জাতীয়
২৬ ফেব্রুয়ারি বসছে ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন
আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি বসতে যাচ্ছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের প্রথম সংসদ অধিবেশন। জাতীয় সংসদ সচিবালয় সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। পবিত্র রমজান মাসের মধ্যেই এবারের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু হতে যাচ্ছে।
চলতি মাসেই অর্থাৎ আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি রমজানের মধ্যে জাতীয় সংসদ ভবনে বসতে যাচ্ছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের প্রথম অধিবেশন। সংসদ সচিবালয়ের দেওয়া তথ্য থেকে এ কথা জানা গেছে।
বাংলাদেশের সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদের ২ নম্বর উপধারা অনুযায়ী, জাতীয় নির্বাচনের ফলাফলের সরকারি গেজেট প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশন আহ্বান করতে হবে। অধিবেশনটি ডাকবেন রাষ্ট্রপতি, তবে তিনি প্রধানমন্ত্রীর লিখিত পরামর্শ অনুযায়ী তা করেন।
প্রথম বৈঠকের তারিখ ও সময় নির্ধারণ রাষ্ট্রপতির আদেশেই হয়।
এবারের ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের ফল সরকারিভাবে প্রকাশ করা হয় গত ১৪ ফেব্রুয়ারি। সে হিসাবে আগামী ১৬ মার্চের মধ্যেই এই সংসদের প্রথম অধিবেশন বসতে হবে। সংসদ সচিবালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বিগত ১২টি জাতীয় সংসদের মধ্যে মাত্র তিনটির প্রথম অধিবেশন রমজান মাসে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
এমএন
জাতীয়
একুশে ফেব্রুয়ারি ঘিরে নিরাপত্তার শঙ্কা নেই : ডিএমপি কমিশনার
একুশে ফেব্রুয়ারি ঘিরে নিরাপত্তার কোনো শঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী। তিনি বলেছেন, ‘নিরাপত্তার কোনো আশঙ্কা নেই। তবে সোয়াত, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও ডগ স্কোয়াড সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকবে।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নিরাপত্তা পরিকল্পনা নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, বিদেশি কূটনীতিকদের শ্রদ্ধা নিবেদনের পর রাত ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে সর্বস্তরের মানুষের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হবে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার।
১৫ হাজার পুলিশ সদস্য নিয়োজিত থাকবে জানিয়ে তিনি বলেন, কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ১৫ হাজার পুলিশ সদস্য নিয়োজিত থাকবেন। অন্যান্য আইনশৃঙখলা বাহিনী ও গোয়েন্দা নজরদারিও থাকবে।
সাজ্জাত আলী বলেন, শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে পলাশীর মোড়, জগন্নাথ হল ক্রসিং, শহীদ মিনার রোড ব্যবহারের অনুরোধ, অন্যকোনো রোড দিয়ে আসা যাবে না। শ্রদ্ধা নিবেদনের পর দোয়েল চত্বর কিংবা চাঁনখানপুল দিয়ে বের হতে হবে।
শহীদ মিনারে কোনো ধরনের ধারালো বস্তু কিংবা দাহ্য পদার্থ বহন না করারও অনুরোধ জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার।
এমএন
জাতীয়
একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাবেন প্রধানমন্ত্রী
একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষাশহীদদের শ্রদ্ধা জানাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিএনপির মিডিয়া সেলের ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিএনপি মিডিয়া সেল বলছে, শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিটে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬ উপলক্ষ্যে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অপর্ণ করবেন প্রধানমন্ত্রী।
জাতীয়
এনআইডি আবেদন নিয়ে ইসির জরুরি নির্দেশনা
জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংক্রান্ত আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য নির্বাচন কমিশন (ইসি) মাঠ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের (এনআইডি) সহকারী পরিচালক মুহা. সরওয়ার হোসেনের সই করা এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানা গেছে।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিপুলসংখ্যক আবেদন জমা পড়ে। এসব আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে নতুন এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।
আদেশে মাঠ কর্মকর্তাদের ৩টি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ইসি জানিয়েছে, নাগরিক সেবা সচল রাখা এবং জমে থাকা আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এদিকে, নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আবেদনগুলো ‘ঘ’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত হওয়ায় সেগুলো এনআইডি মহাপরিচালকের অধীনে চলে আসবে। ফলে এসব আবেদন এখন থেকে মহাপরিচালক পর্যায়েই নিষ্পত্তি করা হবে।
নির্দেশনা
১. জন্ম তারিখ সংক্রান্ত যেসব আবেদন আগে ‘ক-১’ থেকে ‘গ’ ক্যাটাগরিতে ছিল, সেগুলোর তালিকা তৈরি করে আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তাদের কাছে পাঠাতে হবে।
২. প্রাপ্ত তালিকা অনুযায়ী, অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তারা ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এসব আবেদনের ক্যাটাগরি পরিবর্তন করে ‘ঘ’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত করবেন।
