পুঁজিবাজার
বিএসইসি বাজার ব্যবস্থাপনার ধারাবাহিক উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: রাশেদ মাকসুদ
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ বলেছেন, নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে বিএসইসি পুঁজিবাজার ব্যবস্থাপনার ধারাবাহিক উন্নয়নে দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সুশাসন জোরদার, স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা সুদৃঢ় করার মাধ্যমে একটি শক্তিশালী ও বিশ্বাসযোগ্য বাজার কাঠামো গড়ে তুলতে কমিশন নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ও জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)-এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর এবং কৌশলগত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন বিএসইসি চেয়ারম্যান।
বিএসইসি প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিএসইসির কার্যালয়ে ‘Sustainable Finance Collaboration’ শীর্ষক এই সমঝোতা স্মারকটি স্বাক্ষরিত হয়। এতে বিএসইসির পক্ষে স্বাক্ষর করেন চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ এবং ইউএনডিপি বাংলাদেশের পক্ষে সংস্থাটির আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফান লিলার।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ইউএনডিপি বাংলাদেশের প্রোগ্রাম স্পেশালিস্ট ড. মালিহা মুজাম্মিল, কান্ট্রি ইকোনমিক অ্যাডভাইজার ওয়াইস প্যারে এবং বিএসইসির কমিশনার মো. আলী আকবর, ফারজানা লালারুখসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
সমঝোতা স্মারকের আওতায় ইউএনডিপি বাংলাদেশ টেকসই অর্থায়ন ও বিনিয়োগ ট্যাক্সোনোমি প্রবর্তন, থিম্যাটিক বন্ড ইস্যুয়ারদের ইস্যুপূর্ব ও ইস্যু-পরবর্তী কারিগরি সহায়তা, কমিশন ও সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের প্রশিক্ষণ, উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর সঙ্গে অভিজ্ঞতা বিনিময়, থিম্যাটিক বন্ডের মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থের যথাযথ ব্যবহার ও প্রকল্প পর্যবেক্ষণ, বন্ড রিপোর্টিং সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী প্রভাব পরিমাপ ও ব্যবস্থাপনা কাঠামো গড়ে তুলতে সহায়তা করবে। পাশাপাশি তৃতীয় পক্ষীয় যাচাইকরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন, ঝুঁকি নিরসন এবং গ্রীন, সোশ্যাল, ক্লাইমেট, টেকসই ও এসডিজি সংশ্লিষ্ট থিম্যাটিক বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কাজ করবে সংস্থাটি।
অনুষ্ঠানে বিএসইসি চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ বলেন, ইউএনডিপি ও অন্যান্য অংশীজনের সঙ্গে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বিএসইসি একটি সহায়ক, পূর্বাভাসযোগ্য ও দৃঢ় নিয়ন্ত্রক পরিবেশ নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। একই সঙ্গে তিনি দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের উৎস হিসেবে পুঁজিবাজারকে শক্তিশালী করা, বন্ড মার্কেটের উন্নয়ন এবং থিম্যাটিক বন্ডের বিকাশের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এ সময় ইউএনডিপি বাংলাদেশের রেসিডেন্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ স্টেফান লিলার বলেন, বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে থিম্যাটিক বন্ডের মাধ্যমে পরিবেশগত ও সামাজিক খাতে উচ্চ প্রভাবসম্পন্ন বিনিয়োগে দীর্ঘমেয়াদি পুঁজি আহরণের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলা, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বজায় রাখা এবং মধ্যম আয়ের ফাঁদ এড়াতে এসব বিনিয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিএসইসির সঙ্গে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে ইউএনডিপি বাংলাদেশ থিম্যাটিক বন্ড বাজারের সহায়ক পরিবেশ আরও জোরদার করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
পুঁজিবাজার
প্রথম প্রান্তিকে লোকসান বেড়েছে এবি ব্যাংকের
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংক খাতের প্রতিষ্ঠান এবি ব্যাংক পিএলসি ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ সমাপ্ত প্রথম প্রান্তিকের (জানুয়ারি–মার্চ) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর তা প্রকাশ করা হয় বলে কোম্পানি সূত্রে জানা গেছে।
