সারাদেশ
আজ ঈদ করলেন পটুয়াখালীর ৩৫ গ্রামের মানুষ
সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সাথে মিল রেখে বাংলাদেশে ঈদুল ফিতর অনুষ্ঠিত হওয়ার একদিন পূর্বেই ঈদ পালন করেছেন পটুয়াখালীর বদরপুর ইউনিয়নের প্রায় ১০০ পরিবার। শুধু তারাই নন, জেলার ৩৫টি গ্রামের প্রায় ২৫ হাজার মানুষ আজ ঈদ উদযাপন করেছেন।
শুক্রবার (২০ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় পটুয়াখালী সদর উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের ‘বদরপুর দরবার শরীফে’ ঈদের নামাজের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। জামাতে ইমামতি করেন বদরপুর দরবার শরীফ মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা মো. শফিকুল আলম গনি।
স্থানীয়রা জানান, পৃথিবীর যেকোনো স্থানে ঈদের চাঁদ দেখা গেলেই ঈদ উদযাপন করেন তারা, রোযাও রাখেন একদিন আগে। শুধু ঈদুল ফিতর নয়, এ রীতির অনুসারীরা ঈদুল আযহাও পালন করেন একদিন আগে।
ঈদের জামাতে অংশ নেওয়া আব্দুর রহমান বলেন, জন্মের পর থেকেই আমরা এভাবে ঈদ উদযাপন করে আসছি। প্রায় ১০০ বছর ধরে আমাদের এমন নিয়ম। আমাদের বাড়িতে সকলের জন্য সেমাই-পায়েস রান্না করেছি। এদিন বন্ধু-বান্ধবরা অনেকেই আগ্রহ নিয়ে আমাদের বাড়ি বেড়াতে আসেন।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. আব্দুস সোবাহান বলেন, আমাদের পীরসাহেবের নির্দেশক্রমে আমরা ঈদ পালন করি। আমরা রোযাও রাখি একদিন আগে, তাছাড়া কোরবানীর ঈদও পালন করি বাংলাদেশের মানুষের ১ দিন আগেই।
জানা গেছে, আগাম ঈদ উদযাপনকারী সবাই হানিফি মাজহাব ও কাদেরিয়া তরিকার অনুসারী।
শুক্রবার সদর উপজেলার বদরপুর, ছোটবিঘাই; গলাচিপা উপজেলার পশুরী বুনিয়া, সেনের হাওলা, কানকুনি পাড়া, মৌডুবি, নিজ হাওলা; বাউফল উপজেলার রাজনগর, বগা, ধাউরাভাঙ্গা, মদনপুরা, সুরদি, চন্দ্রপাড়া, দ্বিপাশা, শাপলা খালী, আমিরাবাদ, কনকদিয়া; কলাপাড়া উপজেলার ইটবাড়ীয়া, শহরের নাঈয়া পট্টি, টিয়াখালী, তেগাছিয়া এবং দক্ষিণ দেবপুরসহ আরও বেশ কয়েকটি গ্রামে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।
বদরপুর দরবার শরীফ মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা মো. শফিকুল আলম গনি বলেন, হাদিস ও কোরআনে বর্ণিত আছে, চাঁদ দেখার সংবাদ পেলেই যেন ঈদ পালন করা হয়। সেভাবেই আমরা ১৯২৮ সাল থেকে প্রতিবছর কোথাও চাঁদ দেখা গেলেই সহীহভাবে ঈদ পালন করে আসছি। আজকে ঈদের সালাতের মাধ্যমে আমরা মুসলিম উম্মাহ’র শান্তি কামনা করেছি।
সারাদেশ
শোলাকিয়ার মুসল্লিদের জন্য ঈদ স্পেশাল ট্রেন
প্রতি বছরের মতো এবারও শোলাকিয়ায় ঈদুল ফিতরের জামাতে মুসল্লিদের অংশ নিতে ‘শোলাকিয়া ঈদ স্পেশাল’ নামে দুটি ট্রেন থাকছে। এর মধ্যে একটি ট্রেন ময়মনসিংহ থেকে ছেড়ে ঈদ জামাত শেষে আবার ময়মনসিংহে ফিরবে। অন্যটি ভৈরব থেকে কিশোরগঞ্জে এসে জামাত শেষে আবার ভৈরবে ফিরে যাবে।
কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দান পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা ও কিশোরগঞ্জ রেলওয়ের স্টেশন মাস্টার খলিলুর রহমানকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ময়মনসিংহ জংশন থেকে ‘শোলাকিয়া ঈদ স্পেশাল’ নামে বিশেষ একটি ট্রেন ময়মনসিংহ থেকে ভোর পৌনে ৬টায় ছেড়ে সকাল সাড়ে ৮টায় কিশোরগঞ্জ স্টেশনে পৌঁছাবে এবং ঐতিহ্যবাহী শোলাকিয়া মাঠে ঈদের জামাত শেষে ওই ট্রেনটি কিশোরগঞ্জ স্টেশন থেকে দুপুর ১২টায় ছেড়ে বিকেল ৩টায় ময়মনসিংহে পৌঁছাবে।
