Connect with us

আন্তর্জাতিক

একযোগে পাকিস্তানের ১২ স্থানে হামলা, নিহত ৪৭

Published

on

কেডিএস

পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ বেলুচিস্তানের ১২টি স্থানে একযোগে সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে। এ সময় সন্ত্রাসীদের সঙ্গে সংঘর্ষে নিরাপত্তা বাহিনীর অন্তত ১০ সদস্য প্রাণ হারিয়েছেন। নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে ৩৭ সন্ত্রাসীও নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির সামরিক বাহিনী।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানের শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ডন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনীর একটি সূত্র বলেছে, ভারতের মদদপুষ্ট ‘ফিতনা আল হিন্দুস্তান’ গোষ্ঠীর সদস্যরা বেলুচিস্তানজুড়ে ১২টি স্থানে হামলা চালিয়েছে। তবে, সময়োপযোগী ও কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে তাদের সব হামলাই ব্যর্থ করে দেওয়া হয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ওই সূত্র বলেছে, ফিতনা আল হিন্দুস্তানের সঙ্গে যুক্ত ৩৭ জন সন্ত্রাসীকে ‘নরকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।’ দেশটির অপর এক নিরাপত্তা সূত্র বলেছে, সন্ত্রাসীদের সঙ্গে সংঘর্ষে নিরাপত্তা বাহিনী ও পুলিশের ১০ সদস্য নিহত হয়েছেন।

এদিকে রেডিও প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিভিন্ন স্থানে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযান ও সংঘর্ষ এখনও চলছে। এই অভিযানে আরও কয়েকজন সন্ত্রাসীর হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যাচ্ছে।

আরেকটি নিরাপত্তা সূত্র বলেছে, গত ৪৮ ঘণ্টায় বেলুচিস্তানে মোট ৮৮ সন্ত্রাসী নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার বেলুচিস্তানের হারনাই ও পাঞ্জগুর জেলায় নিরাপত্তা বাহিনীর গোপন তথ্যের ভিত্তিতে চালানো অভিযানে অন্তত ৪১ সন্ত্রাসী নিহত হয়েছেন।

বেলুচিস্তানের মুখ্যমন্ত্রীর রাজনৈতিক ও গণমাধ্যমবিষয়ক বিশেষ সহকারী রিন্দ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লেখেন, গত দুই দিনে প্রদেশের বিভিন্ন স্থানে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে ৭০ জনের বেশি সন্ত্রাসী নিহত হওয়ার পরপরই এসব হামলা হয়েছে।

ডন বলছে, হামলার পর কুয়েটা, সিবি ও চামানে মোবাইল ফোন সেবা চালু থাকলেও ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। বেলুচিস্তানের পরিকল্পনামন্ত্রী মীর জহুর আহমেদ বুলেদি সরকারি সম্পদের ক্ষতি এবং নাগরিকদের মাঝে আতঙ্ক সৃষ্টির ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তিনি লিখেছেন, এই সহিংসতার সঙ্গে জড়িত অপরাধীরা বেলুচিস্তানকে জিম্মি করতে পারবে না। জনগণের সমর্থনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সন্ত্রাসীদের ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে দিয়েছে।

এমএন

শেয়ার করুন:-

আন্তর্জাতিক

যুদ্ধবিরতির মধ্যে গাজায় হামলা চালিয়ে ছয় শিশুসহ ১৯ জনকে হত্যা

Published

on

কেডিএস

যুদ্ধবিরতি চলা সত্ত্বেও ফিলিস্তিনের গাজায় আবারও হামলা চালিয়ে ছয় শিশুসহ ১৯ জনকে হত্যা করেছে ইসরায়েল। শনিবার ভোরে গাজা সিটি ও দক্ষিণাঞ্চলীয় খান ইউনিসে এসব হামলা চালানো হয়। চিকিৎসা সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে আল-জাজিরা।

এদিকে এই হামলার একদিন পরই গাজা ও মিসরের মধ্যকার রাফাহ সীমান্ত ক্রসিং পুনরায় খোলার কথা রয়েছে। রোববার সীমান্তটি চালু হলে ২০২৪ সালের মে মাসের পর এই প্রথমবারের মতো এটি ব্যবহারযোগ্য হবে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

