Connect with us

রাজনীতি

জামায়াত নেতা শফিকুর রহমান: যার সঙ্গে সবাই এখন দেখা করতে চায়

Published

on

আকিজ

বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক অভাবনীয় পরিবর্তনের হাওয়া বইছে। যে জামায়াতে ইসলামী ও তার শীর্ষ নেতাদের কিছুদিন আগেও দেশি অভিজাত শ্রেণি ও বিদেশি কূটনীতিকরা এড়িয়ে চলতেন, এখন তারাই দলটির সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়নে ভিড় করছেন। গত বুধবার দলের আমির শফিকুর রহমান একটি উচ্চাভিলাষী নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেন। আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এসব উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইশতেহারে মূল প্রতিশ্রুতি ছিল—দল ক্ষমতায় এলে ২০৪০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) ২ ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার ভিত্তি তৈরি করা। রাজনীতিক ও কূটনীতিকদের সামনে দেওয়া বক্তব্যে ৬৭ বছর বয়সী শফিকুর রহমান বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি, শিল্প, তথ্যপ্রযুক্তি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে বিনিয়োগ বাড়ানো হবে। পাশাপাশি বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানো এবং সরকারি ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

অর্থনীতিবিদদের কেউ কেউ এসব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অর্থনৈতিক সক্ষমতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, ইশতেহারে স্লোগান বেশি, বিশদ পরিকল্পনা কম। বিশ্লেষকদের মতে, জামায়াত নেতৃত্বের কাছে ইশতেহার আর্থিক হিসাবের চেয়ে রাজনৈতিক বার্তা দেওয়ার বিষয়েই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

সমালোচকরা দীর্ঘদিন ধরে জামায়াতকে এমন একটি দল হিসেবে তুলে ধরেছেন, যারা ধর্মীয় মতাদর্শে এতটাই আবদ্ধ যে, একটি তরুণ, বৈচিত্র্যময় ও আধুনিক সমাজ পরিচালনায় তারা অক্ষম। কিন্তু নতুন ইশতেহারদলটিতে এমন একটি রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে উপস্থাপন করছে, যারা ধর্মীয় পরিচয় ও আধুনিক রাষ্ট্রচিন্তার মধ্যে কোনও বিরোধ দেখছে না।

দলটির সঙ্গে যোগাযোগ রাখা ব্যক্তিদের তালিকাও ছিল সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ। কিছুদিন আগেও বাংলাদেশের ব্যবসায়ী, অভিজাত শ্রেণি ও বিদেশি কূটনীতিকরা তাদের সঙ্গে প্রকাশ্যে যোগাযোগ এড়িয়ে চলতেন, কিংবা গোপনে সীমিত যোগাযোগ রাখতেন। এখন তাদের সঙ্গে সে যোগাযোগ প্রকাশ্যেই হচ্ছে।

গত কয়েক মাসে ইউরোপীয়, পশ্চিমা এমনকি ভারতীয় কূটনীতিকরাও ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এক সময় যে নেতাকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রায় ‘অস্পৃশ্য’ মনে করা হতো, সে নেতার সঙ্গেই এখন সবাই কথা বলতে চাইছেন। যে নেতার দল দুইবার নিষিদ্ধ হয়েছিল, সবশেষ সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের সময়—তার সামনে আসন্ন নির্বাচন এমন একটি প্রশ্ন আসছে, যা এক বছর আগেও কেউ উচ্চারণ করতে সাহস করতেন না। আর তা হলো, শফিকুর রহমান কি বাংলাদেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন?

