Connect with us

অন্যান্য

রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদায় এমপি না জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান- কার অবস্থান উপরে?

Published

on

ব্লক

বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদা অনুযায়ী বিভিন্ন সাংবিধানিক ও প্রশাসনিক পদধারীদের প্রটোকল বা মর্যাদার একটি নির্দিষ্ট ক্রম নির্ধারিত রয়েছে।

এই তালিকা অনুযায়ী জাতীয় পর্যায়ের জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় পর্যায়ের জনপ্রতিনিধিদের অবস্থানের মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য দেখা যায়। রাষ্ট্রীয় প্রটোকল তালিকায় জাতীয় সংসদ সদস্যরা (এমপি) রয়েছেন ১৩ নম্বর ক্রমে। অর্থাৎ রাষ্ট্র পরিচালনার গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ায় তাদের অবস্থান তুলনামূলকভাবে অনেক উঁচুতে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

অন্যদিকে স্থানীয় সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদধারী হলেও জেলা পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যানরা রয়েছেন ২৪ নম্বর ক্রমে। একই ধাপে জেলা প্রশাসক (ডিসি), জেলা ও দায়রা জজ এবং সশস্ত্র বাহিনীর লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদমর্যাদার কর্মকর্তারাও অন্তর্ভুক্ত।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এ থেকে বোঝা যায়, রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদার তালিকায় জাতীয় সংসদ সদস্য (১৩ নম্বর) ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের (২৪ নম্বর) মধ্যে প্রায় ১১ ধাপের পার্থক্য রয়েছে। ফলে প্রটোকল বা রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতায় এমপির অবস্থান জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের চেয়ে অনেক উঁচুতে ধরা হয়।
রাষ্ট্রীয় এই তালিকাটি সাধারণত সরকারি অনুষ্ঠান, প্রটোকল, আসন বিন্যাস ও আনুষ্ঠানিক মর্যাদা নির্ধারণের ক্ষেত্রে অনুসরণ করা হয়ে থাকে।

বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদা অনুযায়ী সিরিয়ালটা মোটামুটি এ রকম

