পুঁজিবাজার
ডিএসইর বাজার মূলধন বাড়লো ১ হাজার ৬০ কোটি টাকা
দেশের শেয়ারবাজারে সূচকের উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে চলতি সপ্তাহে লেনদেন হয়েছে । এতে সপ্তাহ ব্যবধানে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধন বেড়েছে ১ হাজার ৬০ কোটি টাকা।
পুঁজিবাজারের সাপ্তাহিক হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)
সপ্তাহ ব্যবধানে ডিএসইর বাজার মূলধন বেড়েছে শূন্য দশমিক ১৫ শতাংশ বা ১ হাজার ৬০ কোটি টাকা। চলতি সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ১০ হাজার ৩৭ কোটি টাকা। এর আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে এই মূলধন ছিল ৭ লাখ ৮ হাজার ৯৭৭ কোটি টাকা।
চলতি সপ্তাহে ডিএসইতে একটি বাদে বেড়েছে সব কয়টি সূচকের মান। প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ৬৫.৯৯ পয়েন্ট বা ১.২২ শতাংশ। ডিএসই-৩০ সূচক বেড়েছে ৩৮.৯৩ পয়েন্ট বা ১.৮৯ শতাংশ। তবে ডিএসইএস সূচক কমেছে ১.৮৭ পয়েন্ট বা ০.১৭ শতাংশ।
ডিএসইতে বড় ব্যবধানে বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ। সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৫ হাজার ২৫০ কোটি ২১ লাখ টাকা। এর আগের সপ্তাহে মোট লেনদেন হয়েছিল ১ হাজার ৯১৪ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। এক সপ্তাহে লেনদেন বেড়েছে ৩ হাজার ৩৩৫ কোটি ৩৬ লাখ টাকা।
আর প্রতি কার্যদিবসে গড় লেনদেন বেড়েছে ৪১১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা বা ৬৪.৫১ শতাংশ। চলতি সপ্তাহের প্রতি কার্যদিবসে ডিএসইতে গড়ে লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৫০ কোটি ৪ লাখ টাকা। এর আগের সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছিল ৬৩৮ কোটি ২৮ লাখ টাকা।
সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে ৩৮৯টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ২০৩টি কোম্পানির, কমেছে ১৫৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৩টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)
এদিকে সপ্তাহ ব্যবধানে দেশের অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) প্রধান সূচক সিএএসপিআই ও সিএসসিএক্স যথাক্রমে ২.০৯ শতাংশ ও ১.৬৯ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫৩৪৯.০৯ পয়েন্টে ও ৯৪২৯.৫৩ পয়েন্টে।
এছাড়া সিএসই-৫০ সূচক বেড়েছে ১.৪২ শতাংশ। সূচকটি অবস্থান করছে ১১৮২.৭২ পয়েন্টে। আর সিএসই-৩০ সূচক ২.৪৯ শতাংশ ও সিএসআই সূচক ০.৭৭ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ১৩৯০৫.৭১ পয়েন্টে ও ৯২৬.৩৭ পয়েন্টে।
চলতি সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৯৪ কোটি ৩৭ লাখ টাকা, যা এর আগের সপ্তাহে ছিল ২৪ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। সপ্তাহ ব্যবধানে লেনদেন বেড়েছে ৬৯ কোটি ৭৮ লাখ টাকা।
সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে ৩২২টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ২৩৫টির, কমেছে ৭০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৭টির কোম্পানির শেয়ার দর।
এমএন
পুঁজিবাজার
সূচক ঊর্ধ্বমুখী, দেড় ঘণ্টায় বেড়েছে ২৮৫ শেয়ারদর
সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্য সূচকের ইতিবাচক প্রবণতায় লেনদেন চলছে। এদিন প্রথম দেড় ঘণ্টায় লেনদেনে অংশ নেওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ২৮৫টির শেয়ারদর বেড়েছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বেলা ১১টা ৩০মিনিট পর্যন্ত ডিএসইর প্রধান সূচক বা ‘ডিএসইএক্স’ সূচক ২৯ দশমিক ৫৭ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৫ হাজার ১৫২ পয়েন্টে।
অন্য সূচকগুলোর মধ্যে শরিয়াহ সূচক ‘ডিএসইএস’ সূচক ৫ দশমিক ৩৪ পয়েন্ট বেড়ে এবং ‘ডিএস৩০’ সূচক ৯ দশমিক ৭৪ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ১০৪৫ ও ১৯৬৪ পয়েন্টে।
এসময় টাকার অংকে লেনদেন হয়েছে ২০১ কোটি ৪৩ লাখ ৪২ হাজার টাকা।
এসময়ে লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ২৮৫টি, কমেছে ৪৩টি এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৬০টি কোম্পানির শেয়ারের।
এমএন
পুঁজিবাজার
