জাতীয়
হজযাত্রীদের ভিসা নিয়ে সরকারের নতুন বার্তা
আসন্ন মৌসুমে হজ পালনে ইচ্ছুক যাত্রীদের ভিসার জন্য আবেদনের সময়সীমা ঘোষণা করেছে সরকার। আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে চলতি বছরের হজযাত্রীদের ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া। ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন হজযাত্রীরা আগামী ২০ মার্চ পর্যন্ত। গত বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণলায়ের উপসচিব মোহাম্মদ সফিউজ্জামান ভুইয়া স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৬ সালের হজের জন্য সরকারি ও বেসরকারি উভয় মাধ্যমে নিবন্ধনকারী সব যাত্রীর সরকারি হাসপাতাল থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সৌদি সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও টিকা নেওয়া সম্পন্ন করে ফিটনেস সনদ নিয়ে ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০ মার্চের মধ্যে সৌদি নুসুক মাসার ব্যবস্থায় ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে।
এতে বলা হয়, এ পরিপ্রেক্ষিতে নিবন্ধিত প্রবাসী বাংলাদেশিসহ সব হজযাত্রীকে বাংলাদেশের যে কোনো সরকারি হাসপাতাল থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং নির্ধারিত টিকাকেন্দ্র থেকে টিকা নিয়ে ফিটনেস সনদ গ্রহণ এবং ২০ মার্চের মধ্যে ভিসার আবেদন করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এ বছর ফিটনেস সনদ ছাড়া কোনো হজযাত্রী হজে যেতে পারবেন না বলেও উল্লেখ করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।
উল্লেখ্য, সৌদি আরবে চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে। চলতি বছরের হজ ফ্লাইট আগামী ১৮ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে।
এমএন
জাতীয়
বাতিল হলো ১২ ‘জুলাই যোদ্ধার’ গেজেট
মিথ্যা তথ্য দিয়ে গেজেটভুক্ত হওয়ায় জুলাই যোদ্ধাদের তালিকা থেকে এদের বাদ দেয়া হয়েছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থান ২০২৪-এ ‘জুলাই যোদ্ধা’ হিসেবে গেজেটভুক্ত ১২ জনের নাম বাতিল করেছে সরকার। সম্প্রতি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে গেজেট বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এরপর তা গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসন অধ্যাদেশ, ২০২৫–এর ১১(৪) ধারা এবং রুলস অফ বিজনেস ১৯৯৬–এর সিডিউল-১ অনুযায়ী দেয়া ক্ষমতাবলে এ গেজেট বাতিল করা হয়েছে।
কেন এই ১২ জনের ‘জুলাই যোদ্ধা’ গেজেট বাতিল করা হয়েছে- সে বিষয়ে প্রজ্ঞাপনে কিছুই জানানো হয়নি। তবে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, মিথ্যা তথ্য দিয়ে গেজেটভুক্ত হওয়ায় জুলাই যোদ্ধাদের তালিকা থেকে এদের বাদ দেয়া হয়েছে।
বাতিল হওয়া ব্যক্তিরা ‘জুলাই যোদ্ধা’ ক্যাটাগরি ‘গ’-এর আওতাভুক্ত ছিলেন। তাদের মধ্যে রংপুর বিভাগে দিনাজপুর জেলার পাঁচজন এবং চট্টগ্রাম বিভাগে চাঁদপুর জেলার সাতজন রয়েছেন।
দিনাজপুর জেলার যাদের গেজেট বাতিল হয়েছে তারা হলেন তাসফিয়াহ রিফা, মো: আসাদুজ্জামান নূর, মো: সুরুজ মিয়া, মোছা. কহিনুর ও মোছা. সখিনা।
চাঁদপুর জেলার তালিকায় রয়েছেন মো: কামরুল হাসান রাব্বি, মো: রায়হান, মো: ইউছুব আলী, নাহিদুল ইসলাম রাতুল, শাহজালাল ও মো: আব্দুল্লাহ আল মামুন।
প্রজ্ঞাপনে প্রতিটি ব্যক্তির গেজেট নম্বর, মেডিক্যাল কেস আইডি, বাবার নাম ও স্থায়ী ঠিকানা উল্লেখ করা হয়েছে।
এর আগে, গত বছরের ২৯ অক্টোবর মিথ্যা তথ্য দিয়ে গেজেটভুক্ত হওয়া ও দু’বার নাম থাকায় ১২৮ জুলাই যোদ্ধার গেজেট বাতিল করে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
এমএন
জাতীয়
নির্বাচন সামনে রেখে রেলে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে যাত্রীসাধারণ, ট্রেন ও রেল অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে রেলপথ মন্ত্রণালয়।
শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ফাতেমা তুজ জোহরা স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
অফিস আদেশে বলা হয়েছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে কোনো স্বার্থান্বেষী মহল নাশকতা কিংবা অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করতে পারে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে গণপরিবহন হিসেবে রেলকে লক্ষ্য করে নাশকতামূলক কার্যক্রমের আশঙ্কা রয়েছে।
এ কারণে রেলের যাত্রীসাধারণ, ট্রেন ও রেল অবকাঠামোর সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় করণীয় নির্ধারণ, তা বাস্তবায়ন এবং অগ্রগতি প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, কোনো ধরনের নাশকতা, কিংবা রেল যাত্রী, ট্রেন ও রেল অবকাঠামোর ক্ষতিসাধনের চেষ্টা চোখে পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে নিকটস্থ রেলস্টেশনে দায়িত্বরত কর্মচারী, সংশ্লিষ্ট গেটকিপার অথবা রেল পুলিশকে অবহিত করার জন্য সাধারণ জনগণের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এ ছাড়া বাংলাদেশ রেলওয়ের হটলাইন ১৩১ নম্বরে কল করেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা যাবে বলে অফিস আদেশে জানানো হয়েছে।
এমএন
জাতীয়
নির্বাচনে আসছে ৩৩০ জন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট পর্যবেক্ষণে এখন পর্যন্ত ৩৩০ জন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক বাংলাদেশে আসবেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছেন। এর মধ্যে ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি)-সহ ছয়টি আন্তর্জাতিক সংস্থা অন্তত ৬৩ জন পর্যবেক্ষক পাঠাতে সম্মত হয়েছে। এসব পর্যবেক্ষকের সঙ্গে যুক্ত হবেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের পর্যবেক্ষক দল, ১৬টি দেশের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ৩২ জন ব্যক্তি।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) দুপুরে প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার এ তথ্য জানান।
আসন্ন নির্বাচনে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকের এই সংখ্যা ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত বিতর্কিত সাধারণ নির্বাচনের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। ওই নির্বাচনে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ছিল তুলনামূলকভাবে কম। এর আগে ১২তম, ১১তম ও ১০তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ১৫৮, ১২৫ এবং মাত্র চারজন।
ওআইসির নির্বাচন পর্যবেক্ষক ইউনিটের প্রধান শাকির মাহমুদ বান্দার দুই সদস্যের পর্যবেক্ষক দলের নেতৃত্ব দেবেন। এ ছাড়া এশিয়ান নেটওয়ার্ক ফর ফ্রি ইলেকশনস (এএনএফআরইএল) থেকে ২৮ জন, কমনওয়েলথ সেক্রেটারিয়েট থেকে ২৫ জন, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউট (আইআরআই) থেকে সাতজন এবং ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ইনস্টিটিউট (এনডিআই) থেকে একজন পর্যবেক্ষক আসবেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ভয়েস ফর জাস্টিস, ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল, এসএনএএস আফ্রিকা, সার্ক হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশন এবং পোলিশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্সসহ বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিত্বকারী ৩২ জন পর্যবেক্ষক ব্যক্তিগত পর্যায়ে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবেন।
আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক সমন্বয়ের দায়িত্বে থাকা জ্যেষ্ঠ সচিব ও এসডিজি সমন্বয়ক লামিয়া মুরশেদ বলেন, আমরা আশা করছি আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকের সংখ্যা আরও বাড়বে, কারণ যেসব দেশকে পর্যবেক্ষক পাঠানোর আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, তাদের কয়েকটি এখনও প্রতিনিধি দলের নাম নিশ্চিত করেনি।