১ থেকে শুরু করে স্থানীয় পর্যায় পর্যন্ত (মেম্বার/ইউপি সদস্য প্রটোকল তালিকায় পৃথকভাবে নেই, তাই তালিকার শেষে ধরা হয়)
১) রাষ্ট্রপতি।
২) প্রধানমন্ত্রী।
৩) জাতীয় সংসদের স্পিকার।
৪) বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি, সাবেক রাষ্ট্রপতিবৃন্দ।
৫) মন্ত্রিসভার মন্ত্রীগণ, চিফ হুইপ, ডেপুটি স্পিকার, সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা।
৬) মন্ত্রীর পদমর্যাদাপ্রাপ্ত ব্যক্তি (মন্ত্রিসভার সদস্য না হলেও), মন্ত্রিসভার সদস্যগণ, ঢাকা উত্তর/দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র (স্বীয় দায়িত্বে)।
৭) বাংলাদেশে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত ও কমনওয়েলথভুক্ত দেশের হাইকমিশনারগণ।
৮) প্রতিমন্ত্রীগণ, হুইপ, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, পরিকল্পনা কমিশনের ডেপুটি চেয়ারম্যান, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতিগণ।
৯) প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদাপ্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গ।
১০) উপমন্ত্রীগণ।
১১) উপমন্ত্রীর পদমর্যাদাপ্রাপ্ত ব্যক্তি, বাংলাদেশে নিযুক্ত দূত (Envoys)।
১২) মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধান সচিব, সেনা/নৌ/বিমান বাহিনীর প্রধানগণ।
১৩) জাতীয় সংসদ সদস্যগণ (MP)।
১৪) বাংলাদেশে নিযুক্ত নন এমন সফররত বিদেশি রাষ্ট্রদূত/হাইকমিশনার।
১৫) অ্যাটর্নি জেনারেল, মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, ন্যায়পাল।
১৬) সরকারের সচিবগণ, আইজিপি, পিএসসি/ইউজিসি চেয়ারম্যান, সেনাবাহিনীর মেজর জেনারেল ও সমপদমর্যাদার নৌ/বিমান কর্মকর্তা।
১৭) সচিব পদমর্যাদায় অধিষ্ঠিত কর্মকর্তা, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি, জাতীয় অধ্যাপক, এনএসআই মহাপরিচালক।
১৮) সিটি কর্পোরেশনের মেয়রগণ (স্বীয় এলাকায়)।
১৯) অতিরিক্ত সচিব, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল, নির্বাচন কমিশনারগণ, বিশ্ববিদ্যালয়ের সিলেকশন গ্রেড অধ্যাপক।
২০) চেয়ারম্যান, সরকারি কর্পোরেশন/ট্যারিফ কমিশন ইত্যাদি।
২১) যুগ্ম সচিব, বিভাগীয় কমিশনার (স্বীয় দায়িত্বে), ব্রিগেডিয়ার ও সমপদমর্যাদার কর্মকর্তা।
২২) যুগ্ম সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা, ডিআইজি (স্বীয় দায়িত্বে), পূর্ণ কর্নেল ও সমপদ।
২৩) অতিরিক্ত কমিশনার (স্বীয় দায়িত্বে), সিটি কর্পোরেশনের মেয়রগণ (স্বীয় এলাকার বাইরে)।
২৪) জেলা পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান (স্বীয় দায়িত্বে), ডিসি (স্বীয় দায়িত্বে), জেলা ও দায়রা জজ (স্বীয় দায়িত্বে), লে. কর্নেল ও সমপদ।
২৫) উপসচিব, উপজেলা পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান (স্বীয় দায়িত্বে), প্রথম শ্রেণির পৌরসভার নির্বাচিত চেয়ারম্যান (স্বীয় দায়িত্বে), সিভিল সার্জন, এসপি (স্বীয় দায়িত্বে), মেজর ও সমপদ।

এরপরই আসে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, তারপর মেম্বার (ইউপি সদস্য)। প্রটোকল তালিকায় “মেম্বার” আলাদা নম্বর পায় না, স্থানীয় সরকারের সর্বনিম্ন নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে ২৫-এর নিচে ধরা হয়।

শেয়ার করুন:-

অন্যান্য

ঘোষকের বিতর্কে হারিয়ে যাওয়া এক জাতির স্বাধীনতা

Published

on

ব্লক

আমাদের স্বাধীনতা এসেছে একটি রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে। সেই মুক্তিযুদ্ধের আগে বহু বছরের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস রয়েছে, যার রাজনৈতিক নেতৃত্ব দিয়েছেন অনেকেই। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন মওলানা ভাসানী, শেরে বাংলা ফজলুল হক এবং শেখ মুজিবুর রহমান। আর সেই সঙ্গে ছিলাম আমি, ছিলাম আমরা, যারা শৈশব, কৈশোর, যৌবন এবং জীবন দিয়ে মানুষের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রতীক হয়ে উঠেছিলাম।

কিন্তু বারবার আমাদের সামনে একটি প্রশ্ন ফিরে আসে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

২৫শে মার্চ রাতে শেখ মুজিবুর রহমান গ্রেফতার হন। কিন্তু গ্রেফতারের পূর্বে তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা পত্রে সাক্ষর করেননি এবং তাজউদ্দীন আহমদের নিয়ে যাওয়া টেপ রেকর্ডারে ঘোষণা দিতে রাজি হননি। এর ফলে সাময়িকভাবে একটি রাজনৈতিক শূন্যতা সৃষ্টি হয় এবং পুরো জাতি দিশেহারা হয়ে পড়ে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এমতাবস্থায় মেজর জিয়াউর রহমান নিজ উদ্যোগে নিজের নামে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন এবং পরবর্তীতে তা সংশোধন করে বঙ্গবন্ধুর পক্ষে ঘোষণা করেন। তাঁর কণ্ঠে সেই ঘোষণা অসংখ্য মানুষকে অনুপ্রাণিত করে। কারণ আমরা যখন যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলাম, তখন জানতাম না পাকিস্তানি সেনাবাহিনী বা পুলিশ আমাদের সঙ্গে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে লড়াই করবে কিনা।