‘মানুষের জন্য লড়ব’

জামায়াতে ইসলামী ও দলের শীর্ষ নেতার প্রতি দৃষ্টিভঙ্গির এ পরিবর্তনের পেছনে বড় কারণ হলো বাংলাদেশের রাজনীতিতে তৈরি হওয়া শূন্যতা। ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান শুধু শেখ হাসিনার দীর্ঘ শাসনের অবসান ঘটায়নি, বরং দেশের রাজনৈতিক কাঠামোকেই নাড়িয়ে দেয়। আওয়ামী লীগ ও বিএনপির দীর্ঘদিনের দ্বিমুখী রাজনীতির কাঠামো কার্যত ভেঙে পড়ে।

আওয়ামী লীগ রাজনীতির মাঠ থেকে কার্যত উধাও হয়ে গেছে। বিএনপি একমাত্র বড় দল হিসেবে টিকে থাকায় অনেকেই ভেবেছিলেন ছাত্রদের নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (এনসিপি) সে শূন্যতা পূরণ করবে। বাস্তবে সে জায়গা দখল করে নিয়েছে দীর্ঘদিন কোনঠাসা হয়ে থাকা জামায়াত।

নির্বাচন সামনে রেখে জামায়াত এখন দেশের দুই প্রধান রাজনৈতিক শক্তির একটি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। কিছু জরিপে দলটি বিএনপির সঙ্গে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছে। এ রূপান্তরের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ডা. শফিকুর রহমান, বলছিলেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।

শফিকুর রহমান ২০১৯ সালে জামায়াতের নেতৃত্বে আসেন, তখন দলটি নিষিদ্ধ ছিল। ২০২২ সালের ডিসেম্বরে মধ্যরাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় ‘জঙ্গিবাদে সহায়তার’ অভিযোগে। ১৫ মাস পর জামিনে মুক্তি পান তিনি। ২০২৫ সালের মার্চে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে মামলার আসামির তালিকা থেকে তার নাম বাদ দেওয়া হয়।

এরপর থেকেই আবেগঘন কিন্তু হিসেবি জনসমাবেশে শফিকুর রহমান ব্যাপক আলোচনায় আসেন। গত জুলাইয়ে ঢাকার এক বিশাল সমাবেশে তীব্র গরমে দুবার মঞ্চে অসুস্থ হয়ে পড়লেও চিকিৎসকদের পরামর্শ উপেক্ষা করে বক্তব্য শেষ করেন তিনি।

শফিকুর রহমান বলেন, ‘আল্লাহ যতদিন হায়াৎ দেবেন, ততদিন আমি মানুষের জন্য লড়ব। জামায়াত ক্ষমতায় এলে আমরা মালিক নয়, খাদেম হব। কোনও মন্ত্রী প্লট নেবে না, করমুক্ত গাড়ি নেবে না। চাঁদাবাজি হবে না, দুর্নীতি হবে না। তরুণদের স্পষ্ট করে বলতে চাই—আমরা তোমাদের সঙ্গেই আছি।’

জামায়াতের ভাবমূর্তি গড়ার চেষ্টা

সমর্থকদের কাছে শফিকুর রহমান একজন সহজপ্রাপ্য, নৈতিকতায় দৃঢ় নেতা—যিনি ঘরে থাকার চেয়ে বাইরে কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে পছন্দ করেন। টানা তৃতীয় মেয়াদে দলের আমির হিসেবে তিনি জামায়াতের ভেতরে দৃঢ় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছেন। তবে এখন তার চ্যালেঞ্জ শুধু নির্বাচন নয়, ভাবমূর্তি রক্ষারও।

দলে নতুন সমর্থকদের টানতে গিয়ে তিনি জামায়াতকে ধর্মীয় দল থেকে ‘সুশাসন, শৃঙ্খলা ও পরিবর্তনের বাহন’ হিসেবে উপস্থাপন করতে চাইছেন। এ পরিবর্তন কতটা বাস্তব আর কতটা কৌশলগত—সেটাই ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এ পুনর্গঠনের পথে সবচেয়ে বড় বাধা ১৯৭১ সালের ভূমিকা। স্বাধীনতা যুদ্ধে পাকিস্তানের পক্ষে অবস্থান নেওয়া ও পরবর্তী যুদ্ধাপরাধ বিচারের বিষয়টি আজও দলটির পিছু ছাড়েনি।

ডা. শফিকুর রহমান সাম্প্রতিক সময়ে ‘অতীতের ভুল’ স্বীকার করে ক্ষমা চেয়েছেন, তবে নির্দিষ্ট করে দায় স্বীকারের বিষয়টি এড়িয়ে গেছেন। দলটির সমর্থকদের মতে, এটি রাজনৈতিক বাস্তবতা, আর সমালোচকদের মতে এটি ইচ্ছাকৃত অস্পষ্টতা।

নারী নেতৃত্ব

জামায়াতের সীমাবদ্ধতা সবচেয়ে স্পষ্ট হয়েছে নারী নেতৃত্ব প্রসঙ্গে। আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, নারীর পক্ষে দলের শীর্ষ পদে থাকা সম্ভব নয়। আল্লাহ সবাইকে আলাদা স্বভাব দিয়ে সৃষ্টি করেছেন। একজন পুরুষ সন্তান জন্ম দিতে বা বুকের দুধ খাওয়াতে পারে না। শারীরিক সীমাবদ্ধতা আছে।

তার এই বক্তব্য নতুন করে সমালোচনার জন্ম দেয়। বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে নারীদের অগ্রণী ভূমিকার পর এমন অবস্থান জামায়াতের জন্য বড় প্রশ্ন তৈরি করেছে। রাজনৈতিক ইতিহাসবিদ মহিউদ্দিন আহমদ বলেন, এটি নতুন কিছু নয়—জামায়াত কখনও সাধারণ আসনে নারী প্রার্থী দেয়নি।

‘দাদু’ শফিকুর

তরুণ সমর্থকদের কাছে এসব বিতর্কের চেয়ে বড় হয়ে উঠেছেন শফিকুর রহমান নিজেই। প্রচারণায় তরুণদের অনেকেই তাকে ডাকছেন ‘দাদু’ বলে। চট্টগ্রামে আইনের এক তরুণ শিক্ষার্থী বলেন, ‘তিনি আমাদের সঙ্গে সম্মান দিয়ে কথা বলেন। অন্য নেতারা তরুণদের তুচ্ছ করেন, কিন্তু শফিকুর রহমান তা করেন না।’

সামনে কী অপেক্ষা করছে?

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াত প্রথমবারের মতো একজন হিন্দু প্রার্থী দিয়েছে। বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে যোগাযোগও বাড়িয়েছে। ভারতীয় হাইকমিশনের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পেয়েছে। সবমিলিয়ে, নির্বাচনে জিতুক বা হারুক—বাংলাদেশের রাজনীতিতে ডা. শফিকুর রহমান এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ নাম।

রাজনৈতিক ইতিহাসবিদ মহিউদ্দিন আহমদ মনে করেন, ‘তার রাজনৈতিক দর্শন এখনও পুরোপুরি স্পষ্ট নয়, কিন্তু দলের ওপর তার নিয়ন্ত্রণ নিঃসন্দেহে দৃঢ়।’

এমএন

শেয়ার করুন:-

রাজনীতি

স্পিকারের সহধর্মিণীর মৃত্যুতে জামায়াত আমিরের শোক

Published

on

আকিজ

জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বীর বিক্রমের সহধর্মিণী দিলারা হাফিজের ইন্তেকালের সংবাদে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা, আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান। আজ ২৮ মার্চ (শনিবার) এক বিবৃতিতে তিনি এ শোক প্রকাশ করেন।

শোক বিবৃতিতে জামায়াত আমির বলেন, আজ ২৮ মার্চ সিঙ্গাপুর স্থানীয় সময় বেলা দেড়টায় সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বীর বিক্রমের সহধর্মিণী দিলারা হাফিজ ইন্তিকাল করেছেন (ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। আমি তাঁর ইন্তিকালের সংবাদে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করছি।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

তিনি আরও বলেন, আমি তাঁর শোকাহত পরিবার-পরিজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। একজন সহধর্মিণী হিসেবে তিনি পরিবার ও সমাজে যে অবদান রেখে গেছেন, তা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

