Connect with us
৬৫২৬৫২৬৫২

রাজনীতি

সময় চলে এসেছে, দ্রুতই দেশে ফিরে আসবো: তারেক রহমান

Published

on

সিডিবিএল

দীর্ঘ দুই দশক পর গণমাধ্যমে মুখোমুখি হয়ে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এ সাক্ষাৎকারে তিনি দেশে ফেরাসহ বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেছেন। সোমবার (৬ অক্টোবর) সকালে সাক্ষাৎকারটি প্রকাশ করা হয়েছে।

বিবিসি বাংলার সম্পাদক মীর সাব্বির ও বিবিসি বাংলার সিনিয়র সাংবাদিক কাদির কল্লোলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তারেক রহমান দ্রতই দেশে ফিরবেন বলে জানিয়েছেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

কেন আপনি এখনো দেশে ফেরেননি- সাক্ষাৎকারে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘কিছু সংগত কারণে হয়ত ফেরাটা হয়ে উঠেনি এখনো। তবে সময় তো চলে এসেছে মনে হয়। ইনশআল্লাহ দ্রুতই ফিরে আসব।’

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

সেটা কবে জানতে চাইলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘দ্রুতই মনে হয়। দ্রুতই ইনশাআল্লাহ।’

নির্বাচনের আগে আপনি দেশে আসবেন এমন সম্ভাবনা বলা যায়? জবাবে তারেক রহমান বলেন, ‘রাজনীতি যখন করি, আমি একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে স্বাভাবিক, নির্বাচনের সাথে রাজনৈতিক দল রাজনৈতিক কর্মীর একটি ওতপ্রোত সম্পর্ক। কাজেই যেখানে একটি প্রত্যাশিত, জনগণের প্রত্যাশিত নির্বাচন হবে, সেই নির্বাচনের সময় কেমন করে দূরে থাকব? আমি তো আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে, ইচ্ছা থাকবে, আগ্রহ থাকবে সেই প্রত্যাশিত যে প্রত্যাশিত নির্বাচন জনগণ চাইছে। সেই প্রত্যাশিত নির্বাচন যখন অনুষ্ঠিত হবে জনগণের সাথে জনগণের মাঝেই থাকব ইনশাআল্লাহ।’

দেশে আসার বিষয়ে নিরাপত্তার শঙ্কার কথা বলছেন কেউ কেউ। আপনি কি কোনো ধরনের শঙ্কা বোধ করেছেন এর মধ্যে– এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন রকম শঙ্কার কথা তো আমরা অনেক সময় বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে তো শুনেছি। সরকারেরও বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকেও তো অনেক সময় অনেক শঙ্কার কথা বিভিন্ন মাধ্যমে, বিভিন্ন মিডিয়াতে প্রকাশিত হয়েছে।’

সাক্ষাৎকারের শুরুতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘সময় তো স্বাভাবিকভাবে ব্যস্তই যাচ্ছে। ফিজিক্যালি হয়ত আমি এই দেশে আছি, বাট মন-মানসিকতা সবকিছু মিলিয়ে তো আমি গত ১৭ বছর ধরে বাংলাদেশেই রয়ে গিয়েছি।’

গণমাধ্যমের সঙ্গে দীর্ঘদিন কথা না বলার বিষয়ে জানতে চাইলে তারেক রহমান বলেন, ‘ব্যাপারটা বোধ হয় এরকম না, ব্যাপারটা বোধ হয় একটু ভিন্ন। আসলে আমি কথা ঠিকই বলেছি। আমি দীর্ঘ ১৭ বছর এখানে আছি এই দেশে, প্রবাস জীবনে, তবে আমার উপরে যখন দলের দায়িত্ব এসে পড়েছে তারপর থেকে আমি গ্রামে-গঞ্জে আমার নেতাকর্মীসহ তাদের সাথে বিভিন্ন পর্যায়ে সাধারণ মানুষ যখন যেভাবে অংশগ্রহণ করেছে, আমি সকলের সাথে কথা বলেছি।’

‘আপনারা নিশ্চয়ই জানেন বিগত স্বৈরাচার সরকারের সময় কোর্ট থেকে রীতিমতো একটা আদেশ দিয়ে আমার কথা বলার অধিকারকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। আমি যদি গণমাধ্যমে কিছু বলতে চাইতাম, হয়ত গণমাধ্যমের ইচ্ছা ছিল ছাপানোর, গণমাধ্যম সেটি ছাপাতে পারত না।’