বাস্তবে দেখা গেছে, তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের অনেক সরকারি কর্মচারী দেশের পক্ষে দাঁড়িয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন। আমার বাবা তাঁদের মধ্যেই একজন। জনগণের পাশাপাশি জিয়াউর রহমান এবং এম এ হান্নানসহ আরও কয়েকজন সৈনিক ও কর্মকর্তা স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। তবে জিয়াউর রহমানের ঘোষণা বেশি মানুষের কাছে পৌঁছায় এবং তিনি সামরিক কর্মকর্তা হওয়ায় সেটি বিশেষ তাৎপর্য বহন করে, বিশেষ করে বাঙালি সেনা, ই পি আর এবং পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের জন্য।

এরই ধারাবাহিকতায় তাজউদ্দীন আহমদ এবং সৈয়দ নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে ১০ই এপ্রিল ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠন হয় এবং ১৭ই এপ্রিল শপথ গ্রহণ করে। এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয় মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় (বর্তমান মুজিবনগর), যা তৎকালীন কুষ্টিয়া জেলার অন্তর্গত এবং ভারত সীমান্তসংলগ্ন একটি এলাকা।

জাতির দুর্ভাগ্যের সময়ে রাজনৈতিক নেতাদের দেশের ভেতরে খুব বেশি দেখা যায়নি। তাঁরা ভারতের মাটিতে বসে নেতৃত্ব দিয়েছেন, বলা হয়, কিন্তু আমরা গ্রামবাংলার মানুষ সেই নেতৃত্ব কতটা অনুভব করেছি, তা মনে পড়ে না। কারণ তখন আমরা আবেগের বশবর্তী হয়ে, বাস্তবতার মুখোমুখি হয়ে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলাম। তখন কারো ভাষণের অপেক্ষায় ছিলাম, তা মনে পড়ে না। আমরা শুধু জানতাম, পেছনে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী, আর সামনে মৃত্যু অথবা স্বাধীনতা।

তবুও সত্য এটাই, তৎকালীন সেই সরকারের রাজনৈতিক নেতৃত্বেই সামরিক যুদ্ধ, কূটনীতি ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। এবং দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে আমরা ১৬ই ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জন করি।

কথিত রয়েছে, তাজউদ্দীন আহমদের বর্ণনা অনুযায়ী শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি। আবার এর বিপরীতে স্বীকৃত ইতিহাসে বলা হয়, তিনি ঘোষণা দিয়েছিলেন, কিন্তু তা বেতারে প্রচার করা সম্ভব হয়নি। যাই হোক, জিয়াউর রহমান শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। এটি সত্য, আমিও সেই ঘোষণা শুনেছি। দেশব্যাপী তা ছড়িয়ে পড়লে সেনাবাহিনীসহ অনেকেই আত্মবিশ্বাস ও অনুপ্রেরণা পায়।

কিন্তু আমার প্রশ্ন অন্য জায়গায়। শুধু কি শেখ মুজিবুর রহমান এবং জিয়াউর রহমানই তখন বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য লড়াই করেছিলেন? আমরা সবাই কি তবে রাজাকার ছিলাম? আমার পরিবারের বাবা, চাচা, মামারা সহ কোটি কোটি মানুষ কি কিছুই করেনি?