গাজার সরকারি মিডিয়া অফিস জানিয়েছে, গত বছরের ১০ অক্টোবর থেকে গাজায় যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে। এর ফলে ইসরায়েলি বাহিনী এবং ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের মধ্যে লড়াই মূলত বন্ধ থাকলেও উভয় পক্ষই চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে আসছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযানে ৫০০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে সংস্থাটি।

২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে এখন পর্যন্ত ৭১ হাজার ৭৬৯ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১ লাখ ৭১ হাজার ৪৮৩ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ। বিপুলসংখ্যক মানুষ এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নেতৃত্বে চালানো হামলায় ইসরায়েলে ১ হাজার ১৩৯ জন নিহত হন। ওই সময় প্রায় ২৫০ জনকে জিম্মি করে গাজায় নিয়ে যাওয়া হয়।

এমএন

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

২০০ বছরের ইতিহাসে রাশিয়ায় সর্বোচ্চ তুষারপাত

Published

on

কেডিএস

রাশিয়ার রাজধানী মস্কোতে এই মাসে যে পরিমান তুষারপাত হয়েছে তা দেশটির বিগত ২০০ বছরের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। বেশ কিছু এলাকায় তুষারের স্তর ৬০ থেকে ৯২ সেন্টিমিটার পর্যন্ত গভীর বলে জানা গেছে।

মস্কো স্টেট ইউনিভার্সিটির আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা এমন তথ্য জানিয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ মানুষের শহর মস্কো। শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রকাশিত ছবিতে ভারী তুষারপাত স্পষ্ট বুঝা যাচ্ছে। এমন তুষারপাতে মস্কোতে বসবাস করা নাগরিকরা উভয় সংকটে পড়েছেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

মস্কো এলাকা জুড়ে কমিউটার ট্রেনের সময়সূচি বিলম্ব এবং অনেক ক্ষেত্রে তা বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া রাস্তা জুড়ে গাড়ির দীর্ঘ যানজট দেখা গেছে। শহরের কিছু অংশে মানুষের দেখাই পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।

এমএন

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

রাশিয়ার পরিবর্তে অন্য দেশ থেকে ভারতকে তেল কেনার প্রস্তাব ট্রাম্পের

Published

on

কেডিএস

রাশিয়ার কাছ থেকে খনিজ তেল কেনার জেরে ভারতের ওপর আরোপিত চড়া শুল্ক কমাতে নতুন প্রস্তাব দিয়েছে আমেরিকা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতকে রাশিয়ার পরিবর্তে ভেনেজুয়েলা থেকে তেল আমদানির আহ্বান জানিয়েছেন।

রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, নয়াদিল্লি এই প্রস্তাবে রাজি হলে ভারতীয় পণ্যের ওপর থেকে মার্কিন শুল্ক কমতে পারে এবং দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ভারত-আমেরিকা বাণিজ্যচুক্তিও চূড়ান্ত হতে পারে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

২০২৫ সালে ভেনেজুয়েলা ও রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনার কারণে দুই দফায় ২৫ শতাংশ করে মোট ৫০ শতাংশ শুল্ক ভারতের ওপর আরোপ করে আমেরিকা। এই চড়া শুল্কের প্রভাবে দুই দেশের বাণিজ্যিক লেনদেন দীর্ঘ দিন ধরে তলানিতে ঠেকেছে। মূলত রাশিয়ার তেলের ওপর ভারতের নির্ভরতা কমিয়ে মস্কোর রাজস্ব আয়ে ধাক্কা দেওয়াই ট্রাম্প প্রশাসনের মূল লক্ষ্য, যাতে ইউক্রেন যুদ্ধে পুতিন অর্থায়ন করতে না পারেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

যে ভেনেজুয়েলার তেল কেনার কারণে এক সময় শুল্ক আরোপ করা হয়েছিল, এখন সেই দেশ থেকেই তেল কেনার প্রস্তাব দিচ্ছে ওয়াশিংটন। এর নেপথ্যে রয়েছে ভূ-রাজনৈতিক পটপরিবর্তন। গত ৩ জানুয়ারি মার্কিন বাহিনী ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহণ করার পর দেশটির বিশাল তৈলভান্ডার এখন আমেরিকার পরোক্ষ নিয়ন্ত্রণে। ফলে আমেরিকা এখন চাইছে ভারত রাশিয়ার বদলে তাদের নিয়ন্ত্রিত ভেনেজুয়েলা থেকে তেল সংগ্রহ করুক।

