সারাদেশ
১১৫ বছরেও ভোটের টান, লাঠিতে ভর দিয়ে কেন্দ্রে আনোয়ারা বেগম
বয়সের ভারে শরীর নুয়ে পড়েছে, দৃষ্টিও ঝাপসা, কিন্তু গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগের উৎসাহে ভাটা পড়েনি ১১৫ বছর বয়সী আনোয়ারা বেগমের। আজ বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার কুটিরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন তিনি। ভোট দিয়ে কেন্দ্র থেকে বের হওয়ার সময় তাঁর মুখে ছিল তৃপ্তির হাসি। তিনি বলেন, “ভোট দিসি, তাই ভাল্লাগতেছে।”
আনোয়ারা বেগম কুটিরচর গ্রামের মৃত মাওলানা আলী আকবরের স্ত্রী। বয়সের ভারে একা চলতে পারেন না আনোয়ারা বেগম। লাঠিয়ে ভর দিয়ে চললেও অন্যের সহযোগিতা ছাড়া চলতে পারেন না তিনি। তবুও যেন ভোট দিতে পেরে তার চোখেমুখে ছিলো আনন্দের ছাপ। এজন্য লাঠিতে ভর করে দুই পুত্রবধূর সহযোগীয় ভোট দিতে আসেন আনোয়ারা বেগম। এসময় সত্তোরোর্ধ্ব বয়সী ছেলে তার সঙ্গে ছিলো।
বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত উপজেলার ৫০টি ভোট কেন্দ্রের কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাচনী আচরণ বিধিমালার নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আব্দুল্লা আল মামুন জানান, নির্বিঘ্নে ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন। এখন পর্যন্ত কোন অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
সিরাজগঞ্জ সদরের আংশিক এবং কামারখন্দ উপজেলা নিয়ে গঠিত সিরাজগঞ্জ-২ আসন। সিরাজগঞ্জ-২ আসনের কামারখন্দ উপজেলায় মোট ভোটার (পোস্টাল সহ) ১ লক্ষ ২৭ হাজার ৮৭৫জন। এর মধ্যে পুরুষ ৬৪ হাজার ৭১৯ জন, নারী ৬৩ হাজার ১৫৫ জন এবং হিজড়া ভোটার রয়েছেন ১ জন। কামারখন্দ উপজেলায় ভোট কেন্দ্র ৫০টি । এর মধ্যে ১০টি অতি ঝুঁকিপূর্ণ এবং ২০টি ঝুঁকিপূর্ণ ভোট কেন্দ্র।
উপজেলা প্রশাসন সুত্রে জানা গেছে, নির্বাচন সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্ন করতে নির্বাচনের মাঠে উপজেলা জুড়ে সেনাবাহিনীর সদস্য ১০০জন, বিজিবি ১৬ জন, পুলিশ ১৫০জন, আনসার ৬৫০জন, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট ২জন এবং জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট দায়িত্ব পালন করছেন।
সারাদেশ
ভোটকেন্দ্রে বিশৃঙ্খলার অভিযোগে ফরিদপুরে বিএনপি ও খেলাফতের তিন নেতাকর্মী আটক
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন ফরিদপুরের সালথায় ভোটকেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার অভিযোগে বিএনপি ও খেলাফত মজলিসের তিন নেতাকর্মীকে আটক করেছে যৌথ বাহিনী।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টা থেকে দুপুর পর্যন্ত সালথা উপজেলার ইউসুফদিয়া, নারানদিয়া ও জয়ঝাপ ভোট কেন্দ্র থেকে তাদেরকে আটক করা হয়।
আটকরা হলেন, ফরিদপুর খেলাফত মজলিসের সভাপতি মাওলানা মো. আমজাদ হোসেন, সালথা উপজেলার গট্টি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম ও মো. রবিউল। বিএনপি নেতা আবুল কামালকে জয়ঝাপ স্কুল ভোটকেন্দ্র এলাকা থেকে, খেলাফত নেতা আমজাদকে নারানদিয়া স্কুল ভোটকেন্দ্র এলাকা থেকে ও রবিউলকে ইউসুফদিয়া স্কুল ভোটকেন্দ্র এলাকা থেকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ভোটকেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার অভিযোগ আনা হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানায়, জয়ঝাপ, ইউসুফদিয়া ও নারানদিয়া স্কুল ভোটকেন্দ্রে কারচুপি ও বিশৃঙ্খলা করার অভিযোগে সেনাবাহিনী ও পুলিশ যৌথভাবে তিনকে আটক করেছেন। তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে এসে ভোট দিবে। এতে যদি কেউ বাধা দেন, তাহলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সরকারী রিটানিং অফিসার ও উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত ও দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেটরা আইনি ব্যবস্থা নেবেন। নির্বাচনে কোনো ধরনের অনিয়ম হলে তা কঠোরভাবে দমন করা হবে। আমরা একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিতে চাই।