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমি একবার প্রেস ক্লাবে কথা বলেছিলাম। পরের দিন দেখলাম যে তখনকার প্রেস ক্লাবের যারা সদস্য ছিলেন বা কমিটি ছিল, তারা একটি মিটিং ডেকে একটি সভা করে সিদ্ধান্ত নেয় যে, তারা তখন আমাকে আইনের দৃষ্টিতে ফেরারি বলা হয়েছিল যে, সেরকম কোনো ব্যক্তিকে তারা প্রেস ক্লাবে কথা বলতে দেবে না। এভাবে তারা চেষ্টা করেছিল আমার কথা বন্ধ করে রাখতে।’

তিনি বলেন, ‘আমি কথা বলেছি, সামাজিক মাধ্যমসহ বিভিন্ন পন্থায় আমি পৌঁছানোর চেষ্টা করেছি, আমি ইনশাআল্লাহ পৌঁছেছি মানুষের কাছে। কাজেই গণমাধ্যমে যে কথা বলিনি তা না। আমি কথা বলেছি হয়ত আপনারা তখন কথা নিতে পারেননি অথবা শুনতে পারেননি। ইচ্ছা থাকলেও ছাপাতে পারেননি, হয়ত প্রচার করতে পারেননি। কিন্তু আমি বলেছি, আমি থেমে থাকিনি।’

শেয়ার করুন:-

রাজনীতি

শুধু ফ্যামিলি কার্ড না, ফারমার্স কার্ডও দেবো: নজরুল ইসলাম

Published

on

সিডিবিএল

শুধু ফ্যামিলি কার্ড নয় বিএনপি কৃষকদের ফারমার্স কার্ডও দেবে এবং এটা তাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বলে জানিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।

তিনি বলেন, আল্লাহর মেহেরবানিতে জনগণের সমর্থনে যদি আমরা পরিচালনার দায়িত্ব পাই, তাহলে আমরা দেশের মানুষের কল্যাণের জন্য বেশকিছু কর্মসূচি নেবো এবং এটা বিএনপির ইতিহাসই। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান অনেক নতুন নতুন কর্মসূচি নিয়েছিলেন যেগুলো এখনো কার্যকর। তিনি অনেক ব্যবস্থা নিয়েছিলেন যেটা দেশের উন্নয়নে এখনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে আছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

নজরুল ইসলাম খান বলেন, বেগম খালেদা জিয়া অনেক সংস্কারমূলক কাজ করেছেন, অনেক উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন। আমরা তো ফ্যামিলি কার্ড দেবো, আমরা বলেছি এবং পরিবারের যিনি নারীদের মধ্যে প্রধান থাকবেন তার নামে হবে সেই ফ্যামিলি কার্ড, কোনো ছেলের নামে হবে না।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পোস্টাল ব্যালটে ধানের শীষ প্রতীক ভাঁজের মধ্যে পড়ে যায়, যা কোনো উদ্দেশ্য নিয়ে করা হয়েছে। তাই এখনো যে ব্যালটগুলো পাঠানো হয়নি সেগুলোতে বিএনপি সংশোধন চেয়েছে বলে জানান তিনি।

এই বিএনপি নেতা বলেন, পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার জন্য পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে আমাদের অনেক ভাই বোনেরা ভোটার হয়েছেন এবং তারা নির্বাচনে তাদের ভোট প্রয়োগ করবেন। তাদের কাছে যে ব্যালট পেপার পাঠানো হয়েছে সেই ব্যালট পেপারে কেউ মনে করতে পারেন ঘটনাক্রমে, কিন্তু আমরা বলি যেটা খুব উদ্দেশ্যমূলকভাবে দেশের কয়েকটি রাজনৈতিক দল তাদের নাম এবং প্রতীকটা প্রথম লাইনে দেওয়া হয়েছে। অথচ বিএনপির নাম এবং প্রতীক ঠিক মাঝখানে দেওয়া হয়েছে। যেটা ভাঁজ করলে কাগজটা ভালো করে নজরেই পড়বে না। আমরা এটা নিয়ে কথা বলেছি তাদের সঙ্গে। তাদের কথায় মনে হয়েছে, যে তারা বিষয়টি ঠিক ওভাবে খেয়াল করেননি।

