সারাদেশ
টঙ্গীতে তুলার গুদামে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে
গাজীপুরের টঙ্গীতে তুলার গুদামে লাগা আগুন দেড় ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে এসেছে। টঙ্গী ফায়ার সার্ভিস, উত্তরা ও গাজীপুর মডার্ন ফায়ার সার্ভিসের ৮টি ইউনিট সেখানে দেড় ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে দুপুর ১টা ৩৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণ আনে।
শনিবার (৮ নভেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে জেলার টঙ্গী স্টেশন রোডের মিলগেট এলাকায় বড় একটি তুলার গুদামে আগুন লাগে। এ সময় আগুন আশপাশের আরও ৭টি গুদামে ছড়িয়ে পড়ে।
গাজীপুর ফায়ার সার্ভিসের উপ পরিচালক মোহাম্মদ মামুন বলেন, শনিবার দুপুর ১২টার দিকে টঙ্গীর স্টেশন রোডের মিলগেট এলাকায় তুলার গুদামে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। স্থানীয়রা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নাম্বারে কল করেন। খবর পেয়ে টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের ৮টি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পরে আগুনের ভয়াবহতা বাড়লে উত্তরা ও গাজীপুর মডার্ন ফায়ার সার্ভিসের আরও ৪টি ইউনিট সেখানে যোগ দেয়। পরে তাদের প্রচেষ্টায় দেড় ঘণ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণ করা হয়। এ ঘটনায় আশপাশের ৭টি গোডাউন পুড়ে গেছে।
ফায়ার সার্ভিস মিডিয়া সেলের ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ফায়ার সার্ভিসের ৮টি ইউনিট কাজ করেছে। দুর্ঘটনাস্থালে পানি সংকট ছিল। এ ঘটনায় এখনো কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ পরে জানা যাবে।
সারাদেশ
চালু হচ্ছে রাজশাহী শিশু হাসপাতাল
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের (আইসিইউ) জন্য অপেক্ষাধীন থাকতে থাকতে শিশুদের মৃত্যুর বিষয়টি সামনে আসার পর অবশেষে তিন বছর ধরে খালি পড়ে থাকা শিশু হাসপাতালটি চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) এ কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী।
রামেক হাসপাতাল পরিদর্শনে এসে স্বাস্থ্যসচিব বলেন, ‘আমরা তিন মাসের মধ্যে আংশিকভাবে রাজশাহী শিশু হাসপাতাল চালু করব। সেখানে প্রথমে আউটডোর সেবা শুরু হবে এবং আগামী অর্থবছরে অন্য সেবাগুলোও চালু হবে।’
প্রায় আট বছর আগে নগরের বন্ধগেট এলাকায় ৩৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০০ শয্যাবিশিষ্ট রাজশাহী শিশু হাসপাতালের নির্মাণকাজ শুরু হয়। তিন বছর আগেই এর কাজ শেষ হয়েছে। কিন্তু সরকারি কোনো কর্তৃপক্ষ হাসপাতালটি বুঝে না নেওয়ায় সেবা কার্যক্রম শুরু হয়নি। এদিকে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকায় হাসপাতালের বিভিন্ন জিনিসপত্র চুরি হয়ে গেছে।
শিশু হাসপাতালটি চালু না হওয়ায় রামেক হাসপাতালের শিশু বিভাগে রোগীর চাপ প্রচণ্ড। রাজশাহী ছাড়াও রংপুর ও খুলনা বিভাগের শিশুরা এই হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়। হাসপাতালের ২০০ শয্যার বিপরীতে প্রায় ৭০০ রোগী ভর্তি থাকে। ফলে পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খায় কর্তৃপক্ষ। রামেক হাসপাতালে শিশুদের জন্য মাত্র ১২টি আইসিইউ শয্যা আছে। এই শয্যার জন্য সব সময় দীর্ঘ লাইন থাকে। সিরিয়াল দিলে ৩০ থেকে ৫০ জনের পর ডাক পড়ে।
বর্তমানে শিশুদের মধ্যে অন্যান্য অসুখের পাশাপাশি ছোঁয়াচে রোগ হামের প্রকোপ দেখা দিয়েছে। এতে আইসিইউর চাহিদা আরও বেড়েছে। এমনি পরিস্থিতিতে এখন আবার শিশু হাসপাতাল চালুর বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। কেননা, নবনির্মিত শিশু হাসপাতালেও ১২টি আইসিইউ বেড থাকার কথা।
আজ রামেক হাসপাতাল পরিদর্শনে আসেন স্বাস্থ্যসচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস। এ সময় তিনি আগামী তিন মাসের মধ্যে শিশু হাসপাতালটি আংশিক চালু করা হবে বলে জানান। এ ছাড়া সদর হাসপাতাল ও বক্ষব্যাধি হাসপাতালসহ যেসব হাসপাতালের অবকাঠামো তৈরি আছে, সেগুলো সচল করার উদ্যোগ গ্রহণের পরিকল্পনার কথাও জানান সচিব।