আমি খোলামেলা ভাবে একটি অপ্রিয় সত্য বলতে চাই, যা লক্ষ কোটি মানুষের মনের কথা। আশা করি, এই কথাগুলোর মাধ্যমে পুরনো বিতর্ক থামবে এবং জাতি কিছুটা হলেও শান্ত হবে।

স্বাধীনতার স্বীকৃতি কোনো ব্যক্তি বা পরিবারের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে, তা সবার মাঝে ছড়িয়ে দিন। দেখবেন, দেশটি সত্যিকারের স্বাধীন হয়ে উঠবে। মনে রাখবেন, এই দেশ স্বাধীন হয়েছিল তৎকালীন সাত কোটি মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণে, লক্ষ মানুষের জীবনের বিনিময়ে, কারও একক নেতৃত্বে বা ভাষণের কারণে নয়।

যেমনটি আমরা দেখেছি জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে, যেখানে পুরো দেশের মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং আত্মত্যাগই ছিল মূল শক্তি।

আমি যেদিন আসিছিলাম ভবে, লিখে রাখেনি কেউ দিন, কাল, বছর কত হবে। মনে নেই সবকিছু মোর, তবে শুনেছি বড় কাকাকে বলতে, মোদের রাজা আইউব খান, তিনি গমের রুটি খান। শুনেছি রেডিওতে মুনায়েম খানকে বলতে, বাঙালি জাতি যেন পোলাওয়ের পরিবর্তে ভাত খায় একবার। দেখেছি শেখ মুজিবকে সাইকেলে করে ফরিদপুর থেকে নহাটায় আসতে। দেখেছি জাসদের নেতা, নড়াইল ভিক্টোরিয়া কলেজের ভিপি, আমার মামা জহির সর্দারকে লঞ্চে সুতো দিয়ে বেঁধে রাখতে, ভাড়া এক পয়সা বেশি বাড়াবার কারণে। দেখেছি ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের নহাটা বাজারে মিছিল করতে।

বয়স তখন হয়তো খুব বেশি না। তবে ১৯৬৮-৬৯ সালের সময়ে মিছিল, মিটিং এবং হরতালে স্লোগানের শরিক হয়ে রাস্তায় নেমে আন্দোলন করেছি, আগামীকাল, আগামীকাল, হরতাল, হরতাল। বয়স তখনও বেশি না, তবে কলা গাছ দিয়ে ভেলা বানিয়ে সেই ভেলায় করে বিলে গিয়েছি, বিলের মাছ ধরেছি পলো দিয়ে। স্কুল পালিয়ে নিজেদের এবং প্রতিবেশীদের গাছের ডাব, কাঁঠাল, আম, লিচু, জাম, খেজুরের রস চুরি করে খেয়েছি। ধরা খেয়েছি মায়ের হাতে, মারও খেয়েছি। এ সময় আমি রীতিমতো পাকাচোর।

বয়স তখনও কম, তবে যুদ্ধের সময় মনিকাকার এলএমজি দিয়ে ব্রাশ ফায়ার করেছি। হঠাৎ হয়ে যাই শিশু মুক্তিযোদ্ধা। দুষ্টুমি করার সময় শেষ না হতেই হাতে অস্ত্র, ঘাড়ে একটি পরিবারের দায়িত্ব। যেখানে বড়রা যুদ্ধের রণক্ষেত্রে পাকবাহিনীর সঙ্গে লড়াই করছে, একটি স্বাধীন বাংলাদেশ পাওয়ার আশায়। হ্যাঁ, আমি তখন দায়িত্বশীল নাগরিক, খুদে মুক্তিযোদ্ধা এবং শরণার্থী, নিজের দেশেই।