আমি মহান আল্লাহ তা’আলার কাছে দোয়া করি, তিনি যেন মরহুমাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করেন এবং শোকাহত পরিবারকে এই কঠিন শোক সহ্য করার তাওফিক দান করেন।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

রাজনীতি

জ্বালানি ও বিদ্যুৎমন্ত্রী টুকু আপাদমস্তক নাস্তিক ও ইসলামবিদ্বেষী: মুফতি আমির হামজা

Published

on

আকিজ

জ্বালানি ও বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে ‘আপাদমস্তক নাস্তিক ও ইসলামবিদ্বেষী’ আখ্যা দিয়েছেন কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও ইসলামী বক্তা মুফতি আমির হামজা। বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) কুষ্টিয়া সদর উপজেলার হাটশ হরিপুর বড় মসজিদে জুমার নামাজের আগে এক আলোচনায় আমির হামজা এ মন্তব্য করেন। তার বক্তব্যের ১ মিনিট ৪৬ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ভাইরাল ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, জ্বালানি ও বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু নাস্তিক এবং ইসলামবিদ্বেষী। তিনি জামায়াতে ইসলামী কিংবা চরমনাই বিদ্বেষী নন, তিনি ইসলামবিদ্বেষী।”

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

মন্ত্রী টুকুর একটি বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে আমির হামজা বলেন, “এই দেশে ধর্ম প্রতিষ্ঠার জন্য নাকি মুক্তিযুদ্ধ হয়নি—এমন মন্তব্য করা হয়েছে। তাহলে মুক্তিযুদ্ধ কেন হয়েছিল, তা মুক্তিযোদ্ধাদের কাছেই জানতে হবে।”

এ সময় তিনি দেশের জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়েও সমালোচনা করেন। দাবি করেন, হাসপাতালে জেনারেটর চালাতে পাঁচ লিটারের বেশি তেল দেওয়া হচ্ছে না, এতে চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হয়ে মানুষের জীবন ঝুঁকিতে পড়ছে। অযোগ্যদের দায়িত্ব দেওয়ার কারণেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এদিকে, ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

হাটশ হরিপুর বড় মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক বকুল বিশ্বাস জানান, এমপি আমির হামজাকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি; তিনি নিজ উদ্যোগে জুমার নামাজে অংশ নিতে মসজিদে আসেন। তিনি বলেন, “আমি আলোচনার সময় বাইরে থাকায় কী বক্তব্য দেওয়া হয়েছে, তা শুনতে পারিনি।”

অন্যদিকে, মন্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সদস্যসচিব প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকার বলেন, “আমির হামজা কোথায় কী বলেন, তা তিনি নিজেও জানেন না। তিনি সম্প্রতি একটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নিয়ে আর্থিক প্রস্তাব পাওয়ার দাবি করেছিলেন, কিন্তু কারা সেই প্রস্তাব দিয়েছে তা প্রকাশ করেননি, যা একটি গুরুতর অভিযোগ।”

তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক নেতাদের নিয়ে এ ধরনের মন্তব্য করা থেকে আমির হামজাকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

রাজনীতি

জনগণের উপর অন্যায় সিদ্ধান্ত চাপালে পরিণতি শুভ হবে না : গোলাম পরোয়ার

Published

on

আকিজ

সংখ্যাগরিষ্ঠতার দম্ভে সরকার যদি জনগণের ওপর অন্যায় সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিতে চায়, তবে তার পরিণতি শুভ হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, অতীতে কর্তৃত্ববাদী শাসকরা সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে জনগণকে দমন করতে চাইলেও শেষ পর্যন্ত টিকতে পারেনি।

শনিবার (২৮ মার্চ ) খুলনা মহানগরী শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের উদ্যোগে মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ঈদ প্রীতি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এসময় নির্বাচনী প্রক্রিয়ার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

