পুঁজিবাজার
ইনডেক্স এগ্রোর লভ্যাংশ ঘোষণা
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান ইনডেক্স এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড গত ৩০ জুন, ২০২৫ তারিখে সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। কোম্পানিটি আলোচিত বছরের জন্য সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের ১৭ শতাংশ লভ্যাংশ দেবে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ, বাকী ৫ শতাংশ বোনাস।
বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত কোম্পানি পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে সর্বশেষ হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর লভ্যাংশ সংক্রান্ত এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কোম্পানি সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, সর্বশেষ বছরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি ৫ টাকা ৫২ পয়সা আয় হয়েছে। আগের বছর শেয়ার প্রতি আয় হয়েছিল ৫ টাকা ৪৮ পয়সা।
গত বছর কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি ক্যাশ ফ্লো ছিল ১০ টাকা ২৬ পয়সা। আগের বছর ক্যাশ ফ্লো ছিল ১৪ টাকা ৭৭ পয়সা। গত ৩০ জুন, ২০২৫ তারিখে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ৮৫ টাকা ৭৪ পয়সা।
আগামী ১৫ ডিসেম্বর সকাল ১১টায় কোম্পানিটির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এর জন্য রেকর্ড তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ৯ নভেম্বর।
কাফি
পুঁজিবাজার
নগদ ৪২০% লভ্যাংশ ঘোষণা ইউনিলিভারের
তালিকাভুক্ত ইউনিলিভার কনজিউমার কেয়ার লিমিটেডের সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে নিট মুনাফা বেড়েছে ১৯ শতাংশ।
আলোচ্য হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৪২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটির পর্ষদ। কোম্পানিটির এক মূল্যসংবেদনশীল তথ্যের মাধ্যমে বিষয়টি জানা গেছে।
তথ্যানুসারে, সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে ইউনিলিভারের কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে ৭৯ কোটি ৪২ লাখ টাকা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৬৬ কোটি ৭২ লাখ টাকা। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪১ টাকা ২১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩৪ টাকা ৬২ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১১৬ টাকা ৩০ পয়সায়।
কোম্পানিটি জানিয়েছে, রাজস্ব বৃদ্ধি, পরিচালন ব্যয়ে দক্ষতা, প্রযুক্তি ও ট্রেডমার্ক রয়্যালটির পূর্ববর্তী দায় পুনর্মূল্যায়ন থেকে এককালীন সুবিধা পাওয়ার পাশাপাশি নগদ অর্থের কার্যকর বিনিয়োগে নিট আর্থিক আয় বেড়েছে। ফলে নিট মুনাফা বেড়েছে। এদিকে ঘোষিত লভ্যাংশ ও অন্যান্য এজেন্ডায় বিনিয়োগকারীদের অনুমোদন নিতে আগামী ১৮ মে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আহ্বান করেছে কোম্পানিটির পর্ষদ। এ-সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ এপ্রিল।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৫২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ইউনিলিভার কনজিউমার কেয়ারের ইপিএস হয়েছে ৩৪ টাকা ৬২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪৯ টাকা ৮৯ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১২৬ টাকা ৮৩ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৩০০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ইউনিলিভার কনজিউমার কেয়ারের ইপিএস হয়েছে ৪৯ টাকা ৮৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩৭ টাকা ৯০ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১২২ টাকা ২১ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরের জন্য বিনিয়োগকারীদের ৩০০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। এর মধ্যে ২৪০ শতাংশ নগদ ও ৬০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে ইউনিলিভার কনজিউমার কেয়ারের ইপিএস হয়েছে ৬০ টাকা ৬৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরের যা ছিল ৪৩ টাকা ৮০ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১৩৯ টাকা ৬০ পয়সায়।