ট্রেনটি চলাচলের পথে ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ রুটের শম্ভুগঞ্জ, বিসকা, গৌরিপুর, বোকাইনগর, ঈশ্বরগঞ্জ, সোহাগী, আঠারবাড়ী, নান্দাইল রোড, মুসুল্লি, নীলগঞ্জ স্টেশনে দুই মিনিট করে যাত্রাবিরতি করবে।
অপরদিকে ভৈরব জংশন থেকে ভোর ৬টায় আরেকটি ঈদ স্পেশাল ট্রেন কিশোরগঞ্জ অভিমুখে ছেড়ে সকাল ৮টায় পৌঁছাবে এবং ঈদ জামাত শেষে আবার দুপুর ১২টায় কিশোরগঞ্জ ছেড়ে দুপুর ২টায় ভৈরব পৌঁছাবে। পথে কালিকা প্রসাদ, ছয়সূতি, কুলিয়ারচর, বাজিতপুর, সরারচর, হালিম মকসুদপুর, মানিকখালি ও গচিহাটা স্টেশনে যাত্রাবিরতি করবে।
এবার কিশোরগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে ১৯৯তম ঈদুল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ১০টায়। দেশের সর্ববৃহৎ ঈদ জামাতে যেন ময়মনসিংহ অঞ্চলের মুসল্লিরা অংশ নিতে পারেন, এজন্য প্রতি ঈদে এমন বিশেষ ট্রেন চালু করে আসছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।
সারাদেশ
চাঁদপুরে অর্ধশতাধিক গ্রামে ঈদুল ফিতর উদ্যাপন
সৌদি আরবসহ আরব দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ সাদ্রা দরবার শরিফসহ প্রায় অর্ধশতাধিক গ্রামে পবিত্র ঈদুল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (২০ মার্চ) সকাল ৯টায় সাদ্রা দরবার শরিফ মাঠে ঈদুল ফিতরের নামাজের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন দরবার শরিফের পীরজাদা আল্লামা জাকারিয়া চৌধুরী আল মাদানী।
সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে সাদ্রা হামিদিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার মাঠে পবিত্র ঈদুল ফিতরের আরেকটি জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়। এ জামাতে ইমামতি করেন দরবার শরিফের পীরজাদা আরিফুল্লা চৌধুরী।
আগাম ঈদ উদ্যাপন করা গ্রামগুলো হচ্ছে- হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা, সমেশপুর, অলিপুর, বলাখাল, মনিহার, প্রতাপপুর, বাসারা, ফরিদগঞ্জ উপজেলার লক্ষ্মীপুর, কামতা, গল্লাক, ভুলাচোঁ, সোনাচোঁ, উভারামপুর, উটতলি, মুন্সিরহাট, কাইতাড়া, মূলপাড়া, বদরপুর, আইটপাড়া, সুরঙ্গচাইল, বালিথুবা, পাইকপাড়া, নূরপুর, সাচনমেঘ, শোল্লা, হাঁসা, গোবিন্দপুর, মতলব উপজেলার দশানি, মোহনপুর, পাঁচানী এবং কচুয়া উপজেলার কয়েকটি গ্রামের আংশিক।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১৯২৮ সাল থেকে সাদ্রা দরবার শরিফের মরহুম পীর মাওলানা ইসহাক (রহ.) সৌদি আরবসহ অন্য আরব দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে রোজা, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা উদ্যাপনের প্রথা চালু করেন। এ ছাড়া তার অনুসারীরা চাঁদপুরসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় একই সঙ্গে দুই ঈদ উদ্যাপন ও রোজা করে আসছেন।