সূত্র মতে, আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্যিক সমঝোতার পথ প্রশস্ত করতে ভারত ইতোমধ্যে রাশিয়া থেকে তেল আমদানি কমাতে শুরু করেছে। জানুয়ারি মাসে প্রতিদিন ১২ লক্ষ ব্যারেল রুশ তেল কিনলেও ফেব্রুয়ারি মাসে তা ১০ লক্ষ্যে নামিয়ে আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এমনকি আগামীতে এই আমদানির পরিমাণ প্রতিদিন ৫ থেকে ৬ লক্ষ ব্যারেলে নামিয়ে আনা হতে পারে বলে দাবি করা হচ্ছে।

যদিও এই কৌশলগত পরিবর্তন বা বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করা হয়নি।

এমএন 

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

মারাত্মক ধসের মুখে জাতিসংঘ, চাঁদা চাইছেন গুতেরেস

Published

on

কেডিএস

সদস্য রাষ্ট্রগুলোর বকেয়া বার্ষিক চাঁদা ও বিদ্যমান অর্থনৈতিক কাঠামোর কারণে ‘মারাত্মক আর্থিক ধসের’ মুখে পড়েছে জাতিসংঘ। সদ্য বিদায়ী সপ্তাহের শুরুতে সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে পাঠানো এক চিঠিতে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এই গুরুতর সংকটের কথা তুলে ধরেছেন।

চিঠিতে গুতেরেস জাতিসংঘের আর্থিক নিয়ম সংস্কারে সম্মত হতে অথবা সময়মতো ও পূর্ণাঙ্গভাবে চাঁদা পরিশোধ করার আহ্বান জানিয়েছেন সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে। চাঁদা না পেলে সংস্থার কার্যক্রম চালু রাখা কঠিন হয়ে পড়বে বলে চিঠিতে জানিয়েছেন তিনি।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন জাতিসংঘের মুখপাত্র ফারহান হক। খবর আল জাজিরার।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

তিনি বলেছেন, চাঁদা দেওয়ার বিষয়টি ‘এখনই নয়তো কখনোই নয়’-এই অবস্থায় এসে দাঁড়িয়েছে।

যদিও গুতেরেস কোনো নির্দিষ্ট দেশের নাম উল্লেখ করেননি তবে বহুপাক্ষিক সংস্থাগুলোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসনের অর্থায়ন কমানোর কারণে এ সংকট আরও তীব্র হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন এরই মধ্যে জাতিসংঘসহ ৬৬টি সংস্থা থেকে সরে দাঁড়ানোর পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে এবং ‘বোর্ড অব পিস’ নামে একটি নতুন উদ্যোগ চালু করেছে।

জাতিসংঘের তথ্যমতে, সদস্য দেশগুলোর জিডিপি ও অন্যান্য সূচকের ভিত্তিতে বার্ষিক চাঁদা নির্ধারণ করে জাতিসংঘ। মূল বাজেটের ২২ শতাংশ দেয় যুক্তরাষ্ট্র, আর ২০ শতাংশ দেয় চীন। তবে ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ রেকর্ড ১ দশমিক ৫৭ বিলিয়ন ডলার চাঁদা বকেয়া ছিল।

চলতি মাসের শুরুতে জাতিসংঘ ২০২৬ সালের জন্য ৩ দশমিক ৪৫ বিলিয়ন ডলারের বাজেট অনুমোদন করে, যা আগের বছরের তুলনায় ৭ শতাংশ কম। তবুও গুতেরেস সতর্ক করে বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে জুলাইয়ের মধ্যেই সংস্থার নগদ অর্থ শেষ হয়ে যেতে পারে।

জাতিসংঘের ওয়েবসাইট অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) পর্যন্ত ১৯৩টি সদস্য দেশের মধ্যে মাত্র ৩৬টি দেশ ২০২৬ সালের নিয়মিত চাঁদা পুরোপুরি পরিশোধ করেছে।

এমএন

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

নির্বাচন ঘিরে বাংলাদেশে অবস্থানরত নাগরিকদের সতর্ক করল মার্কিন দূতাবাস

Published

on

কেডিএস

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে অবস্থানরত নিজ দেশের নাগরিকদের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করেছে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস।

