জাতীয়
নির্বাচনের পরিবেশ ছিল শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর: রাশিয়ার সিইসি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের সামগ্রিক পরিবেশ শান্তিপূর্ণ এবং উৎসবমুখর ছিল বলে মন্তব্য করেছে রাশিয়ান ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন (সিইসি)।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে ঢাকায় অবস্থিত রাশিয়ার দূতাবাস।
দূতাবাস জানায়, ১১-১২ ফেব্রুয়ারি রাশিয়ার কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের (সিইসি) একটি প্রতিনিধি দল কমিশনার পাভেল আন্দ্রেয়েভের নেতৃত্বে ঢাকা সফর করে। তারা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণ কর্মসূচিতে অংশ নেয়।
পর্যবেক্ষক প্রতিনিধিরা ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের আটটি কেন্দ্রের ৪০টির বেশি ভোটকক্ষ পরিদর্শন করেন। ভোটগ্রহণের শুরু থেকে গণনার প্রস্তুতি পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়া তারা পর্যবেক্ষণ করেন।
পর্যবেক্ষকদের মতে, ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। অনেক ভোটার জানিয়েছেন, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে সরকারের পতনের পর এটি ছিল তাদের জন্য দীর্ঘ প্রতীক্ষিত একটি নির্বাচন। কেউ কেউ সন্তানদের সঙ্গে নিয়ে ভোটকেন্দ্রে আসেন। রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা কেবল ব্যালটের মাধ্যমেই সীমাবদ্ধ ছিল।
রাশিয়ান পর্যবেক্ষকরা জানান, যৌথ ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া পরিচালনায় নির্বাচন কর্মকর্তাদের প্রস্তুতি ছিল সুদৃঢ়। প্রতিটি কেন্দ্রে জাতীয় আইন ও নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে। প্রিসাইডিং কর্মকর্তারা দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন এবং সামগ্রিক পরিবেশ ছিল বন্ধুত্বপূর্ণ ও গঠনমূলক। ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা ও দলীয় পোলিং এজেন্টদের সমন্বিত উপস্থিতি স্বচ্ছতা নিশ্চিত করেছে বলে তারা মন্তব্য করেন।
রাশিয়ার পর্যবেক্ষকদের মতে, নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল জোরদার। নির্বাচনে ৯ লাখের বেশি পুলিশ ও সেনা সদস্য মোতায়েন ছিল। আয়োজকরা শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়েছেন। বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ঘটলেও তা সার্বিক পরিস্থিতিতে প্রভাব ফেলেনি।
এদিকে, বাংলাদেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠকে পাভেল আন্দ্রেয়েভ নির্বাচনের মানদণ্ড ও প্রযুক্তি নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি রাশিয়ার সিইসির চেয়ারম্যান এলা পামফিলোভার পক্ষ থেকে আসন্ন স্টেট ডুমা নির্বাচনের আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার জন্য বাংলাদেশি প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানান।
এমএন
জাতীয়
নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের বরণে প্রস্তুত জাতীয় সংসদ ভবন
দীর্ঘ রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা আর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পর বাংলাদেশের গণতন্ত্রের কেন্দ্রবিন্দু—জাতীয় সংসদ ভবন আবারও প্রাণ ফিরে পেতে যাচ্ছে। নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের বরণ করতে প্রস্তুত জাতীয় সংসদ ভবন। চলছে শেষ মুহূর্তের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও সৌন্দর্য বর্ধনের কার্যক্রম।
আগামী মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদের শপথকে কেন্দ্র করে সংসদ ভবন প্রাঙ্গণে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি।
নির্ধারিত সময়ে শপথ অনুষ্ঠানের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত বলে নিশ্চিত করেছে সচিবালয়ের সচিব কানিজ মওলা। তিনি জানান, নেয়া হয়েছে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থাও। আর নতুন সরকারের মন্ত্রিপরিষদ নিয়ে প্রত্যাশা জেগেছে সাধারণ মানুষেরও।
যেখানে সরকার আর বিরোধীদল মুখোমুখি হতো যুক্তিতর্কে, নীতির লড়াইয়ে, জনস্বার্থের প্রশ্নে। তর্ক থাকত, মতভেদ থাকত, কিন্তু সেই বিতর্কই গণতন্ত্রের প্রাণসঞ্চার করত। বহু বছর ধরে একপেশে কার্যক্রমের অভিযোগে যে সংসদ সমালোচনার মুখে ছিল, সেখানে আজ শোনা যাচ্ছে নতুন সূচনার প্রত্যাশা।
শেরেবাংলা নগরের বুকে দাঁড়িয়ে থাকা জাতীয় সংসদ ভবন এখন অপেক্ষায় নতুনদের বরণের জন্য। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের শপথের মধ্য দিয়ে শুরু হতে যাচ্ছে নতুন অধ্যায়। যেখানে প্রত্যাশা, সংসদ আবার হবে প্রাণবন্ত বিতর্ক ও জবাবদিহির মঞ্চ।
তবে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংসদ ভবনের অভ্যন্তরের ক্ষয়ক্ষতি সারিয়ে অধিবেশন পরিচালনার জন্য কতটা প্রস্তুত সংসদ ভবন? এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি সংসদ সচিবালয় সচিব।
সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠিত হবে। শপথবাক্য পাঠ করাবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
এদিকে, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, একইদিন বিকেল ৪টায় মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠিত হবে। শপথবাক্য পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে বিএনপি। তারেক রহমানের নেতৃত্বে দুই দশক পর আবার সরকার গঠন করতে যাচ্ছে দলটি। ফলে বিএনপির কাছে প্রত্যাশা বেড়েছে সাধারণ মানুষের।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে ভোট গ্রহণ হয়। পরদিন ১৩ ফেব্রুয়ারি ২৯৭ আসনের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। উচ্চ আদালতের নির্দেশনা থাকায় চট্টগ্রাম-২ ও ৪ আসনের ফলাফলের গেজেট এখন জারি করা হয়নি।
নির্বাচনে ২৯৭ আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টিতে জয় পেয়েছে। ফল ঘোষণা স্থগিত থাকা দুটি আসনেও বিএনপির প্রার্থীরা এগিয়ে আছেন। বিএনপির শরিকরা পেয়েছে তিনটি আসন। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী পেয়েছে ৬৮টি আসন। জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের অন্য শরিকরা পেয়েছে ৯টি আসন। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন ৭টি আসনে এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ একটি আসনে বিজয়ী হয়েছে।
জাতীয়
মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নিয়োগ বাতিলের কারণ জানালেন প্রেস সচিব
মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল নিয়ে বিভিন্ন বক্তব্য প্রচারিত হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে অহেতুক অনুমাননির্ভর তথ্য বা বিভ্রান্তিকর বক্তব্য প্রচার থেকে বিরত থাকার জন্য আহ্বান জানিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) অন্তর্বর্তী সরকারের প্রেস সচিব শফিকুল আলম থেকে এক বার্তায় এ আহ্বান জানানো হয়।
প্রেস সচিব তিনি লিখেছেন, ‘মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিলের প্রেক্ষিতে বিভিন্ন মাধ্যমে নানা ধরনের অপতথ্য ও অনুমাননির্ভর বক্তব্য প্রচারিত হচ্ছে।’
প্রকৃতপক্ষে, ব্যক্তিগত কারণে তিনি নির্বাচনের কিছুদিন আগেই প্রধান উপদেষ্টার নিকট দায়িত্ব থেকে অব্যাহতির আবেদন জানান। তবে নির্বাচন সন্নিকটে চলে আসায় মাঠ প্রশাসনের শৃঙ্খলা ও কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার স্বার্থে প্রধান উপদেষ্টার অনুরোধে তিনি নির্বাচনকাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালনে সম্মত হন।
অতএব, বিষয়টি নিয়ে অহেতুক অনুমাননির্ভর তথ্য বা বিভ্রান্তিকর বক্তব্য প্রচার থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি অনুরোধ জানানো হচ্ছে।
এর আগে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশীদের নিয়োগ বাতিল করেছে সরকার। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মোহাম্মদ মামুন শিবলীর সই করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ২০২৪ সালের ৮ অক্টোবর যে প্রজ্ঞাপনমূলে ড. শেখ আব্দুর রশীদকে (পরিচিতি নং-১৫৩০) মন্ত্রিপরিষদ সচিব পদে চুক্তিতে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। তার নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ এখন বাতিল করা হলো।
এমএন
জাতীয়
নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পেলেন ১৩ দেশের সরকারপ্রধান
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামী মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে যাচ্ছে। নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস চীন, ভারত, পাকিস্তানসহ ১৩ দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়, আইন মন্ত্রণালয় ও সরকার গঠন করতে যাওয়া বিএনপির একাধিক সূত্র সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। অন্তর্বর্তী সরকারের এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
জানা গেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী দল বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে অন্তর্বর্তী সরকার ১৩ দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত আমন্ত্রিত দেশের তালিকায় রয়েছে চীন, সৌদি আরব, তুরস্ক, ভারত, পাকিস্তান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, মালয়েশিয়া, ব্রুনেই, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, মালদ্বীপ ও ভুটান।
প্রসঙ্গত, আগামী মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হচ্ছে। এর আগে গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয় পায় বিএনপি জোট।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত ব্যক্তিরা ১৭ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার শপথ নিচ্ছেন। ওই দিন সকালে তাদের শপথ পড়াবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন।