হতে পারি আজ অনেকের কাছে বুড়োদাদা। তাহলে বুড়োদাদাকে যুদ্ধের কথা, দেশ স্বাধীনতার কথা, স্বাধীনতার ঘোষকের কথা বিভ্রান্ত করে বলার চেষ্টা করা কি উচিত? এই বাঙালি জাতি পথভ্রষ্ট হয়ে সেটাই করে আসছে দীর্ঘ পঞ্চান্ন বছর ধরে।
আমি এখন ভয় পাচ্ছি। কী জানি, আবার নতুন স্লোগানের বন্যা বইবে, সংসদে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হবে কি হবে না তা নিয়েই চলবে অন্তহীন বিতর্ক। তারপর দিন যাবে, মাস যাবে, বছর পার হয়ে যাবে, কিন্তু সমস্যার কোনো সমাধান হবে না। যেমনটি আজও ফয়সালা হয়নি, কে ছিল স্বাধীনতার ঘোষক। এটা কি আদৌ গুরুত্বপূর্ণ ছিল তখন, যখন পুরো জাতি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাজপথে নেমেছিল শুধু একটি স্বাধীন বাংলাদেশ পাওয়ার জন্য?

আজ যদি পুরো জাতির স্বীকৃতি ও সম্পৃক্ততা থাকত দেশের স্বাধীনতার সঙ্গে, তাহলে আমরা সত্যিকার অর্থেই একটি স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে পারতাম, কিন্তু তা আজও সম্ভব হয়নি।

বলুন, কেন বাংলাদেশ স্বাধীন করেছিলাম? কী জন্য এত রক্ত, এত ত্যাগ? আমরা আসলে কী পেয়েছি, আর কেন পাইনি? আজও যদি সেই প্রশ্নের সৎ উত্তর না দিই, তাহলে স্বাধীনতা শুধু একটি শব্দ হয়েই থাকবে, বাস্তবতা হয়ে উঠবে না। এখন প্রশ্ন একটাই, আমরা কি সত্যিই স্বাধীন, নাকি এখনো নিজেদের প্রতারণা করে যাচ্ছি?

রহমান মৃধা, গবেষক ও লেখক, প্রাক্তন পরিচালক, ফাইজার, সুইডেন

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অন্যান্য

আকস্মিকভাবে মন্ত্রণালয়গুলো ঘুরে দেখলেন প্রধানমন্ত্রী

Avatar of মো: নাইম ইসলাম

Published

on

ব্লক

সচিবালয়ে গিয়ে নিজ দপ্তরে সরাসরি না ঢুকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রোববার (২৯ মার্চ) সকাল ৯টার কিছুক্ষণ পর তিনি সচিবালয়ে পৌঁছান এবং গাড়ি থেকে নেমে হেঁটে ৬ নম্বর ভবনে যান।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

সেখানে প্রথমে তিনি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় পরিদর্শন করেন এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলেন। এরপর একই ভবনের বিভিন্ন তলায় উঠে তিনি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, নারী ও শিশু বিষয়ক এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ঘুরে দেখেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রী ৫ নম্বর ভবনের গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং ৩ নম্বর ভবনের বাণিজ্য ও স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় পরিদর্শন করেন। এভাবে সচিবালয়ের অন্তত আটটি মন্ত্রণালয় পরিদর্শন শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে ফিরে আসেন তিনি।

এদিন অন্য দিনের মতোই বিভিন্ন কর্মসূচিতে ব্যস্ত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী। সকালে কৃষক কার্ড সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ সভায় সভাপতিত্ব করার কথা রয়েছে তার। সভায় স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন, অর্থ, কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নেবেন।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অন্যান্য

স্বাধীনতার ঘোষক জিয়া, বিশ্বজুড়ে স্বীকৃতি রয়েছে: সালাহউদ্দিন আহমদ

Published

on

ব্লক

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত। তিনি বলেন, আওয়ামী ফ্যাসিবাদী শক্তি দীর্ঘ সময় ধরে ইতিহাস বিকৃত করে সবকিছু তাদের নেতার কৃতিত্ব হিসেবে চাপিয়ে দিতে চেয়েছিল, কিন্তু ইতিহাস তার নিজস্ব গতিতে চলে।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যে স্বাধীনতার ঘোষক, তা আজ বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত। ২৫ মার্চ কালরাত্রিতে যখন পাক হানাদার বাহিনী রাজারবাগসহ বিভিন্ন স্থানে গণহত্যা শুরু করে, তখনই চট্টগ্রাম থেকে মেজর জিয়াউর রহমান বিদ্রোহ ঘোষণা করেন এবং স্বাধীনতার ডাক দেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