দুই কোম্পানির ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত দুই কোম্পানির ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন হয়েছে। কোম্পানি দুটি হলো- ফারইস্ট নিটিং অ্যান্ড ডাইং ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি ও যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, ফারইস্ট নিটিংয়ের কোম্পানিটির ক্রেডিট রেটিং নির্ণয় করেছে ক্রেডিট রেটিং ইনফরশেন অ্যান্ড সার্ভিসেস (সিআরআইএসএল) । কোম্পানিটির দীর্ঘমেয়াদী ‘এএ’ এবং স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-২’ রেটিং হয়েছে।
কোম্পানিটির ৩০ জুন, ২০২৫ তারিখ পর্যন্ত নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখ পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং প্রদানের তারিখ পর্যন্ত অন্যান্য প্রাসঙ্গিক পরিমাণগত ও গুণগত তথ্য অনুযায়ী এ রেটিং নির্ণয় করা হয়েছে।
সূত্র মতে, যমুনা অয়েলের ক্রেডিট রেটিং নির্ণয় করেছে ইমার্জিং ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড (ইসিআরএল)। কোম্পানিটির দীর্ঘমেয়াদী ‘এএ+’ এবং স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-১’ রেটিং হয়েছে।
কোম্পানিটির ৩০ জুন, ২০২৫ সমাপ্ত অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ২০২৬ অর্থবর্ষের ৬-মাসের অনিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী ও রেটিং প্রদানের তারিখ পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য পরিমাণগত ও গুণগত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এ রেটিং নির্ণয় করা হয়েছে।
এমএন
পুঁজিবাজার
ডিএসইর স্বতন্ত্র পরিচালক হলেন ব্রিগেডিয়ার আশিকুর রহমান
প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) নতুন স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ আশিকুর রহমান। আগামী তিন বছরের জন্য তাকে এ পদে অনুমোদন দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত কমিশন সভায় এ নিয়োগ অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে বিএসইসির মার্কেট অ্যান্ড ইন্টারমিডিয়ারিজ অ্যাফেয়ার্স ডিভিশন থেকে ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছে এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়েছে।
ডিএসইর প্রকাশনা ও জনসংযোগ বিভাগের উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. শফিকুর রহমান বলেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ আশিকুর রহমানকে স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে বিএসইসি। তিনি মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) থেকে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।
বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে, ডিএসইর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রস্তাবটি বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করা হয়। বিশেষ করে ‘ফিট অ্যান্ড প্রপার’ মানদণ্ড অনুযায়ী প্রার্থীর যোগ্যতা যাচাই-বাছাই শেষে কমিশন এ নিয়োগে সম্মতি দেয়।
ডিএসই সূত্র জানায়, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ আশিকুর রহমান স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন এবং তিনি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মফিজুল ইসলাম রাশেদের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন।
বিএসইসির চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, উপযুক্ত যাচাই-বাছাই ও আলোচনার ভিত্তিতেই এ নিয়োগ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদে অভিজ্ঞ ও পেশাদার ব্যক্তির অন্তর্ভুক্তি করপোরেট সুশাসন জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এর ফলে পুঁজিবাজারে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়বে এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা আরও শক্তিশালী হবে।
বর্তমানে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ আশিকুর রহমান বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৪৬ পদাতিক ব্রিগেডের কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
পুঁজিবাজার
পুঁজিবাজার উন্নয়নে সরকারের বড় পরিকল্পনা, আসছে নতুন ৩ আইন
দেশের পুঁজিবাজারকে গতিশীল ও দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের প্রধান উৎস হিসেবে গড়ে তুলতে একগুচ্ছ সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। পুঁজিবাজারকে মূল উৎস হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে আইনি সংস্কার, পণ্যের বৈচিত্র্য আনা এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কাজ করছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এর অংশ হিসেবে ২০২৫ ও ২০২৬ সালের মধ্যে তিনটি নতুন আইন ও বিধিমালা প্রণয়নের কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
