জাতীয়
সেনাপ্রধানের সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সেনাসদরে রাষ্ট্রদূতের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল সেনাপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তাদের সাক্ষাতের ছবি পোস্ট করে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
ওই ফেসবুক পোস্টে বলা হয়, সাক্ষাৎকালে তারা শুভেচ্ছা বিনিময়ের পাশাপাশি দুদেশের বিদ্যমান সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক আরও বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা করেন।
নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে গত ১২ জানুয়ারি ঢাকায় আসেন ক্রিস্টেনসেন। চার বছর আগে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিষয়ক কাউন্সেলরের দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
জাতীয়
১৯ বছর পর চাকরি ফিরে পাচ্ছেন ৩৩০ পুলিশ কর্মকর্তা
২০০৭ সালে ‘দলীয় বিবেচনায়’ বাতিল হওয়া পুলিশ সার্জেন্ট ও সাব-ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র) পদে নিয়োগের আদেশ প্রত্যাহার করেছে সরকার। ফলে ওই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত ১২৩ পুলিশ সার্জেন্ট ও ২০৭ জন সাব-ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র) চাকরিতে যোগদানের সুযোগ পাচ্ছেন।
সোমবার (১৬ মার্চ) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ শাখা-২ থেকে জারি করা এক আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ২০০৬ সালে নিয়োগের জন্য বাছাইকৃত সার্জেন্ট ও এসআইদের ২০০৭ সালে ‘দলীয় বিবেচনায়’ বাতিল করা হয়।
এখন ওই আদেশ প্রত্যাহার করা হলো। নির্বাচিতদের নির্ধারিত শর্তে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
শর্ত অনুযায়ী, ২০০৭ সালে নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল না হলে আবেদনকারীরা যে তারিখে স্বাভাবিকভাবে চাকরিতে যোগদান করতেন, সেই তারিখ থেকে তাদের ভূতাপেক্ষ জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ করা হবে। তবে এ ক্ষেত্রে কোনো আর্থিক সুবিধা দেওয়া হবে না।
এ ছাড়া নিয়োগপ্রাপ্তদের মৌলিক প্রশিক্ষণকাল ছয় মাস এবং শিক্ষানবিশকাল সর্বোচ্চ দুই বছর নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে আরো বলা হয়, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার ফলাফল এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা বিধিবিধান অনুসরণ করে সংশ্লিষ্ট ব্যাচের গ্রেডেশন তালিকা নির্ধারণ করা হবে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এমএন
জাতীয়
ঈদ উপলক্ষে টানা ৭ দিনের ছুটি শুরু
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশে শুরু হয়েছে টানা সাত দিনের ছুটি। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) শবে কদরের সরকারি ছুটি দিয়ে শুরু হওয়া এই ছুটি চলবে আগামী ২৩ মার্চ পর্যন্ত।
সোমবার (১৬ মার্চ) ছিল ঈদের আগে শেষ কর্মদিবস। কর্মদিবস শেষ হওয়ার পর থেকেই রাজধানীসহ বিভিন্ন শহরের সড়ক ও বাসস্ট্যান্ডে ঘরমুখো মানুষের ঢল নামে। পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে রাজধানী ছাড়তে শুরু করেছেন হাজারো মানুষ।
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২১ মার্চ (শনিবার) দেশে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হতে পারে। সম্ভাব্য এই তারিখকে সামনে রেখে আগেই পাঁচ দিনের ছুটির সূচি নির্ধারণ করেছিল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ১৯ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত ছুটি রাখা হয়। এর মধ্যে ২১ মার্চ ঈদুল ফিতরের দিন সাধারণ ছুটি। এছাড়া ঈদের আগে ১৯ ও ২০ মার্চ এবং ঈদের পর ২২ ও ২৩ মার্চ নির্বাহী আদেশে ছুটি নির্ধারণ করা হয়েছিল।
ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে পূর্বঘোষিত ছুটির সঙ্গে অতিরিক্ত ১৮ মার্চও ছুটি ঘোষণা করে সরকার। ফলে ১৭ মার্চের শবে কদরের ছুটিসহ সরকারি চাকরিজীবীরা টানা সাত দিনের ছুটি পাচ্ছেন।