তিনি বলেন, ‘দালিলিকভাবে প্রমাণিত যে, জিয়াউর রহমানের ঘোষণার মাধ্যমেই স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হয়েছিল। এমনকি তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের নামেও স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন, কিন্তু আওয়ামী ফ্যাসিবাদী শক্তি সেই কৃতিত্ব দিতে বরাবরই অস্বীকার করে এসেছে।’

আওয়ামী লীগের সমালোচনা করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বিগত সরকার দীর্ঘ সময় ধরে স্বাধীনতার মিথ্যা দলিল ও বয়ান তৈরি করেছে। তারা নিজেদের সংকীর্ণ রাজনৈতিক স্বার্থে প্রকৃত ইতিহাসকে অস্বীকার করেছে এবং সবকিছুকে কেবল একজনের কৃতিত্ব হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করেছে।

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ কাউকে ক্রেডিট দিতে রাজি নয়। কিন্তু আমরা সবার অবদানের স্বীকৃতি দিতে চাই, কারো সম্মান কেড়ে নিতে চাই না।’

আলোচনা সভায় বিএনপির লড়াই-সংগ্রামের ইতিহাস তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং বহুদলীয় সংসদীয় রাজনীতি প্রবর্তনে বিএনপির অবদান অনস্বীকার্য। বিশেষ করে ৯০-এর গণ-অভ্যুত্থানের পর বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে গণতন্ত্রের যে যাত্রা শুরু হয়েছিল, তা বাংলাদেশের ইতিহাসের এক উজ্জ্বল অধ্যায়। বিএনপি সবসময়ই ফ্যাসিবাদ ও স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে আপসহীন নেতৃত্ব দিয়েছে।

চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থান প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে স্বৈরাচারের পতন হয়েছে ঠিকই, কিন্তু রাষ্ট্র এখনও নতুন করে বিনির্মিত হয়নি। ২৪-এর অভ্যুত্থান আমাদের স্বৈরাচারমুক্ত করেছে, এখন আমাদের কাজ হলো একটি আধুনিক ও গণতান্ত্রিক দেশ গঠন করা।’

তিনি জানান, সরকার সংসদীয় রাজনীতির চর্চা এবং আলোচনার মাধ্যমে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে বদ্ধপরিকর।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অন্যান্য

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই সরকারের: তথ্যমন্ত্রী

Published

on

ব্লক

দেশে জ্বালানি সংকট নেই বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেন, জ্বালানির মূল্য বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই। জনগণকে আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত জ্বালানি না কেনার আহ্বান জানান তিনি।

বুধবার (২৫ মার্চ) সকালে সরকারের এক মাস পূর্তিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান মন্ত্রী।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

মন্ত্রী বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশও কঠিন পরিস্থিতির মুখে আছে, তবে দেশে এই মুহূর্তে জ্বালানি সংকট নেই এবং জ্বালানির মূল্য বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই। জনগণকে আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত জ্বালানি না কেনার আহ্বান জানাই।’

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এদিকে আজ সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ‘জ্বালানি পরিস্থিতি মোকাবেলায় করণীয়’ নিয়ে বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এ সভার তথ্য জানানো হয়।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অন্যান্য

স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বিএনপির ২ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা

Published

on

ব্লক

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে দুই দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। রবিবার (২২ মার্চ) দুপুরে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কর্মসূচির কথা জানানো হয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে ২৬ মার্চ বৃহস্পতিবার ভোর ৬টায় নয়াপল্টনস্থ বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ দেশব্যাপী সব দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, ভোর ৫টায় সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে দলের পক্ষ থেকে স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানানো হবে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ শেষে ঢাকায় ফিরে এসে মহান স্বাধীনতার ঘোষক ও সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান (বীর-উত্তম)-এর মাজার এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবরে দলের জাতীয় নেতৃবৃন্দ ও সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা পুস্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেহা পাঠ করবেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ওই দিনই মাজার প্রাঙ্গণে জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের উদ্যোগে দোয়া অনুষ্ঠিত হবে।

