রাজনীতি
৩৬ দফা ইশতেহার ঘোষণা করলো এনসিপি
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নতুন রাজনৈতিক দল ও ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের অন্যতম শরিক জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) তাদের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর গুলশানে লেকশোর গ্র্যান্ড হোটেলের লা ভিতা হলে এই ইশতেহার ঘোষণা করে দলটি। ইশতেহারে ৩৬টি প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে এনসিপির পক্ষ থেকে।
‘তারুণ্য ও মর্যাদার ইশতেহার’ শিরোনামে ঘোষিত এই ইশতেহারে নাজুক জনগোষ্ঠীর দারিদ্র্যের চক্র ভাঙতে বিশেষ প্রকল্প গ্রহণের অঙ্গীকার রয়েছে।
ইশতেহার ঘোষণার অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এবং দলের মুখপাত্র ও কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদসহ শীর্ষ নেতারা।
এছাড়া, অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিতি ছিলেন।
এমএন
রাজনীতি
দীর্ঘদিনের দলীয়করণ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে দুর্বল করেছে: আসিফ মাহমুদ
দীর্ঘদিনের দলীয়করণ, ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ ও বিচারহীনতা রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে দুর্বল করেছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া।
তিনি বলেছেন, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান দুর্বল হয়ে পড়ায় নাগরিক অধিকার সংকুচিত হয়েছে। যার পরিণতি ছিল একটি ফ্যাসিবাদী কাঠামো। স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও আমরা গণতন্ত্র, সাম্য এবং মানবিক মর্যাদা এবং জনকল্যাণকর একটি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে ব্যর্থ হয়েছি। এই ব্যর্থতা এবং এই বাস্তবতা স্বীকার করাই আমাদের রাষ্ট্র সংস্কারের প্রথম ধাপ বলে আমরা মনে করি।
শুক্রবার (৩০ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর গুলশানের লেকশোর গ্র্যান্ড হোটেলের লা ভিতা হলে এনসিপির নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন আসিফ মাহমুদ। তিনি বলেন, গণতন্ত্র এবং ভোটাধিকার থেকে দীর্ঘদিন বাংলাদেশের জনগণ বঞ্চিত হয়ে আসছে। সেই ভোটাধিকারের একটি নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে।
আসিফ মাহমুদ বলেন, জাতীয় নাগরিক পার্টি বিশ্বাস করে মৌলিক ও কাঠামোগত সংস্কার ছাড়া স্থায়ী গণতান্ত্রিক রূপান্তর সম্ভব নয়। সেকেন্ড রিপাবলিক কোনো স্লোগান নয়। এটি একটি জবাবদিহিতামূলক অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার।
তিনি আরও বলেন, ইশতেহারের মধ্য দিয়ে আগামী পাঁচ বছরে বাস্তবতার ভিত্তিতে যতটুকু বাস্তবায়ন সম্ভব এবং যতটুকু আমরা বাস্তবায়ন করতে পারবো বলে বিশ্বাস করি ততটুকুই দেশের মানুষকে প্রমিস করতে চাই।
আসিফ মাহমুদ আরও বলেন, এই ইশতেহার জনগণের সঙ্গে দীর্ঘ কথোপকথনের ফল। আপনারা জানেন জুলাই পথযাত্রা থেকে শুরু করে আমরা দেশের পথে পথে গিয়েছি, আমরা মানুষের কথা শুনেছি, মানুষ আমাদের তাদের বক্তব্যগুলো দিয়েছেন। তাদের দাবিগুলো জানিয়েছেন। আমরা সমাজের বিভিন্ন কমিউনিটির সঙ্গে বসেছি। সবার কথার ভিত্তিতে এই ইশতেহার তৈরি হয়েছে। এনসিপি এবং ১১ দলীয় ঐক্য ক্ষমতায় গেলে এই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে আমরা দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করব।
এমকে
রাজনীতি
আত্মমর্যাদা নিয়ে বাঁচবে, এমন বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান তারেক রহমানের
প্রত্যেক মানুষ আত্মমর্যাদা নিয়ে বাঁচতে পারবে, এমন একটি বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে বগুড়া শহরের একটি হোটেলে সিএসএফ গ্লোবালের আয়োজনে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু-কিশোরদের মাঝে হুইলচেয়ার বিতরণ অনুষ্ঠানে এ আহ্বান জানান তিনি। অনুষ্ঠানটির উদ্যোক্তা ছিলেন তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, আসুন আমরা সকলে মিলে এমন একটি বাংলাদেশ গড়ার চেষ্টা করি, যে বাংলাদেশে কমবেশি প্রত্যেকটা মানুষের একটা মর্যাদা তৈরি হবে এবং আত্মমর্যাদা নিয়ে প্রত্যেকে বেঁচে থাকতে পারবে।