তিনি বলেন, আমরা তাদের বলেছি যে আপনারা এখানে পাঁচটা লাইন করেছেন, পাঁচটা কলাম করেছেন এবং ১৪টা লাইন করেছেন, যার ফলে তিনটি রাজনৈতিক দল, বিশেষ রাজনৈতিক দল, তাদের নাম এবং প্রতীকটা প্রথম লাইনে এসে গেছে। এটা যদি পাঁচটা না হয়ে ছয়টা কলাম হতো বা চারটা কলাম হতো, ১৪টার জায়গায় যদি ১২টা বা ১৬টা লাইন হতো, তাহলে কিন্তু এই ব্যাপারটা এভাবে সাজানো সুযোগ ছিল না। কাজেই ব্যাপারটা ইচ্ছাকৃতভাবেই করা হয়েছে। কমিশনের নজরে না পড়লেও যারা আসলে ভেতরে কাজটা করেছে, সম্ভবত তারা এটা কোনো উদ্দেশ্য নিয়েই করেছে।

নজরুল ইসলাম খান বলেন, আমরা তাদের অনুরোধ করেছি যে বিদেশে যে ব্যালটগুলো পাঠানো হয়েছে, সময় থাকলে সেটাও সংশোধন করা। আর দেশের ভেতরে যে পোস্টাল ব্যালট যাবে এবং সেটা এখনো পাঠানো হয়নি। আমরা তাদের পরিষ্কার বলেছি যে এই কৌশল যেন দেশের ভেতরে পোস্টাল ব্যালটে কার্যকর করা না হয়। এটা যেন সংশোধন করা হয়। আমরা এটাও বলেছি তাদের যে এই পোস্টাল ব্যালট পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায় যে পদ্ধতিতে বিতরণ করা হচ্ছে এবং এটা সঠিক হচ্ছে না। এতে কিছু ত্রুটি হচ্ছে। যার জন্য আমরা দেখছি যে, বাহরাইনে একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের নেতারা অনেকগুলো ব্যালট পেপার তারা হ্যান্ডেল করছেন।

তিনি বলেন, আমাদের বক্তব্য শুনে কমিশন জানিয়েছে তারা বাহরাইনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন এবং বাহরাইনের গভর্নমেন্টের কাছ থেকে যেটা এসছে, সেটা হলো যে এটা স্বীকার করা হয়েছে যে, হ্যাঁ এরকম একটা ঘটনা তারা জেনেছেন। কিন্তু এই ব্যাপারে আরও তদন্ত করে তারা রিপোর্ট দেবেন এবং সেই অনুযায়ী তারা ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। আমরা বলেছি তাদের বিরুদ্ধে যেন আইন অনুযায়ী কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

দ্বৈত নাগরিকত্বের বিষয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, এরই মধ্যে দুজন প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে। কাজেই এটা তো কনসার্ন। আমাদেরও বেশকিছু প্রার্থী আছেন যারা দুঃসময়ে দেশের বাইরে থাকতে বাধ্য হয়েছেন এবং সেখানে নাগরিকত্ব নিতে হয়েছিল তাদের। তারা নাগরিকত্ব পরিত্যাগ করেছেন এবং দেশের সংবিধান বলে যে নাগরিকত্ব পরিত্যাগ করলে তার নির্বাচনে অংশ নিতে কোনো বাধা নেই। অতএব আমরা নির্বাচন কমিশনকে বলেছি যে সংবিধানে যে অধিকার নাগরিককে দেওয়া হয়েছে কোনো কারণে সেই অধিকার থেকে তাকে বঞ্চিত করা উচিত হবে না। তারা এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

রাজনীতি

সবার কাছে ক্ষমা চাইলেন এবি পার্টির মঞ্জু

Published

on

সিডিবিএল

জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটে যোগ দেওয়ায় ব্যর্থতা স্বীকার করে ক্ষমা চেয়েছেন আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে সিটিজেনম প্ল্যাটফর্ম আয়োজিত ‘জাতীয় নির্বাচন ২০২৬ ও নাগরিক প্রত্যাশা’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে তিনি ক্ষমা চান।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এবি পার্টি জনমানুষের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে স্বীকার করে মঞ্জু বলেন, একটি নতুন রাজনৈতিক দল হিসেবে আমরা আপনাদের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারিনি। নির্বাচনী রাজনীতির উত্তাপে আমাদের একটি বড় রাজনৈতিক জোটে যোগ দিতে হয়েছে। এই সিদ্ধান্তে আপনাদের অনেকেই কষ্ট পেয়েছেন। আমি আপনাদের কাছে ক্ষমা চাই।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এ সময় তিনি উপস্থিত ব্যক্তিদের কাছে তার ক্ষমা গ্রহণ করেছেন কি না, জানতে চাইলে সমস্বরে ‘না’ ধ্বনি ওঠে। এর প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, যখন কেউ ক্ষমা চায়, তখন ক্ষমা করা উচিত। ক্ষমা না করা এখন একটি নেতিবাচক সংস্কৃতিতে পরিণত হয়েছে।

জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটে যোগ দেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে মঞ্জু বলেন, নির্বাচনী বাস্তবতা ছোট দলগুলোর জন্য অত্যন্ত কঠিন। এই বাস্তবতায় বড় দলের সঙ্গে জোট না করে ছোট দলগুলোর টিকে থাকা কঠিন। তবু জামায়াতের জোটে যোগ দেওয়ার দায়ের ৬০ শতাংশ আমরা নিজেরাই নিচ্ছি। সাধারণ জনগণকে আমরা দোষারোপ করব না।

এ সময় সিটিজেনস প্ল্যাটফর্মের আহ্বায়ক দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য প্রশ্ন করেন, কেন এবি পার্টি নতুন কোনো রাজনৈতিক বন্দোবস্ত গড়ে তুলতে ব্যর্থ হয়েছে? জবাবে এবি পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, একটি ছোট দল হিসেবে আমাদের সেই সামর্থ্য ছিল না। ভোটকেন্দ্রে এজেন্ট দেওয়া থেকে শুরু করে পুরো নির্বাচনী ব্যবস্থাপনা এককভাবে করা আমাদের পক্ষে সম্ভব ছিল না।

হতাশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, দলের নেতাকর্মীরা নিয়মিত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপমান ও বিদ্রূপের শিকার হচ্ছেন। মানুষ আমাদের নিয়ে ঠাট্টা করে বলে, সবাই মিলেও কি ১০০ ভোট পাবে? আমরা আদৌ দল গঠন বা নির্বাচনে অংশ নেওয়ার যোগ্য কি না—এমন প্রশ্ন তোলে।

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে পদত্যাগ করে স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা তাসনিম জারার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, সবার ক্ষেত্রে এমন সুযোগ থাকে না। জারার আলাদা একটি পটভূমি আছে এবং তার শক্তিশালী মিডিয়া সমর্থন রয়েছে। তারপরও তিনি এক শতাংশ সমর্থনও নিশ্চিত করতে পারেননি। যাদের এ ধরনের সুবিধা নেই, তারা চাইলেও দল ছেড়ে একা নির্বাচনে দাঁড়াতে পারেন না।

গত ডিসেম্বরের শেষ দিকে এবি পার্টি অনানুষ্ঠানিকভাবে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটে যোগ দেয়। এর আগে এনসিপি ও লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) আনুষ্ঠানিকভাবে জোটে যোগ দেয়। এতে জোটের শরিকের সংখ্যা দাঁড়ায় ১১টিতে। মঞ্জু আসন্ন নির্বাচনে ফেনী-১ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন এবং ইতোমধ্যে এলাকায় প্রচারণা শুরু করেছেন।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

রাজনীতি

গণভোটে ‘না’ পাস হলে গণঅভ্যুত্থান ব্যর্থ হবে: নাহিদ ইসলাম

Published

on

সিডিবিএল

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে কথা বলাটা সব রাজনৈতিক দলের দায়িত্ব ছিল। তবে আমরা দেখতে পাচ্ছি একটা বিশেষ দল ‘না’ এর পক্ষে কথা তুলছে। তবে আমরা বলতে চাই গণভোটে ‘না’ পাস হলে গণঅভ্যুত্থান ব্যর্থ হবে।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) গণভোটের প্রচারণার লক্ষ্যে ক্যারাভ্যান উদ্বোধনের সময় তিনি এমন কথা বলেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

নাহিদ ইসলাম বলেন, আপনারা যদি আমাদের ভোট নাও দেন, তবুও আমাদের অনুরোধ থাকবে আপনারা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

তিনি আরও বলেন, যারা ‘না’-এর পক্ষে কথা বলছেন, তারা আসলে কী বার্তা দিতে চান তা স্পষ্ট নয়। ‘না’ ভোট পাস হলে যে ক্ষমতায় আসবে, সেই শক্তি স্বৈরাচারী হবে। তাই এবারের ভোট বাংলাদেশকে আগামী ৫০ বছর এগিয়ে নেওয়ার ভোট। মানুষকে সচেতনভাবে ভোট দেওয়ার জন্য আহ্বান রইল।

