সারাদেশ
যেসব এলাকায় টানা ৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না আজ
আসন্ন নির্বাচন, রমজান মাস, গ্রীষ্ম ও বর্ষা মৌসুমে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের লক্ষ্যে উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য আজ শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকায় টানা ৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বিতরণ বিভাগ বিউবোর কক্সবাজার দফতর থেকে দেয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সিস্টেম উন্নয়ন কাজ, গাছের বর্ধিত শাখা-প্রশাখা কর্তন এবং আনুষঙ্গিক মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের লক্ষ্যে শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) ৩৩ ও ১১ কেভি ফিডার এলাকায় সকাল ৭টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত মোট ৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
যেসব এলাকায় বিদ্যুৎ থাকবে না- ১১ কেভি বিসিক ফিডারের আওতাধীন পাওয়ার হাউস থেকে মেরিন সিটি পর্যন্ত রাস্তার ডান পার্শ্বে, বিসিক এরিয়া, র্যাব-১৫ অফিস, গণস্বাস্থ্য অফিস, সাদর পাড়া, মুহুরিপাড়া, জানার ঘোনা, ক্যাইম্মার ঘোনা, ফুটখালী, সরকারি কলেজ, ইমাম মুসলিম রোড।
এমকে
সারাদেশ
পালং বাজারে জেলা প্রশাসনের বাজার মনিটরিং, অনিয়মে জরিমানা
পবিত্র ঈদুল ফিতর সামনে রেখে বাজারে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও ভোক্তা অধিকার নিশ্চিত করতে অভিযান চালিয়েছে জেলা প্রশাসন শরীয়তপুর।
রোববার (১৫ মার্চ) সদর উপজেলার পালং বাজারে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নিয়মিত বাজার মনিটরিং কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযান চলাকালে কয়েকটি শপিং মল ও কাপড়ের দোকানে ঈদ উপলক্ষে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে পণ্য বিক্রি করা হচ্ছে কি না এবং ক্রয়-বিক্রয়ের রশিদ সংরক্ষণ করা হচ্ছে কি না তা যাচাই করা হয়।
মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সময় কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে অনিয়ম ধরা পড়ায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী মোট ১২ হাজার টাকা অর্থদণ্ড আরোপ ও আদায় করা হয়।
এ সময় ব্যবসায়ীদের পণ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখার জন্য সতর্ক করা হয় এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয় শরীয়তপুর।
এমএন
সারাদেশ
উপজেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদককে গুলি করে হত্যা
বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক সোহাগ শেখকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার (১৪ মার্চ) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার উদয়পুর ইউনিয়নের পানবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সোহাগ শেখ (৪০) উপজেলার উদয়পুর গ্রামের আবু দাউদ শেখের ছেলে। উদয়পুর বাজারে ‘মেসার্স শেখ ট্রেডার্স’ নামে স্যানিটারি ও হার্ডওয়্যারের একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে তার।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে বাজারে নিজের দোকান বন্ধ করে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন সোহাগ শেখ। বাজারের পশ্চিম পাশে পানের দোকানের সামনে সড়কে পৌঁছালে মোটরসাইকেলে করে আসা অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় সড়কে পড়ে যান তিনি। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত মোল্লাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
মোল্লাহাট থানার ওসি কাজী রমজানুল হক বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অজ্ঞাত সন্ত্রাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বের কারণেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।
উল্লেখ্য, এর আগে গত শনিবার (৭ মার্চ) তার দোকানের কর্মচারী নুর ইসলামকে (২৭) উপজেলার কাহালপুর এলাকায় অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা গুলি করে। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সারাদেশ
রামপাল সড়ক দুর্ঘটনা: জানাজা শেষে একই পরিবারের ৯ সদস্যের দাফন সম্পন্ন
বাগেরহাটের রামপালে নৌবাহিনীর বাস ও মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত মোংলা পৌরসভার বাসিন্দা আব্দুর রাজ্জাকের পরিবারের ৯ সদস্যের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। শুক্রবার (১৩ মার্চ) জুমার নামাজের পর মোংলা সরকারি কবরস্থানে জানাজা শেষে তাদের দাফন করা হয়।
