অর্থনীতি
১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি ব্যাংক বন্ধ
আসন্ন ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষ্যে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি ব্যাংক বন্ধ থাকবে। রোববার বাংলাদেশ ব্যাংক এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষ্যে নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি ঘোষণা করায় আগামী ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের সব ব্যাংক বন্ধ থাকবে।
এবারের নির্বাচনে ৫০টিরও বেশি রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ প্রায় দুই হাজার প্রার্থী ৩০০টি সংসদীয় আসনের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি একই দিনে জুলাই সংস্কার চার্টার নিয়ে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।
অর্থনীতি
৮ থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি ডিজিটাল লেনদেনে ‘রেড অ্যালার্ট’
ভোটের আগে টাকা দিয়ে প্রভাব বিস্তারের আশঙ্কায় মোবাইল ব্যাংকিং ও ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ে বড় ধরনের লাগাম টানার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ৮ থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি—এই ছয় দিন বিকাশ, নগদ, রকেটসহ সব মোবাইল ব্যাংকিং সেবায় দিনে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পাঠানো যাবে। প্রতিটি লেনদেনের সীমা হবে মাত্র এক হাজার টাকা। অর্থাৎ বড় অঙ্কের লেনদেন কার্যত বন্ধই থাকছে।
একই সময়ে আরো কঠোর হচ্ছে ব্যাংকিং চ্যানেল। ইন্টারনেট ব্যাংকিং ব্যবহার করে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি টাকা পাঠানোর সুবিধা পুরোপুরি বন্ধ রাখার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ব্র্যাক ব্যাংকের আস্থা, সিটি ব্যাংকের সিটিটাচ, ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের নেক্সাস পে—সব অ্যাপেই এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হতে পারে।
বাংলাদেশ ব্যাংক ও বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) সূত্র জানায়, নির্বাচন কমিশনের অনুরোধেই এই উদ্যোগ।
লক্ষ্য একটাই—ভোটার প্রভাবিত করতে অর্থের অপব্যবহার ঠেকানো।
এরই মধ্যে নগদ টাকা উত্তোলন ও জমায় কড়া নজরদারি শুরু হয়েছে। কোনো হিসাবে এক দিনে ১০ লাখ টাকা বা তার বেশি লেনদেন হলে তা বাধ্যতামূলকভাবে বিএফআইইউকে জানাতে হবে। রিপোর্টে গড়মিল ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকও শাস্তির মুখে পড়তে পারে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্রের বরাতে জানা যায়, নির্বাচন কমিশনের চাহিদা অনুযায়ী শিগগিরই এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি হবে। প্রয়োজন হলে লেনদেনের সীমা আরো কমবেশি হতে পারে।
বর্তমানে যেখানে এমএফএসে দিনে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত লেনদেন সম্ভব, সেখানে হঠাৎ এই কড়াকড়িতে গ্রাহক ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। নির্বাচন ঘিরে ডিজিটাল টাকার গতিপথ যে এবার নজিরবিহীন নিয়ন্ত্রণে পড়ছে, তা বলাই বাহুল্য।
অর্থনীতি
দেশের ইতিহাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এলো জানুয়ারিতে
জানুয়ারি মাসে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৩১৭ কোটি বা ৩ দশমিক ১৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা দেশের ইতিহাসে কোনো এক মাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স। এই হিসাবে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ১০ কোটি ২৩ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।
রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘জানুয়ারিতে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৩১৭ কোটি ডলার। আর গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ২১৮ কোটি ৫০ লাখ ডলার। অর্থাৎ বছর ব্যবধানে রেমিট্যান্সপ্রবাহ বেড়েছে।’
এর আগে গত ডিসেম্বরে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ৩২২ কোটি ৬৬ লাখ ৯০ হাজার ডলার।
যা ছিল দেশের ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ও চলতি অর্থবছরের কোনো এক মাসে আসা সর্বোচ্চ প্রবাস আয়। তবে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছিল গত বছরের মার্চে। সেই মাসে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছিলেন ৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার।
