পুঁজিবাজার
পুঁজিবাজারে নতুন মার্জিন রুলসের আতঙ্কে বড় পতন
নতুন মার্জিন রুলসের গেজেট প্রকাশ করেছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। ‘বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন মার্জিন রুলস, ১৯৯৯’ রহিত করে নতুন ‘বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (মার্জিন রিপিল) রুলস, ২০২৫’ প্রণয়ন করা হয়েছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা ও উদ্বেগ বিরাজ করছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে। যার প্রভাবে দেখা গেছে সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসের লেনদেনে। এদিন সূচকের বড় পতনের সঙ্গে লেনদেনও কমেছে। এছাড়াও, লেনদেনে অংশ নেওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ৩২৯টিরই শেয়ারদর কমেছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, রবিবার (০৯ নভেম্বর) ডিএসইর প্রধান সূচক ‘ডিএসইএক্স’ ৬৮ দশমিক ০১ পয়েন্ট কমেছে। বর্তমানে সূচকটি অবস্থান করছে ৪ হাজার ৮৯৯ পয়েন্টে।
এছাড়া, ডিএসইর অপর সূচক ‘ডিএসইএস’ ১৬ দশমিক ৬০ পয়েন্ট কমে ১০২২ পয়েন্ট এবং ‘ডিএস-৩০’ সূচক ১১ দশমিক ৮১ পয়েন্ট কমে ১৯২৮ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
আজ ডিএসইতে ৪০২ কোটি ২০ লাখ ২৭ হাজার টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছে ৪১৯ কোটি ৭৮ লাখ ৭৯ হাজার টাকা।
এদিন ডিএসইতে মোট ৩৯০টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়েছে। লেনদেনে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ৩৪টি কোম্পানির, বিপরীতে ৩২৯টি কোম্পানির দর কমেছে। পাশাপাশি ২৭টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দর অপরিবর্তিত রয়েছে।
এসএম
পুঁজিবাজার
সাপ্তাহিক দরপতনের শীর্ষে পিপলস লিজিং
বিদায়ী সপ্তাহে (০৪ জানুয়ারি-০৮ জানুয়ারি) প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দরপতনের শীর্ষ তালিকার প্রথম স্থানে রয়েছে পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স সার্ভিসেস লিমিটেড প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারদর সপ্তাহজুড়ে কমেছে ২৭ দশমিক ৫৯ শতাংশ।
ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনায় এ তথ্য জানা গেছে।
তথ্যমতে, তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা ফারইস্ট ফাইন্যান্সের শেয়ার দর কমেছে ২৬ দশমিক ৯৮ শতাংশ। শেয়ারটির সমাপনী মূল্য ছিল .৪৬ টাকা। তালিকায় তৃতীয় স্থানে থাকা ফাস ফাইন্যান্সের শেয়ার দর কমেছে ২৬ দশমিক ০৯ শতাংশ। শেয়ারটির সমাপনী মূল্য ছিল .৫১ টাকা।
তালিকায় উঠে আসা অন্যান্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে- প্রিমিয়ার লিজিংয়ের ২৫.৪২ শতাংশ, ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ের ২৪.৫৯ শতাংশ, বিআইএফসির ২৩.৫৩ শতাংশ, বিডি ওয়েল্ডিংয়ের ২২.৬৩ শতাংশ, এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলের ২০.৮১ শতাংশ, কাট্টলি টেক্সটাইলের ২০.৬৯ শতাংশ ও ফার্স্ট ফাইন্যান্সের ২০.০০ শতাংশ শেয়ার দর কমেছে।
এমকে
পুঁজিবাজার
সাপ্তাহিক দর বৃদ্ধির শীর্ষে তাল্লু স্পিনিং
বিদায়ী সপ্তাহে (০৪ জানুয়ারি-০৮ জানুয়ারি) প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) দর বৃদ্ধির শীর্ষ তালিকার প্রথম স্থানে উঠে এসেছে তাল্লু স্পিনিং মিলস লিমিটেড। সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির শেয়ারদর বেড়েছে ২০ দশমিক ২৯ শতাংশ।
ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনায় এ তথ্য জানা গেছে।
তথ্যমতে, তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা জিকিউ বলপেনের শেয়ার দর বেড়েছে ১৬ দশমিক ৩৩ শতাংশ। শেয়ারটির সমাপনী মূল্য ছিল ৫২৭.১০ টাকা। তালিকায় তৃতীয় স্থানে পূবালী ব্যাংকের শেয়ার দর বেড়েছে ১৪ দশমিক ০২ শতাংশ। শেয়ারটির সমাপনী মূল্য ছিল ৩৬.৬০ টাকা।
তালিকায় উঠে আসা অন্যান্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে- ইসলামী ব্যাংকের ১২.৬৫ শতাংশ, এনআরবি ব্যাংকের ১১.২৯ শতাংশ, সায়হাম টেক্সটাইলের ১০.৯৯ শতাংশ, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্সের ১০.৫১ শতাংশ, ঢাকা ব্যাংকের ৭.১১ শতাংশ, রূপালী ব্যাংকের ৮.১১ শতাংশ ও ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্সের ৭.৯১ শতাংশ শেয়ার দর বেড়েছে।
এমকে
পুঁজিবাজার
সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষে ওরিয়ন ইনফিউশন
বিদায়ী সপ্তাহে (০৪ জানুয়ারি-০৮ জানুয়ারি) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সর্বোচ্চ লেনদেনের তালিকায় শীর্ষস্থান দখল করেছে ওরিয়ন ইনফিউশন লিমিটেড। সপ্তাহজুড়ে প্রতিদিন গড়ে কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ২২ কোটি ৮৯ লাখ ৭০ হাজার টাকা, যা ডিএসইর মোট লেনদেনের ৪.৮৩ শতাংশ।
ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনায় এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির২২ কোটি ৮৯ লাখ ৭০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা ছিল ডিএসইর মোট লেনদেনের ৪.৮৩ শতাংশ।
তালিকার দ্বিতীয় স্থানে থাকা স্কয়ার ফার্মার ২০ কোটি ৩৭ লাখ ৮০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা ছিল ডিএসইর লেনদেনের ৪.২৯ শতাংশ।
তৃতীয় স্থানে থাকা সিটি ব্যাংকের ১৬ কোটি ২৬ লাখ ৮০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা ছিল ডিএসইর লেনদেনের ৩.৪৩ শতাংশ।
লেনদেনের তালিকায় থাকা অন্যান্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে- উত্তরা ব্যাংকের ১৪ কোটি ৪০ লাখ ৫০ হাজার টাকা, ফাইন ফুডসের ১১ কোটি ২৪ লাখ টাকা , সায়হাম কটনের ৯ কোটি ৫৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা, মালেক স্পিনিংয়ের ৮ কোটি ৩৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা, লাভেলো আইসক্রীমের ৭ কোটি ৯৪ লাখ ৯০ হাজার টাকা, যমুনা ব্যাংকের ৭ কোটি ৬৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা এবং সামিট এলায়েন্সের ৭ কোটি ৪৩ লাখ ১০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।
এমকে
পুঁজিবাজার
ডিএসইর বাজার মূলধন বাড়লো দুই হাজার ৪০১ কোটি টাকা
বিদায়ী সপ্তাহে (০৪ জানুয়ারি থেকে ৮ জানুয়ারি) দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের উত্থানের মধ্য দিয়ে লেনদেন হয়েছে। এতে সপ্তাহ ব্যবধানে ডিএসইর বাজার মূলধন বেড়েছে ২ হাজার ৪০১ কোটি টাকা।
পুঁজিবাজারের সাপ্তাহিক হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
সমাপ্ত সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৮৩ হাজার ১৮০ কোটি টাকা। এর আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে এই মূলধন ছিল ৬ লাখ ৮০ হাজার ৭৭৯ কোটি টাকা। অর্থাৎ সপ্তাহ ব্যবধানে ডিএসইর বাজার মূলধন বেড়েছে ২ হাজার ৪০১ কোটি টাকা বা শূন্য দশমিক ৩৫ শতাংশ।
বিদায়ী সপ্তাহে ডিএসইতে বেড়েছে সব কয়টি সূচকের মান। প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ৮৭.৯৪ পয়েন্ট বা ১.৭৯ শতাংশ। তবে ডিএসই-৩০ সূচক বেড়েছে ৪৫.৫২ পয়েন্ট বা ২.৪৩ শতাংশ। আর ডিএসইএস সূচক বেড়েছে ৪.৮০ পয়েন্ট বা ০.৪৮ শতাংশ।
ডিএসইতে বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণও। সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২ হাজার ৩৭২ কোটি ৭২ লাখ টাকা। এর আগের সপ্তাহে মোট লেনদেন হয়েছিল ১ হাজার ৪১৭ কোটি ২৫ লাখ টাকা। এক সপ্তাহে লেনদেন বেড়েছে ৯৫৫ কোটি ৪৭ লাখ টাকা।
আর প্রতি কার্যদিবসে গড় লেনদেন বেড়েছে ১২০ কোটি ২৩ লাখ টাকা বা ৩৩.৯৩ শতাংশ। চলতি সপ্তাহের প্রতি কার্যদিবসে ডিএসইতে গড়ে লেনদেন হয়েছে ৪৭৪ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। এর আগের সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছিল ৩৫৪ কোটি ৩১ লাখ টাকা।
সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে ৩৮৯টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৭৬টি কোম্পানির, কমেছে ১৭৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৫টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।
এসএম
পুঁজিবাজার
খালেদা জিয়ার সময়েই স্থাপিত হয়েছে দেশের অর্থনৈতিক কাঠামো: ডিএসই চেয়ারম্যান
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের অৰ্থনীতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বেগম খালেদা জিয়ার অবদান ছিল অনন্য ও অসামান্য। বাংলাদেশের বাজারভিত্তিক ও বেসরকারি খাতনির্ভর অর্থনৈতিক উন্নয়ন কাঠামোর ভিত্তি বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামলেই স্থাপিত হয়।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) রাজধানীর নিকুঞ্জে ডিএসইর মাল্টিপারপাস হলে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে আয়োজিত স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও ডিএসই ব্রোকারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ) এ স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল আয়োজন করে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএসইস’র চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ ও কমিশনারবৃন্দ, ডিএসই’র চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুজহাত আনোয়ার ও পরিচালকবৃন্দ, সিএসই’র চেয়ারম্যান অধ্যাপক হাবিবুর রহমান, ডিবিএ’র প্রেসিডেন্ট সাইফুল ইসলাম, বিএপিএলসি’র প্রেসিডেন্ট রিয়াদ মাহমুদসহ পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং ডিএসই’র কর্মকর্তারা।
ডিএসই চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম বলেন, ১৯৯১ সাল থেকে বেসরকারি খাতে যে ব্যাপক সম্প্রসারণের সূচনা হয়, তার সুফল আজ দেশের সাধারণ মানুষ ভোগ করছে। একই সঙ্গে পুঁজিবাজার ও আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গড়ে তুলতেও তাঁর ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একজন রাষ্ট্রনায়কের প্রকৃত অবদান তাঁর প্রয়াণের পর আরো স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়। বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় দেশের সর্বস্তরের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি তাঁর প্রতি জনগণের গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসারই বহিঃপ্রকাশ।
ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুজহাত আনোয়ার বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন একজন দৃঢ় ও দূরদর্শী নেতা, যার অবদান দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিশেষভাবে স্মরণীয়। ১৯৯৩ সালে বেগম খালেদা জিয়ার সরকারের সময় বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) গঠিত হয়, যা দেশের পুঁজিবাজারের প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ১৯৯৪ সালের ২ মার্চ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত শীর্ষস্থানীয় দশটি কোম্পানিকে জাতীয় পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে বেগম খালেদা জিয়ার উপস্থিতি, যা শিল্প ও কর্পোরেট খাতকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হয়।
ডিএসই’র পরিচালক মিনহাজ মান্নান ইমন বলেন, একজন মানুষের জীবনের প্রকৃত মূল্য সবচেয়ে স্পষ্টভাবে প্রকাশ পায় তাঁর মৃত্যুর পর মানুষের উপস্থিতি ও আবেগে। তাঁর জানাজায় কোটি মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ প্রমাণ করে তিনি কত মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছিলেন। এটি শুধু বাংলাদেশের নয়, সারা বিশ্বের জন্য এক অনন্য দৃষ্টান্ত। তিনি ছিলেন একজন বড় মাপের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, যাঁর প্রতি ভিন্ন মত ও ভিন্ন পথের মানুষের মধ্যেও গভীর শ্রদ্ধা ছিল। আমরা আল্লাহর কাছে তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করি।
ডিবিএ’র প্রেসিডেন্ট সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘‘বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন একজন মানবিক রাজনীতিবিদ, যিনি বিরোধী মতের প্রতিও সর্বদা শ্রদ্ধাশীল ছিলেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে, বিশেষ করে গত ১৫ বছরের নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি দেশ ও মানুষের স্বার্থে অবিচল ছিলেন। জাতীয় ঐক্য ও গণতন্ত্র রক্ষায় তাঁর আপসহীন ভূমিকা আজও প্রেরণার উৎস। পুঁজিবাজার উন্নয়নে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। ১৯৯১ সালে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য ক্যাপিটাল মার্কেট উন্মুক্ত করার মাধ্যমে তিনি এ খাতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেন। তাঁর দূরদর্শী সিদ্ধান্তের ফলেই আজকের আধুনিক পুঁজিবাজার গড়ে উঠেছে। আমরা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে তাঁকে স্মরণ করছি এবং আল্লাহর কাছে তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং তার পরিবারের সদস্যদের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করছি।’’
ডিএসই’র প্রধান পরিচালক কর্মকর্তা মোহাম্মদ আসাদুর রহমানের সঞ্চালনায় আয়োজিত স্মরণসভায় বিএপিএলসির প্রেসিডেন্ট রিয়াদ মাহমুদ বলেন, বেগম খালেদা জিয়া শুধু একজন প্রধানমন্ত্রী বা একটি বড় রাজনৈতিক দলের নেত্রীই ছিলেন না; সময়ের পরিক্রমায় তিনি যেন আমাদের সমাজ ও সামাজিক জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়েছেন। এমনটি মনে হয়, তাঁর ব্যক্তিত্ব আমাদের সামাজিক ও পারিবারিক বন্ধনের গভীরে, আমাদের সামাজিক চেতনা ও অনুভূতির ভেতর গভীরভাবে মিশে গেছে। একজন মানুষ হিসেবে তাঁর যেমন গুণ ছিল, তেমনি স্বাভাবিকভাবেই কিছু সীমাবদ্ধতাও ছিল। তবে বিগত কয়েক দিনে সারা দেশে তাঁর প্রতি যে বিপুল ভালোবাসা ও গভীর শ্রদ্ধা প্রকাশ পেয়েছে, তা প্রমাণ করে—সব সীমাবদ্ধতার ঊর্ধ্বে উঠে তিনি মানুষের হৃদয়ে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছেন।’’
সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ভাতিজা মো. শামস ইস্কান্দার সকলের কাছে তার পরিবারের পক্ষ থেকে মরহুমার জন্য দোয়া কামনা করেন।
এমকে




