প্রবাস
বিএনপি চীন শাখার বনভোজন
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) বৃহত্তর চীন শাখার উদ্যেগে সংগঠনটির সাংগঠনিক বন্ধন সুদৃঢ় এবং কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে এক সফল ও আনন্দময় বনভোজন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত ৬ ও ৭ অক্টোবর দুই দিনব্যাপী বনভোজনটি চীনের হুইঝু শহরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মাঝে আয়োজিত হয়। এই দুই দিনের অনুষ্ঠান ঐক্য ও উদ্যমের মধ্য দিয়ে চায়নায় বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করলো।
এই মনোরম সমাবেশে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে চায়না বিএনপির নেতা সাখাওয়াত হোসেন কানন, শেখ মাহবুবুর রশীদ, ওয়ালী উল্লাহ, এস এম আল-আমিন, হাসমত আলী মৃধা জেমস, সালাউদ্দিন রিক্তা, মনোয়ার বায়েজীদ, মো. রোমান, জসিম উদ্দিন, খোরশেদ আলম অপু, রাসেল আহমেদ প্রমুখ। এছাড়াও, চায়না বিএনপির নেতা আসিফ হক রুপু ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে অনুষ্ঠানের সাথে সংযুক্ত হন।
প্রাকৃতিক পরিবেশের মধ্যবর্তী এই দুই দিন ছিল সম্প্রীতি, আলোচনা ও পরিকল্পনায় পরিপূর্ণ। নেতা-কর্মীরা একত্রিত হয়ে দলীয় সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার পথ নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা করেন, ভবিষ্যত পরিকল্পনা প্রণয়ন করেন এবং জাতীয়তাবাদী চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে পারস্পরিক সহযোগিতা ও ঐক্যবদ্ধ থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। ভবিষ্যতেও এমন কর্মসূচির মাধ্যমে তারা প্রবাসে দলীয় কাঠামো ও কার্যক্রমকে আরও সুসংহত করতে বদ্ধপরিকর।
এই অনুষ্ঠানে দেশটিতে বসবাসরত শতাধিকেরও বেশি বাংলাদেশি এবং বিএনপি ও এর অংঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
কাফি
প্রবাস
ফের বিশ্বের সেরা বিজ্ঞানীর তালিকায় অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করে আবারও বিশ্বের সেরা বিজ্ঞানীদের তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন মালয়েশিয়া প্রবাসী বাংলাদেশি বিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান।
গবেষণা, অ্যাকাডেমিক উৎকর্ষ ও বৈশ্বিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এডি সায়েন্টিফিক ইনডেক্স র্যাঙ্কিং ২০২৬-এ তিনি মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং শাখায় মালয়েশিয়ায় প্রথম, এশিয়ায় দ্বিতীয় এবং বিশ্বে সপ্তম স্থান অর্জন করেছেন।
সম্প্রতি প্রকাশিত এডি সায়েন্টিফিক ইনডেক্স ২০২৬ অনুযায়ী, ইঞ্জিনিয়ারিং ও টেকনোলজি/মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে বিশ্বের ৩৩ হাজার ৩৭১ জন বিজ্ঞানীর মধ্যে এই মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান অর্জন করেন অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান।
২০২৫ সালেও একই র্যাঙ্কিংয়ে তিনি বিশ্বে সপ্তম অবস্থানে ছিলেন, যা তার গবেষণায় ধারাবাহিক উৎকর্ষ ও স্থিতিশীল সাফল্যের সুস্পষ্ট প্রমাণ।
এছাড়া, স্কলারজিপিএস ২০২৫ অনুযায়ী টেকসই জ্বালানি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি গবেষণায় তিনি বিশ্বসেরা বিজ্ঞানী হিসেবে প্রথম স্থান অর্জন করেন। একই বছরে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও এলসেভিয়ারের যৌথ বিশ্লেষণে প্রকাশিত বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায়, মালয়েশিয়ার বিজ্ঞানীদের মধ্যে এনার্জি গবেষণায়ও তিনি প্রথম স্থান অধিকার করেন।
অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান সানওয়ে ইউনিভার্সিটি থেকে উদ্যোক্তা ও উদ্ভাবনে উৎকর্ষতা পুরস্কার এবং শিক্ষার্থীদের কৃতজ্ঞতা স্বীকৃতি (শিক্ষাদান) পুরস্কার লাভ করেন। পাশাপাশি, ২০২৫ সালের ওবাদা পুরস্কারে ‘বিশিষ্ট বিজ্ঞানী’ ক্যাটাগরিতে তিনি সম্মানিত হন। বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে এই পুরস্কার বিশ্বব্যাপী অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ। ২০২৫ সালে সারা বিশ্ব থেকে মাত্র আটজন বিশিষ্ট বিজ্ঞানী এই সম্মানে ভূষিত হন-যাদের মধ্যে অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান অন্যতম।
গুগল স্কলারে তথ্য অনুযায়ী, অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমানের এইচ-ইনডেক্স ১৪৫ এবং তার গবেষণায় ৮৬ হাজারেরও বেশি সাইটেশন রয়েছে। তিনি ময়মনসিংহ জেলার কৃতি সন্তান এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সাবেক শিক্ষার্থী।
বর্তমানে তিনি মালয়েশিয়ার স্বনামধন্য সানওয়ে ইউনিভার্সিটিতে অধ্যাপনা করছেন।
২০১৪ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত নিজ গবেষণা ক্ষেত্রে শীর্ষ ১ শতাংশ গবেষক হিসেবে অবস্থান করার জন্য তিনি ক্ল্যারিভেট অ্যানালিটিক্স কর্তৃক বিশ্বসেরা গবেষক হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেন। তার গবেষণা কার্যক্রম মালয়েশিয়ার উচ্চশিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃকও স্বীকৃত।
এমএক্সিন-ভিত্তিক ন্যানোম্যাটেরিয়াল গবেষণায় স্কোপাস ডেটা বিশ্লেষণে মালয়েশিয়ায় প্রথম স্থান এবং ন্যানোফ্লুইড গবেষণায় ওয়েব অব সায়েন্স অনুযায়ী বিশ্বে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন তিনি।
তরুণ গবেষকদের অনুপ্রাণিত করতে অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান তার ২৮ বছরের গবেষণা অভিজ্ঞতা অনলাইন সেমিনার, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং একটি ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে নিয়মিতভাবে শেয়ার করে যাচ্ছেন। পাশাপাশি, অসহায় ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের সহায়তায়ও তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন।
নিজ উদ্যোগে ১৫ লাখ মার্কিন ডলারের বেশি ব্যয়ে তিনি সানওয়ে ইউনিভার্সিটিতে একটি অত্যাধুনিক গবেষণাগার স্থাপন করেছেন। এই গবেষণাগারে জ্বালানি প্রযুক্তি, উন্নত উপাদান, এনার্জি স্টোরেজ, সৌর শক্তি এবং বিশুদ্ধ পানি উন্নয়ন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা পরিচালিত হচ্ছে।
জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশ সরকার তাকে বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (সিআইপি) সম্মাননা প্রদান করে।
এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি প্রসঙ্গে অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান বলেন, এই অর্জন কোনো একক ব্যক্তির নয়। শিক্ষার্থী, গবেষণা দল, সহকর্মী, প্রতিষ্ঠান ও অর্থায়নকারী সংস্থার সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলেই এই সাফল্য সম্ভব হয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, এই অর্জন শুধু একজন গবেষকের ব্যক্তিগত সাফল্য নয়; বরং এটি মালয়েশিয়ার উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার আন্তর্জাতিক অবস্থানকে আরও দৃঢ় করেছে। ভবিষ্যতেও শিক্ষা ও গবেষণায় নতুন নতুন মাইলফলক অর্জনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান।
কর্পোরেট সংবাদ
বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি সীমিত করছে যুক্তরাজ্যের কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়