আর ২৯-৩১ জানুয়ারি প্রবাসীরা দেশে ২২ কোটি ৯০ লাখ ডলার পাঠিয়েছেন জানিয়ে তিনি আরো বলেন, ‘চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশে এসেছে ১ হাজার ৯৪৩ কোটি ৬০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।
বছর ব্যবধানে যা বেড়েছে ২১ দশমিক ৮০ শতাংশ।’
এর আগে গত ডিসেম্বরে দেশে এসেছে ৩২২ কোটি ৬৬ লাখ ৯০ হাজার ডলার। যা চলতি ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের যেকোনো মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ এবং দেশের ইতিহাসে কোনো এক মাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রবাস আয়।
অর্থনীতি
জ্বালানি তেলের দাম কমলো, কোন তেলের লিটার কত
ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রোল ও অকটেনের নতুন দাম নির্ধারণ করেছে করেছে সরকার। বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এবার ২ টাকা করে কমানো হয়েছে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম।
রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) থেকে কার্যকর হচ্ছে জ্বালানি তেলের নতুন এই দাম।
এর আগে, শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাতে এ সংক্রান্ত এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জ্বালানি বিভাগ।
নতুন দর অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারিতে প্রতি লিটার ডিজেল ১০০ টাকা, প্রতি লিটার কেরোসিন ১১২ টাকা, প্রতি লিটার পেট্রোল ১১৬ টাকা এবং প্রতি লিটার অকটেন ১২০ টাকা বিক্রি হবে।
সূত্র মতে, বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ গত বছরের মার্চ থেকে শুরু করেছে সরকার। এরপর থেকে প্রতি মাসেই নতুন দাম ঘোষণা করা হচ্ছে। বর্তমানে জ্বালানি তেলের দর নির্ধারণ ছাড়াও আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে মিল রেখে প্রতি মাসে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম নির্ধারণ করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্র জানায়, বর্তমানে বছরে জ্বালানি তেলের চাহিদা প্রায় ৭৫ লাখ টন। মোট চাহিদার প্রায় ৭৫ শতাংশই ডিজেল ব্যবহার হয়। বাকি ২৫ শতাংশ চাহিদা পূরণ হয় পেট্রল, অকটেন, কেরোসিন, জেট ফুয়েল, ফার্নেস অয়েলসহ বিভিন্ন জ্বালানি তেলে। ডিজেল সাধারণত কৃষি সেচে, পরিবহন ও জেনারেটরে ব্যবহার করা হয়।
অকটেন ও পেট্রোল বিক্রিতে সব সময় বিপিসি লাভ করেন। জ্বালানি তেলের মধ্যে উড়োজাহাজে ব্যবহৃত জেট ফুয়েল ও বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহৃত ফার্নেস অয়েলের দাম আগে নিয়মিত সমন্বয় করতো বিপিসি। এখন বিইআরসি প্রতিমাসে তা সমন্বয় করছে। আর ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রল ও অকটেনের দাম নির্ধারণ করে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ।
জ্বালানি বিভাগ জানায়, প্রতিবেশী দেশ ভারত ছাড়াও উন্নত বিশ্বে প্রতি মাসেই জ্বালানির মূল্য নির্ধারণ করা হয়।
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণের শর্ত হিসেবে গত বছরের ২৯ ফেব্রুয়ারি জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি ঘোষণা করা হয়। স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে জ্বালানি তেলের মূল্য নির্ধারণ প্রক্রিয়া চালুর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম কমলে দেশে কমবে; আবার বাড়লে দেশের বাজারেও বাড়বে।
এমএন
অর্থনীতি
দুর্বল ব্যাংকগুলোকে টাকা দেওয়ার বিষয়ে আপত্তি আইএমএফের
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) বাংলাদেশে দুর্বল ব্যাংকগুলোকে অনিরাপদ তারল্য দেওয়ার বিষয়ে সতর্ক করেছে। এর পাশাপাশি বিনিময় হার সংস্কার পুরোপুরি বাস্তবায়ন করারও আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।
২০২৪ সালের গণ–অভ্যুত্থানের পর এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আগে অর্থনীতি স্থিতিশীল রাখতে অন্তর্বর্তী সরকারের চেষ্টাকে স্বীকৃতি দিয়েছে আইএমএফ।
বাংলাদেশের জন্য আর্টিকেল ফোর পরামর্শ কার্যক্রম শেষ করার পর গতকাল শুক্রবার এক বিবৃতিতে এ কথা বলেছে আইএমএফ। বাংলাদেশকে প্রতিশ্রুত সাড়ে পাঁচ বিলিয়ন ডলার ঋণের শর্ত বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনার অংশ হিসেবে এ বিবৃতি দিয়েছে সংস্থাটি।
আইএমএফ বলেছে, আর্থিক স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধারে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি বিশ্বাসযোগ্য ব্যাংক খাত সংস্কারের কৌশল দরকার। এ ধরনের কৌশলে মূলধনের ঘাটতির পরিমাণ নিরূপণ, রাজস্ব সহায়তার কাঠামো নির্ধারণ ও আইনগতভাবে শক্তিশালী পুনর্গঠন ও সমাধান পরিকল্পনার রূপরেখা থাকতে হবে।
রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের সম্পদের মান পর্যালোচনা পরিচালনা, ঝুঁকিভিত্তিক তদারকি এগিয়ে নেওয়া এবং সুশাসন ও ব্যালান্স শিটের স্বচ্ছতা জোরালো করার আহ্বান জানিয়েছে আইএমএফ।
সংস্থাটি বলেছে, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ পুনর্গঠন ও মূল্যস্ফীতি কমাতে কঠোর নীতির সমন্বয় বজায় রাখা প্রয়োজন। বিনিময় হার সংস্কার পুরোপুরি ও ধারাবাহিকভাবে বাস্তবায়ন এবং বিনিময় হারকে আরও নমনীয় করতে হবে। দুর্বল ব্যাংকে অনিরাপদ তারল্য সহায়তা দেওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে।
মূল্যস্ফীতি নিম্নমুখী ধারায় না আসা পর্যন্ত মুদ্রানীতি কঠোর থাকা উচিত বলেও মনে করছে আইএমএফ। সংস্থাটি উল্লেখ করেছে, ২০২৪–২৫ অর্থবছরের শুরুতে দুই অঙ্কের ঘর থেকে নেমে এলেও অক্টোবরে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ২ শতাংশ ছিল। ২০২৫–২৬ অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৯ শতাংশে থাকবে এবং ২০২৭ অর্থবছরে তা কমে প্রায় ৬ শতাংশ হবে।
আইএমএফ বলেছে, দুর্বল কর রাজস্ব ও আর্থিক খাতের ঝুঁকির কারণে অর্থনীতি ক্রমবর্ধমান সামষ্টিক–আর্থিক চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। সাহসী রাজস্ব ও আর্থিক সংস্কার বাস্তবায়নে দেরি হলে বড় ধরনের নিম্নমুখী ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
সংস্থাটি ২০২৫–২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ৭ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে। সংস্থাটি বলেছে, মধ্য মেয়াদে অর্থনীতি ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াবে এবং প্রবৃদ্ধি প্রায় ৬ শতাংশে উন্নীত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
রাজস্ব স্থিতিশীলতা রক্ষা, সামষ্টিক–আর্থিক স্থিতি জোরদার ও মধ্য মেয়াদে সুশাসন শক্তিশালী করা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অর্থনৈতিক বৈচিত্র্য বাড়াতে বিস্তৃত কাঠামোগত সংস্কার বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া উচিত বলে জানায় আইএমএফ।
আইএমএফ উল্লেখ করেছে, দুর্বল রাজস্ব আহরণ, ব্যাংক খাতের ঝুঁকি, নতুন বিনিময় হার কাঠামোর অসম্পূর্ণ বাস্তবায়ন ও উচ্চ মূল্যস্ফীতি বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনার ওপর চাপ সৃষ্টি করছে।
আইএমএফ এ ছাড়া ভর্তুকি যৌক্তিকীকরণ, প্রবৃদ্ধিবর্ধক বিনিয়োগকে অগ্রাধিকার দেওয়া, সামাজিক সুরক্ষা জোরদার এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন ও প্রবৃদ্ধির জন্য সরকারি আর্থিক ও বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনা উন্নত করার পরামর্শ দিয়েছে।
অর্থনীতি
দাম কমার পর দেশে আজ সোনার ভরি কত
টানা কয়েক দফায় বাড়ানোর পর গতকাল (শুক্রবার) সোনার দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। যেখানে ভরিতে ১৪ হাজার ৬৩৯ টাকা কমিয়ে প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৭১ হাজার ৩৭৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সেই দামেই বিক্রি হবে সোনা।
নতুন মূল্য অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেট হলমার্ককৃত সোনার প্রতি গ্রামের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২৩ হাজার ২৬৫ টাকা। সেই হিসেবে দেশীয় পরিমাপ অনুযায়ী প্রতি ভরি সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৭১ হাজার ৩৭৯ টাকা।
আর ২১ ক্যারেট হলমার্ককৃত সোনার প্রতি গ্রামের দাম ২২ হাজার ২০৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা ভরিপ্রতি হিসেব করলে দাঁড়ায় ২ লাখ ৫৮ হাজার ৯৯৯ টাকা। অন্যদিকে ১৮ ক্যারেট সোনার বর্তমান গ্রামপ্রতি মূল্য ১৯ হাজার ৩৫ টাকা অনুযায়ী প্রতি ভরির দাম পড়বে ২ লাখ ২২ হাজার ২৫ টাকা।
এ ছাড়া সনাতন পদ্ধতির সোনার প্রতি গ্রামের দাম ধরা হয়েছে ১৫ হাজার ৬৭৫ টাকা, যার ভরিপ্রতি বাজারমূল্য দাঁড়াবে ১ লাখ ৮২ হাজার ৮৩২ টাকা।
এর আগে গত ২৯ জানুয়ারি সকালে দেয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে সোনার দাম বাড়িয়েছিল বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সেদিন ভরিতে ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বাড়িয়েছে সংগঠনটি।
বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানায়, পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে। তবে বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি যোগ হবে।
এমএন