সারাদেশ
পরিবারের কষ্ট ভুলতেই ভিডিও করি, আমি সাংবাদিক নই : ভাইরাল তাইজুল
আমার বাবা-মা অসুস্থ, তারা শ্রবণপ্রতিবন্ধী। আমি ঢাকায় রাজমিস্ত্রির সহকারী (হেল্পার) হিসেবে কাজ করি। পরিবারের দুঃখ-কষ্ট ভুলতেই ভিডিও করি। আমি সাংবাদিক না। কথাগুলো বলছিলেন কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়নের উত্তর ঢাকডহর সরকারপাড়া গ্রামের বাসিন্দা তাইজুল ইসলাম (৩০)।
সম্প্রতি তাইজুল ইসলামের জিলাপির দাম নিয়ে তৈরি করা একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
ওই ভিডিওতে দেখা যায়, তাইজুল স্থানীয় একটি দোকানে গিয়ে জিলাপি বিক্রি নিয়ে সরল ভাষায় কথা বলছেন। তিনি বলেন, ‘অনেক এখানে দোকানপাট, অনেক জিলাপি ভাজতেছে। তার কাছে আমি প্রশ্ন করবো— জিলাপি কত করে বিক্রি করছেন? সাদাডা কত, লালডা কত?’
পরে তিনি দোকানিকে প্রশ্ন করেন, ‘জিলাপি আজকে কত করে বেচতেছেন সরকারি রেটে? যদি জনগণকে বলতেন তাহলে অনেক খুশি হইতাম।’ তার এই বক্তব্য সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক মাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। একাংশ দর্শক তার সরলতা ও উপস্থাপনাকে বিনোদন হিসেবে দেখছেন এবং প্রশংসা করছেন। অন্যদিকে, কেউ কেউ তাকে ব্যঙ্গ করে মন্তব্যও করছেন।
তাইজুল ইসলাম তাজু নাগেশ্বরী উপজেলার ব্রহ্মপুত্র নদবেষ্টিত নারায়ণপুর ইউনিয়নের সরকারপাড়া গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে। তার মায়ের নাম তাহেরা বেগম। ৬ ভাই বোনের মধ্যে সবার বড়। তাইজুল পেশায় রাজমিস্ত্রির সহকারী (হেল্পার) হিসেবে ঢাকায় কাজ করেন। দেশের বিভিন্ন জায়গায় রাজমিস্ত্রির কাজের ফাঁকে ফাঁকে মজার ছলে ভিডিও করেন তিনি।
তাইজুল ইসলাম বলেন, ‘সাংবাদিকরা আমাদের এলাকার খবর করে না। এ জন্য আমি ভিডিও করি। আমি বোকাসোকা মানুষ, আমার ভুল হতেই পারে। আপনারা আমাকে নিয়ে ট্রোল করেন। এতে আমার কষ্ট নেই। আমি চাই চরের মানুষের উন্নয়ন হোক।’
নারায়ণপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘ওই ছেলের বাড়ি আমার পরিষদের সামনে। তবে ভাইরাল হওয়ার বিষয়টি আমার জানা নেই। আজ শুনলাম সে নাকি ভিডিও করে ভাইরাল হয়েছে।’
এমএন
সারাদেশ
তেল কিনতে গিয়ে হামলার শিকার চাকসু নেতা
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু)-এর পাঠাগার ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক মাসুম বিল্লাহর ওপর ব্লেড ও ক্ষুর দিয়ে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে তার চোখের ওপরের অংশ কেটে যায়। এ ঘটনায় তার সঙ্গে থাকা ফিশারিজ বিভাগের শিক্ষার্থী হাসিবুর রহমানও আহত হন।
সোমবার (৩০ মার্চ) রাত সাড়ে ৮টার দিকে হাটহাজারী বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন একটি ফুয়েল স্টেশনে মোটরসাইকেলে তেল নিতে গেলে ৭-৮ জন অজ্ঞাত ব্যক্তি তাদের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। তবে, এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ে বহিরাগত বাইক আটকে কেন্দ্র করে হওয়া সমঝোতাকেই হামলার মূল কারণ বলছেন অনেকে।
চাকসু সূত্রে জানা যায়, মাসুম বিল্লাহ তার বন্ধু হাসিবুর রহমানকে সঙ্গে নিয়ে হাটহাজারীতে যান। সেখানে একটি ফুয়েল স্টেশনে হঠাৎ একদল দুর্বৃত্ত তাদের উপর হামলা চালায়। খবর পেয়ে চাকসুর সহ-সাহিত্য, সংস্কৃতি ও প্রকাশনা সম্পাদক জিহাদ হোসাইন এবং আইন সম্পাদক ফজলে রাব্বি তাওহিদ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।
এ ঘটনায় ৪ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ে আটককৃত বাইক চালক আরিফুল ইসলামকে ১ নম্বর আসামি করে মোট ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
চাকসুর সহ-সাহিত্য, সংস্কৃতি ও প্রকাশনা জিহাদ হোসাইন বলেন, ‘আমরা বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে আছি। ঘটনার কিছুক্ষণ পরে আমি এবং আইন সম্পাদক সাথে সাথে যাই। ঘটনায় তার একজন বন্ধু ছিল হাসিবুর রহমান। সে গুরুতর আহত হয়।’