এমএন
জাতীয়
চীন-ভারত সম্পর্কে যা বললেন তারেক রহমান
চীন-ভারত-পাকিস্তান সবার সঙ্গে দেশের স্বার্থ রক্ষা করে পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করবে বিএনপি। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে নির্বাচন-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিএনপির চেয়ারম্যান এসব কথা বলেন।
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে আপনার পররাষ্ট্রনীতি কেমন হবে—এমন প্রশ্নে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশ এবং এ দেশের মানুষের বৃহত্তর স্বার্থকে রক্ষা করে আমরা আমাদের পররাষ্ট্রনীতি নির্ধারণ করব।
সরকারপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর মূলত কী কী চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হবে আপনাকে—এ প্রশ্নের জবাবে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, আমাদের বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ আছে। আমাদের অর্থনীতি নিয়ে চ্যালেঞ্জ আছে, দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে চ্যালেঞ্জ আছে। আমাদের অবশ্যই জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। বিগত সরকার প্রায় সব প্রতিষ্ঠানকে রাজনীতিকরণ করেছে। সুতরাং আমাদের সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে।
চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্কের উন্নয়ন কেমন হবে, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নে বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভকে কিভাবে দেখছেন জানতে চাইলে তারেক রহমান বলেন, আমরা বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করব। যদি এমন কিছু থাকে, যা বাংলাদেশের পক্ষে হবে না, স্বাভাবিকভাবেই আমরা তা করতে পারি না। আমি নিশ্চিত, পারস্পরিক স্বার্থই প্রথম অগ্রাধিকার, যা আমরা অনুসরণ করব।
বেল্ট অ্যান্ড রোড প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যদি তা বাংলাদেশের উপকারে আসে, অর্থনীতির সহায়ক হয়, আমরা তখন সিদ্ধান্ত নেব।
সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয়ে তরুণদের সঙ্গে আলোচনা করবেন কি না—জানতে চাইলে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, মানুষ আমাদের সমর্থন দিয়েছে, আমরা অবশ্যই তরুণদের কথা শুনব। কিন্তু এই সমাজে আরো মানুষ তো আছে। সবারই কোনো না কোনো ইস্যু আছে, আমাদের সবার কথা শুনতে হবে।
সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করতে বিএনপির সরকার কাজ করবে কি না—জানতে চাইলে তারেক রহমান বলেন, আপনি জানেন, সার্ক প্রতিষ্ঠা করা কিন্তু বাংলাদেশের উদ্যোগ ছিল। আমরা চাই, এটি সচল হোক। আমরা আমাদের বন্ধুরাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে আলোচনা করব, আমরা চেষ্টা করব সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করতে।
শেখ হাসিনাকে ভারতের কাছ থেকে প্রত্যর্পণ চাইবে কি না বিএনপি এ প্রশ্নে তিনি বলেন, সেটা আইনি প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করছে। চীন প্রসঙ্গে অপর এক প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, তারা বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের উন্নয়ন সহযোগী। আমরা আশা করি, একসঙ্গে কাজ করার মতো জায়গা আমরা অবশ্যই তৈরি করব।
ভঙ্গুর অর্থনীতি, নিম্ন পর্যায়ে বিনিয়োগ ও মূল্যস্ফীতি কমাতে পরিকল্পনা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, আমরা নতুন নতুন বিনিয়োগ নিয়ে আসব এবং কর্মসংস্থান তৈরি করব।
এমএন
জাতীয়
নতুন সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে যুক্তরাজ্য
অভিন্ন অগ্রাধিকার নিয়ে বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে যুক্তরাজ্য।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন নিয়ে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র, কমনওয়েলথ ও উন্নয়ন দপ্তর (এফসিডিও) এক বিবৃতিতে এ আগ্রহের কথা জানায়।
বিবৃতিতে এফসিডিওর একজন মুখপাত্র বলেন, আমরা গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের সংসদীয় নির্বাচনকে স্বাগত জানাই। শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী প্রক্রিয়া চূড়ান্ত ফলাফল দিয়েছে। এটি বাংলাদেশের উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও বাংলাদেশের জনগণের আকাঙ্ক্ষার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের প্রতিনিধিত্ব করে।
তিনি বলেন, আমরা নতুন সরকারের গণতান্ত্রিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংস্কারের অপেক্ষায় রয়েছি। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, অভিবাসন, জলবায়ু ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে আমাদের অভিন্ন অগ্রাধিকারে আমরা বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করব।
এমএন