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের প্রতি সমাজের দায়িত্ব স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, তাদের অনেকের মধ্যে এমন অনেক গুণ আছে, যা আমাদের অনেকের নেই। সামাজিক, রাজনৈতিক বা রাষ্ট্রীয় সকল অবস্থান থেকে যদি আমরা এই মানুষগুলোর পাশে দাঁড়াই, তবে আমি বিশ্বাস করি বাংলাদেশ অনেক প্রতিভাবান মানুষ বের করে আনতে পারবে।
বিএনপি চেয়ারম্যান আরও বলেন, তাদের জন্য খুব বেশি কিছু করার প্রয়োজন নেই; শুধু একটু সুযোগ করে দেওয়া, যাতে তারা আর দশজনের মতো স্বাভাবিক চলাফেরা করতে পারে এবং নিজেদের বিকশিত করতে পারে। কারণ, তারা আমাদের বাইরের কেউ নয়, তারা আমাদেরই অংশ। আমাদের প্রত্যেকের পরিবারের মধ্যেই হয়তো এমন কেউ না কেউ আছে।
এ সময় তারেক রহমান উপস্থিত সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, আসুন আজকের এই দিনে আমরা একটি শপথ নিই, আমাদের যার যার অবস্থান থেকে যতটুকু সম্ভব প্রতিবন্ধী ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষের পাশে দাঁড়াব এবং তাদের সহযোগিতা করব।
অনুষ্ঠানে প্রথমবারের মতো বগুড়ায় বক্তব্য রাখেন ডা. জোবাইদা রহমান। আগামীর বাংলাদেশ নিয়ে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় বিএনপি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
অনুষ্ঠানে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ১০ জন শিশুকে হুইলচেয়ার উপহার দেওয়া হয়। তারেক রহমান নিজে শিশুদের সঙ্গে কথা বলেন, তাদের খোঁজখবর নেন এবং শিশুদের পরিবেশনায় গান উপভোগ করেন। এ সময় আবেগঘন এক পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
এমএন
রাজনীতি
জামায়াত ক্ষমতায় গেলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন নারীরা: রিজভী
জামায়াত ক্ষমতায় গেলে বাংলাদেশের নারীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন বলে জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারম্যান কার্যালয়ে ভুক্তভোগী নারী কর্মীদের সঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
রুহুল কবির রিজভী অভিযোগ করেন, বিএনপির নারী কর্মী ও সমর্থকরা প্রতিনিয়ত জামায়াত ও ছাত্র শিবিরের আক্রমণের শিকার হচ্ছেন।
তিনি বলেন, ধর্মকে ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেশের নারীদের সম্পর্কে অশ্লীল মন্তব্য করছে একটি রাজনৈতিক দলের বট বাহিনী।
তিনি আরও জানান, জামায়াত ও ছাত্র শিবির নারীদের অনলাইন ও অফলাইন সব মাধ্যমে শারীরিক ও মানসিকভাবে হেনস্তা করছে এবং বিএনপির নারী কর্মীদের হুমকি দিচ্ছে।
বিএনপির এই নেতা বলেন, জামায়াতে কোনো নারী সংসদ সদস্য প্রার্থী নেই। দলটির আমির প্রকাশ্যে বলেছেন, তার দলের প্রধান কখনো কোনো নারী হতে পারবে না।
রিজভী আশা প্রকাশ করেন, একটি গুপ্ত দলের গুপ্ত কাজকর্মে দেশের মানুষ পাত্তা দেবে না।
রাজনীতি
প্লেনে চড়ে পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা আমাদের নেই: তারেক রহমান
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আমি দেশে ১৭ বছর থাকতে পারিনি। তাহলে এতো বছর দেশের উন্নয়ন কি হয়নি? যেখানে যাই সবাই বিভিন্ন বিষয়ে আবদার করে। তবে হুট করে প্লেনে চড়ে পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা আমাদের নেই। আমাদের তো আর যাওয়ার কোনো জায়গা নাই।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে নওগাঁ শহরের এটিম মাঠে জেলা বিএনপি আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, গত ১৬ বছর বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্যের কোনো উন্নয়ন ও পরিবর্তন হয়নি। আমরা গ্রামের মানুষের উন্নয়ন ও ভাগ্য পরিবর্তন করতে চাই। নারীদের ভাগ্য পরিবর্তন করতে চাই।
মানুষ যেন নিরাপদ পথে-ঘাটে হাঁটতে পারে এবং নিরাপদে ঘুমাতে পারে সেলক্ষ্যে কাজ করা হবে। ঢাকার অনেক উন্নয়ন হয়েছে। অনেকগুলো ফ্লাইওভার নির্মাণ হয়েছে। মেগা প্রকল্প মানে মেগা দুর্নীতি।
কৃষকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, কৃষকদের ভালো রাখলে বাংলাদেশ ভালো থাকবে। কৃষকদের সুবিধার জন্য শহীদ জিয়া পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ সুদ মওকুফ করে দিয়েছিলেন। আমরা ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ সুদ মওকুফ করে দেবো। দেশের সব কৃষকদের কৃষি কার্ড দেওয়া হবে পর্যায়ক্রমে। যা দিয়ে ফসলের যাবতীয় বীজ-সার পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করব।