তিনি বলেন, একই প্রক্রিয়ায় গণভোট ও সংসদ নির্বাচন আয়োজন করে একটিকে বৈধ এবং অন্যটিকে অবৈধ বলা হচ্ছে, যা বিবেকবিরোধী ও প্রতারণার শামিল। দেশের বর্তমান রাজনৈতিক অচলাবস্থা নিরসনের পূর্ণ দায় সরকারের এবং সংকট দীর্ঘায়িত হলে এর দায়ও সরকারকেই বহন করতে হবে। দেশকে সংঘাতের দিকে এবং জনগণকে রাজপথে নামতে বাধ্য না করার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি আরো বলেন, বিপুলসংখ্যক আসন নিয়ে জামায়াতে ইসলামী বর্তমানে বিরোধী দলে রয়েছে এবং ড. শফিকুর রহমান বিরোধী দলীয় নেতার দায়িত্ব পালন করছেন।

যা দেশের রাজনীতিতে নতুন বাস্তবতা তৈরি করেছে। জামায়াতে ইসলামী কোনো বিশৃঙ্খলা বা সন্ত্রাসের রাজনীতি সমর্থন করে না। তবে অন্যায়ের বিরুদ্ধে তারা আপোশহীন থাকবে। সৎ কাজে আমাদের সহযোগিতা এবং অন্যায়ের ক্ষেত্রে প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে।

সংসদের অধিবেশনকে সামনে রেখে তিনি সতর্ক করে গোলাম পরওয়ার বলেন, সংসদ যেন সংবিধান, আইন ও কার্যপ্রণালি বিধির বাইরে না যায়, অন্যথায় নতুন রাজনৈতিক সংকট তৈরি হতে পারে। দলের সংসদীয় সদস্যদের জন্য ইতোমধ্যে কৌশল নির্ধারণ করা হয়েছে।’

শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের মহানগরী সভাপতি আজিজুল ইসলাম ফারাজীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় সহসভাপতি মাস্টার শফিকুল আলম, খুলনা মহানগরী জামায়াতের আমির অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান, সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল এমপি এবং হিন্দু কমিটির নেতা কৃষ্ণ নন্দী।

শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের মহানগরী সাধারণ সম্পাদক ডা. সাইফুজ্জামানের পরিচালনায় আরো উপস্থিত ছিলেন মহানগরী জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যাপক নজিবুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারি প্রিন্সিপাল শেখ জাহাঙ্গীর আলম, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের আঞ্চলিক সহকারী পরিচালক খান গোলাম রসুল, খালিশপুর থানা আমির আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাবেক ভিপি জাহাঙ্গীর কবীর, মুনসুর আলম চৌধুরী, ব্যবসায়ী নেতা সিদ্দিকুর রহমানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

বিশেষ অতিথি কৃষ্ণ নন্দী বলেন, ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হলে ১১ দলীয় জোট আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবে।

তিনি ভারতের সাম্প্রতিক বক্তব্য নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বিরোধী দলীয় নেতা ড. শফিকুর রহমানের নির্দেশনা বাস্তবায়নে নেতাকর্মীদের প্রস্তুত থাকতে হবে।’

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

রাজনীতি

সংসদে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের তাগিদ, না হলে বাড়বে হতাশা

Published

on

আকিজ

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন বলেছেন, বর্তমান সংসদে ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়ন করা না গেলে তা জাতির জন্য অত্যন্ত হতাশাজনক হবে।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) সকালে ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন ফর ইলেক্টরাল সিস্টেমস (আইএফইএস) বাংলাদেশের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