এনসিপির এই আহ্বায়ক বলেন, এই সরকারের আমলেও আমরা প্রশ্নফাঁসের ঘটনা দেখেছি। ‘হ্যাঁ’ ভোট ব্যর্থ হলে দেশ আবার আগের ব্যবস্থাতেই ফিরে যাবে।

অনুষ্ঠানে এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াও কথা বলেন।

তিনি বলেন, সারাদেশে গণভোটের পক্ষে আজ থেকে আমাদের প্রচারণা শুরু হচ্ছে। নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার আগ পর্যন্ত এই কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

রাজনীতি

গানম্যান পেলেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান

Published

on

সিডিবিএল

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউল করিম, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি এবং বিএনপি নেতা মাসুদ অরুনের পর এবার ব্যক্তিগত নিরাপত্তায় গানম্যান পেয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

সোমবার (১৩ জানুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন দায়িত্বশীল একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এর আগে রোববার (১২ জানুয়ারি) ডা. শফিকুর রহমানকে গানম্যান দেওয়ার জন্য পুলিশ মহাপরিদর্শকের কাছে একটি পত্র পাঠানো হয়।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ডা. শফিকুর রহমানের ক্ষেত্রে উচ্চমাত্রার নিরাপত্তা ঝুঁকি বা হুমকি বিদ্যমান। এ কারণে তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একজন গানম্যান নিয়োগ এবং বাসভবনে নিরাপত্তার জন্য পোশাকধারী সশস্ত্র পুলিশ মোতায়েনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এর আগে পুলিশের বিশেষ শাখা (এসবি) ডা. শফিকুর রহমানের নিরাপত্তা ঝুঁকি মূল্যায়ন করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি পত্র পাঠায়। সেই সুপারিশের ভিত্তিতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এমকে

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

রাজনীতি

আমরা বোঝাপড়ার কোনো নির্বাচন চাই না: জামায়াত আমির

Published

on

সিডিবিএল

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা বোঝাপড়ার কোনো নির্বাচন চাই না। বোঝাপড়া হবে রাজনৈতিক দলগুলোর ভোটারদের সঙ্গে, কোনো অথরিটির সঙ্গে নয়।

সোমবার রাতে (১২ জানুয়ারি) রাজধানীর বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের সেলিব্রেটি হলে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করে তিনি এ কথা বলেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

কর্নেল (অব.) আব্দুল বাতেনের সভাপতিত্বে এবং কর্নেল (অব.) জাকারিয়ার সঞ্চালনায় ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এবিএম গোলাম মোস্তফার কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি শুরু হয়।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব এবং কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন।

কর্নেল (অব.) হাসিনুর রহমান বীর প্রতীক, মেজর জেনারেল (অব.) মাহাবুব উল আলম, মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান, মেজর (অব.) ব্যারিস্টার সরোয়ার হোসেনসহ অনেকে এ সময় বক্তব্য দেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা এমন একটি নির্বাচন চাই, যেখানে প্রতিটি নাগরিক বিনা চ্যালেঞ্জে ভোটকেন্দ্রে যাবে, আনন্দের সঙ্গে ভোট দেবে এবং ভোটের প্রতিফলন পাবে। তবেই নির্বাচন হবে নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য।

তিনি বলেন, গুড গভর্ন্যান্সের পূর্বশর্ত হলো- একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন। জনগণ যাকে খুশি তাকে ভোট দেবে-সে পরিবেশ তৈরি করতে হবে সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে। তা না পারলে পদ থেকে সরে যাওয়া উচিত।

যুবকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তোমরা এবার ভোট দেবে। আমরা তোমাদের ভোট পাহারা দেব। তোমরা জাতির পাহারাদার হবে।

অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা জাতিকে আঞ্চলিক নিরাপত্তা দিয়েছেন। এখন আপনাদের সামাজিক দায়বদ্ধতা রয়েছে। পরবর্তী প্রজন্মকে ভালো কিছু দেওয়াই সবচেয়ে জরুরি।

জামায়াত আমির বলেন, আমরা দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করছি। নিজেরা দুর্নীতি করব না, কাউকে করতেও দেব না। আমরা দুর্নীতির মূল ধরে টান দিতে চাই।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় কোনো সিভিলিয়ানের মুখ দিয়ে যুদ্ধের ঘোষণা হয়নি, এটি হয়েছে সেনাবাহিনীর মাধ্যমে। এ বিষয়ে একবারই ইতিহাস রচিত হয়েছে এবং তা অক্ষুণ্ন থাকবে- যে যত চেষ্টা করুক। অনেকে এটিকে ম্লান করতে চান, যা অবিচার।