জানাজা ও দাফনে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশ নেন। উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম, বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য মনজুরুল হক রাহাদ, জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন এবং পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাচান চৌধুরী।
দাফন সম্পন্ন হলেও মোংলা পৌরসভার শেলাবুনিয়া গ্রামে শোকের মাতম থামেনি। স্বজন ও প্রতিবেশীদের আহাজারিতে পুরো এলাকার আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে।
স্থানীয়রা জানান, দুর্ঘটনায় আব্দুর রাজ্জাকের দুই ছেলে, এক মেয়ে, এক পুত্রবধূ এবং চার নাতি-নাতনি প্রাণ হারিয়েছেন। বর্তমানে তার স্ত্রী ও তিন ছেলে জীবিত থাকলেও পরিবারের বড় একটি অংশ চিরতরে হারিয়ে গেছে।
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন মোংলা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক, তার ছেলে ও নববিবাহিত বর আহাদুর রহমান সাব্বির, সাব্বিরের ভাই আব্দুল্লাহ সানি, বোন উম্মে সুমাইয়া ঐশী, ঐশীর ছেলে সামিউল ইসলাম ফাহিম। এছাড়া বড় ছেলে আশরাফুল আলম জনির স্ত্রী ফারহানা সিদ্দিকা পুতুল এবং তাদের তিন সন্তান আলিফ, আরফা ও ইরাম। দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন মাইক্রোবাস চালক মো. নাঈম শেখও।
অন্যদিকে কনের পক্ষ থেকে নিহত হয়েছেন নববধূ মার্জিয়া আক্তার (মিতু), তার ছোট বোন লামিয়া আক্তার, দাদি রাশিদা বেগম এবং নানি আনোয়ার বেগম। তাদের বাড়ি খুলনার কয়রা উপজেলার নকশা গ্রামে।
স্ত্রী ও তিন সন্তানকে হারানো আশরাফুল আলম জনি কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, আমার সব শেষ হয়ে গেছে। এক নিমেষেই স্ত্রী, সন্তান, ভাই-বোন সবাইকে হারালাম। আমি এখন কার মুখ চেয়ে বাঁচব?
স্থানীয় বাসিন্দা আলী আজম জানান, খুলনা-মোংলা মহাসড়কটি অত্যন্ত ব্যস্ত হলেও এটি এখনো চার লেনে উন্নীত করা হয়নি। ফলে সরু রাস্তায় প্রায়ই এমন ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে। এলাকাবাসী দ্রুত সড়কটি প্রশস্ত করা এবং এই দুর্ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন জানিয়েছেন, নিহতদের পরিবারকে জেলা প্রশাসনের ত্রাণ তহবিল, জেলা পরিষদ এবং সড়ক পরিবহন আইনের আওতায় আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। ইতোমধ্যে নিহত মাইক্রোবাস চালকের পরিবারকে ৫০ হাজার টাকা সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার খুলনার কয়রা থেকে বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে বরযাত্রীবাহী মাইক্রোবাসটি মোংলায় ফিরছিল। পথে রামপাল উপজেলার বেলাই ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে একটি স্টাফ বাসের সঙ্গে সেটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়, যা এই মর্মান্তিক ট্র্যাজেডির জন্ম দেয়।
সারাদেশ
রামপালে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা: বিয়ে করে ফেরার পথে বর-কনেসহ নিহত ১৩
বাগেরহাটের রামপাল উপজেলায় বিয়ে করে বাড়ি ফেরার পথে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় বর-কনেসহ ১৩ জন নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকেলে উপজেলার বেলাই ব্রিজ এলাকায় নৌবাহিনীর একটি বাস ও যাত্রীবাহী মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
এদিকে দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে চারজনের মরদেহ রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং নয়জনের মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রাখা হয়েছে।
নিহতরা হলেন— বর আহাদুর রহমান সাব্বির, কনে মারজিয়া আক্তার মিতু, কনের বোন লামিয়া, নানি আনোয়ারা বেগম, দাদি রাশিদা বেগম, বরের বাবা বিএনপি নেতা আব্দুর রাজ্জাক, আঞ্জুমান, পুতুল, ঐশী, গাড়িচালক নাঈম শেখ, শিশু ইরাম, সামিউল ও আলিফ।
নিহত কনে মারজিয়া আক্তার মিতুর মামা আবু তাহের জানান, বিয়ের পর বরযাত্রীদের মাইক্রোবাসটি মোংলার শেলাবুনিয়া এলাকায় কনের শ্বশুরবাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয়। বিকেল ৪টার পর রামপালের কাছাকাছি দুর্ঘটনার ঘটে। এতে কনে মিতু, তার বোন লামিয়া, নানি ও দাদিসহ পরিবারের মোট ৪ জন সদস্য নিহত হন।
কাটাখালী হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কে এম হাসানুজ্জামান বলেন, নৌবাহিনীর যাত্রীবাহী বাসটি খুলনার দিকে যাচ্ছিল এবং মাইক্রোবাসটি মোংলার দিকে যাচ্ছিল। পথে বেলাই ব্রিজ এলাকায় দুটি গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে মাইক্রোবাসটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।
রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সুকান্ত কুমার পাল জানান, দুর্ঘটনায় ৪ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে। তাদের মরদেহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে।
অন্যদিকে রাত ৯টার দিকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক মাসরুর আহসান বলেন, এখন পর্যন্ত সেখানে ৯ জনের মরদেহ আনা হয়েছে।
নিহত গাড়িচালক নাঈমের বন্ধু বলেন, বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ফলতিতা বাজার ক্রস করছিলাম। তখন আমার কাছে ফোন আসে রামপালে নাঈম এক্সিডেন্ট করছে। পরে জানতে পানি নৌবাহিনীর একটি বাসের সঙ্গে নাঈমের মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়েছে। ঘটনা শুনে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আসি। এসে দেখলাম নাঈম মারা গেছে।
এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় নবদম্পতির স্বপ্নভঙ্গের পাশাপাশি একাধিক পরিবারের ওপর নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছে।
এমএন
সারাদেশ
১৭ বছরের জঞ্জাল পরিষ্কার করে গড়তে হবে স্বনির্ভর বাংলাদেশ: পানিসম্পদ মন্ত্রী
বিগত ১৭ বছরের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ‘জঞ্জাল’ পরিষ্কার করে জনগণের কাছে সেবা পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) সকালে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার রহমতখালী, ওয়াপদা, জকসিন ও মান্দারী খালসহ বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন। এ্যানি চৌধুরী লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক।
শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, যেহেতু আমরা নির্বাচিত সরকার, তারেক রহমানের নেতৃত্বে সব কাজ সব ডিপার্টমেন্টের সাথে সমন্বয় করে করব। কাজগুলো চালু রাখব, সুযোগ-সুবিধা জনগণের দৌড়গোড়ায় পৌঁছে দেব।
তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান তার জীবদ্দশায় খাল খনন কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন। সে সময় আমরা সেচ সুবিধা পেয়েছি। উৎপাদন দ্বিগুণ হয়েছে। মাছের চাষ বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে আমরা স্বনির্ভর এলাকা গড়তে সক্ষম হয়েছি। এখনো স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে হলে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। প্রেসিডেন্ট জিয়ার খাল খনন কর্মসূচি তারেক রহমানের নেতৃত্বে এগিয়ে যাবে। সেখানে তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করাই আমাদের লক্ষ্য। এটা দেশবাসীর প্রয়োজনে এবং দেশের মানুষের সুবিধা বা স্বার্থের কারণে। সবার সহযোগিতার মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ গড়ার জন্য অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছি, তা আমরা সম্পন্ন করব।
এ্যানি চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১৬ মার্চ দিনাজপুরের কাহারুল উপজেলায় সাহাপাড়া খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন। এর মাধ্যমে খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন। সারাদেশেই আমরা এ কর্মসূচি হাতে নিয়েছি। লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার রহমতখালী, ওয়াপদা জকসিন ও মান্দারী খাল পরিদর্শন করেছি। খালে যে পরিমাণ ময়লা বর্জ্য পড়ে আছে বা দখল হয়ে আছে, এগুলো যদি আমরা কোনভাবেই সরিয়ে না নেই তাহলে খাল খননের সুবিধা আমরা পাব না। সেজন্য একদিকে খাল খনন অব্যাহত থাকবে, পাশাপাশি সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। যারা অবৈধভাবে দখলদার এবং বিভিন্ন জায়গায় ময়রা আবর্জনা ফেলেন তাদের আরও সতর্ক ও সজাগ হতে হবে। সবার আন্তরিকতা এবং সহযোগিতার মাধ্যমে আমরা যে কর্মসূচি হাতে নিয়েছে, এটি সফল হবে বলে আমরা মনে করছি।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী নাহিদ-উজ জামান খান, বাফুফে সহ-সভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপি, সদর (পূর্ব) উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাইন উদ্দিন চৌধুরী রিয়াজ, চন্দ্রগঞ্জ থানা বিএনপির সভাপতি এম বেলাল হোসেন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মহসিন কবির স্বপন ও জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হাসান মাহমুদ ইব্রাহিম প্রমুখ।
এমএন