এ ছাড়া আগামী ২৫ মার্চ (বুধবার) দুপুর আড়াইটায় রমনাস্থ ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপির উদ্যোগে আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হবে। বিএনপির জাতীয় নেতৃবৃন্দসহ দেশবরেণ্য ব্যক্তিবর্গ আলোচনাসভায় বক্তব্য রাখবেন।

ইতোমধ্যে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে পোস্টার করা হয়েছে এবং ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হবে বলে জানয়েছে বিএনপি।

এদিকে সারা দেশে জেলা, মহানগর, উপজেলা, পৌরসহ সকল ইউনিট মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আলোচনাসভা ও অন্যান্য কর্মসূচির আয়োজন করবে। অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনসমূহ নিজ উদ্যোগে কর্মসূচি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করবে।

দেশব্যাপী বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ সব ইউনিটের সর্বস্তরের নেতাকর্মীকে কর্মসূচি সফল করার জন্য অনুরোধ করেছে বিএনপি।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

পুঁজিবাজারের সর্বশেষ

ব্লক ব্লক
পুঁজিবাজার5 hours ago

ব্লক মার্কেটে ২৯ কোটি টাকার লেনদেন

সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে মোট ৩৫ টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এদিন ব্লক মার্কেটে...

ব্লক ব্লক
পুঁজিবাজার5 hours ago

দরপতনের শীর্ষে সি অ্যান্ড এ টেক্সটাইল

সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে দরপতনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে সি অ্যান্ড এ...

ব্লক ব্লক
পুঁজিবাজার5 hours ago

দর বৃদ্ধি শীর্ষে একমি পেস্টিসাইড

সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৮৮টি কোম্পানির মধ্যে ৭৭টির শেয়ারদর বৃদ্ধি পেয়েছে।...

ব্লক ব্লক
পুঁজিবাজার5 hours ago

শেয়ারবাজারে লেনদেনের শীর্ষে ব্র্যাক ব্যাংক

সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি। ঢাকা স্টক...

ব্লক ব্লক
পুঁজিবাজার6 hours ago

সূচকের পতনে লেনদেন ছাড়ালো ৬৮৫ কোটি টাকা

সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্য সূচকের পতনে লেনদেন শেষে হয়েছে। একই সঙ্গে লেনদেনে অংশ...

ব্লক ব্লক
পুঁজিবাজার8 hours ago

দর বৃদ্ধির কারণ জানে না বিডি অটোকার্স

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বাংলাদেশ অটোকার্স লিমিটেডের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি এবং শেয়ারের লেনদেনের পরিমাণ বৃদ্ধির কারণ জানে না বলে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)...

ব্লক ব্লক
পুঁজিবাজার8 hours ago

লভ্যাংশ পাঠিয়ে ‘বি’ ক্যাটাগরিতে আলহাজ্ব টেক্সটাইল

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বস্ত্র খাতের কোম্পানি আলহাজ্ব টেক্সটাইল মিলস লিমিটেডের ক্যাটাগরি পরিবর্তন করা হয়েছে। কোম্পানিটিকে ‘জেড’ ক্যাটাগরি থেকে ‘বি’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত...

সোশ্যাল মিডিয়া

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

ব্লক
অর্থনীতি40 minutes ago

মার্চের একদিন বাকি থাকতেই রেমিট্যান্স ছাড়ালো সাড়ে তিন বিলিয়ন ডলার

ব্লক
আন্তর্জাতিক52 minutes ago

বিশ্ববাজারে প্রতিদিন জ্বালানি তেলের ঘাটতি সোয়া কোটি ব্যারেল

ব্লক
জাতীয়1 hour ago

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটে প্রথম বড় ক্ষতিগ্রস্ত দেশ হতে পারে বাংলাদেশ, টেলিগ্রাফের প্রতিবেদন

ব্লক
অন্যান্য1 hour ago

রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদায় এমপি না জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান- কার অবস্থান উপরে?