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, চলতি হিসাববছরের প্রথম প্রান্তিকে সমন্বিতভাবে ব্যাংকটির শেয়ার প্রতি লোকসান দাঁড়িয়েছে ৯ টাকা ২২ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ২ টাকা ৮৫ পয়সা।
এ সময় শেয়ার প্রতি নগদ প্রবাহ (ক্যাশ ফ্লো) হয়েছে ৫ টাকা ৫০ পয়সা, যেখানে আগের বছরে তা ছিল মাইনাস ৮ টাকা ৮৭ পয়সা।
অন্যদিকে, ৩১ মার্চ ২০২৬ তারিখে ব্যাংকটির শেয়ার প্রতি নিট দায় দাঁড়িয়েছে ৪৫ টাকা ৪১ পয়সা।
পুঁজিবাজার
মেঘনা সিমেন্টের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি মেঘনা সিমেন্ট মিলস পিএলসি গত ৩১ মার্চ, ২০২৬ তারিখে সমাপ্ত তৃতীয় প্রান্তিকের (জানুয়ারি’২৬-মার্চ’২৬) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে চলতি হিসাববছরের তৃতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর তা প্রকাশ করা হয়। কোম্পানি সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, চলতি হিসাববছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারী,২৬-মার্চ,২৬) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি ৪৮ টাকা ১৩ পয়সা লোকসান হয়েছে। গত বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি ২৪ টাকা ৯৫ পয়সা লোকসান হয়েছিল।
গত ৩১ মার্চ ২০২৬ তারিখে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ৫১ টাকা ৩৩ পয়সা।
এমএন
পুঁজিবাজার
বসুন্ধরা পেপার মিলসের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি বসুন্ধরা পেপার মিলস পিএলসি গত ৩১ মার্চ, ২০২৬ তারিখে সমাপ্ত তৃতীয় প্রান্তিকের (জানুয়ারি’২৬-মার্চ’২৬) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে চলতি হিসাববছরের তৃতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর তা প্রকাশ করা হয়। কোম্পানি সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, চলতি হিসাববছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারী,২৬-মার্চ,২৬) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি ২৪ টাকা ২৭ পয়সা লোকসান হয়েছে। গত বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি ১০ টাকা ৬০ পয়সা লোকসান হয়েছিল।
গত ৩১ মার্চ ২০২৬ তারিখে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ৩৩ টাকা ৬০ পয়সা।
এমএন
পুঁজিবাজার
সায়হাম কটনের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি সায়হাম কটন মিলস লিমিটেড গত ৩১ মার্চ, ২০২৬ তারিখে সমাপ্ত তৃতীয় প্রান্তিকের (জানুয়ারি’২৬-মার্চ’২৬) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে চলতি হিসাববছরের তৃতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর তা প্রকাশ করা হয়। কোম্পানি সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, চলতি হিসাববছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারী,২৬-মার্চ,২৬) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (EPS) হয়েছে ৩১ পয়সা। গত বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি ২৯ পয়সা আয় হয়েছিল।
অন্যদিকে, চলতি হিসাববছরের প্রথম তিন প্রান্তিক মিলিয়ে তথা ৯ মাসে (জুলাই,২৫-মার্চ,২৬) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৭৯ পয়সা। গতবছর একই সময়ে ৮৭ পয়সা আয় হয়েছিল।
গত ৩১ মার্চ ২০২৬ তারিখে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ৩৮ টাকা ৪১ পয়সা।
এমএন
পুঁজিবাজার
ইন্দো-বাংলা ফার্মার তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড গত ৩১ মার্চ, ২০২৬ তারিখে সমাপ্ত তৃতীয় প্রান্তিকের (জানুয়ারি’২৬-মার্চ’২৬) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে চলতি হিসাববছরের তৃতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর তা প্রকাশ করা হয়। কোম্পানি সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, চলতি হিসাববছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারী,২৬-মার্চ,২৬) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ পয়সা। যেখানে আগের বছর একই সময়ে লোকসান ছিল ৯ পয়সা।
অন্যদিকে, চলতি হিসাববছরের প্রথম তিন প্রান্তিক মিলিয়ে তথা ৯ মাসে (জুলাই,২৫-মার্চ,২৬) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে লোকসান ছিল ১৭ পয়সা।
গত ৩১ মার্চ ২০২৬ তারিখে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ১২ টাকা ৫৬ পয়সা।
এমএন