যাতে তার অর্থনীতির ভিত্তি শক্ত হয় এবং প্রাকৃতিক ক্ষতি মোকাবিলা করতে পারে। কৃষকদের খরচ কমাতে ফসল ঢাকায় নিতে রেল ব্যবস্থার প্রতি গুরুত্ব দেওয়া হবে এবং ট্রেনে চড়ে মানুষ সহজে ঢাকা যেতে পারে। নির্বাচিত হলে পরের দিন থেকে এলাকার উন্নয়নে কাজ শুরু করব।
নারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, মায়েদের স্বাস্থ্যসেবার জন্য ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। যা দিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিমাসে একটা সুবিধা দেওয়া হবে। গ্রাম-গঞ্জে মায়েরা ভালো চিকিৎসা সেবা পান না। এজন্য গ্রামে হেলথ কেয়ার করা হবে। যাতে ছোট অসুখ ঘরে বসে নিরাময় করতে পারে।
শিক্ষিত বেকারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, পড়ালেখা করলে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার হতে হবে এমন না, খেলোয়াড়ও হতে পারে। এজন্য স্কুল থেকে খেলা শিখতে হবে এবং বিদেশে গিয়ে সুনাম অর্জনসহ অর্থনৈতিকভাবে আয় করতে পারে। সারাদেশে বহুত শিক্ষিত ছেলেমেয়ে আছে। যেহেতু এটা কৃষি অঞ্চল এবং কলকারখানা আছে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা অর্জন করলে তাদের কর্মসংস্থান বাড়বে। আইটি সেক্টরে গুরুত্ব দেওয়া হবে। বিভিন্ন বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে কথা হয়েছে তারা দেশে আসতে চায়। সেখানে আইটি অভিজ্ঞরা কাজ করতে পারেন।
তিনি আরও বলেন, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের প্রতিমাসে সম্মানি দেওয়া হবে। সরকার গঠন করা হলে দাবিগুলো আস্তে আস্তে বাস্তবায়ন করা হবে। আর এ লক্ষ্যে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারিতে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করতে হবে। জুলাই-আগস্টে যারা গুম, খুনের শিকার ও আহত হয়েছে তাদের অনেক ত্যাগ রয়েছে। ষড়যন্ত্র এখনো শেষ হয়নি। একপক্ষ চলে গেছে আরেক পক্ষ আছে। এজন্য ব্যালট বাক্স পাহারা দিতে হবে। তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ে ভোটকেন্দ্র পাহারা দিতে হবে।
এমকে
রাজনীতি
বাংলাদেশে একমাত্র আমরাই ইসলাম দল: চরমোনাই পীর
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহা. রেজাউল করিম (চরমোনাই পীর) বলেছেন, ‘বিএনপি বা জামায়াত নয়, বাংলাদেশে একমাত্র ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশই পূর্ণাঙ্গ ইসলাম প্রতিষ্ঠা করতে চায়। বাংলাদেশে ইসলামের পক্ষের বাক্স একটাই, আর সেটি হলো হাতপাখা। আমরাই একমাত্র ইসলামী দল।’
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী ডিএম একাডেমি মাঠে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি কুড়িগ্রাম- ১ আসনের ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী হারিসুল বারী রনির হাতে হাতপাখা তুলে দিয়ে বলেন, আপনাদের কাছে আমানত রেখে গেলাম। রনিকে হাতপাখায় ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবেন।
তিনি বলেন, ভোট হলো পবিত্র আমানত। পবিত্র আমানত রাখতে হবে পবিত্র জায়গায়। ১২ ফেব্রুয়ারি যে ভোট হবে সেখানে অনেক দলের প্রার্থীরা আমাদের কাছে ভোট চাওয়ার জন্য আসবে। স্থানীয় নির্বাচন ও জাতীয় নির্বাচন এক নয়। স্থানীয় নির্বাচনে দেখা যায় কে বেশি এলাকায় উন্নয়ন করবে। কে আমাদের সঙ্গে সম্পর্ক করবে। আর জাতীয় নির্বাচন হলো যে নির্বাচিত হবে তিনি সংসদে গিয়ে আইন পাশ করবে। সেই আদর্শে দেশ চলবে। দেশ কোন আদর্শে চলবে সেই ভোট দেয়ার নামই জাতীয় নির্বাচন। বিএনপি প্রচলিত আইনে দেশ চালাবে। জামায়াতের ১১ দলীয় জোট নির্বাচিত হলে তারাও প্রচলতি আইনে দেশ চালাবে। আর ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নির্বাচিত হলে ইসলামী নিয়ম আদর্শে দেশ চালাবে।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নাগেশ্বরী উপজেলা শাখার আয়োজনে সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রার্থী হারিসুল বারী রনি। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, এ আসনে ইতোপূর্বে নির্বাচিত হয়েছে কেউ জনগণের জন্য কাজ করেনি। আমি নির্বাচিত হলে এলাকার যোগাযোগ উন্নয়ন হবে। মাদক থাকবে না। মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষা থাকবে।
এমকে



