ হিসাবে দেখতে পাচ্ছি। অথচ আন্তর্জাতিক বাজারে চালের দাম ৪০ শতাংশ কমেছে, কিন্তু আমাদের দেশে কমছে না। চিনি ও তেলের ক্ষেত্রেও দেখা গেছে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমলেও আমাদের দেশে কমছে না।

সামনে নির্বাচন, অর্থনৈতিক গতিপ্রকৃতিও মন্থর এই অবস্থায় রাজস্ব লক্ষমাত্রা বৃদ্ধি কতটা যৌক্তিক এমন প্রশ্ন রেখে সিপিডির ফাহমিদা খাতুন বলেন, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিনমাসে রাজস্ব প্রবৃদ্ধি ১৬.৭ শতাংশ হলেও লক্ষ্যমাত্রা থেকে অনেক পিছিয়ে রয়েছে। যতটুকু জানতে পেরেছি নভেম্বর পর্যন্ত রাজস্ব আদায়ের প্রবৃদ্ধি ১৫.০২ শতাংশ। এনবিআরকে যদি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হয়, তাহলে বাকি সময়ে প্রায় ৩৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে হবে। বর্তমান বাস্তবতায় খুবই কঠিন হবে। অন্যদিকে সংশোধিত বাজেটে এনবিআরের লক্ষ্যমাত্রা ৫৫ হাজার কোটি টাকা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। কিন্তু আমাদের অতীত অভিজ্ঞতা বলে মূল বাজেটে যে লক্ষ্যমাত্রা থাকে সেটা অর্জন করতেই এনবিআরকে হিমশিম খেতে হয়। সামনে নির্বাচন, অর্থনৈতিক গতিপ্রকৃতিও মন্থর। এই অবস্থায় লক্ষ্যমাত্রা বৃদ্ধি কতটা যৌক্তিক, সেই প্রশ্ন রয়ে যায়।

তিনি আরও বলেন, অন্যদিকে সরকারি ব্যয়ে দেখতে পাই সরকারি ব্যয় বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে গত ১০ বছরের মধ্যে সর্বনিন্ম। জুলাই থেকে নভেম্বর পর্যন্ত এডিপি বাস্তবায়নের হার সাড়ে ১১ শতাংশ। বড় বড় মন্ত্রণালয়ের এডিপি বাস্তবায়ন হার অনেক কম। যেমন- সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ, বিদ্যুৎ বিভাগ, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ ইত্যাদি। আবার বাজেট ঘাটতি নিয়ে যদি বিশ্লেষণ করা যায়, তাহলে ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরের প্রথম তিন মাসে জুলাই–সেপ্টেম্বর সময়ে অনুদান বাদে বাজেটে উদ্বৃত্ত দেখা যাচ্ছে। ওই সময়ে বাজেট উদ্বৃত্তের পরিমাণ ১২ হাজার ১৫৩ কোটি টাকা, যেখানে আগের অর্থবছরের একই সময়ে উদ্বৃত্ত ছিল ৫ হাজার ১৬৬ কোটি টাকা। তবে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নের ধীরগতিই ওই উদ্বৃত্তের প্রধান কারণ।

একই সময়ে সরকারের বৈদেশিক উৎস থেকে নিট ঋণ গ্রহণ কমেছে। তবে ব্যাংক খাত থেকে সরকারের ঋণ নির্ভরতা বেড়েছে। প্রথম তিন মাসে সরকার ব্যাংক খাত থেকে নিট ১ হাজার ৮৫০ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে, বিপরীতে আগের অর্থবছরের একই সময়ে সরকার ব্যাংক খাতকে ১ হাজার ৬৪ কোটি টাকা পরিশোধ করেছিল। অব্যাংকিং খাত থেকে সরকারের নিট ঋণ গ্রহণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে ঋণাত্মক অবস্থায় নেমে এসেছে। জুলাই–সেপ্টেম্বর সময়ে সরকারের নিট ঋণ দাঁড়িয়েছে মাইনাস ৯ হাজার ৩৯০ কোটি টাকা। অব্যাংকিং উৎসগুলোর মধ্যে জাতীয় সঞ্চয়পত্রের নিট বিক্রি প্রায় ৯০ শতাংশ কমে যাওয়ায় এই প্রবণতা আরও স্পষ্ট হয়েছে।

সিপিডি বলছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে সরকারের অর্থায়নে ব্যাংক খাতের ওপর নির্ভরতা বেড়েছে। যা ভবিষ্যতে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ এবং সুদের হারের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। আর একটি বিষয় হচ্ছে সরকার ৫টি দূর্বল ইসলামী ব্যাংককে একত্রিত করতে গিয়ে ২০ হাজার কোটি টাকা পেইড অব ক্যাপিটাল দিয়েছে। আবার বিদ্যুৎ খাতের বকেয়া পরিশোধ করতে হবে ২০ হাজার কোটি টাকা। যদি সামনের গ্রীষ্মের লোডশেডিং কমাতে হয়, তাহলে ওই টাকা পরিশোধ করতে হবে। আর একটি বিষয় হচ্ছে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পে-স্কেল চলতি অর্থ বছরে হয়তো বাস্তবায়ন করতে হবে। সেক্ষেত্রে সরকারকে চাপের ‍মুখে পড়তে হবে।

সুপারিশের ক্ষেত্রে সিপিডি বলছে, রাজস্ব বাড়াতে ডিজিটাল অর্থনীতি, সম্পদ ও সম্পত্তির ওপর কার্যকর কর আরোপ জরুরি। বাস্তব বাজারমূল্যের ভিত্তিতে সম্পত্তি কর হালনাগাদ করে এনবিআরের সম্পদ করের সঙ্গে সমন্বিত ব্যবস্থা গড়ে তোলা যেতে পারে। একই সঙ্গে অকার্যকর কর ছাড় ও অব্যাহতিগুলো নিয়মিত পর্যালোচনা করে বাতিল করতে হবে এবং খেয়ালখুশিমতো কর সুবিধা দেওয়ার প্রবণতা কমাতে হবে। পাশাপাশি অবৈধ আর্থিক প্রবাহ রোধে নীতিগত ও বাস্তব প্রয়োগ—উভয় পর্যায়ে কর কর্তৃপক্ষের আরও সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

জাতীয়

হজযাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষ করতে হবে ২৫ জানুয়ারির মধ্যে

Published

on

সাপ্তাহিক

হজযাত্রীদের টিকা নেওয়ার আগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর নির্ধারিত ১১ ধরনের স্বাস্থ্য পরীক্ষা আগামী ২৫ জানুয়ারির মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে। এসব পরীক্ষার ভিত্তিতে তাদের টিকা নিতে হবে।

গত ৬ জানুয়ারি হজযাত্রীদের টিকা গ্রহণের পূর্বে স্বাস্থ্য পরীক্ষা সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এতে বলা হয়, ২০২৬ সালের হজযাত্রীদের টিকা গ্রহণের আগে আগামী ২৫ জানুয়ারির মধ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্ধারিত স্বাস্থ্য পরীক্ষাগুলো সম্পন্ন করতে হবে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

রিপোর্টগুলোর মধ্যে রয়েছে- Urine R/M/E, Random Blood Sugar (RBS), X-Ray Chest P/A view (রিপোর্টসহ), ECG (রিপোর্টসহ), Serum Creatinine, Complete Blood Count (CBC with ESR) ও Blood Grouping and Rh Typing।

এছাড়াও দুরারোগ্য ব্যাধি (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) নির্ণয়ের জন্য আরও কিছু পরীক্ষা সম্পন্নের কথা বলা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে। সেগুলোর মধ্যে রয়েছে-

>> সন্দেহজনক হৃদপিন্ডের অকৃতকার্যতার পরীক্ষা- Echocrdiography।

>> কিডনি জটিলতার ক্ষেত্রে- S. Creatinine, USG of KUB।

>> সন্দেহজনক লিভার সিরোসিস রোগের ক্ষেত্রে- USG Whole abdomen, Endoscopy of upper GIT.