সাদ্রা দরবার শরিফের পীরজাদা আরিফুল্লা চৌধুরী বলেন, ১৯২৮ সাল থেকে তারা মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ঈদুল ফিতর, ঈদুল আযহা এবং পবিত্র রমজানের রোজা রেখে আসছেন। প্রথমে এসব ঈদের জামাতে লোকজন কম হলেও এখন সারা বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি জেলায় ঈদ উদ্যাপন হচ্ছে।
সারাদেশ
ঈদে ঘরমুখো লাখো মানুষ, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ৩০ কিমি দীর্ঘ যানজট
ঈদের আনন্দ প্রিয়জনের সঙ্গে ভাগ করে নিতে নাড়ির টানে ঘরমুখো লাখো মানুষ। ফলে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা থেকে করটিয়া বাইপাস পর্যন্ত প্রায় ৩০ কিলোমিটার এলাকায় যানবাহনের ধীরগতি চলছে। অতিরিক্ত গাড়ির চাপে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) আশেকপুর বাইপাস, রাবনা বাইপাস ও এলেঙ্গা এলাকায় মহাসড়কে মানুষের ঢল দেখা গেছে। পরিবহন সংকট ও দ্বিগুণ ভাড়ার কারণে বেশির ভাগ মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে খোলা ট্রাক-পিকআপে যাচ্ছেন, আর ধীরগতির কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা। বিশেষ করে নারী, শিশু ও বৃদ্ধরা কষ্ট পাচ্ছেন বেশি।
ট্রাকের যাত্রী আসিফ বলেন, আমি নারায়ণগঞ্জ থেকে টাঙ্গাইলে আসলাম, ১২ ঘণ্টা সময় লেগেছে। চন্দ্রা এলাকায় যানজটে আটকে ছিলাম। মহাসড়কে যানবাহনের ধীরগতি আছে। গাড়িগুলো স্বাভাবিক গতিতে চলছে না। দ্বিগুণ ভাড়া দিয়ে আসলাম।
ট্রাকের আরেক যাত্রী তানিশা বলেন, বছরে দুই ঈদে বাড়িতে যেতে পারি। ট্রাকে যেতে অনেক কষ্ট হচ্ছে। কষ্ট হলেও পরিবারের সাথে ঈদ করব, এটাই শান্তি। অনেকেই আমার মতো ট্রাকে করে যাচ্ছে। ট্রাকেও এসেছি ভাড়া বেশি দিয়ে।
এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ জানিয়েছে, অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ ও মাঝে মাঝে গাড়ি বিকল হওয়ায় এ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। যমুনা সেতু থেকে পৌলি পর্যন্ত যানবাহনের ধীরগতি রয়েছে। ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে যানজট নিরসনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে।
এমএন
সারাদেশ
খুলনায় ঘুমন্ত অবস্থায় একই পরিবারের ৪ জনকে গুলি
খুলনায় ঘুমন্ত অবস্থায় একই পরিবারের চার সদস্যকে গুলি করে গুরুতর আহত করেছে দুর্বৃত্তরা। সাবেক স্বামীর সঙ্গে পারিবারিক বিরোধের জেরে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকাল ৭টার দিকে জেলার বটিয়াঘাটা উপজেলার লবণচরা ইউনিয়নের কৃষ্ণনগর শাহজালাল নগরের রেলক্রসিং এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন: কাজী আনিসুর রহমান, তার স্ত্রী রঞ্জুয়ারা বেগম, ছেলে গাজী রাইসুল ইসলাম এবং পুত্রবধূ ফাহিমা খাতুন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী রেজিস্ট্রার ডা. লক্ষিন্দার কুমার দে বলেন, ‘গুলিবিদ্ধদের মধ্যে রঞ্জুয়ারা বেগমের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি তার পুত্রবধূ গুলিবিদ্ধ ফাহিমা খাতুনকেও তার নিজের ইচ্ছায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।’
তিনি আরও জানান, আনিসুর রহমানের ঘাড়ে তিনটি ও রাইসুল ইসলামের পায়ে একটি গুলি লেগেছে। এছাড়া রঞ্জুয়ারা বেগমের বুকে দুটি এবং ফাহিমা খাতুনের পায়ে একটি গুলি লেগেছে।
ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফাহিমা খাতুনের সাবেক স্বামী ইমরানের সঙ্গে পারিবারিক বিরোধের জেরে এ হামলার ঘটনা ঘটতে পারে। প্রায় আট মাস আগে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। এরপর গত ডিসেম্বর মাসে রাশেদুলের সঙ্গে নতুন করে সংসার শুরু করেন ফাহিমা। এ নিয়ে ইমরান আগে থেকেই হুমকি দিয়ে আসছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।
আহত ফাহিমা খাতুন দাবি করেন, ‘সকালে দুটি মোটরসাইকেলে করে আসা ছয়জন দুর্বৃত্ত বাসায় ঢুকে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। হামলাকারীদের মধ্যে আমার সাবেক স্বামীও ছিল।’
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, ‘হামলাকারীদের ধরতে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।’
সারাদেশ
চট্টগ্রামের টেরিবাজারে বহুতল ভবনে অগ্নিকাণ্ড, নিহত ২
চট্টগ্রাম নগরীর ব্যস্ততম বাণিজ্যিক এলাকা টেরিবাজারে একটি ১০তলা ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই ব্যক্তি নিহত হয়েছেন এবং আরো একজন গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকালে কে বি অর্কিড প্লাজা নামের ওই ভবনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
অগ্নিকাণ্ডে নিহতরা হলেন- চট্টগ্রামের পটিয়ার বধুপুর মির্জাবাড়ি এলাকার মোহাম্মদ ইয়াসিন খালিফার ছেলে মোহাম্মদ ইউনুস (৫২)। চট্টগ্রামের পটিয়া থানাধীন বোয়ালখালী ইউনিয়নের পাচুরিয়া এলাকার মামুনুল কাদেরের ছেলে মো. সোলাইমান। এছাড়া, মোহাম্মদ মামুন (২৮) নামে একজনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিস ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কে বি অর্কিড প্লাজার চতুর্থ তলায় অবস্থিত একটি টেইলার্স দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন পঞ্চম ও ষষ্ঠ তলায় ছড়িয়ে পড়ে।
ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার রাফিয়াল ফারুক জানান, সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে সংবাদ পাওয়ার পরপরই তাদের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ শুরু করেন। প্রায় এক ঘণ্টার প্রাণপণ চেষ্টায় সকাল ১০টা ৫৩ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল ও চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হলে চিকিৎসক দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, সাহরির পর থেকে ওই এলাকায় বিদ্যুৎ ছিল না; সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বিদ্যুৎ আসার পরপরই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
টেরিবাজার ব্যবসায়ী সমিতি জানিয়েছে, অগ্নিকাণ্ডে বিপুল পরিমাণ আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। যে টেইলার্সের দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত, সেখানে কর্মচারীদের বেতন-বোনাস দেওয়ার জন্য আনুমানিক ৮ থেকে ১০ লাখ টাকা নগদ গচ্ছিত ছিল, যা পুড়ে ছাই হয়ে গেছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
১০ তলা বিশিষ্ট কে বি অর্কিড প্লাজার নিচের পাঁচতলায় শপিংমল, ব্যাংকের শাখা, জুয়েলারি ও টেইলার্স দোকান রয়েছে এবং ওপরের পাঁচতলায় আবাসিক ফ্ল্যাট অবস্থিত।




