জাতীয়
মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নিয়োগ বাতিলের কারণ জানালেন প্রেস সচিব
মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল নিয়ে বিভিন্ন বক্তব্য প্রচারিত হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে অহেতুক অনুমাননির্ভর তথ্য বা বিভ্রান্তিকর বক্তব্য প্রচার থেকে বিরত থাকার জন্য আহ্বান জানিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) অন্তর্বর্তী সরকারের প্রেস সচিব শফিকুল আলম থেকে এক বার্তায় এ আহ্বান জানানো হয়।
প্রেস সচিব তিনি লিখেছেন, ‘মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিলের প্রেক্ষিতে বিভিন্ন মাধ্যমে নানা ধরনের অপতথ্য ও অনুমাননির্ভর বক্তব্য প্রচারিত হচ্ছে।’
প্রকৃতপক্ষে, ব্যক্তিগত কারণে তিনি নির্বাচনের কিছুদিন আগেই প্রধান উপদেষ্টার নিকট দায়িত্ব থেকে অব্যাহতির আবেদন জানান। তবে নির্বাচন সন্নিকটে চলে আসায় মাঠ প্রশাসনের শৃঙ্খলা ও কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার স্বার্থে প্রধান উপদেষ্টার অনুরোধে তিনি নির্বাচনকাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালনে সম্মত হন।
অতএব, বিষয়টি নিয়ে অহেতুক অনুমাননির্ভর তথ্য বা বিভ্রান্তিকর বক্তব্য প্রচার থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি অনুরোধ জানানো হচ্ছে।
এর আগে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশীদের নিয়োগ বাতিল করেছে সরকার। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মোহাম্মদ মামুন শিবলীর সই করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ২০২৪ সালের ৮ অক্টোবর যে প্রজ্ঞাপনমূলে ড. শেখ আব্দুর রশীদকে (পরিচিতি নং-১৫৩০) মন্ত্রিপরিষদ সচিব পদে চুক্তিতে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। তার নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ এখন বাতিল করা হলো।
এমএন
জাতীয়
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় কোনো সাংবাদিককে মত প্রকাশের জন্য জেলে যেতে হয়নি: রিজওয়ানা
অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসের শাসনামলে মত প্রকাশের স্বাধীনতার প্রশ্নে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। আজ রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মত প্রকাশের জন্য কোনো সাংবাদিককে জেলে যেতে হয়নি।
তথ্য উপদেষ্টা বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মত প্রকাশের জন্য কোন সাংবাদিককে জেলে যেতে হয়নি। সাংবাদিক আনিস আলমগীর ও মঞ্জুরুল আলম পান্নাকে মত প্রকাশের জন্য জেলে যেতে হয়নি। রাষ্ট্রযন্ত্রের কাছে নিশ্চয়ই ভিন্ন কোনো তথ্য ছিল।
অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব নিয়ে তিনি বলেন, ১৮ মাসে সফলতা বা ব্যর্থতা– বলার কিছু নাই। আমি আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। জনগণ মূল্যায়ন করবে।
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারীর দায়িত্ব পালন করা ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবের দেশত্যাগ নিয়ে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ফয়েজ তৈয়ব বিদেশে থাকতেন, রাষ্ট্রীয় কাজ শেষ করে ফিরে গেছেন। তিনি দেড় বছর পরিবারের বাইরে ছিলেন। তার পরিবার নেদারল্যান্ডসেই ছিল, তিনি পরিবারের কাছে ফিরে গেছেন। এটি ভিন্নখাতে প্রবাহের সুযোগ নেই।
এমএন
জাতীয়
পবিত্র রমজান উপলক্ষে দেশবাসীকে প্রধান উপদেষ্টার শুভেচ্ছা
পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে দেশবাসীসহ সারা বিশ্বের মুসলিম উম্মাহকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আজ রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় তিনি এই শুভেচ্ছা জানান।
শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, সংযম, ত্যাগ, সহমর্মিতা ও আত্মশুদ্ধির মহান শিক্ষায় সমৃদ্ধ রমজান মানবজাতির জন্য শান্তি, কল্যাণ ও নৈতিকতার বার্তা বয়ে আনে।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এই মহিমান্বিত মাসে সিয়াম, দান-সদকা ও ইবাদতের মাধ্যমে আত্মশুদ্ধি অর্জনের পাশাপাশি সকলের মধ্যে পারস্পরিক সহমর্মিতা ও সম্প্রীতিসহ মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি, নৈকট্য লাভ ও ক্ষমা লাভের সুযোগ হয়।
তিনি আরও বলেন, পবিত্র মাহে রমজান আমাদের ব্যক্তি ও জাতির জীবনে অন্যায়, দুর্নীতি ও অবিচার পরিহার করে ন্যায় ও কল্যাণভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার অনুপ্রেরণা দেয়। এই মাস ইবাদত-বন্দেগির পাশাপাশি সত্যনিষ্ঠা, ন্যায়পরায়ণতা, সততা ও পারস্পরিক সহমর্মিতা চর্চার মাধ্যমে নৈতিকতা ও মানবিকতার শিক্ষা দেয় এবং দরিদ্র ও বঞ্চিত মানুষদের প্রতি সকলের দায়িত্ববোধ জাগ্রত করে।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আসুন, আমরা পবিত্র মাহে রমজানের শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ভোগ-বিলাস, হিংসা-বিদ্বেষ পরিহার করি এবং মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে বেশি বেশি ইবাদত, কোরআন তেলাওয়াত, দোয়া, তওবা ও সৎকর্মে মনোনিবেশ করি, রমজানের পবিত্রতা রক্ষা করি। মহান আল্লাহ যেন আমাদের রোজা, নামাজ, দান-সদকা ও সকল নেক আমল কবুল করেন এবং আমাদের জীবনে মাহে রমজানের শিক্ষা কার্যকর করার তাওফিক দান করুন। মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকলকে ক্ষমা ও হেফাজত করুন এবং দেশ ও জাতিকে শান্তি ও সমৃদ্ধি দান করুন। আমিন।
এমএন
জাতীয়
দেশে নির্বাচন পরবর্তী কোনো সংখ্যালঘু নির্যাতন ঘটেনি: প্রেস সচিব
প্রথমবারের মতো নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা বা সংখ্যালঘুদের ওপর কোনো হামলার ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ দাবি জানান।
প্রেস সচিব বলেন, এবার এমন একটা নির্বাচন হয়েছে, যে নির্বাচনের মধ্যদিয়ে দেশে গুম-খুনের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত দল এবং জুলাই বিপ্লবের নেতৃত্বদানকারীরা বিরোধী দলের প্রতিনিধিত্ব করবেন। আর এবারই প্রথম একটি নির্বাচন হয়েছে যে নির্বাচনের পর সংখ্যালঘুদের ওপর কোনো হামলার ঘটনা ঘটেনি। আমি আশা করবো আমাদের সাংবাদিক বন্ধুরা এ বিষয়ে দৃষ্টি রাখবেন।
ব্রিফিংয়ে আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুলের উপস্থিত থাকার কথা ছিল।
তবে তার অনুপস্থিতিতে প্রেস সচিব আরও বলেন, শান্তিপূর্ণ নির্বাচন উপহার দেয়ায় উপদেষ্টা পরিষদকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। নির্বাচন কমিশনের পারফরম্যান্সেও খুশি উপদেষ্টা পরিষদ। তাদেরও ধন্যবাদ জানানো হয়েছে।
উপদেষ্টা পরিষদ মনে করে, এই নির্বাচনের মধ্যদিয়ে পুলিশ বাহিনী তার আত্মমর্যাদা ফিরে পেয়েছে।
এ সময় হাতিয়ায় ধর্ষণের ঘটনা নিয়ে শফিকুল আলম বলেন, সরকার ধর্ষণের ঘটনায় একটি কমিটি করে দেবে, যারা এর সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করবে।
এদিকে নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে সার্কভুক্ত সব দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলেও ব্রিফিংয়ে জানান প্রেস সচিব।
এমএন
জাতীয়
শপথ বঙ্গভবনের পরিবর্তে কেন সংসদের দক্ষিণ প্লাজায়, জানালেন আইন উপদেষ্টা
দীর্ঘদিনের রীতি ভেঙে নতুন সংসদ সদস্য ও মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান বঙ্গভবনের পরিবর্তে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজন করার কারণ জানিয়েছেন, আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। তিনি জানান, বিএনপির বিশেষ ইচ্ছা ও অভিপ্রায়ের প্রেক্ষিতেই জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় নতুন সংসদ সদস্য ও মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি একথা জানান।
উপদেষ্টা জানান, আগামী মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠিত হবে, যা সম্ভবত প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) পরিচালনা করবেন। এরপর একই দিন বিকাল ৪টায় দক্ষিণ প্লাজায় মন্ত্রিসভার শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে এবং এই অংশটি রাষ্ট্রপতি পরিচালনা করবেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
শপথ অনুষ্ঠানের আমন্ত্রিত অতিথিদের বিষয়ে আসিফ নজরুল জানান, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে, তবে এখন পর্যন্ত সার্কভুক্ত দেশগুলোর মন্ত্রীদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
দক্ষিণ প্লাজাকে শপথের স্থান হিসেবে বেছে নেওয়ার পেছনে ঐতিহাসিক ও আবেগীয় তাৎপর্য রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান এবং জুলাই বিপ্লবের অনেক আত্মত্যাগের বিনিময়ে এই নতুন সংসদ পাওয়া গেছে। এই প্রাঙ্গণটি জুলাই সনদের অনুষ্ঠানসহ নানা ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী এবং এর পাশেই বেগম খালেদা জিয়া ও ওসমান হাদির জানাজা সম্পন্ন হওয়ার স্মৃতি জড়িয়ে আছে।
উপদেষ্টা আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান সংসদটি অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে ভিন্ন ও তাৎপর্যপূর্ণ। এটি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বিভিন্ন নথিপত্র বা ডকুমেন্টেশন প্রকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান হিসেবেও দাঁড়িয়েছে। বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ শেষ হওয়ার পরপরই তারা তাদের সংসদীয় দলের প্রধান নির্বাচন করবেন। সার্বিকভাবে, একটি উৎসবমুখর ও মর্যাদাপূর্ণ পরিবেশে এই ঐতিহাসিক শপথ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হচ্ছে।
এমএন
জাতীয়
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ঘিরে ৯৯৯ নম্বরে ৮৩৮০ ফোনকল
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে রাজপথের পাশাপাশি ডিজিটাল জগতেও সক্রিয় ছিল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচনসংক্রান্ত নানা অভিযোগ ও তথ্য জানতে চেয়ে ‘জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯’ নম্বরে মোট ৮ হাজার ৩৮০টি ফোনকল এসেছে।
আজ রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) ৯৯৯-এর প্রধান, অতিরিক্ত ডিআইজি মহিউল ইসলাম এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।
অতিরিক্ত ডিআইজি বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে ‘জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯’ বিশেষ কর্মপরিকল্পনা নেয়। এ সময়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্থাপিত ‘আইন-শৃঙ্খলা সমন্বয় সেল’র সঙ্গে সার্বক্ষণিক নিবিড়ভাবে যোগাযোগ ও সমন্বয় করে সেবাপ্রত্যাশী নাগরিকদের ৯৯৯ নির্বাচন সংক্রান্ত জরুরি সেবা দিয়েছে। এ কার্যক্রম গত ২২ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলমান থাকে।
মহিউল ইসলাম বলেন, নির্বাচন সংক্রান্ত অভিযোগগুলো সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে ৯৯৯। এ সময় ৯৯৯ নির্বাচন সংক্রান্ত মোট ৮ হাজার ৩৮০টি ফোনকল গ্রহণ করে, যার মধ্যে ৩ হাজার ৭১৩টি ফোনকল ছিল নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন, প্রতিদ্বন্দ্বী পক্ষগুলোর মধ্যে মারামারি, নিষিদ্ধ সময়ে নির্বাচনী প্রচারণা, ভোটকেন্দ্রে অনিয়ম এবং আইন-শৃঙ্খলা সম্পর্কিত বিষয়। এসব ফোনকলে ৯৯৯ তাৎক্ষণিকভবে সংশ্লিষ্ট থানা, জেলা ও মেট্রোপলিটন পুলিশ এবং রিটার্নিং ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাকে অবগত করে বিধি অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়। এছাড়া বাকি ৪ হাজার ৬৬৭টি ফোনকল ছিল নির্বাচন সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে জানতে চেয়ে।
এমএন