কঠোর অভিবাসন নীতি ও বাড়তি ভিসা প্রত্যাখ্যানের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার কয়েকটি দেশ থেকে শিক্ষার্থী ভর্তি সীমিত করছে যুক্তরাজ্যের একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়। সাম্প্রতিক সময়ে শিক্ষার্থী ভিসা প্রত্যাখ্যানের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
একাধিক ব্রিটিশ গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, নতুন ভিসা নিয়মে উচ্চ প্রত্যাখ্যানের হার থাকলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর স্পনসর লাইসেন্স ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। এর ফলে প্রশাসনিক ও আইনি জটিলতা এড়াতে কিছু প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ও পাকিস্তান থেকে শিক্ষার্থী নিয়োগ সাময়িকভাবে স্থগিত বা সীমিত করেছে।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, এটি কোনো নির্দিষ্ট দেশের শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত নয়, বরং হোম অফিসের কঠোর কমপ্লায়েন্স ও নজরদারির কারণে এমন পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হচ্ছে তারা। তবে শিক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, এই সিদ্ধান্তে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
যুক্তরাজ্যের উচ্চশিক্ষা খাতে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ রাজস্ব জোগান দিয়ে থাকেন। অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ই এই আয়ের ওপর নির্ভরশীল।
সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন, ভিসানীতির এই কঠোরতা দীর্ঘ মেয়াদে যুক্তরাজ্যের বৈশ্বিক শিক্ষাগন্তব্য হিসেবে সুনাম ক্ষুণ্ন করতে পারে।
এ বিষয়ে ব্রিটিশ সরকার বলছে, শিক্ষার্থী ভিসা ব্যবস্থার অপব্যবহার ঠেকাতেই এই সংস্কার। সরকারের দাবি, প্রকৃত শিক্ষার্থীদের স্বার্থ সুরক্ষিত রেখেই অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ জোরদার করা হচ্ছে।
প্রবাস
চীনে বেগম খালেদা জিয়ার গায়েবানা জানাজা
চীনের শেনজেন শহরের কেন্দ্রীয় মসজিদে বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) রাতে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি চেয়ার্পারসন বেগম খালেদা জিয়ার গায়েবানা জানাযা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহত্তর চায়না বিএনপির আয়োজনে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মী সহ দলমত নির্বিশেষে চীন প্রবাসী বাংলাদেশিরা এতে অংশগ্রহণ করে।
গায়েবানা জানাজার ইমামতি করেন হারবিন ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজি (শেনজেন)’র প্রফেসর প্রবাসী বাংলাদেশি ড. মাহবুব আলম।
জানাযা শেষে বেগম খালেদা জিয়ার জীবন ও কর্ম নিয়ে আলোচনা করেন, বৃহত্তর চায়না বিএনপি নেতা শেখ মাহবুবুর রশীদ, সাবেক ছাত্রনেতা ও চায়না বিএনপি নেতা ওয়ালী উল্লাহ, বিএনপি নেতা হাসমত আলী মৃধা, সাবেক ছাত্রনেতা ও চায়না বিএনপি নেতা এসএম আল-আমিন, চায়না বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন রিক্তা, মনিরুল ইসলাম কবির প্রমূখ।
আলোচনা সভা শেষে মরহুমা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনা ও জিয়া পরিবারের জন্য দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
এমকে
প্রবাস
সৌদিতে অনুমতি ছাড়া নির্বাচনী সভা, কয়েকজন বাংলাদেশি আটক