তিনি বলেন, এটি ছিল রাজনীতিবিদদের দায়িত্ব। তারা তা না করায় সেনাবাহিনীর একজন অফিসার এ মহান দায়িত্ব পালন করেছেন। জাতির জন্য তার অবদান অস্বীকার করা মানে নিজেকেই অস্বীকার করা।

মুক্তিযুদ্ধের সময় নেতৃত্বদানকারী জেনারেল আতাউল গণি ওসমানীকে জাতির মানসপট থেকে ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। স্বাধীনতার প্রথম পতাকা উত্তোলনকারী আ স ম আব্দুর রবকেও যথাযথভাবে স্মরণ করা হয় না। বীরদের অবশ্যই আমাদের স্বীকৃতি দিতে হবে, সম্মান জানাতে হবে। নইলে নতুন করে বীর জন্মাবে না, যোগ করেন তিনি।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও প্রতি ইঞ্চি মাটির জন্য সেনাবাহিনী লড়াই করেছে। লড়াই করতে গিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামে অসংখ্য অফিসার ও সেনা জীবন দিয়েছেন। তারা জীবন দিয়েছেন, কিন্তু এক ইঞ্চি মাটি কাউকে দেননি।

তিনি বলেন, চব্বিশের এ আন্দোলনে আপামর জনগণ যেভাবে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল, আপনাদের সেই দিনের ভূমিকা বিশেষভাবে আলোড়িত করেছিল। অফিসার ও মায়েদের সাহসী ভূমিকা পথ দেখিয়েছে।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আগস্টের ৩ ও ৪ তারিখ সবচেয়ে মজলুম দল ছিল জামায়াত। জনতার আন্দোলন দমাতে গিয়ে অতীতের মতো নোংরা উদ্যোগ নিয়ে জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। জনগণ এ ঘোষণা মেনে নেয়নি। ফ্যাসিবাদ ও ফ্যাসিবাদের দোসররা ছাড়া জাতীয়তাবাদীরাও এর প্রতিবাদ করেছে। এজন্য তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তিনি আরও বলেন, আমরা সেদিন দল রক্ষার জন্য নয়, দেশ রক্ষার জন্য লড়াই করেছি। এ আন্দোলনে যদি কোনো অবদান থাকে, সেটি জাতির প্রতি উপহার-দায়িত্ব পালনের একটি স্মারক এবং আমাদের রাজনৈতিক নৈতিক দায়বদ্ধতা।

তিনি বলেন, আজ পর্যন্ত আমরা এ পরিবর্তনকে বিপ্লব বা গণঅভ্যুত্থান- যে ভাষাতেই বলা হোক না কেন-তার ক্রেডিট দল হিসেবে দাবি করিনি।

বর্তমান সরকারপ্রধান বিদেশে বসে এক ব্যক্তিকে আন্দোলনের ‘মাস্টারমাইন্ড’ বলেছিলেন, যার প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, এ আন্দোলনে সব জনগণই মাস্টারমাইন্ড।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা কোনো শহীদকে দলীয় পরিচয় দিতে চাই না। দলীয় পরিচয় দিলে শহীদদের খাটো করা হয়। তারা এ জাতির সম্পদ। জাতি হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে হলে যারা নেতৃত্ব দেবেন, তাদের শ্রদ্ধার সঙ্গে ধারণ করতে হবে। সেনাবাহিনীকে আমরা সেই জায়গায় পেয়েছি এবং তাদের নিয়ে আরও এগিয়ে যেতে চাই।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতিরও জবাবদিহিতা থাকতে হবে। কেউ জবাবদিহির ঊর্ধ্বে নয়। এটি পারস্পরিক ভারসাম্যের বিষয়।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশের সীমানা অক্ষুণ্ন রাখবে সেনাবাহিনী। সীমানা ঠিক থাকলে ভেতরের কার্যক্রম ঠিক থাকবে, না থাকলে সব এলোমেলো হয়ে যাবে। এ স্বীকৃতি অবশ্যই দিতে হবে।

তিনি বলেন, শাসনযন্ত্র ও রাষ্ট্রযন্ত্রে যারা থাকবেন, তাদের মধ্যে পয়েন্ট টু পয়েন্ট বোঝাপড়া থাকতে হবে। সামান্য ঘাটতিতেই দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। প্রত্যেকের নির্দিষ্ট জব ডেসক্রিপশন ও সীমা থাকতে হবে। সীমা লঙ্ঘন হলে বিপর্যয় অনিবার্য এবং সেখান থেকেই ফ্যাসিবাদের জন্ম হয়। প্রত্যেক পেশাজীবী কোনো ভয়-ভীতি ছাড়াই দায়িত্ব পালন করবে- এমন বাংলাদেশ গড়তে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