ঘটনার বিষয়ে মাসুম বিল্লাহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখেন, ‘গত ৪ মার্চ ক্যাম্পাসে বেপরোয়া গতিতে বাইক চালিয়ে এক শিক্ষার্থীকে আহত করার ঘটনায় তিনি সমঝোতায় ভূমিকা রাখেন। সেই ঘটনার জের ধরেই এ হামলা হয়েছে। সমঝোতাকারী হিসেবে আজ আমাকে হামলার শিকার হতে হয়েছে। ব্লেড ও ক্ষুর দিয়ে শেষ প্রতিশোধ নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।’
চবি মেডিকেলের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, কয়েকজন মিলে ভুক্তভোগীকে মেডিকেলে নিয়ে আসে। চোখের উপরে খুর বা ছুরি এ জাতীয় কিছু দিয়ে কাটার দাগ ছিলো। তার মাথায় প্রচণ্ড আঘাত করা হয়েছে। শরীরে বিভিন্ন জায়গায় কিল, ঘুসি দিয়ে মারাত্মকভাবে আঘাত করা হয়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (সিএমসি) হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী বলেন, ‘ঘটনার বিষয়ে খোঁজখবর নিতে একজনকে মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে। থানায় মামলা হয়েছে এবং আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’
উল্লেখ্য, গত ৪ মার্চ বহিরাগত আরিফুল ইসলাম বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল চালিয়ে নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মনিরুজ্জামান রাজকে আহত করেন। ওই ঘটনায় শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে সমঝোতা করেন মাসুম বিল্লাহ। সমঝোতার অংশ হিসেবে চিকিৎসা ব্যয় বহনসহ বিভিন্ন শর্তে মুচলেকা দেন অভিযুক্তের পরিবার।
সারাদেশ
নড়াইলে ৭৪০০ লিটার ডিজেল জব্দ
নড়াইলের কালিয়া উপজেলায় পৃথক দুটি অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ ডিজেল জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন।
সোমবার (৩০ মার্চ) সন্ধ্যায় উপজেলার বারইপাড়া ফেরিঘাট ও কলাবাড়িয়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে মোট ৭ হাজার ৪০০ লিটার ডিজেল জব্দের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট দুই ব্যক্তিকে জরিমানা করা হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জিন্নাতুল ইসলামের নেতৃত্বে বারইপাড়া ফেরিঘাট এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় পিন্টু শেখ (৫৫) নামে এক ব্যক্তির কাছ থেকে ৯টি ব্যারেলে রাখা ১ হাজার ৮০০ লিটার ডিজেল উদ্ধার করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
ইউএনও মো. জিন্নাতুল ইসলাম বলেন, ‘জব্দকৃত মোট ৭ হাজার ৪০০ লিটার ডিজেল সরকারি নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করে প্রাপ্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে। অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুত ও বিক্রির বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান নিয়মিতভাবে চালু থাকবে এবং এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
সারাদেশ
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে পাবনা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির নেতাদের সাক্ষাৎ
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে পাবনা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (পিসিসিআই) নেতারা সাক্ষাৎ করেছেন। সোমবার (৩০ মার্চ) পাবনা সার্কিট হাউজে সাক্ষাৎকালে পাবনা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মো. ফোরকান রেজা বিশ্বাস বাদশার নেতৃত্বে সংগঠনটির সহসভাপতি এবং পরিচালকরা এতে উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় তারা পাবনা জেলায় ৫ হাজার লোকের কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্যোগসহ সংগঠনটির সার্বিক কর্মকাণ্ড বিষয়ে রাষ্ট্রপতিকে জানান।
রাষ্ট্রপতি সংগঠনটির কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং পাবনার সম্পদ ও সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির সচিবরা উপস্থিত ছিলেন।