এমএন
সারাদেশ
ভোটকেন্দ্রের সামনে থেকে নগদ টাকাসহ জামায়াতের ওয়ার্ড আমির আটক
চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার রিজিয়া খাতুন প্রভাতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে বাংলাদেশ জামায়েত ইসলামীর চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের আমির শরীফ হাসানকে (৫৫) নগদ টাকাসহ আটক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে কেন্দ্রের সামনে থেকে এ ঘটনা ঘটে।
নেজারত শাখার ডেপুটি কালেক্টর ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আলাউদ্দীন আল আজাদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আটক শরীফ পৌর এলাকার ৯ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি। তার কাছে থেকে নগদ ৭৯ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের আমির মো. শরীফ পৌর এলাকার প্রভাতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের সামনে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করছিলেন। স্থানীয়দের নজরে এলে তারা বিষয়টি জানায় পুলিশকে। কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা তাকে নগদ টাকাসহ আটক করে। পরে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন নেজারত ডেপুটি কালেক্টর ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আলাউদ্দীন আল আজাদ।
স্থানীয় বাসিন্দা পারভেজ খান বলেন, ‘জামায়াত নেতা শরীফ ভোটারদের নগদ টাকা বিতরণ করছিলেন। আমরা বিষয়টি দেখেছি।’
এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আলাউদ্দিন আল আজাদ বলেন, ওই জামায়াত নেতা টাকা রাখার বিষয়টি প্রাথমিকভাবে আমাদের কাছে স্বীকার করেছেন। এ ব্যাপারে শরীফ হাসানের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সহিদুর রহমান জানান, পুলিশের দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে শরীফ হাসানকে সোপর্দ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলা ওলামা জামায়েতর সভাপতি শুকুর আলী জানান, বিষয়টি পরিকল্পিত। যে টাকাগুলো ধরা হয়েছে, সেগুলো খাবার ও ভ্যানভাড়ার জন্য তার কাছে ছিলো।
সারাদেশ
বাগেরহাটে জামায়াত-বিএনপি সমর্থকদের সংঘর্ষ, আহত ১৯
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বাগেরহাটের শরণখোলায় জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১৯ জন আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার সাউথখালী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সোনাতলা গ্রামে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার সড়কে এ ঘটনা ঘটে।
আহতদের মধ্যে চারজনকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও আরও চারজনকে শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এলাকায় বর্তমানে উত্তেজনা বিরাজ করছে তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সংঘর্ষের সূত্রপাত হয় ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার পথে দাঁড়ানো ও পথ আটকানোকে কেন্দ্র করে কথা-কাটাকাটি থেকে। এতে জামায়াতে ইসলামীর সাব্বির, তরিকুল, সোবহান, নাজমা ও ফরিদাসহ ১৫ জন এবং বিএনপির রফিকুল, ছিদ্দিকসহ চারজন আহত হয়েছেন।
একই দিন বেলা ১১টার দিকে কচুয়া উপজেলার বিছট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের পাশে যৌথ বাহিনী দেশীয় অস্ত্রসহ নাহিদ নামে এক যুবককে আটক করেছে। তার কাছ থেকে রামদা, লাঠিসোঁটা এবং অন্যান্য অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া বাগেরহাট সদর উপজেলার হাড়িখালী কাঠের পোল এলাকায় যৌথ বাহিনী ফার্নিচারের দোকান থেকে আরও কয়েকটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে।
লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মো. আবদুর রউফ (এন) বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এসব দেশীয় অস্ত্র নাশকতার উদ্দেশ্যে মজুদ করা হয়েছিল।
পুলিশ সুপার হাসান চৌধুরী জানান, অপরাধীদের ব্যাপারে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে আর যারা অপরাধ করবে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।
এমএন
সারাদেশ
জাল ভোট দিতে আসা যুবকের কারাদণ্ড
চাঁদপুরের হাজীগঞ্জের রাজারগাঁও কেন্দ্রে জাল ভোট দিতে এসে হারেছ বেপারী নামের এক যুবককে এক মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্র্যাম্যমান আদালত। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তানজিনা জাহান তাকে একমাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার ১৯ নম্বর কেন্দ্র রাজারগাঁও ইউনিয়নের পশ্চিম রাজারগাঁও এ ঘটনা ঘটে। কারাদণ্ডাদেশ প্রাপ্ত যুবক ওই ইউনিয়নের পশ্চিম রাজারগাঁও গ্রামের শাহআলম বেপারীর ছেলে।
জানা যায়, উপজেলার উত্তর পশ্চিম রাজারগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কেন্দ্রে জাল ভোট দিতে আসেন হারেছ বেপারী। এসময় তাকে আটক করেন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। তাৎক্ষণিক ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ম্যাজিস্ট্রেট তানজিনা জাহান কালের কণ্ঠকে বলেন, হারেছ বেপারী নামক এক ব্যক্তি ভোট দিতে আসেন।
এ সময় যাচাই-বাছাই জাল ভোটের বিষয়টি নিশ্চিত এবং তিনি স্বীকার করার পর তাকে এ দণ্ড দেওয়া হয়।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ উপজেলা ও শাহরাস্তি উপজেলা) আসনের ১৫৬টি কেন্দ্রে নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এরমধ্যে হাজীগঞ্জের ৯০টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলছে। নির্বাচনে ৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
দুই উপজেলায় ৫ লাখ ১৪ হাজার ৫৮৮ জন ভোটার রয়েছেন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। কোথাও অপ্রীতিকর পরিস্থিতির খবর পাওয়া যায়নি। এখানে ৬ জন প্রতিদ্বন্ধীতা করছেন।
এমএন
সারাদেশ
বাবুগঞ্জে যৌথ বাহিনীর হাতে বিএনপি নেতা আটক
বরিশালের বাবুগঞ্জে রাজন শিকদার নামের এক বিএনপি নেতাকে আটক করেছে যৌথ বাহিনী। আজ বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার ডিগ্রি কলেজের সামনে থেকে তাঁকে আটক করা হয়।
আটক রাজন রহমতপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক।
স্থানীয় সূত্র জানায়, স্থানীয় রাজকর মাধ্যমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীদের জন্য দুপুরের খাবার পৌঁছে দিতে আসেন রাজন।
এ সময় ভোটকেন্দ্র থেকে প্রায় ৪০০ গজ দূরে অবস্থান করছিলেন তিনি। হঠাৎ সেনাবাহিনীর একটি গাড়ি এসে তাঁকে আটক করে এবং পরে জোর করে তাঁকে গাড়িতে তোলা হয়।
ঘটনার সময় উপস্থিত সংবাদকর্মীরা ভিডিও ধারণ করতে গেলে একাধিক সাংবাদিকের মুঠোফোন নিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। কয়েকজন সাংবাদিকের সঙ্গে অসদাচরণ করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তাঁরা।
এদিকে, রাজন শিকদারকে আটকের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা। এ সময় পরিবারের কয়েকজন নারী সদস্য সেনাবাহিনীর গাড়ির সামনে অবস্থান নেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে লাঠিচার্জ করা হয়। ঠিক ওই সময় বরিশাল জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা খাইরুল আলম সুমন ঘটনাস্থলে পৌঁছান।
তাঁর সঙ্গে থাকা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। একপর্যায়ে সেনাবাহিনীর গাড়িতে করে রাজন শিকদারকে বাবুগঞ্জ উপজেলার দিকে নিয়ে যাওয়া হয়।
এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সংশ্লিষ্ট বাহিনীর সদস্যরা বলেন, পরে বিস্তারিত জানানো হবে।
এমএন