ইউনিলিভার কনজিউমার কেয়ারের সর্বশেষ ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘এএ’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-১’। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং প্রকাশের দিন পর্যন্ত কোম্পানিটির অন্যান্য প্রাসঙ্গিক গুণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যায়ন করেছে ইমার্জিং ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড (ইসিআরএল)।
১৯৭৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত গ্ল্যাক্সোস্মিথক্লাইন (জিএসকে) বাংলাদেশ লিমিটেডকে ইউনিলিভার কর্তৃক অধিগ্রহণের পর ২০২০ সালের ২৬ নভেম্বর থেকে কোম্পানিটির নতুন নাম হয় ইউনিলিভার কনজিউমার কেয়ার লিমিটেড। বর্তমানে কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ২০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১৯ কোটি ২৭ লাখ ৪০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ২২৫ কোটি ১৭ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১ কোটি ৯২ লাখ ৭৪ হাজার ৩১৮। এর ৯২ দশমিক ৮০ শতাংশই রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩ দশমিক ৫৮, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে দশমিক ১১ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৩ দশমিক ৫১ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।
পুঁজিবাজার
ডিএসইতে পিই রেশিও কমেছে ৬ শতাংশ
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বিদায়ী সপ্তাহে সার্বিক মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) ৬ শতাংশ কমেছে।
ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
জানা গেছে, বিদায়ী সপ্তাহের শুরুতে ডিএসইর পিই রেশিও ছিল ১০.১ পয়েন্টে। আর সপ্তাহ শেষে পিই রেশিও অবস্থান করছে ৯.৫৩ পয়েন্টে। অর্থ্যাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর পিই রেশিও ০.৭৫ পয়েন্ট বা ৬ শতাংশ।
পুঁজিবাজার
সাপ্তাহিক দর পতনের শীর্ষে রহিমা ফুড
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সাপ্তাহিক শেয়ার দর পতনের শীর্ষে উঠে এসেছে রহিমা ফুড লিমিটেড।
ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
জানা গেছে, সপ্তাহজুড়ে কোম্পানির দর কমেছে ২৩ দশমিক ৯০ শতাংশ। শেয়ারটির সমাপনী মূল্য ছিল ১০৮.৯০ টাকা।
তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার দর কমেছে ১৯ দশমিক ৮৬ শতাংশ। শেয়ারটির সমাপনী মূল্য ছিল ১৯৬.১০ টাকা।
তালিকায় তৃতীয় স্থানে থাকা ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর শেয়ার দর কমেছে ১৭ দশমিক ৩৫ শতাংশ। শেয়ারটির সমাপনী মূল্য ছিল ২২৬.৮০ টাকা।
তালিকায় উঠে আসা অন্যান্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে–সোনারগাঁও টেক্সটাইলের ১৭.৩০ শতাংশ , উসমানিয়া গ্লাসের ১৫.১০ শতাংশ , সায়হাম টেক্সটাইলের ১৪.৩৫ শতাংশ , বিডি ওয়েল্ডিং ইলেকট্রোডসের ১৪.১৩ শতাংশ, আজিজ পাইপসের ১৩.৯৮ শতাংশ , ওয়াটা কেমিক্যালসের ১৩.০০ শতাংশ এবং অ্যাপেক্স স্পিনিংয়ের ১২.৮৩ শতাংশ দর কমেছে।
পুঁজিবাজার
সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষে ওরিয়ন ইনফিউশন
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষে উঠে এসেছে ওরিয়ন ইনফিউশন লিমিটেড।
ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
জানা গেছে, সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির ৪১ কোটি ৬৬ লাখ ৪০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা ছিল ডিএসইর মোট লেনদেনের ৫.৮৯ শতাংশ।
তালিকার দ্বিতীয় স্থানে থাকা সিটি ব্যাংকের ৪০ কোটি ৩০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা ছিল ডিএসইর লেনদেনের ৫.৭৪ শতাংশ।