তিনি বলেন, আমরা একটা ইউকে বেসড অর্গানাইজেশনের সাথে বসে ছিলাম, যাদের মূল উদ্দেশ্য হলো যে জাতীয় সংসদকে কিভাবে শক্তিশালী করা যায়। সেই বিষয় নিয়ে তারা আমাদের সাথে আলাপ করেছেন। আমরা তাদের কথা শুনেছি। আমাদের পক্ষ থেকে আমরা বলেছি, আমাদের এই যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ… এই সংসদটা পূর্বের সংসদ থেকে ভিন্ন। কারণ, এই সংসদটা জুলাই আন্দোলনের পরে গঠিত একটি সংসদ। এই সংসদের ব্যাপারে দেশের মানুষের আশা সম্পূর্ণ আলাদা। জুলাই আন্দোলন এসেসটা হলো, সংসদই হোক আমাদের জাতীয় জীবনের সকল আলোচনা এবং সমস্যা সমাধানের কেন্দ্র। সেক্ষেত্রে সরকারি দলের সাথে বিরোধী দল সমানভাবেই ইম্পর্টেন্ট।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

তিনি আরও বলেন, সংসদে সরকারি দল এবং বিরোধী দল তারা ইম্পরটেন্ট রোল প্লে করতে পারে, সেই বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। অনেকগুলা ডিফিকাল্টিজ আছে। সরকারি দল এখন একটা বড় মেজরিটি নিয়ে আছে। সেক্ষেত্রে কোনো একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে গেলে সকল কিছুই সরকারি দলের উপরে নির্ভর করছে। কাজেই সেক্ষেত্রে আমরা রুলস অফ প্রসিডিউরের ব্যাপারেও অনেক পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তার কথা সেখানে আলোচনা হয়েছে। সেগুলোর ব্যাপারে আমরা আমাদের সাজেশন দিয়েছি। তারা একটা রিপোর্ট তৈরি করবেন এবং তারাও আমাদের কিছু সাজেশন দিয়েছেন কী করে পার্লামেন্টকে আরও শক্তিশালী করা যায়।

তিনি আরও বলেন, আমাদের এই সংসদে সবচাইতে বড় বিষয় যেটা আমাদের সামনে এসেছে সেটা হলো জুলাই সনদকে বাস্তবায়ন করা। আমরা দেখেছি, প্রথম দিন থেকেই একটা ভিন্ন দিকে সরকারি দল হাঁটা শুরু করেছে। তারা জুলাই সনদের জন্য সংস্কার পরিষদে শপথ নেননি। এখনো বিভিন্ন আলোচনা এবং অলরেডি একটা প্রস্তাব তারা নিয়ে আসতে চাচ্ছেন।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

রাজনীতি

মহান স্বাধীনতা দিবসে পল্টন থানার উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

Published

on

আকিজ

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ জামায়োতে ইসলামী পল্টন থানার উদ্যোগে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকেলে আয়োজিত এ সভায় বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ অংশ নেন।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. হেলাল উদ্দিন। পল্টন থানা আমীর অ্যাডভোকেট মারুফুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি মঞ্জুরুল ইসলামের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মহানগরীর কর্মপরিষদ সদস্য ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক শাহীন আহমদ খান।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এছাড়াও অনুষ্ঠানে মহানগরীর মজলিসে শুরা সদস্য ও পল্টন থানা সহকারী সেক্রেটারি মোস্তাফিজুর রহমান শাহীন, পল্টন থানা কর্মপরিষদ সদস্য আ. ফ. ম ইউসুফ, শামীম হাসনাইন, সাইয়েদ মুহাম্মদ জুবায়ের, আব্দুল মতিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড হেলাল উদ্দিন বলেন, যখন শাসক গোষ্ঠী জনগণকে শোষণ করে, জনগণের মতের বিপক্ষে গিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা করার চেষ্টা করে তখনই জাতি বিপ্লবের পথ বেছে নেয়, নিতে বাধ্য হয়। তিনি বলেন, স্বাধীনতা মানে কেবল একটি ভূখন্ড নয়, একটি পতাকা নয়, একটি মানচিত্র নয়। কোনো জাতির অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সমস্ত মৌলিক অধিকার নিশ্চিত হওয়াকেই স্বাধীনতা বলা হয়।