সোমবার (৬ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে নোয়াখালী-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফখরুল ইসলামের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এ তথ্য জানান।
সরকারের এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ করছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। পুঁজিবাজারে সুশাসন নিশ্চিত করা, বাজারের গভীরতা বাড়ানো এবং বিনিয়োগ শিক্ষার প্রসারে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী জানান, বাজারে মৌলভিত্তিসম্পন্ন বেসরকারি কোম্পানির পাশাপাশি রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে তালিকাভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বিনিয়োগকারীদের আকর্ষণ করতে নতুন পণ্য আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে শক্তিশালী বন্ড মার্কেট গঠন, এক্সচেঞ্জ ট্রেডেড ফান্ড (ETF), সুকুক (ইসলামিক বন্ড), গ্রিন বন্ড, কমোডিটি ও ফিন্যান্সিয়াল ডেরিভেটিভ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়া মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতে সুশাসন নিশ্চিত করে বিনিয়োগ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী জানান, বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা দিতে এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থার কার্যক্রমে গতিশীলতা আনতে সরকার বড় ধরনের আইনি সংস্কারের হাত দিয়েছে। বিএসইসি আইন ২০২৫ : ১৯৬৯ সালের অর্ডিন্যান্স এবং ১৯৯৩ সালের আইনের সংমিশ্রণে সম্পূর্ণ নতুন একটি আইন প্রণয়নের কাজ চলছে। ক্যাপিটাল মার্কেট স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ড আইন ২০২৬ : দাবিবিহীন ডিভিডেন্ড ও শেয়ারের সঠিক ব্যবস্থাপনার জন্য এই আইনটি করা হচ্ছে। হুইসেলব্লোয়ার সুরক্ষা বিধিমালা ২০২৬ : পুঁজিবাজারের অনিয়ম প্রকাশকারীদের সুরক্ষা দিতে নতুন বিধিমালা করা হচ্ছে।
তিনি জানান, কর্পোরেট গভর্নেন্স কোড সংশোধন করে ‘কর্পোরেট গভর্নেন্স রুলস ২০২৬’ প্রণয়নের কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। পুঁজিবাজারে স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে তদন্ত ও এনফোর্সমেন্ট কার্যক্রম জোরদার করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। কারসাজি ও অনিয়ম বন্ধে বাজারের আধুনিকায়ন ও সম্পূর্ণ ডিজিটাইজেশনের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। পাশাপাশি বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে বাজারে প্রবেশাধিকার সহজলভ্য করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী জানান, বিনিয়োগকারীদের সচেতন করতে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। যান মধ্যে রয়েছে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যপুস্তকে বিনিয়োগ শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করার কাজ চলছে। জেলা ও উপজেলা প্রশাসনকে সম্পৃক্ত করে দেশব্যাপী তরুণ উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। বিটিভিতে ‘পুঁজিবাজারের জানা-অজানা’ নামে পাক্ষিক অনুষ্ঠান এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিয়মিত সচেতনতামূলক কন্টেন্ট প্রচার করা হচ্ছে। এই পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়িত হলে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরবে এবং এটি দেশের অর্থনীতির একটি টেকসই স্তম্ভ হিসেবে দাঁড়িয়ে যাবে বলে জানান অর্থমন্ত্রী।
পুঁজিবাজার
ব্লক মার্কেটে লেনদেন ৩৮ কোটি টাকার
সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে মোট ৩২টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এদিন ব্লক মার্কেটে ৩৮ কোটি ৪৬ লাখ ১৮ হাজার টাকার লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, সোমবার (৬ এপ্রিল) কোম্পানিগুলোর মোট ১ কোটি ৫৫ লাখ ৬৬ হাজার ৬৩৯ টি শেয়ার ১০০ বারে লেনদেন হয়েছে। যার আর্থিক মূল্য ৩৮ কোটি ৪৬ লাখ ১৮ হাজার টাকা।
ব্লক মার্কেটে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে জিকিউ বলপেনের ৭ কোটি ৩৬ লাখ ৪৬ হাজার টাকার, দ্বিতীয় স্থানে ডমিনেজ স্টিলের শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৬ কোটি ৮১ লাখ ৯৬ হাজার টাকার ও তৃতীয় স্থানে স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের ৩ কোটি ৯৪ লাখ ৮০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।
এমএন