তৃতীয় স্থানে থাকা খান ব্রাদার্সের ২০ কোটি ৬০ লাখ ৬০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা ছিল ডিএসইর লেনদেনের ২.৯৬ শতাংশ।
লেনদেনের তালিকায় থাকা অন্যান্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে-ব্র্যাক ব্যাংকের ১৮ কোটি ৭৬ লাখ ১০ হাজার টাকা , রবি আজিয়াটার ১৭ কোটি ৭২ লাখ ২০ হাজার টাকা , সামিট অ্যালায়েন্স পোর্টের ১৪ কোটি ৩৮ লাখ ৯০ হাজার টাকা , ব্যাংক এশিয়ার ১২ কোটি ৬১ লাখ ৬০ হাজার টাকা , বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের ৯ কোটি ৯৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা , এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজের ৯ কোটি ৫৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা এবং ইস্টার্ন ব্যাংকের ৯ কোটি ৪৯ লাখ ৪০ হাজার টাকা লেনদেন হয়েছে।
পুঁজিবাজার
ডিএসইর প্রধান সূচক হারাল ৩৫৯ পয়েন্ট, বাজার মূলধন কমেছে ২০ হাজার ৪১৩ কোটি
দেশের শেয়ারবাজারে সূচকের বড় পতনের মধ্য দিয়ে চলতি সপ্তাহে লেনদেন হয়েছে । এতে সপ্তাহ ব্যবধানে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধন কমেছে ২০ হাজার ৪১৩ কোটি টাকা।
পুঁজিবাজারের সাপ্তাহিক হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)
সপ্তাহ ব্যবধানে ডিএসইর বাজার মূলধন কমেছে ২ দশমিক ৮৪ শতাংশ বা ২০ হাজার ৪১৩ কোটি টাকা। চলতি সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৯৭ হাজার ৯৫১ কোটি টাকা। এর আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে এই মূলধন ছিল ৭ লাখ ১৮ হাজার ৩৬৪ কোটি টাকা।
চলতি সপ্তাহে ডিএসইতে কমেছে সব কয়টি সূচকের মান। প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স কমেছে ৩৫৯.৪৩ পয়েন্ট বা ৬.৪২ শতাংশ। ডিএসই-৩০ সূচক কমেছে ১৫৭.৯৫ পয়েন্ট বা ৭.২৮ শতাংশ। আর ডিএসইএস সূচক কমেছে ৬৭.৪৭ পয়েন্ট বা ৬.০৪ শতাংশ।
ডিএসইতে কমেছে লেনদেনের পরিমাণও। সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৩ হাজার ৪৮২ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। এর আগের সপ্তাহে মোট লেনদেন হয়েছিল ৩ হাজার ৬২৪ কোটি ৩০ লাখ টাকা। এক সপ্তাহে লেনদেন কমেছে ১৪১ কোটি ৮৫ লাখ টাকা।
আর প্রতি কার্যদিবসে গড় লেনদেন কমেছে ২৮ কোটি ৩৭ লাখ টাকা বা ৩.৯১ শতাংশ। চলতি সপ্তাহের প্রতি কার্যদিবসে ডিএসইতে গড়ে লেনদেন হয়েছে ৬৯৬ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। এর আগের সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছিল ৭২৪ কোটি ৮৬ লাখ টাকা।
সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে ৩৯২টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ৫৯টি কোম্পানির, কমেছে ৩২৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৮টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)
এদিকে সপ্তাহ ব্যবধানে দেশের অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) প্রধান সূচক সিএএসপিআই ও সিএসসিএক্স যথাক্রমে ৪.৯৪ শতাংশ ও ৫.৪৯ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১৪৮২৫.১৩ পয়েন্টে ও ৯০৬০.৫১ পয়েন্টে।
এছাড়া সিএসই-৫০ সূচক কমেছে ৬.০৬ শতাংশ। সূচকটি অবস্থান করছে ১১৩৪.৩২ পয়েন্টে। আর সিএসই-৩০ সূচক ৭.০১ শতাংশ ও সিএসআই সূচক ৪.৭৪ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ১৩১৯৭.০৭ পয়েন্টে ও ৮৮৯.৫৬ পয়েন্টে।
চলতি সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১০৬ কোটি ২ লাখ টাকা, যা এর আগের সপ্তাহে ছিল ৮৪ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। সপ্তাহ ব্যবধানে লেনদেন বেড়েছে ২১ কোটি ১৪ লাখ টাকা।
সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে ২৮৫টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ৬৩টির, কমেছে ২১৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৯টির কোম্পানির শেয়ার দর।
নাইম