এর আগে, ঈদযাত্রায় মানুষের ভোগান্তি কমাতে ১৮ মার্চ ছুটি দেওয়ার দাবি ওঠে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ৫ মার্চ মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ বিষয়ে প্রস্তাব করা হয়। পরে ৮ মার্চ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ওই দিন সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মধ্যে কার্যবণ্টন (কার্যপ্রণালি বিধিমালা, ১৯৯৬)-এর তফশিল অনুযায়ী জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ক্ষমতাবলে ১৮ মার্চ নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
তবে জরুরি সেবাগুলো এই ছুটির আওতার বাইরে থাকবে। এর মধ্যে রয়েছে বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি সরবরাহ, ফায়ার সার্ভিস, বন্দর কার্যক্রম, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট সেবা, ডাক বিভাগ এবং সংশ্লিষ্ট যানবাহন ও কর্মীরা।
এ ছাড়া হাসপাতাল, জরুরি চিকিৎসাসেবা, চিকিৎসক ও সংশ্লিষ্ট কর্মী এবং ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম বহনকারী যানবাহনও ছুটির আওতার বাইরে থাকবে। জরুরি কাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসগুলোও খোলা থাকবে।
এমএন
জাতীয়
সিলেট সিটির সব সড়ক ‘এ’ গ্রেডে উন্নীত হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী
শিল্প ও বাণিজ্য এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির ঘোষণা দিয়েছেন, সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) আওতাধীন সব সড়ক ‘এ’ গ্রেডে উন্নীত করার হবে। একই সঙ্গে নগরবাসীর জন্য আধুনিক বিনোদন পার্ক স্থাপন, সুপেয় পানির সমস্যা সমাধান এবং সিলেট থেকে মাদক ও জুয়া চিরতরে নির্মূল করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।
সোমবার (১৬ মার্চ) সকালে সিলেট নগরীর শারদা স্মৃতি ভবনে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সিসিকের উদ্যোগে মহানগরের মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের সম্মানী প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।
ইমাম-মুয়াজ্জিনদের প্রতি সম্মান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘তাদের উন্নয়নে সরকার দুটি লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। ব্যক্তিগত খেয়ালখুশির কারণে যাতে ইমামদের চাকরি না হয় কিংবা চাকরি হারাতে না হয়, সে জন্য একটি নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে। পাশাপাশি তারা যাতে চার-ছয় সদস্যের পরিবার নিয়ে স্বাচ্ছন্দ্যে জীবনযাপন করতে পারেন, সেভাবে সম্মানী নির্ধারণের উদ্যোগ নেয়া হবে।’
সব উন্নয়ন কাজের স্থানীয় তদারকি কমিটিতে ইমামদের অন্তর্ভুক্ত করার কথাও জানান তিনি, যাতে উন্নয়ন কার্যক্রম স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন হয় এবং জনগণের আস্থা বাড়ে।
সিসিকের বর্তমান প্রশাসকের প্রশংসা করে মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এমন একজনকে সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের দায়িত্ব দিয়েছি, যার ওপর দেশের প্রধানমন্ত্রী আস্থাশীল। তার নেতৃত্বে আগামীতে সিলেটে ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হবে।’
সভাপতির বক্তব্যে সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, ‘ইমাম-মুয়াজ্জিনরা যে সম্মানী পান তা অপ্রতুল। পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সিসিকের পক্ষ থেকে তাদের জন্য সামান্য সম্মানীর ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর মাধ্যমে সবার সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।’
নগর উন্নয়নে ইমামদের সহযোগিতা কামনা করে তিনি বলেন, ‘আগে সিলেট সিটি করপোরেশনে ছিল ২৭টি ওয়ার্ড, এখন হয়েছে ৪২টি। এত বড় নগরের সব সমস্যা একা সিটি করপোরেশনের পক্ষে সমাধান করা সম্ভব নয়, যদি না নগরবাসী সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করেন। আমরা একটি পরিচ্ছন্ন ও আধুনিক নগর গড়ে তুলতে চাই। ইমামগণ যদি জুমার খুতবায় নগরবাসীকে সচেতন করেন, তবে আমাদের কাজ অনেক সহজ হবে।’
সিসিক প্রশাসক আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজধানী ঢাকার পরই সিলেটকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। তিনি গ্রিন ও ক্লিন সিলেট গড়তে আমাকে উৎসাহ দিচ্ছেন এবং সার্বিক সহযোগিতা করছেন। আশা করি সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা একটি পরিচ্ছন্ন ও আধুনিক সিলেট গড়ে তুলতে পারব।’