এখনো যেসব দেশ প্রতিনিধি নিশ্চিত করেনি, সেগুলো হলো—ভারত, নেপাল, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, কানাডা, মিসর, ফ্রান্স, কুয়েত, মরক্কো, নাইজেরিয়া ও রোমানিয়া।
এ ছাড়া দক্ষিণ এশিয়ার নির্বাচন ব্যবস্থাপনা সংস্থাগুলোর ফোরাম (ফেম্বোসা) শিগগিরই তাদের প্রতিনিধিদের নাম ঘোষণা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এবারের নির্বাচনে ৫০টিরও বেশি রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ প্রায় দুই হাজার প্রার্থী ৩০০টি সংসদীয় আসনের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি একই দিনে জুলাই জাতীয় সনদ নিয়ে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।
এমএন
জাতীয়
দেশে এসেছে প্রবাসীদের ১ লাখ ৪৫ হাজার ব্যালট
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোট দিতে ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধনকারী প্রবাসীরা দেশে ব্যালট পাঠানো শুরু করেছে। এখন পর্যন্ত ১ লাখ ৪৪ হাজার ৮৬০টি প্রবাসীর ব্যালট বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছে।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) এ তথ্য জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
ইসি জানিয়েছে, বিভিন্ন দেশে ৭ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬২টি পোস্টাল ব্যালট পাঠানো হয়েছে। প্রবাসীরা গ্রহণ করেছেন ৫ লাখ ১৮ হাজার ৩৪৫টি পোস্টাল ব্যালট।
এর মধ্যে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিয়েছেন ৪ লাখ ৫৮ হাজার ৫৯ জন প্রবাসী এবং দেশে ফেরত পাঠাতে পোস্ট অফিসে পোস্টাল ব্যালট জমা রয়েছে ৪ লাখ ১০ হাজার ৯২৮ জন প্রবাসীর। আর বাংলাদেশে এসেছে ১ লাখ ৪৪ হাজার ৮৬০টি পোস্টাল ব্যালট।
এদিকে দেশের অভ্যন্তরে অবস্থিত ভোটারদের কাছে পাঠানো হয়েছে ৫ লাখ ১৮ হাজার ৬০৩টি ব্যালট। এর মধ্যে গ্রহণ করেছেন ৭ হাজার ৩৬৭ জন ভোটার। ভোট দিয়েছেন ৪ হাজার ৯০২ জন। আর পোস্ট অফিসে জমা দিয়েছেন ২ হাজার ৩৯৪ জন।
পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার জন্য অ্যাপে নিবন্ধন করেছিলেন ১৫ লাখ ৩৩ হাজারের বেশি ভোটার।
এমএন
জাতীয়
সীমান্ত সুরক্ষিত রেখেই নির্বাচনী দায়িত্বে বিজিবির ৩৭ হাজার সদস্য
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে সারাদেশে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। ভোটাররা যাতে কোনো প্রকার শঙ্কা ছাড়াই ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেজন্য আজ থেকেই দেশব্যাপী বিজিবি সদস্যদের মোতায়েন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বিজিবি সদর দফতর সূত্র জানায়, দেশের ৪ হাজার ৪২৭ কিলোমিটার সীমান্ত সম্পূর্ণ সুরক্ষিত রেখেই সারা দেশে ৩৭ হাজারেরও অধিক বিজিবি সদস্য মোতায়েন থাকবে। দেশের ৪৯৫টি উপজেলার মধ্যে ৪৮৯টি উপজেলায় বিজিবি নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করবে। পাশাপাশি সীমান্তবর্তী ৬১টি উপজেলায় বিজিবি এককভাবে নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করবে।
ঝুঁকি বিবেচনায় সারাদেশের ৩০০টি সংসদীয় আসনেই বিজিবি মোবাইল ও স্ট্যাটিক ফোর্স হিসেবে দায়িত্বে থাকবে। উপজেলা ভেদে ২ থেকে ৪ প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েন থাকার কথা রয়েছে।
বিজিবি সদর দফতর সূত্র জানায়, নির্বাচনকালীন যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবির র্যাপিড অ্যাকশন টিম (আরএটি) এবং হেলিকপ্টারসহ কুইক রেস্পন্স ফোর্স (কিউআরএফ) প্রস্তুত থাকবে। যারা প্রয়োজন হলে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে সক্ষম হবে। পাশাপাশি নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও জোরদার করতে বিশেষায়িত কে-নাইন ডগ স্কোয়াড ইউনিটও মোতায়েন থাকবে।
এমএন