তিনি আরও বলেন, যেই স্বাধীনতার স্বপ্ন বাংলাদেশের জনগণ দেখেছে সেই স্বপ্ন আজও বাস্তবায়ন হয়নি। একাত্তরের চেতনা বাস্তবায়ন না হওয়ায় চব্বিশের বিপ্লব অর্জিত হয়েছে। জুলাই চেতনায় জাতি নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের শপথ নিয়েছে, স্বপ্ন বুনেছে। জাতির স্বপ্নের নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের বিকল্প নেই। জাতিকে রাজনৈতিক সংকটের দিকে ঠেলে না দিয়ে গণভোটের রায় মেনে জুলাই সনদ আদেশ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিতে তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

পুঁজিবাজারের সর্বশেষ

আকিজ আকিজ
পুঁজিবাজার4 days ago

আকিজ ফুডের ৫০০ কোটি টাকার বন্ড অনুমোদন দিয়েছে বিএসইসি

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)-এর ১০০৪তম কমিশন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কমিশন সভায় আকিজ ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেডের ৫০০ কোটি...

আকিজ আকিজ
পুঁজিবাজার4 days ago

ব্লক মার্কেটে ২৪ কোটি টাকার লেনদেন

ঈদ পরবর্তী দ্বিতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে মোট ২১টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এদিন...

আকিজ আকিজ
পুঁজিবাজার4 days ago

দরপতনের শীর্ষে জেনারেশন নেক্সট ফ্যাশনস

ঈদ পরবর্তী দ্বিতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে দরপতনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে জেনারেশন নেক্সট...

আকিজ আকিজ
পুঁজিবাজার4 days ago

দর বৃদ্ধি শীর্ষে ইবিএল এনআরবি মিউচুয়াল ফান্ড

ঈদ পরবর্তী দ্বিতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৯০টি কোম্পানির মধ্যে ২৪১টির শেয়ারদর বৃদ্ধি...

আকিজ আকিজ
পুঁজিবাজার4 days ago

শেয়ারবাজারে লেনদেনের শীর্ষে একমি পেস্টিসাইড

ঈদ পরবর্তী দ্বিতীয় কার্যদিবসে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে একমি পেস্টিসাইড লিমিটেড। ঢাকা...

আকিজ আকিজ
পুঁজিবাজার4 days ago

সূচকের উত্থানে লেনদেন ৬০৩ কোটি টাকা

ঈদ পরবর্তী দ্বিতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্য সূচকের ইতিবাচক প্রবণতায় লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন লেনদেন...

আকিজ আকিজ
পুঁজিবাজার4 days ago

জ্বালানি খাতের দুই কোম্পানিতে নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত রাষ্ট্র মালিকানাধীন জ্বালানি খাতের দুই প্রতিষ্ঠান- ইস্টার্ন লুব্রিকেন্টস ব্লেন্ডার্স লিমিটেড ও যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদে নতুন...

সোশ্যাল মিডিয়া

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
১০১১১৩
১৫১৬১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭
৩০৩১  
আকিজ
জাতীয়14 hours ago

রাজশাহী মেডিকেলের পরিচালককে ফাঁসির কাষ্ঠে চড়ানো উচিত: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আকিজ
আন্তর্জাতিক15 hours ago

মার্কিন ভিসা নিয়ে দূতাবাসের জরুরি সতর্কবার্তা

আকিজ
অর্থনীতি15 hours ago

৬ ঘণ্টার ব্যবধানে বাড়ল দফা স্বর্ণের দাম

আকিজ
জাতীয়15 hours ago

ইয়াজউদ্দিনকে পদত্যাগে বাধ্য করার ঘটনায় ফেঁসে যাচ্ছেন অনেকে

আকিজ
রাজনীতি16 hours ago

স্পিকারের সহধর্মিণীর মৃত্যুতে জামায়াত আমিরের শোক

আকিজ
আন্তর্জাতিক16 hours ago

ইরান যুদ্ধের ইতি কবে, জানালেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আকিজ
আন্তর্জাতিক16 hours ago