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবী, সিলেট জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীম, জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম এবং সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্য দেন সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার।
অনুষ্ঠানে সিলেট নগরের ৮২৭টি মসজিদের ১ হাজার ৬৪ জন ইমাম ও ১ হাজার ২০১ জন মুয়াজ্জিনের মধ্যে মোট ৩৯ লাখ ৪৪ হাজার ৫০০ টাকা সম্মানী বিতরণ করা হয়।
এমএন
জাতীয়
শেকড় ভুলে গেলে ৫ আগস্ট বার বার ফিরে আসবে: ফরজানা শারমিন
যারা শেকড় ভুলে যায় তাদের শেকড় উপড়ে ফেলতে বার বার ৫ আগস্ট ফিরে আসবে বলে মন্তব্য করেছেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরজানা শারমিন পুতুল।
সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে পাবনার হেমায়েতপুরের মণ্ডলপাড়ার পদ্মকোল খনন উদ্বোধন অষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ফরজানা শারমিন পুতুল বলেন, ‘যারা বলেন আমরা কেনো মাঠে ঘাটে গিয়ে খাল খনন কেন করতেছি? তাদের বলতে চাই- আমাদের শেকড় ভুল গেলে চলবে না। আমরা যারা শেকড় ভুলে যাই, তাদের শেকড় উপড়ে ফেলতে ওই ৫ আগস্ট বার বার ফিরে আসে।
তিনি বলেন, উন্নয়নের জন্য আমাদের সদিচ্ছাই যথেষ্ট। চেয়েছি বলেই আমরা ফ্যামিলি কার্ডের মতো একটি বড় প্রকল্প সরকার গঠনের এক সপ্তাহের মধ্যেই হাতে নিতে পেরেছি। আমরা চেয়েছি বলেই প্রথম ক্যাবিনেট মিটিংয়ে ১০ হাজার টাকা কৃষি ঋণ মওকুফ করতে পেরেছি।
দেশব্যাপী নদী নালা খাল, জলাধার খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচির আওতায় পাবনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধানে মণ্ডলপাড়া থেকে নাজিরপুর পর্যন্ত ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এই খাল খনন করা হবে। এই অঞ্চলের জলাবদ্ধতা, শুষ্ক মৌসুমে এই খালের পানি ব্যবহার, প্রাকৃতিকভাবে মৎস্য উৎপাদনসহ নানা কারণে এই খালটি খনন করা হচ্ছে।
জেলা প্রশাসক ড. শাহেদ মোস্তফার সভাপতিত্বে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম সেলিম রেজা হাবিব, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব, পাবনা পুলিশ সুপার আনোয়ার জাহিদসহ সরকারের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এমএন
জাতীয়
কৃষক ভালো থাকলে বাংলাদেশ ভালো থাকবে: তারেক রহমান
কৃষক ভালো থাকলে বাংলাদেশ ভালো থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, বিএনপি এমন কাজগুলো করে, যে কাজ করলে দেশের মানুষের উপকার হয় ও ভালো থাকে। আগামী ৫ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করা হবে। খাল খননের পর দুপাশে বৃক্ষরোপণ করা হবে।
সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুর ২টার দিকে দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বলরামপুর মৌজার সাহাপাড়ায় ১২ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন কাজ উদ্বোধন শেষে স্থানীয় বিএনপির আয়োজিত সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ খাল পুনঃখনন কাজের মাধ্যমে দেশের ৫৩টি জেলায় একযোগে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।
তারেক রহমান বলেন, খাল খননের মাধ্যমে পানি সমস্যার সমাধান করা হবে। বর্ষার পানিকে কৃষকের কাজে ব্যবহার করতে হবে, এ জন্য বর্ষার পানি ধরে রাখতে হবে। আল্লাহ ধান, চালসহ মৌলিক খাবার আমাদের দেশে উৎপাদনের ব্যবস্থা করেছেন।
তিনি আরও বলেন, আমরা ৩৭ হাজার মায়ের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দিয়েছি। মায়েদের যেমন ফ্যামিলি কার্ড দিয়েছি, কৃষকদেরও কৃষক কার্ড দেওয়া হবে। আমরা কৃষকদের ভালো রাখতে চাই।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা কৃষিভিত্তিক শিল্প কারখানার মালিকদের সঙ্গে বসে কৃষিনির্ভর আর কী কী শিল্প গড়ে তোলা যায়, তা নিয়ে আলোচনা করব।
এর আগে, সকাল সাড়ে ৯টায় একটি অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে ঢাকা বিমানবন্দর থেকে সৈয়দপুর বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। সৈয়দপুর পৌঁছে সেখান থেকে সড়কপথে কর্মসূচিস্থলে যান প্রধানমন্ত্রী।
এরপর সাহাপাড়ায় নিজে কোদাল হাতে খাল খননে নামেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। খাল খনন কর্মসূচিকে ঘিরে স্থানীয় মানুষদের মাঝে আনন্দ ও উচ্ছ্বাস দেখা যায়। এতে পানির সমস্যার সমাধান হবে বলে মনে করছেন তারা।
এমএন