ব্লক
সারাদেশ2 hours ago

চালু হচ্ছে রাজশাহী শিশু হাসপাতাল

ব্লক
জাতীয়2 hours ago

সাপ্তাহিক ছুটি বাড়তে পারে সরকারি চাকরিজীবীদের

ব্লক
জাতীয়2 hours ago

আরও ১৪ জেলা পরিষদের প্রশাসক নিয়োগ

ব্লক
জাতীয়2 hours ago

চিকিৎসাধীন মুগ্ধের বাবার খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

ব্লক
জাতীয়2 hours ago

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ডিজি হলেন নুরজাহান খানম

ব্লক
আবহাওয়া2 hours ago

রাতের মধ্যে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা

ব্লক
অর্থনীতি40 minutes ago

মার্চের একদিন বাকি থাকতেই রেমিট্যান্স ছাড়ালো সাড়ে তিন বিলিয়ন ডলার

ব্লক
আন্তর্জাতিক52 minutes ago

বিশ্ববাজারে প্রতিদিন জ্বালানি তেলের ঘাটতি সোয়া কোটি ব্যারেল

ব্লক
জাতীয়1 hour ago

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটে প্রথম বড় ক্ষতিগ্রস্ত দেশ হতে পারে বাংলাদেশ, টেলিগ্রাফের প্রতিবেদন

ব্লক
অন্যান্য1 hour ago

রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদায় এমপি না জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান- কার অবস্থান উপরে?

ব্লক
সারাদেশ2 hours ago

চালু হচ্ছে রাজশাহী শিশু হাসপাতাল

ব্লক
জাতীয়2 hours ago

সাপ্তাহিক ছুটি বাড়তে পারে সরকারি চাকরিজীবীদের

ব্লক
জাতীয়2 hours ago

আরও ১৪ জেলা পরিষদের প্রশাসক নিয়োগ

ব্লক
জাতীয়2 hours ago

চিকিৎসাধীন মুগ্ধের বাবার খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

ব্লক
জাতীয়2 hours ago

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ডিজি হলেন নুরজাহান খানম

ব্লক
আবহাওয়া2 hours ago

রাতের মধ্যে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা

ব্লক
অর্থনীতি40 minutes ago

মার্চের একদিন বাকি থাকতেই রেমিট্যান্স ছাড়ালো সাড়ে তিন বিলিয়ন ডলার

ব্লক
আন্তর্জাতিক52 minutes ago

বিশ্ববাজারে প্রতিদিন জ্বালানি তেলের ঘাটতি সোয়া কোটি ব্যারেল

ব্লক
জাতীয়1 hour ago

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটে প্রথম বড় ক্ষতিগ্রস্ত দেশ হতে পারে বাংলাদেশ, টেলিগ্রাফের প্রতিবেদন

ব্লক
অন্যান্য1 hour ago

রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদায় এমপি না জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান- কার অবস্থান উপরে?

ব্লক
সারাদেশ2 hours ago

চালু হচ্ছে রাজশাহী শিশু হাসপাতাল

ব্লক
জাতীয়2 hours ago

সাপ্তাহিক ছুটি বাড়তে পারে সরকারি চাকরিজীবীদের

ব্লক
জাতীয়2 hours ago

আরও ১৪ জেলা পরিষদের প্রশাসক নিয়োগ

ব্লক
জাতীয়2 hours ago

চিকিৎসাধীন মুগ্ধের বাবার খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

ব্লক
জাতীয়2 hours ago

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ডিজি হলেন নুরজাহান খানম

ব্লক
আবহাওয়া2 hours ago

রাতের মধ্যে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা