সারাদেশ
সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক আহত
ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার শ্যামকুড় সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে এক বাংলাদেশি যুবক আহত হয়েছেন।
বুধবার (১৮ মার্চ) মহেশপুর ৫৮ বিজিবির অধীনস্ত শ্যামকুড় বিওপির মেইন পিলার থেকে প্রায় ৫০ গজ ভারতের অভ্যন্তরে ফটিককারী নামক স্থানে এ ঘটনা ঘটে।
আহত উজ্জ্বল হোসেন (৩৫) মহেশপুর উপজেলার মাইলবাড়িয়া বসতিপাড়া গ্রামের তোতা মিয়ার ছেলে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, বুধবার ভোরে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে উজ্জ্বল। এসময় ১৯৪ বিএসএফ ব্যাটেলিয়নের অধীন ফটিকারি ক্যাম্পের টহল দল তাকে লক্ষ্য করে এক রাউন্ড রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে। এতে তিনি গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন।
গুলিবিদ্ধ উজ্জ্বল হোসেন সীমান্তে মাদক চোরাচালান ও মানব পাচারের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
জানা গেছে, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় বুধবার দুপুরে উজ্জ্বলকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে যশোরের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মহেশপুর উপজেলার নেপা ইউনিয়নের ৬নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মাহবুর রহমান বলেন, সীমান্তে মাদক ও মানব পাচারের সঙ্গে উজ্জ্বল হোসেন জড়িত ছিল বলে আমরা জানি। ঘটনার দিন সীমান্ত পার হয়ে ভারতে পারাপারের সময় সে গুলিবিদ্ধ হয়েছে বলে জানতে পেরেছি।
মহেশপুর থানার ওসি মেহেদী হাসান বলেন, উজ্জল হোসেন নামে একজন চোরাকারবারি ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে আহত হয়েছে বলে পুলিশ জানতে পরেছে। বর্তমানে আহত যুবক যশোরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। গুলিবিদ্ধ হলেও আশঙ্কামুক্ত রয়েছে বলেও তিনি জানান।
এ বিষয়ে মহেশপুর ৫৮ বিজিবি ব্যাটেলিয়নের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সারাদেশ
সখিপুর থানা পুলিশের পৃথক অভিযান মাদকসহ তিনজন আটক
শরীয়তপুরের সখিপুর থানার পুলিশের পৃথক অভিযানে মাদকসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে। গত ২ মে রাতে সখিপুর থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
আটকরা হলেন, মো. সোহেল সরদার (২৫), পিতা. মৃত নুরুল ইসলাম, মো. মিজান সরদার (৩৮) পিতা. রশিদ সরদার, জান শরীফ সৈয়াল (৪২) পিতা. নাজিম উদ্দিন সৈয়াল। তারা সবাই সখিপুর থানার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পৃথক অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়েছে।
সখিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোফাজ্জল হোসাইন জানান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে গত রাতে পৃথক অভিযানে তিনজনকে আটক করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে এবং এ বিষয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে।
সারাদেশ
সিলেটে ট্রাক-পিকআপ সংঘর্ষে নিহত ৮, আহত ৭
সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় ট্রাক ও পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে নারীসহ ৮ নির্মাণ শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৭ জন। নিহতদের সবাই নির্মাণ শ্রমিক ছিলেন।
রোববার (৩ মে) সকাল ৭টার দিকে সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের তেলিবাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাইওয়ে পুলিশ সিলেট রিজিয়নের পুলিশ সুপার মো. রেজাউল করিম।
নিহতদের মধ্যে চারজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন— সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার ভাটিপাড়া গ্রামের মো. সুরুজ আলী (৬০), একই উপজেলার শেষস্তি গ্রামের মোছা. মুন্নি বেগম (৩৫), সিলেটের জালালাবাদ থানার লালারগাঁও এলাকার মো. বদরুল (৩০) এবং দিরাই উপজেলার নুরনগর এলাকার মো. ফরিদুল (৩৫)। বাকি চারজনের পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
আহতরা হলেন- হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার আমকান্দি গ্রামের মো. আলমগীর (৩২), সিলেট নগরের মদিনা মার্কেট এলাকার তোরাব উল্লাহ (৬০), আম্বরখানার রামিন (৪০) ও আফরোজ মিয়া (৪০), সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার রাজু আক্তার (২৫), সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার হাফিজা বেগম (৩০) এবং দিরাই উপজেলার রাজা মিয়া (৪৫)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দক্ষিণ সুরমার তেলিবাজার এলাকায় সকাল ৬টা ২৫ মিনিটের দিকে শ্রমিক বহনকারী একটি পিকআপের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই ৪ জন শ্রমিক নিহত হন। গুরুতর আহত আরও ৪ জনকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সকাল সাড়ে ৭টায় তাদেরকে মৃত ঘোষণা করেন। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়ায় ৮ জনে।
এ ঘটনায় আরও ৭ জন শ্রমিক আহত হয়েছেন। তাদেরকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে।
হাইওয়ে পুলিশ সিলেট রিজিয়নের পুলিশ সুপার মো. রেজাউল করিম বলেন, ট্রাকের ও পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৪ জন ঘটনাস্থলেই নিহত হন এবং হাসপাতালে আরও ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। মরদেহ দুটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ঘতক ট্রাকটিকে জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
সারাদেশ
আজ টানা ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
সিরাজগঞ্জের কয়েকটি এলাকায় আজ শনিবার (২ মে) টানা সাত ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
এ তথ্য জানিয়েছে সিরাজগঞ্জ নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই পিএলসির (নেসকো) বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-২ এক বিজ্ঞপ্তিতে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সিরাজগঞ্জ দপ্তরের ১১ কেভি ক্যুইন ফিডারের জরুরি মেরামত, সংরক্ষণ কাজ এবং আশপাশের গাছের শাখা-প্রশাখা কাটার জন্য ফিডারটির আওতাধীন সব বিতরণ এলাকা (কোদলাপুর, কোদলাপুর বড় ব্রীজ রোড, কল্যানী চুয়াপাড়া, কল্যানী প্রাইমারি স্কুল রোড, সিরাজগঞ্জ পুলিশ লাইনস, আনসার ক্যাম্প, কোদলাপুর কবরস্থান রোড) শনিবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
জরুরি কাজের স্বার্থে বিদ্যুৎ সরবরাহে সাময়িক বিঘ্ন ঘটবে। এতে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করে সবার সহযোগিতা চেয়েছে কর্তৃপক্ষ।
সারাদেশ
দ্রুত বাড়ছে নদীর পানি, ৫ জেলায় বন্যার শঙ্কা
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অতিভারী বৃষ্টিপাতে নদ–নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে চারটি নদীর পানি ইতোমধ্যে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে এবং পাঁচটি জেলায় বন্যা পরিস্থিতির আশঙ্কা বা আংশিকভাবে শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধীন এই কেন্দ্র জানায়, দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় কয়েকটি জেলায় বিশেষ করে মৌলভীবাজার ও নেত্রকোনার নিম্নাঞ্চলে ইতোমধ্যে বন্যার প্রভাব দেখা দিয়েছে। পাশাপাশি সিলেট, হবিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জ জেলার নিম্নাঞ্চলেও পরিস্থিতি অবনতির দিকে যেতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী পার্থ প্রতীম বড়ুয়া জানান, নদ–নদীর পানি বৃদ্ধির প্রধান কারণ হলো টানা ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাত। এর ফলে স্বল্প সময়ের মধ্যেই পানি দ্রুত উপচে পড়ছে। তিনি বলেন, মৌলভীবাজার ও নেত্রকোনায় বন্যা পরিস্থিতি ইতোমধ্যে শুরু হলেও বাকি তিন জেলায় পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী কয়েকদিন দেশের আট বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। গত মঙ্গলবার দেওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়, এই বৃষ্টি আরও অন্তত কয়েকদিন স্থায়ী হতে পারে, যা নদীর পানি আরও বাড়িয়ে বন্যার ঝুঁকি বাড়াবে।
গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে কিশোরগঞ্জের নিকলীতে- ১৬১ মিলিমিটার। এছাড়া ভোলায় ১৫১ মিলিমিটার এবং ফেনীতে ১৪৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
আবহাওয়াবিদ মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক বলেন, এই বৃষ্টি একটানা নয়, বরং দেশের বিভিন্ন স্থানে থেমে থেমে হচ্ছে। পরিস্থিতি আগামী কয়েকদিন, অন্তত ৪ মে পর্যন্ত চলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র জানিয়েছে, বর্তমানে ভুগাই–কংস, মনু, সোমেশ্বরী ও মগরা নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর মধ্যে তিনটি নদী নেত্রকোনা অঞ্চলের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় সেখানে পানির চাপ বেশি।
এছাড়া সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানিও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, কোথাও কোথাও এক থেকে দেড় মিটার পর্যন্ত পানি বেড়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব নদী ছোট হওয়ায় ভারী বৃষ্টিতে দ্রুত পানির স্তর বাড়ে এবং বৃষ্টি কমলে পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে আসে।
এমএন
সারাদেশ
টানা ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না দেশের যেসব এলাকায়
বিদ্যুৎ লাইনের জরুরি মেরামত ও উন্নয়ন কাজের কারণে আজ শনিবার (২৫ এপ্রিল) দেশের কয়েকটি এলাকায় টানা ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার পিডিবির আবাসিক প্রকৌশলী কার্যালয় থেকে জারি করা এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দিরাই উপজেলায় সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হবে।
৩৩ কেভি বিদ্যুৎ লাইনের জরুরি মেরামত ও সংরক্ষণ কাজের জন্য এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই মেরামত কাজ শেষ করার চেষ্টা করা হবে; কাজ সম্পন্ন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা হবে।
সাময়িক এ অসুবিধার জন্য দিরাই উপজেলার বিদ্যুৎ গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে কর্তৃপক্ষ।
অন্যদিকে, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিউবো) সিলেটের বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জরুরি মেরামত, সংরক্ষণ ও লাইনের উন্নয়ন কাজের জন্য সিলেট নগরের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় শনিবার চার ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। শনিবার সকাল ৬টা থেকে ১০টা পর্যন্ত পাঠানটুলা ১১ ফিডারের আওতাধীন পাঠানটুলা, শ্রাবনী, নিকুঞ্জ, লতিফ মঞ্জিল, পল্লবী আবাসিক এলাকা, মদিনা মার্কেটসহ আশেপাশের এলাকায় বিদ্যুৎ থাকবে না। একই সময়ে বিমানবন্দর ১১ ফিডারের আওতাধীন লাভলী রোড, তপোবন আবাসিক এলাকা, বর্ণমালা স্কুল এলাকা, আলমদিনা টাওয়ার, মদিনা মার্কেট বাজার, আখরাগলি, বাগবাড়ী, সুরমা আবাসিক এলাকা, লেকসিটি ও পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলোতেও বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ থাকবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হলে দ্রুতই সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরায় চালু করা হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, উন্নয়নকাজ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা হবে। সাময়িক এই অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করে তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।