>> দীর্ঘস্থায়ী ফুসফুসের রোগ শনাক্তকরণে-Sputum for AFB, CTScan of chest, Serum bilirubin, SGPT, Albumin Globubin ratio।

হজযাত্রীর স্বাস্থ্য পরীক্ষার রিপোর্ট ও ই-হেলথ প্রোফাইল কপি টিকা কেন্দ্রে মেডিকেল টিমের কাছে দাখিল করে টিকা গ্রহণ করে স্বাস্থ্য সনদ নিতে হবে।

যে কোনো তথ্যের জন্য হজের কল সেন্টার ১৬১৩৬ নম্বরে যোগাযোগ করা যেতে পারে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৬ মে সৌদি আরবে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে। এবার বাংলাদেশ থেকে প্রাথমিক নিবন্ধিত সাড়ে ৭৮ হাজার হজযাত্রী হজ পালন করতে পারবেন।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

জাতীয়

ভিসা বন্ড থেকে বাংলাদেশকে অব্যাহতির আহ্বান ড. খলিলুরের

Published

on

সাপ্তাহিক

যুক্তরাষ্ট্রের আন্ডার সেক্রেটারি অব স্টেট ফর পলিটিক্যাল অ্যাফেয়ার্স অ্যালিসন হুকার বলেছেন, রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দায়িত্ব ভাগাভাগি ও টেকসই সমাধান জরুরি। বৈঠকে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান আসন্ন সাধারণ নির্বাচনের প্রস্তুতি ও ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে তাকে অবহিত করেন। এর পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড থেকে অব্যাহতি দেওয়ার আহ্বান জানান।

বাংলাদেশে অবস্থানকালীন রোহিঙ্গাদের জীবিকা কার্যক্রম সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) ওয়াশিংটন ডিসিতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে বৈঠককালে তিনি এসব কথা বলেন। খলিলুর রহমান এ সময় যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুরের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

বৈঠকগুলোতে বাংলাদেশে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন, দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য সম্পর্ক, রোহিঙ্গা সংকট এবং আঞ্চলিক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

আন্ডার সেক্রেটারি অ্যালিসন হুকারের সঙ্গে বৈঠকে ড. খলিলুর রহমান আসন্ন সাধারণ নির্বাচনের প্রস্তুতি ও ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে তাকে অবহিত করেন। একই সঙ্গে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে নির্বাচনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

এর জবাবে অ্যালিসন হুকার বলেন, বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক রূপান্তরের প্রক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন অব্যাহত থাকবে। তিনি আগামী ফেব্রুয়ারিতে অবাধ, সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

ড. খলিলুর রহমান বলেন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশে কৃষিপণ্য আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে, যা দুই দেশের বাণিজ্য সম্প্রসারণের নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে। এ প্রেক্ষাপটে তিনি সাম্প্রতিক ভিসা বন্ড ব্যবস্থার কারণে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণ সহজ করার অনুরোধ জানান। বিশেষ করে স্বল্পমেয়াদি বি-১ ব্যবসায়িক ভিসার ক্ষেত্রে ভিসা বন্ড থেকে অব্যাহতি দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনার আহ্বান জানান।

এ বিষয়ে আন্ডার সেক্রেটারি হুকার বলেন, বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্র সরকার ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করবে। তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে পর্যটকদের ভিসা মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে অবস্থানের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমলে ভিসা বন্ড সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা হতে পারে। একই সঙ্গে অবৈধভাবে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের ফেরত নিতে বাংলাদেশের সহযোগিতার জন্য তিনি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে ড. খলিলুর রহমান বলেন, বাংলাদেশে আশ্রিত বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত সহায়তার জন্য বাংলাদেশ কৃতজ্ঞ। তিনি উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্র রোহিঙ্গাদের জন্য সবচেয়ে বড় দাতা দেশ এবং এ সহায়তা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

আন্ডার সেক্রেটারি হুকার রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ যে বিশাল দায়িত্ব বহন করছে, তার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, এ সংকট সমাধানে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দায়িত্ব ভাগাভাগি এবং টেকসই সমাধান জরুরি। পাশাপাশি রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে অবস্থানকালীন জীবিকা কার্যক্রম সম্প্রসারণের অনুরোধ জানান।

বৈঠকে এনএসএ ড. খলিলুর রহমান বাংলাদেশি বেসরকারি খাতে যুক্তরাষ্ট্রের ডেভেলপমেন্ট ফাইন্যান্স করপোরেশন (ডিএফসি) অর্থায়নের সুযোগ এবং বাংলাদেশে সেমিকন্ডাক্টর উন্নয়নে অর্থায়নের প্রবেশাধিকার দেওয়ার অনুরোধ করেন। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র সরকার বিষয়গুলো বিবেচনা করবে বলে আশ্বাস দেন অ্যালিসন হুকার।

এছাড়া, গাজায় মোতায়েনের জন্য প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীতে নীতিগতভাবে অংশগ্রহণে বাংলাদেশের আগ্রহের কথা জানান ড. খলিলুর রহমান। জবাবে আন্ডার সেক্রেটারি হুকার বলেন, এ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী।

পৃথক বৈঠকে সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুরের সঙ্গে ড. খলিলুর রহমান বাংলাদেশে আসন্ন নির্বাচন, বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, রোহিঙ্গা সংকট, মার্কিন ভিসা বন্ড, বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ বিভিন্ন আঞ্চলিক ও পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

এছাড়া, বিশেষ আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে ড. খলিলুর রহমান বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে অংশ নেন। পররাষ্ট্র দপ্তরে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে শপথ পাঠ করান ডেপুটি সেক্রেটারি অব স্টেট ফর ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড রিসোর্সেস মাইকেল জে. রিগাস।

অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত, দূতাবাসের কর্মকর্তারা, স্টেট ডিপার্টমেন্ট ও সামরিক বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বাংলাদেশে সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত এবং যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ী নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্যে ডেপুটি সেক্রেটারি অব স্টেট বলেন, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তরের পথে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন অব্যাহত থাকবে।
নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বলেন, উজ্জ্বল গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের পথে বাংলাদেশের যাত্রায় যুক্তরাষ্ট্র পাশে আছে। নতুন নির্বাচিত সরকার এবং আমি একসঙ্গে কীভাবে যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে পারি, তা দেখার জন্য আমি আগ্রহী।

সবগুলো কর্মসূচিতে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে ঢাকায় অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকালে এ সব তথ্য জানান।

এমকে

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

জাতীয়

বাংলাদেশের সঙ্গে আমি খুব ভালোভাবে পরিচিত: নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত

Published

on

সাপ্তাহিক

বাংলা‌দে‌শে নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বলেছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে আমি খুব ভালোভাবে পরিচিত, সেই দেশে ফিরতে পেরে আমি ভীষণ আনন্দিত।

যুক্তরা‌ষ্ট্রের স্থানীয় সময় শুক্রবার (৯ জানুয়া‌রি) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে শপথ নেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ঢাকার মা‌র্কিন দূতাবাস নতুন রাষ্ট্রদূত‌কে স্বাগত জা‌নি‌য়ে‌ছে। দূতাবাস ব‌লে‌ছে, বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রদূত হিসেবে শপথগ্রহণকারী ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনকে স্বাগত জানাতে পেরে ঢাকার যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস আনন্দিত।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন ব‌লেন, ঢাকার যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসে আমেরিকান ও স্থানীয় কর্মীদের নিয়ে গঠিত একটি শক্তিশালী দলের নেতৃত্ব দেওয়ার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করতে চাই। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের লক্ষ্যকে এগিয়ে নিতে এবং প্রতিদিন নিরলসভাবে কাজ করে আমেরিকাকে আরও নিরাপদ, শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ করে তুলতে আমি উচ্ছ্বসিত।

আগামী ১২ জানুয়ারি বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূতের ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

ডোনাল্ড ট্রা‌ম্প প্রশাস‌নের ম‌নোনী‌তি রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের ১৮তম রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন যুক্তরাষ্ট্রের ফরেন সার্ভিসের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসে আগে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের। ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন ২০১৯ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিষয়ক কাউন্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

ঢাকায় সবশেষ মার্কিন রাষ্ট্রদূত ছিলেন পিটার হাস। তিনি ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের ১৭তম রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০২২ সালের মার্চ থেকে ২০২৪ সালের এপ্রিল পর্যন্ত তিনি ঢাকায় দায়িত্ব পালন করেন।

এমকে

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

পুঁজিবাজারের সর্বশেষ

সাপ্তাহিক সাপ্তাহিক
পুঁজিবাজার2 hours ago

সাপ্তাহিক দরপতনের শীর্ষে পিপলস লিজিং

বিদায়ী সপ্তাহে (০৪ জানুয়ারি-০৮ জানুয়ারি) প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দরপতনের শীর্ষ তালিকার প্রথম স্থানে রয়েছে পিপলস লিজিং অ্যান্ড...

সাপ্তাহিক সাপ্তাহিক
পুঁজিবাজার2 hours ago

সাপ্তাহিক দর বৃদ্ধির শীর্ষে তাল্লু স্পিনিং

বিদায়ী সপ্তাহে (০৪ জানুয়ারি-০৮ জানুয়ারি) প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) দর বৃদ্ধির শীর্ষ তালিকার প্রথম স্থানে উঠে এসেছে তাল্লু...

সাপ্তাহিক সাপ্তাহিক
পুঁজিবাজার2 hours ago

সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষে ওরিয়ন ইনফিউশন

বিদায়ী সপ্তাহে (০৪ জানুয়ারি-০৮ জানুয়ারি) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সর্বোচ্চ লেনদেনের তালিকায় শীর্ষস্থান দখল করেছে ওরিয়ন ইনফিউশন লিমিটেড। সপ্তাহজুড়ে প্রতিদিন...

সাপ্তাহিক সাপ্তাহিক
পুঁজিবাজার1 day ago

ডিএসইর বাজার মূলধন বাড়লো দুই হাজার ৪০১ কোটি টাকা

বিদায়ী সপ্তাহে (০৪ জানুয়ারি থেকে ৮ জানুয়ারি) দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের উত্থানের মধ্য দিয়ে লেনদেন হয়েছে।...

সাপ্তাহিক সাপ্তাহিক
পুঁজিবাজার2 days ago

খালেদা জিয়ার সময়েই স্থাপিত হয়েছে দেশের অর্থনৈতিক কাঠামো: ডিএসই চেয়ারম্যান

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের অৰ্থনীতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বেগম খালেদা জিয়ার অবদান ছিল অনন্য ও অসামান্য।...

সাপ্তাহিক সাপ্তাহিক
পুঁজিবাজার2 days ago

ব্লকে ২৩ কোটি টাকার লেনদেন

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্লকে মোট ২০টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে। কোম্পানিগুলোর মোট ২৮ লাখ ১৪ হাজার...

সাপ্তাহিক সাপ্তাহিক
পুঁজিবাজার2 days ago

পিপলস লিজিংয়ের সর্বোচ্চ দরপতন

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে দরপতনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স...

সোশ্যাল মিডিয়া

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০
১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭৩০৩১
সাপ্তাহিক
অর্থনীতি18 minutes ago

ব্যাংক খাতে লুটপাটের সংস্কৃতি আর ফিরতে দেওয়া হবে না: গভর্নর

সাপ্তাহিক
রাজনীতি28 minutes ago

লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড আছে, এমন আত্মবিশ্বাস এনসিপির নেই: নাহিদ ইসলাম

সাপ্তাহিক
রাজনীতি49 minutes ago

মতপার্থক্য যেন মতবিরোধের পর্যায়ে না যায়: তারেক রহমান

সাপ্তাহিক
অর্থনীতি1 hour ago

সুদের হার হঠাৎ কমানো সহজ সিদ্ধান্ত নয়: অর্থ উপদেষ্টা

সাপ্তাহিক
রাজধানী1 hour ago

মেরামত করা হয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত ভালভ, গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক

সাপ্তাহিক
পুঁজিবাজার2 hours ago

সাপ্তাহিক দরপতনের শীর্ষে পিপলস লিজিং

সাপ্তাহিক
পুঁজিবাজার2 hours ago

সাপ্তাহিক দর বৃদ্ধির শীর্ষে তাল্লু স্পিনিং

সাপ্তাহিক
পুঁজিবাজার2 hours ago

সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষে ওরিয়ন ইনফিউশন

সাপ্তাহিক
জাতীয়3 hours ago

এই সরকার ভারতের আধিপত্য থেকে বাংলাদেশকে মুক্ত করেছে: আইন উপদেষ্টা

সাপ্তাহিক
জাতীয়3 hours ago

দেশে চালের ঘাটতি নেই, তারপরও কেন দাম বাড়ে- প্রশ্ন সিপিডির

সাপ্তাহিক
অর্থনীতি18 minutes ago

ব্যাংক খাতে লুটপাটের সংস্কৃতি আর ফিরতে দেওয়া হবে না: গভর্নর

সাপ্তাহিক
রাজনীতি28 minutes ago

লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড আছে, এমন আত্মবিশ্বাস এনসিপির নেই: নাহিদ ইসলাম

সাপ্তাহিক
রাজনীতি49 minutes ago

মতপার্থক্য যেন মতবিরোধের পর্যায়ে না যায়: তারেক রহমান

সাপ্তাহিক
অর্থনীতি1 hour ago

সুদের হার হঠাৎ কমানো সহজ সিদ্ধান্ত নয়: অর্থ উপদেষ্টা

সাপ্তাহিক
রাজধানী1 hour ago

মেরামত করা হয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত ভালভ, গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক

সাপ্তাহিক
পুঁজিবাজার2 hours ago

সাপ্তাহিক দরপতনের শীর্ষে পিপলস লিজিং

সাপ্তাহিক
পুঁজিবাজার2 hours ago

সাপ্তাহিক দর বৃদ্ধির শীর্ষে তাল্লু স্পিনিং

সাপ্তাহিক
পুঁজিবাজার2 hours ago

সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষে ওরিয়ন ইনফিউশন

সাপ্তাহিক
জাতীয়3 hours ago

এই সরকার ভারতের আধিপত্য থেকে বাংলাদেশকে মুক্ত করেছে: আইন উপদেষ্টা

সাপ্তাহিক
জাতীয়3 hours ago

দেশে চালের ঘাটতি নেই, তারপরও কেন দাম বাড়ে- প্রশ্ন সিপিডির

সাপ্তাহিক
অর্থনীতি18 minutes ago

ব্যাংক খাতে লুটপাটের সংস্কৃতি আর ফিরতে দেওয়া হবে না: গভর্নর

সাপ্তাহিক
রাজনীতি28 minutes ago

লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড আছে, এমন আত্মবিশ্বাস এনসিপির নেই: নাহিদ ইসলাম

সাপ্তাহিক
রাজনীতি49 minutes ago

মতপার্থক্য যেন মতবিরোধের পর্যায়ে না যায়: তারেক রহমান

সাপ্তাহিক
অর্থনীতি1 hour ago

সুদের হার হঠাৎ কমানো সহজ সিদ্ধান্ত নয়: অর্থ উপদেষ্টা

সাপ্তাহিক
রাজধানী1 hour ago

মেরামত করা হয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত ভালভ, গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক

সাপ্তাহিক
পুঁজিবাজার2 hours ago

সাপ্তাহিক দরপতনের শীর্ষে পিপলস লিজিং

সাপ্তাহিক
পুঁজিবাজার2 hours ago

সাপ্তাহিক দর বৃদ্ধির শীর্ষে তাল্লু স্পিনিং

সাপ্তাহিক
পুঁজিবাজার2 hours ago

সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষে ওরিয়ন ইনফিউশন

সাপ্তাহিক
জাতীয়3 hours ago

এই সরকার ভারতের আধিপত্য থেকে বাংলাদেশকে মুক্ত করেছে: আইন উপদেষ্টা

সাপ্তাহিক
জাতীয়3 hours ago

দেশে চালের ঘাটতি নেই, তারপরও কেন দাম বাড়ে- প্রশ্ন সিপিডির