জামায়াত আমির বলেন, আমরা এখন ভয়-ভীতির মধ্যে বসবাস করছি। আমরা সেনাবাহিনীকে দেখতে চাই-তারা বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশকে তুলে ধরবে। সেনাবাহিনীকে তার পেশাগত দায়িত্বে আরও মনোযোগী হতে হবে।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা আমাদের দেশকে অগ্রসর দেশ হিসেবে দেখতে চাই। পরবর্তী প্রজন্মের হাতে একটি নিরাপদ দেশ তুলে দিতে চাই। আমরা বেকারভাতা দিয়ে অলস জাতি গড়তে চাই না, তবে যারা অক্ষম, তাদের জন্য রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করা হবে, ইনশাআল্লাহ।

এমকে

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

পুঁজিবাজারের সর্বশেষ

সিডিবিএল সিডিবিএল
পুঁজিবাজার10 hours ago

সিডিবিএলের সফটওয়্যার সমস্যায় বিও হিসাব খোলা বন্ধ, ভোগান্তিতে ব্রোকার-বিনিয়োগকারীরা

কেন্দ্রীয় ইলেকট্রনিক শেয়ার সংরক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিডিবিএল) সফটওয়্যার সমস্যার কারণে নতুন বেনিফিশিয়ারি ওনার্স বা বিও অ্যাকাউন্ট খোলা...

সিডিবিএল সিডিবিএল
পুঁজিবাজার12 hours ago

বে-মেয়াদি তিন ফান্ডের খসড়া প্রসপেক্টাস অনুমোদন

মিডল্যান্ড ব্যাংক গ্রোথ ফান্ড, মিডল্যান্ড ব্যাংক ব্যালেন্সড ফান্ড এবং সন্ধানী এএমএল এসএলএফএল শরীয়াহ ফান্ড নামের তিনটি বে-মেয়াদি ফান্ডের খসড়া প্রসপেক্টাস...

সিডিবিএল সিডিবিএল
পুঁজিবাজার12 hours ago

প্রভিশন সংরক্ষণে বাড়তি সময় পাচ্ছে আরও ১৪ মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠান

পুঁজিবাজারের মধ্যস্থতাকারী আরও ১৪ প্রতিষ্ঠানের নেতিবাচক ইক্যুইটি ও আনরিয়েলাইজড লোকসানের প্রভিশন সংরক্ষণ ও সমন্বয়ে শর্তসাপেক্ষে সময়সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে নিয়ন্ত্রক...

সিডিবিএল সিডিবিএল
পুঁজিবাজার14 hours ago

ব্লক মার্কেটে ২৫ কোটি টাকার লেনদেন

সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে মোট ২৮ টি কোম্পানির ২৫ কোটি ৭৪ লাখ ৯৫ হাজার টাকার...

সিডিবিএল সিডিবিএল
পুঁজিবাজার15 hours ago

প্রিমিয়ার লিজিংয়ের সর্বোচ্চ দরপতন

সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে দরপতনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে প্রিমিয়ার লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স...

সিডিবিএল সিডিবিএল
পুঁজিবাজার15 hours ago

দর বৃদ্ধির শীর্ষে প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স

সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৯০ কোম্পানির মধ্যে ১৫৯ টির শেয়ারদর বৃদ্ধি...

সিডিবিএল সিডিবিএল
পুঁজিবাজার16 hours ago

লেনদেনের শীর্ষে স্কয়ার ফার্মা

সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে লেনদেনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি ।...

সোশ্যাল মিডিয়া

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০
১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭৩০৩১
সিডিবিএল
জাতীয়7 hours ago

