রাজনীতি
নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় বিএনপি বিজয়ী হবে: মির্জা ফখরুল
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে বিএনপি বিজয়ী হবে ইনশাআল্লাহ।
তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাতে গড়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল একটি বিশাল ও ঐক্যবদ্ধ শক্তি। জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রের কাঠামোকে বদলে দিয়েছিলেন। তারেক রহমানের নেতৃত্বে সেই দল ও দেশ নতুন দিগন্তে এগিয়ে যাবে।
রোববার (৯ নভেম্বর) সন্ধ্যায় ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ৭ নম্বর চিলারং ইউনিয়নের আয়োজনে ভেলাজান উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ইউনিয়নবাসীর সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল।
সভায় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে মির্জা ফখরুল বলেন, “এই দেশের সাধারণ মানুষ ‘পিআর’ বা প্রযুক্তিগত টার্ম বোঝে না, কিন্তু তারা ন্যায়বিচার বোঝে, ভোটাধিকার বোঝে। আমরা বলেছি—গণভোট জাতীয় নির্বাচনের দিনই হোক। এতে রাষ্ট্রের অর্থ সাশ্রয় হবে, মানুষের মতামতও জানা যাবে। কিন্তু কিছু মহল সেটা মানতে চায় না।”
তিনি আরও বলেন, ‘দীর্ঘ আন্দোলন, জেল-জুলুম আর নির্যাতনের পর আজ আমরা কিছুটা স্বস্তির মুখ দেখছি। অনেক কষ্ট সহ্য করেছি, কিন্তু কখনোই আওয়ামী লীগ বা শেখ হাসিনার সামনে মাথানত করিনি। আমরা জনগণের অধিকার ফিরিয়ে আনার লড়াইয়ে আছি এবং থাকবো।’
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘আমরা এমন একটি সরকার গঠন করতে চাই, যেখানে থাকবে জনগণের ক্ষমতা, মানুষের অধিকার এবং কথা বলার স্বাধীনতা। দেশে প্রকৃত গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারই এখন বিএনপির প্রধান লক্ষ্য।’
নতুন প্রজন্মের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও তারেক রহমানের দিকনির্দেশনায় নতুন প্রজন্মকে সঙ্গে নিয়েই আমরা বাংলাদেশকে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলবো। এসময় তিনি সবাইকে ধানের শীষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।
সভায় সভাপতিত্ব করেন ৭ নম্বর চিলারং ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুর রহমান। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হামিদ প্রমুখ।
রাজনীতি
জুলাই গণহত্যার দায় রাষ্ট্রপতি কোনভাবেই এড়াতে পারবেন না: ড. হেলাল
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর এডভোকেট ড হেলাল উদ্দিন বলেছেন, জুলাই আন্দোলনে ফ্যাসিস্ট আ’লীগ সরকারের পরিচালিত গণহত্যায় নিরব সমর্থন দিয়েছে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দীন চুপ্পু। তিনি বলেন, চব্বিশের ছাত্র-জনতার ওপর র্নিবিচারে গুলি চালিয়ে হাজার-হাজার ছাত্র-জনতাকে শহীদ করার পরও রাষ্ট্রপতি নিরব ভূমিকা পালন করেছে। তিনি গণহত্যা বন্ধে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। বরং তিনি আওয়ামী লীগের গণহত্যাকে সমর্থন দিয়ে গেছেন। জুলাই গণহত্যার দায় রাষ্ট্রপতি কোনভাবেই এড়াতে পারবেন না।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পল্টন থানার পেশাজীবি বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি আরও বলেন, জুলাই আন্দোলন ছিল চাকুরীতে কোটা প্রথা বাতিলের দাবিতে ছাত্রদের এক শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক আন্দোলন। ঐ আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের নির্দেশে পুলিশ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়ে ছাত্রদের আহত-নিহত করে। ফলে ছাত্রদের রক্তে রাজপথে রঞ্জিত হয়ে পড়ে। ছাত্রদের রক্তে ফুঁসে উঠে পুরো দেশবাসী। ছাত্রদেরর আন্দোলনের সাথে যুক্ত হয় দেশের কৃষক, শ্রমিক, ঠেলা-ভ্যান ও রিকশা চালকসহ সকল পেশাজীবির মানুষ। ঐ আন্দোলনে সংহতি প্রকাশ করে প্রবাসী বাংলাদেশিরাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। জনগণের তীব্র আন্দোলনের মুখে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগে ক্ষমতা ছেড়ে দেশ থেকে পালিয়ে যায়। কিন্তু ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের দোসর রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দীন চুপ্পু স্বপদে বহাল থাকে। নির্বাচিত সংসদ রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ করার ক্ষমতা থাকলেও সরকারি দলের স্বদিচ্ছা না থাকায় রাষ্ট্রপতি বহাল তবিয়তে রয়েছে। অনতিবিলম্বে রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ করে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের মাধ্যমে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পল্টন থানার পেশাজীবি বিভাগের সভাপতি মাওলানা আব্দুল কাদেরের সভাপতিত্বে এবং পল্টন থানার পেশাজীবি বিভাগের পল্টন মোড় ওয়ার্ড সভাপতি আরিফুল ইসলামের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মহানগরী দক্ষিণের কর্মপরিষদ সদস্য শাহীন আহমেদ খান, পল্টন থানা আমীর এডভোকেট মারুফুল ইসলাম, পল্টন থান সেক্রেটারি মঞ্জুরুল ইসলাম, সাবেক কমিশনার খন্দকার আব্দুর রব। এছাড়াও অনুষ্ঠানে পল্টন থানার পেশাজীবি বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে বিজয়নগর সাংগঠনিক ওয়ার্ডের উদ্যোগে আয়েজিত রমজানের তাৎপর্য ও গুরুত্ব শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. হেলাল উদ্দিন বলেন, রমজানের শিক্ষা হচ্ছে কথা ও কাজে মিল থাকা। মুখে যা বলবে বাস্তবে তা পরিণত করা। কিন্তু সরকার মুখে যেই কথা বলেছে বাস্তবে তার বিপরীত কাজ করছে। সরকার নির্বাচনের আগে দেশবাসীকে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে এখন গণভোট জয়যুক্ত হওয়রা পর সরকার গণভোটের রায় মেনে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে নারাজ। কারণ সরকারের উদ্দেশ্য খারাপ। এই সরকারও আওয়ামী লীগের মতোই দেশের জনগণকে শাসন ও শোষণ করতে চায়। যারা জনগণকে শাসন ও শোষণ করতে চাইবে তারাই জুলাই সনদ বাস্তবায়নের ব্যবস্থা নেবে না। গণভোটে জনগণের রায় মেনে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করতে তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
রাজনীতি
আপাতত সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে না মির্জা আব্বাসকে
উন্নত চিকিৎসার জন্য বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুর নেওয়ার পরিকল্পনা আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। তার শারীরিক অবস্থা এই মুহূর্তে দেশের বাইরে নেওয়ার মতো না থাকায় চিকিৎসকরা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। মির্জা আব্বাস বর্তমানে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
তিনি বলেন, আপাতত মির্জা আব্বাসকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে না। তার পরিবার দেশের চিকিৎসার ওপর আস্থা রেখেছে। তবে পরবর্তীতে মেডিকেল বোর্ড প্রয়োজন মনে করলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হতে পারে।
তিনি জানান, শুক্রবার মির্জা আব্বাসের চিকিৎসা ইস্যুতে একটি ভার্চুয়াল মেডিকেল বোর্ড বৈঠক করে। সেখানে উনার শারীরিক অবস্থা পর্যালোচনা করে চিকিৎসকরা মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন। এ বিষয়ে পরিবারের সদস্যদের সম্মতিও নেওয়া হয়। সে অনুযায়ী অস্ত্রোপচারের জন্য শুক্রবার ৩টা ১০ মিনিটে উনাকে অপারেশন থিয়েটারে নেয়া হয়।
এর আগে জুমার নামাজের পর প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান এভারকেয়ারে গিয়ে মির্জা আব্বাসের খোঁজখবর নেন। এ সময় মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা তার চিকিৎসার সর্বশেষ অবস্থা প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন।
ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, মির্জা আব্বাসের দ্রুত আরোগ্য কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছে তার পরিবার।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (১১ মার্চ) ইফতারের সময় অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারালে তাকে রাজধানীর বসুন্ধরার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকরা তার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন।
এমএন
রাজনীতি
মির্জা আব্বাসকে দেখতে হাসপাতালে যাবেন প্রধানমন্ত্রী
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি। তাকে দেখতে হাসপাতালে যাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) জুমার নামাজের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে তাকে দেখতে যাবেন।
প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব সুজন মাহমুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) মির্জা আব্বাসের মিডিয়া টিমের একজন কর্মকর্তা বলেন, বুধবার ইফতারে পানি খাওয়ার সময়ই হঠাৎ করে তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। অবস্থার উন্নতি না হলে গভীর রাতে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
রাতে হাসপাতালে যান জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি হাসপাতালে অবস্থানরত মির্জা আব্বাসের স্ত্রীর কাছে তার শারীরিক অবস্থা ও চলমান চিকিৎসার খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি মহান রবের নিকট মির্জা আব্বাসের আশু আরোগ্য কামনা করেন। জামায়াত আমিরের সঙ্গে ছিলেন ঢাকা মহানগরী উত্তর জামায়াতের মেডিকেল থানার সভাপতি ডা. এসএম খালিদুজ্জামান।
এ ছাড়া মির্জা আব্বাসকে দেখতে হাসপাতালে যান বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সমাজ কল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তারা মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থা ও চলমান চিকিৎসার খোঁজখবর নেন।
এর আগে বুধবার (১১ মার্চ) ইফতারে পানি পান করার সময় হঠাৎ করেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন মির্জা আব্বাস। অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় গভীর রাতে তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এমএন
রাজনীতি
প্রথম দিন ওয়াকআউট না করলেও পারত বিরোধী দল : স্পিকার
সংসদে বিরোধী দলের ওয়াকআউট করা তাদের সাংবিধানিক অধিকার হলেও, ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম দিনেই এমন পদক্ষেপ না নিলেও পারত বলে মন্তব্য করেছেন নবনির্বাচিত স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি পুষ্পস্তবক অর্পণ ও শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। এ সময় জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। পরে তারা স্মৃতিসৌধ পরিদর্শন করেন এবং পরিদর্শন বইতে স্বাক্ষর করেন।
স্পিকার বলেন, সংসদের নিরপেক্ষতা ও মর্যাদা রক্ষার স্বার্থে তিনি ইতোমধ্যে দলীয় পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। তিনি বলেন, সংসদে সব সদস্য সমানভাবে কথা বলার ও মত প্রকাশের সুযোগ পাবেন। আমরা চাই সংসদ কার্যক্রম আরও কার্যকর ও গণতান্ত্রিক হোক।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসানের পর দেশ একটি নতুন গণতান্ত্রিক পরিবেশ পেয়েছে। জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করে একটি বৈষম্যহীন, সমৃদ্ধ ও সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তোলাই এখন প্রধান লক্ষ্য। এজন্য সব রাজনৈতিক দলের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
স্পিকার আরও বলেন, দেশের স্বার্থে আমাদের সবাইকে এক সঙ্গে কাজ করতে হবে, যাতে কোনো স্বৈরাচারী বা মাফিয়াচক্র আবারও পুনর্বাসিত হতে না পারে। তিনি জুলাই আন্দোলনে শহীদদের প্রতিও গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানান।
এদিকে গণপূর্ত বিভাগের সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেন আনু জানান, স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের আগমন উপলক্ষে স্মৃতিসৌধ এলাকায় বিশেষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার ব্যবস্থা নেওয়া হয়। নিরাপত্তার স্বার্থে সকাল থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত সাধারণ দর্শনার্থীদের প্রবেশ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছিল। পরে বেলা ১১টার পর থেকে আবার দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।
এমএন
রাজনীতি
মির্জা আব্বাস আইসিইউতে, উন্নত চিকিৎসার জন্য নেওয়া হচ্ছে সিঙ্গাপুর
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস গুরুতর অসুস্থ হয়ে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) মেডিকেল বোর্ডের অধীনে রয়েছেন।
চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, উন্নত চিকিৎসার জন্য আজ শুক্রবার (১৩ মার্চ) তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুর নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।
এর আগে গত বুধবার (১১ মার্চ) ইফতারের সময় পানি পান করার সময় হঠাৎ করেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন প্রবীণ এই রাজনীতিবিদ। শারীরিক অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় ওইদিন গভীর রাতেই তাকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তার শারীরিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সিঙ্গাপুরে স্থানান্তরের সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার রাতে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মির্জা আব্বাসকে দেখতে যান জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি সেখানে অবস্থানরত মির্জা আব্বাসের স্ত্রী আফরোজা আব্বাসের কাছ থেকে চিকিৎসার খোঁজখবর নেন এবং তার আশু আরোগ্য কামনা করেন। এসময় তার সঙ্গে জামায়াতের স্থানীয় পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ সরকারের একাধিক মন্ত্রী ও দলের শীর্ষ নেতারা হাসপাতালে তাকে দেখতে যান। তারা দায়িত্বরত চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং মির্জা আব্বাসের চিকিৎসার সার্বিক তদারকি করেন। মির্জা আব্বাসের সুস্থতা কামনায় তার পরিবারের পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে।