দিল্লি রেলস্টেশনে দেওবন্দ শিক্ষার্থীদের হেনস্তা করল উগ্র হিন্দুত্ববাদী

আকিজ
আন্তর্জাতিক16 hours ago

হরমুজে বাণিজ্য রক্ষায় টাস্ক ফোর্স গঠন করবে জাতিসংঘ

আকিজ
আবহাওয়া17 hours ago

দেশজুড়ে তাপমাত্রা কমবে ২ ডিগ্রি

আকিজ
আন্তর্জাতিক17 hours ago

ইরান যুদ্ধের ১ মাস পূর্ণ হলো আজ

আকিজ
জাতীয়14 hours ago

রাজশাহী মেডিকেলের পরিচালককে ফাঁসির কাষ্ঠে চড়ানো উচিত: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আকিজ
আন্তর্জাতিক15 hours ago

মার্কিন ভিসা নিয়ে দূতাবাসের জরুরি সতর্কবার্তা

আকিজ
অর্থনীতি15 hours ago

৬ ঘণ্টার ব্যবধানে বাড়ল দফা স্বর্ণের দাম

আকিজ
জাতীয়15 hours ago

ইয়াজউদ্দিনকে পদত্যাগে বাধ্য করার ঘটনায় ফেঁসে যাচ্ছেন অনেকে

আকিজ
রাজনীতি16 hours ago

স্পিকারের সহধর্মিণীর মৃত্যুতে জামায়াত আমিরের শোক

আকিজ
আন্তর্জাতিক16 hours ago

ইরান যুদ্ধের ইতি কবে, জানালেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আকিজ
আন্তর্জাতিক16 hours ago

দিল্লি রেলস্টেশনে দেওবন্দ শিক্ষার্থীদের হেনস্তা করল উগ্র হিন্দুত্ববাদী

আকিজ
আন্তর্জাতিক16 hours ago

হরমুজে বাণিজ্য রক্ষায় টাস্ক ফোর্স গঠন করবে জাতিসংঘ

আকিজ
আবহাওয়া17 hours ago

দেশজুড়ে তাপমাত্রা কমবে ২ ডিগ্রি

আকিজ
আন্তর্জাতিক17 hours ago

ইরান যুদ্ধের ১ মাস পূর্ণ হলো আজ

আকিজ
জাতীয়14 hours ago

রাজশাহী মেডিকেলের পরিচালককে ফাঁসির কাষ্ঠে চড়ানো উচিত: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আকিজ
আন্তর্জাতিক15 hours ago

মার্কিন ভিসা নিয়ে দূতাবাসের জরুরি সতর্কবার্তা

আকিজ
অর্থনীতি15 hours ago

৬ ঘণ্টার ব্যবধানে বাড়ল দফা স্বর্ণের দাম

আকিজ
জাতীয়15 hours ago

ইয়াজউদ্দিনকে পদত্যাগে বাধ্য করার ঘটনায় ফেঁসে যাচ্ছেন অনেকে

আকিজ
রাজনীতি16 hours ago

স্পিকারের সহধর্মিণীর মৃত্যুতে জামায়াত আমিরের শোক

আকিজ
আন্তর্জাতিক16 hours ago

ইরান যুদ্ধের ইতি কবে, জানালেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আকিজ
আন্তর্জাতিক16 hours ago

দিল্লি রেলস্টেশনে দেওবন্দ শিক্ষার্থীদের হেনস্তা করল উগ্র হিন্দুত্ববাদী

আকিজ
আন্তর্জাতিক16 hours ago

হরমুজে বাণিজ্য রক্ষায় টাস্ক ফোর্স গঠন করবে জাতিসংঘ

আকিজ
আবহাওয়া17 hours ago

দেশজুড়ে তাপমাত্রা কমবে ২ ডিগ্রি

আকিজ
আন্তর্জাতিক17 hours ago

ইরান যুদ্ধের ১ মাস পূর্ণ হলো আজ