ভোটে ভুয়া তথ্য রোধে বাংলাদেশকে সহায়তা করবে জাতিসংঘ

সিডিবিএল
জাতীয়7 hours ago

খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে: বার্নিকাট

সিডিবিএল
জাতীয়7 hours ago

নতুন সূচকে ভিসা ছাড়াই যেসব দেশে যেতে পারবেন বাংলাদেশিরা

সিডিবিএল
আবহাওয়া8 hours ago

তিন জেলার শৈত্যপ্রবাহ নিয়ে দুঃসংবাদ

সিডিবিএল
জাতীয়8 hours ago

চট্টগ্রাম বন্দরে নিয়োগ পেলেন ৯ জুলাইযোদ্ধা

সিডিবিএল
রাজনীতি9 hours ago

শুধু ফ্যামিলি কার্ড না, ফারমার্স কার্ডও দেবো: নজরুল ইসলাম

সিডিবিএল
জাতীয়9 hours ago

বাংলাদেশের সঙ্গে যোগাযোগের সব পথ খোলা আছে: ভারতের সেনাপ্রধান

সিডিবিএল
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার10 hours ago

ঢাকার ৩ পয়েন্টে অবরোধের ঘোষণা ৭ কলেজ শিক্ষার্থীদের

সিডিবিএল
জাতীয়10 hours ago

পতাকা হাতে ৫৪ প্যারাট্রুপারের গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস

সিডিবিএল
পুঁজিবাজার10 hours ago

সিডিবিএলের সফটওয়্যার সমস্যায় বিও হিসাব খোলা বন্ধ, ভোগান্তিতে ব্রোকার-বিনিয়োগকারীরা

সিডিবিএল
জাতীয়7 hours ago

ভোটে ভুয়া তথ্য রোধে বাংলাদেশকে সহায়তা করবে জাতিসংঘ

সিডিবিএল
জাতীয়7 hours ago

খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে: বার্নিকাট

সিডিবিএল
জাতীয়7 hours ago

নতুন সূচকে ভিসা ছাড়াই যেসব দেশে যেতে পারবেন বাংলাদেশিরা

সিডিবিএল
আবহাওয়া8 hours ago

তিন জেলার শৈত্যপ্রবাহ নিয়ে দুঃসংবাদ

সিডিবিএল
জাতীয়8 hours ago

চট্টগ্রাম বন্দরে নিয়োগ পেলেন ৯ জুলাইযোদ্ধা

সিডিবিএল
রাজনীতি9 hours ago

শুধু ফ্যামিলি কার্ড না, ফারমার্স কার্ডও দেবো: নজরুল ইসলাম

সিডিবিএল
জাতীয়9 hours ago

বাংলাদেশের সঙ্গে যোগাযোগের সব পথ খোলা আছে: ভারতের সেনাপ্রধান

সিডিবিএল
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার10 hours ago

ঢাকার ৩ পয়েন্টে অবরোধের ঘোষণা ৭ কলেজ শিক্ষার্থীদের

সিডিবিএল
জাতীয়10 hours ago

পতাকা হাতে ৫৪ প্যারাট্রুপারের গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস

সিডিবিএল
পুঁজিবাজার10 hours ago

সিডিবিএলের সফটওয়্যার সমস্যায় বিও হিসাব খোলা বন্ধ, ভোগান্তিতে ব্রোকার-বিনিয়োগকারীরা

সিডিবিএল
জাতীয়7 hours ago

ভোটে ভুয়া তথ্য রোধে বাংলাদেশকে সহায়তা করবে জাতিসংঘ

সিডিবিএল
জাতীয়7 hours ago

খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে: বার্নিকাট

সিডিবিএল
জাতীয়7 hours ago

নতুন সূচকে ভিসা ছাড়াই যেসব দেশে যেতে পারবেন বাংলাদেশিরা

সিডিবিএল
আবহাওয়া8 hours ago

তিন জেলার শৈত্যপ্রবাহ নিয়ে দুঃসংবাদ

সিডিবিএল
জাতীয়8 hours ago

চট্টগ্রাম বন্দরে নিয়োগ পেলেন ৯ জুলাইযোদ্ধা

সিডিবিএল
রাজনীতি9 hours ago

শুধু ফ্যামিলি কার্ড না, ফারমার্স কার্ডও দেবো: নজরুল ইসলাম

সিডিবিএল
জাতীয়9 hours ago

বাংলাদেশের সঙ্গে যোগাযোগের সব পথ খোলা আছে: ভারতের সেনাপ্রধান

সিডিবিএল
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার10 hours ago

ঢাকার ৩ পয়েন্টে অবরোধের ঘোষণা ৭ কলেজ শিক্ষার্থীদের

সিডিবিএল
জাতীয়10 hours ago

পতাকা হাতে ৫৪ প্যারাট্রুপারের গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস

সিডিবিএল
পুঁজিবাজার10 hours ago

সিডিবিএলের সফটওয়্যার সমস্যায় বিও হিসাব খোলা বন্ধ, ভোগান্তিতে ব্রোকার-বিনিয়োগকারীরা