৩. ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষে সংশোধন কার্যক্রম সীমিত থাকায় বর্তমানে জমে থাকা অনিষ্পন্ন আবেদনগুলো দ্রুত নিষ্পত্তি করতে হবে।
এমএন
জাতীয়
প্রাথমিকভাবে ৮ উপজেলায় চালু হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড
দেশের আটটি বিভাগের আটটি উপজেলায় প্রাথমিকভাবে চালু হচ্ছে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি। ইতিমধ্যে অর্থমন্ত্রীকে সভাপতি করে ১৫ সদস্যের একটি মন্ত্রিসভা কমিটিও গঠন করা হয়েছে। কমিটির গঠন, অর্থমন্ত্রী এই কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এই কমিটি গঠন সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারকে সুরক্ষা প্রদানের জন্য নিম্নরূপে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করেছে—
এ ছাড়াও কমিটিতে সদস্য হিসেবে থাকবেন নারী ও শিশু মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী, উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী, নারী ও শিশু মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন, উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, নারী ও শিশু মন্ত্রণালয়ের সচিব, নির্বাচন কমিশন সচিবালয় সচিব, অর্থ বিভাগ সচিব, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ সচিব, স্থানীয় সরকার বিভাগ সচিব, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সচিব, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সচিব।
সুবিধাভোগীদের ডাটাবেজ প্রণয়নের লক্ষ্যে জাতীয় পরিচয়পত্র ও ন্যাশনাল হাউজহোল ডাটাবেজ আন্তঃসংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে ডিজিটাল এমআইএস প্রণয়নের সুপারিশ এবং আসন্ন ঈদুল ফিতরের পূর্বে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ করার লক্ষ্যে ২৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে একটি প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রণয়ন করা হবে।
কমিটির সভা প্রয়োজনানুসারে অনুষ্ঠিত হবে। নারী ও শিশু মন্ত্রণালয় কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা প্রদান করবে। কমিটি প্রয়োজনে সদস্য কো-অপ্ট করতে পারবে। এটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।
জাতীয়
রমজানে বাজার স্থিতিশীল রাখতে পর্যাপ্ত মজুদ আছে: বাণিজ্যমন্ত্রী
রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে দেশে পর্যাপ্ত খাদ্যসামগ্রী মজুদ রয়েছে বলে জানিয়েছে বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি জানান, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হলো নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রীর দাম স্থিতিশীল রাখা। বিশেষ করে রমজান মাসে এ দায়িত্বের গুরুত্ব আরো বেড়ে যায়। আমরা যখন দায়িত্ব নিয়েছি, তখন রোজা সামনে রেখে বিশেষ কিছু করার সুযোগ ছিল না।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সরকারি কর্মকর্তা ও দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
সিলেট নিয়ে পরিকল্পনা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সিলেটের উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা আমি দীর্ঘ নির্বাচনী প্রচারণা ও ইশতেহারে উল্লেখ করেছি। যেসব বিষয় সিলেটবাসীর জীবনমান উন্নয়নের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত, সেগুলো বাস্তবায়নে কাজ করতে চাই। বিশেষ করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, আইটি সংশ্লিষ্ট পেশার প্রসার এবং একটি এআই সেন্টার প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
মন্ত্রী বলেন, আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশে বড় বড় ডিজিটাল স্কিম গ্রহণ করেছে। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এআই প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। আমরা যদি পিছিয়ে থাকি, তাহলে বর্তমান বিশ্বে অন্যরা আমাদের প্রতি করুণার দৃষ্টিতে তাকাবে।
আমাদের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় সক্ষমতা অর্জন করতে হবে।
তিনি আরো বলেন, আগামী পাঁচ বছরে প্রতিটি দিন কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশকে বৈশ্বিক অবস্থানে এগিয়ে নিতে সরকার আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করবে।
সিলেটের আইটি পার্কে কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কর্মসংস্থান তৈরি করতে বিনিয়োগ প্রয়োজন। বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, লাল ফিতার দৌরাত্ম্য কমানো এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাসহ সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি বলেন, সিলেটে প্রবাসী ও দেশীয় বিনিয়োগকারীদের জন্য বিশেষ নীতি-সহায়তা প্রয়োজন। আমরা এসব বিষয় নিয়ে কাজ করছি। খুব শিগগিরই এর বাস্তবায়ন দৃশ্যমান হবে।
এ সময় সিলেটের সংসদ সদস্য এম এ মালিক, বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবী, রেঞ্জ ডিআইজি মো. মুশফেকুর রহমান, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী, জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম, সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল কাইয়ুম চৌধুরীসহ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।