সৌদি আরবের বিভিন্ন এলাকায় বিনা অনুমতিতে বাংলাদেশের ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের প্রচার নিয়ে সতর্ক করল দেশটিতে বাংলাদেশি দূতাবাস। এরই মধ্যে এমন ঘটনায় কয়েকজন বাংলাদেশি আটক হয়েছেন বলেও জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) রাতে রিয়াদের বাংলাদেশ দূতাবাস এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশি নাগরিকদের সতর্ক করেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি ইসতেরাহা ও হলরুম ভাড়া করে, পাশাপাশি হোটেল-রেস্তোরাঁ কিংবা ব্যক্তিগত বাসাবাড়িতে বিভিন্ন সংগঠনের ব্যানারে বাংলাদেশের আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সভা-সমাবেশ আয়োজন, দলবদ্ধভাবে প্রচার-প্রচারণা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপরাধমূলক ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের অভিযোগে সৌদি কর্তৃপক্ষ কয়েকজন বাংলাদেশিকে আটক করে।
এমতাবস্থায় সৌদি আরবে অবস্থানরত সব প্রবাসী বাংলাদেশিকে সৌদি কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়া কোনো ধরনের সভা-সমাবেশ আয়োজন, রাজনৈতিক প্রচার-প্রচারণায় অংশগ্রহণ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপরাধমূলক বা বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হচ্ছে।
এমকে
প্রবাস
ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবি: ৫৯ বাংলাদেশি উদ্ধার
ভূমধ্যসাগরে মাল্টা উপকূলের কাছে অভিবাসীবাহী একটি নৌকা ডুবে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ৫৯ জন বাংলাদেশি নাগরিককে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মাল্টার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে নেওয়া হয়েছে।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নৌকাটি লিবিয়া উপকূল থেকে ইউরোপের উদ্দেশে যাত্রা করেছিল। গত শুক্রবার সকালে যাত্রাপথে মাল্টার সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ জোনে পৌঁছালে নৌকাটিতে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয় এবং একপর্যায়ে সেটি ডুবে যায়।
খবর পেয়ে মাল্টার কোস্ট গার্ড ও উদ্ধারকারী সংস্থাগুলো দ্রুত অভিযান চালিয়ে ৫৯ জন বাংলাদেশিসহ মোট ৬১ অভিবাসীকে উদ্ধার করে। তাদের মধ্যে ছয় জন হাইপোথারমিয়ায় (শরীরের তাপমাত্রা বিপজ্জনকভাবে কমে যাওয়া) ভুগছিলেন। অসুস্থ থাকায় তাদের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। নিহত ব্যক্তির পরিচয় এখনো জানা যায়নি।
আন্তর্জাতিক অভিবাসন-বিষয়ক সংবাদমাধ্যম ইনফোমাইগ্রেন্টস জানিয়েছে, শুক্রবারের এই উদ্ধার অভিযান ছিল মাল্টায় সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অনিয়মিত অভিবাসী আগমনের প্রথম বড় ঘটনা। ২০২০ সালে দেশটিতে মোট দুই হাজার ২০০ জন অভিবাসী এসেছিলেন। কিন্তু নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থার কারণে অনিয়মিত অভিবাসীদের সংখ্যা কমাতে পেরেছে দেশটি। গত বছর মাল্টায় আসা আশ্রয়প্রার্থীর সংখ্যা ছিল ২৩৮ জন।
জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের গত সপ্তাহ পর্যন্ত মাল্টায় আসা অভিবাসনপ্রত্যাশীর সংখ্যা মাত্র ১৮৫ জন। অথচ এ বছর ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে পৌঁছেছেন এক লাখ ৩৬ হাজার অভিবাসনপ্রত্যাশী। তাদের মধ্যে ইতালিতে পৌঁছেছেন অন্তত ৬৪ হাজার এবং গ্রিসে পৌঁছেছেন ৪৪ হাজার।
মাল্টায় বাংলাদেশ দূতাবাস না থাকায় গ্রিসের এথেন্সের বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে সেবা গ্রহণ করেন মাল্টা প্রবাসী বাংলাদেশিরা। এ বিষয়ে এথেন্সের বাংলাদেশ দূতাবাসে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, এখন পর্যন্ত কোনো তথ্য তাদের জানা নেই।