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ সতর্কবার্তা দেওয়া হয়।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

দূতাবাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এ সময় রাজনৈতিক সহিংসতা বা উগ্রপন্থিদের হামলার আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে জনসমাবেশ, ভোটকেন্দ্র এবং মসজিদ, মন্দির ও গির্জাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় স্থান লক্ষ্যবস্তু হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

বিজ্ঞপ্তিতে মার্কিন নাগরিকদের রাজনৈতিক বিক্ষোভ ও বড় ধরনের সমাবেশ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে আয়োজিত কর্মসূচিতেও যেকোনো সময় সংঘাত বা সহিংসতা দেখা দিতে পারে।

দূতাবাস আরও জানায়, নির্বাচন উপলক্ষে বাংলাদেশ সরকার আগামী ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সব ধরনের গণপরিবহন চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাশাপাশি ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে মোটরসাইকেল চলাচলের ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আগামী ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি ঢাকার মার্কিন দূতাবাসে কনস্যুলার সেবা সীমিত থাকবে।

মার্কিন নাগরিকদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কয়েকটি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে, বড় ধরনের ভিড় ও বিক্ষোভের স্থান এড়িয়ে চলা, স্থানীয় সংবাদমাধ্যম নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা, আশপাশের পরিস্থিতি সম্পর্কে সচেতন থাকা, বাইরে বের হওয়া সীমিত রাখা, জরুরি যোগাযোগের জন্য সবসময় চার্জ দেওয়া মোবাইল ফোন সঙ্গে রাখা, ব্যক্তিগত নিরাপত্তা পরিকল্পনা পর্যালোচনা করা এবং যাতায়াতের জন্য বিকল্প রুট নির্ধারণ করে রাখা।

এমএন

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

পুঁজিবাজারের সর্বশেষ

কেডিএস কেডিএস
পুঁজিবাজার1 hour ago

কেডিএস এক্সেসরিজের আয় কমেছে ৮ শতাংশ

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি কেডিএস এক্সেসরিজ লিমিটেড গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে সমাপ্ত দ্বিতীয় প্রান্তিকের (অক্টোবর’২৫-ডিসেম্বর’২৫) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।...

কেডিএস কেডিএস
পুঁজিবাজার2 hours ago

গোল্ডেন সনের লোকসান বেড়েছে

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি গোল্ডেন সন লিমিটেড গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে সমাপ্ত দ্বিতীয় প্রান্তিকের (অক্টোবর’২৫-ডিসেম্বর’২৫) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।...

কেডিএস কেডিএস
পুঁজিবাজার3 hours ago

সাপ্তাহিক দরপতনের শীর্ষে এফএএস ফাইন্যান্স

বিদায়ী সপ্তাহে (২৫ জানুয়ারি-২৯ জানুয়ারি) প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দরপতনের শীর্ষ তালিকার প্রথম স্থানে রয়েছে এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড...

কেডিএস কেডিএস
পুঁজিবাজার3 hours ago

সাপ্তাহিক দর বৃদ্ধির শীর্ষে মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক

বিদায়ী সপ্তাহে (২৫ জানুয়ারি-২৯ জানুয়ারি) প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) দর বৃদ্ধির শীর্ষ তালিকার প্রথম স্থানে উঠে এসেছে মেঘনা...

কেডিএস কেডিএস
পুঁজিবাজার3 hours ago

সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস

বিদায়ী সপ্তাহে (২৫ জানুয়ারি-২৯ জানুয়ারি) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সর্বোচ্চ লেনদেনের তালিকায় শীর্ষস্থান দখল করেছে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি।। সপ্তাহজুড়ে প্রতিদিন...

কেডিএস কেডিএস
পুঁজিবাজার4 hours ago

অলটেক্সের আয় বেড়েছে ৪০ শতাংশ

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে সমাপ্ত দ্বিতীয় প্রান্তিকের (অক্টোবর’২৫-ডিসেম্বর’২৫) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।...

কেডিএস কেডিএস
পুঁজিবাজার4 hours ago

সিলকো ফার্মার আয় বেড়েছে ৯ শতাংশ

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি সিলকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে সমাপ্ত দ্বিতীয় প্রান্তিকের (অক্টোবর’২৫-ডিসেম্বর’২৫) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।...

সোশ্যাল মিডিয়া

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

কেডিএস
জাতীয়8 minutes ago

নির্বাচন সামনে রেখে রেলে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ

কেডিএস
সারাদেশ17 minutes ago

দীর্ঘ এক মাস পর উৎপাদনে ফিরেছে পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র

কেডিএস
আন্তর্জাতিক40 minutes ago

যুদ্ধবিরতির মধ্যে গাজায় হামলা চালিয়ে ছয় শিশুসহ ১৯ জনকে হত্যা

কেডিএস
পুঁজিবাজার1 hour ago

কেডিএস এক্সেসরিজের আয় কমেছে ৮ শতাংশ

কেডিএস
জাতীয়2 hours ago

নির্বাচনে আসছে ৩৩০ জন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক

কেডিএস
জাতীয়2 hours ago

হজযাত্রীদের ভিসা নিয়ে সরকারের নতুন বার্তা

কেডিএস
আন্তর্জাতিক2 hours ago

একযোগে পাকিস্তানের ১২ স্থানে হামলা, নিহত ৪৭

কেডিএস
পুঁজিবাজার2 hours ago

গোল্ডেন সনের লোকসান বেড়েছে

কেডিএস
পুঁজিবাজার3 hours ago

সাপ্তাহিক দরপতনের শীর্ষে এফএএস ফাইন্যান্স

কেডিএস
পুঁজিবাজার3 hours ago

সাপ্তাহিক দর বৃদ্ধির শীর্ষে মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক

কেডিএস
জাতীয়8 minutes ago

নির্বাচন সামনে রেখে রেলে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ

কেডিএস
সারাদেশ17 minutes ago

দীর্ঘ এক মাস পর উৎপাদনে ফিরেছে পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র

কেডিএস
আন্তর্জাতিক40 minutes ago

যুদ্ধবিরতির মধ্যে গাজায় হামলা চালিয়ে ছয় শিশুসহ ১৯ জনকে হত্যা

কেডিএস
পুঁজিবাজার1 hour ago

কেডিএস এক্সেসরিজের আয় কমেছে ৮ শতাংশ

কেডিএস
জাতীয়2 hours ago

নির্বাচনে আসছে ৩৩০ জন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক

কেডিএস
জাতীয়2 hours ago

হজযাত্রীদের ভিসা নিয়ে সরকারের নতুন বার্তা

কেডিএস
আন্তর্জাতিক2 hours ago

একযোগে পাকিস্তানের ১২ স্থানে হামলা, নিহত ৪৭

কেডিএস
পুঁজিবাজার2 hours ago

গোল্ডেন সনের লোকসান বেড়েছে

কেডিএস
পুঁজিবাজার3 hours ago

সাপ্তাহিক দরপতনের শীর্ষে এফএএস ফাইন্যান্স

কেডিএস
পুঁজিবাজার3 hours ago

সাপ্তাহিক দর বৃদ্ধির শীর্ষে মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক

কেডিএস
জাতীয়8 minutes ago

নির্বাচন সামনে রেখে রেলে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ

কেডিএস
সারাদেশ17 minutes ago

দীর্ঘ এক মাস পর উৎপাদনে ফিরেছে পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র

কেডিএস
আন্তর্জাতিক40 minutes ago

যুদ্ধবিরতির মধ্যে গাজায় হামলা চালিয়ে ছয় শিশুসহ ১৯ জনকে হত্যা

কেডিএস
পুঁজিবাজার1 hour ago

কেডিএস এক্সেসরিজের আয় কমেছে ৮ শতাংশ

কেডিএস
জাতীয়2 hours ago

নির্বাচনে আসছে ৩৩০ জন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক

কেডিএস
জাতীয়2 hours ago

হজযাত্রীদের ভিসা নিয়ে সরকারের নতুন বার্তা

কেডিএস
আন্তর্জাতিক2 hours ago

একযোগে পাকিস্তানের ১২ স্থানে হামলা, নিহত ৪৭

কেডিএস
পুঁজিবাজার2 hours ago

গোল্ডেন সনের লোকসান বেড়েছে

কেডিএস
পুঁজিবাজার3 hours ago

সাপ্তাহিক দরপতনের শীর্ষে এফএএস ফাইন্যান্স

কেডিএস
পুঁজিবাজার3 hours ago

সাপ্তাহিক দর বৃদ্ধির শীর্ষে মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক