পুঁজিবাজার
‘কমোডিটি ডেরিভেটিভস মার্কেট: এ নিউ ফ্রন্টিয়ার ফর বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনার
চিটাগং স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসি, ক্যাপিটাল মার্কেট সিইও ফোরাম এবং ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্সের যৌথ উদ্যোগে ‘কমোডিটি ডেরিভেটিভস মার্কেট: এ নিউ ফ্রন্টিয়ার ফর বাংলাদেশ’ বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত ২২ জানুয়ারি এনএলআই সিকিউরিটিজের কাওরানবাজারস্থ অফিসে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারে মূল উপস্থাপনা প্রদান করেন সিএসইর এজিএম, মেম্বার সেক্রেটারি ও কমোডিটি এক্সচেঞ্জ প্রোজেক্ট ফয়সাল হুদা।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ন্যাশনাল লাইফ ইন্সুরেন্স পিএলসির চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন, এনএলআই সিকিউরিটিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও সভাপতি ব্যারিস্টার রেদোয়ান হোসেন, সিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম সাইফুর রহমান মজুমদার, জিএম ও কনভেনার, কমোডিটি এক্সচেঞ্জ প্রোজেক্ট মো. মর্তুজা আলম, ক্যাপিটাল মার্কেট সিইও ফোরামের ডিরেক্টর মো. আলী এবং সাধারণ সম্পাদক সুমন দাস। এছাড়াও ক্যাপিটাল মার্কেটের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সিইও, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
ক্যাপিটাল মার্কেট সিইও ফোরামের ডিরেক্টর মো. আলী বলেন, ‘বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে খুব অল্প সংখ্যক কোম্পানি নিয়ে কাজ করা হয়েছে, আরও ডেভেলপমেন্টের সুযোগ রয়েছে। আমাদের প্রোডাক্ট ডাইভারসিফিকেশন নেই বললেই চলে। আমরা যারা সিইও ফোরামে আছি আমাদের চেষ্টা থাকবে পুঁজিবাজারের উন্নয়নে নতুন নতুন প্রোডাক্টের আগমনকে সহায়তা করা এবং সফলতায় যুক্ত হওয়া।’
ন্যাশনাল লাইফ ইন্সুইরেন্স পিএলসির চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন বলেন, ‘আমরা কমোডিটি মার্কেট নিয়ে আশাবাদী। সিএসইর কমোডিটি মার্কেট চালু হলে আমাদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে এবং অর্থনীতির আগ্রসরতায় সহায়ক ভুমিকা পালন করবে বলে আশা রাখছি।’
ক্যাপিটাল মার্কেট সিইও ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সুমন দাস বলেন, ‘আমরা আগেও দেখেছি সিএসই সব সময় নতুন নতুন প্রোডাক্ট আনার ব্যাপারে অগ্রগামী। এক্ষেত্রে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে, সিএসই তাদের সব ধরনের সেবার ক্ষেত্রে খুব ট্রান্সপারেন্ট এবং আধুনিক। এখন তারা কাজ করছে কমোডিটি মার্কেট নিয়ে। আমরা আশা করবো, সব সময়ের মত এবারও তারা সফল হবে এবং পুঁজিবাজারকে আরও ভাইব্রেন্ট করবে।’
সিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম সাইফুর রহমান মজুমদার বলেন, ‘পুঁজিবাজারকে আরও ভাইব্রেন্ট করার অনেক সুযোগ ও সম্ভাবনা রয়েছে। কমোডিটি এক্সচেঞ্জ এমন একটি সম্ভাবনার দ্বার। কমোডিটি মার্কেট স্থাপনের জন্য প্রয়োজন তিন ধরনের কাঠামো, যেগুলো হলো-রেগুলেটরি, টেকনোলজিকাল এবং ইকোসিস্টেম। সিএসই ইতিমধ্যে রেগুলেটরি, টেকনোলজিকাল কাঠামোর কাজ প্রায় সম্পন্ন করেছে এবং ইকোসিস্টেম তৈরির কাজ চলছে। সত্যি বলতে আমাদের ইকুইটি মার্কেট এখনও পরিপূর্ণ নয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমান বিশ্বে বিভিন্ন মার্কেট বিশ্লেষণে দেখা যায়, সর্বমোট ট্রেডের বেশির ভাগই হয় ডেরিভেটিভস মার্কেটে। সে তুলনায় আমাদের মার্কেট অনেক পিছিয়ে। যত দ্রুত কমোডিটি মার্কেট চালু হবে, তত দ্রুত অর্থনীতিতে এর সুফল দেখতে পাওয়া যাবে।’
সিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, ‘কমোডিটি মার্কেটের জন্য টেকনোলজিক্যাল কাঠামো স্থাপনের সাথে আমরা আমাদের পুরো ট্রেডিং সিস্টেমও আপডেট করেছি এবং নতুন টেকনোলজিক্যাল কাঠামোতে বর্তমান ইকুইটি মার্কেট, ডেরিভেটিস মার্কেট এবং ইকুইটি ডেরিভেটিস মার্কেটকে যুক্ত করেছি। এখন প্রয়োজন ইকোসিস্টেমের উন্নয়নে আপনাদের সর্বাত্মক সহযোগিতা এবং সক্রিয় অংশগ্রহন। আমারা আশা করছি, পুঁজিবাজারের সবার সহযোগিতায় খুব দ্রুত কমোডিটি মার্কেট চালু করতে পারবো।’
পরিশেষে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠানটির সমাপন ঘোষণা করেন ন্যাশনাল লাইফ ইন্সুরেন্স পিএলসির ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিএফও প্রবির চন্দ্র দাস।
এমকে
পুঁজিবাজার
ডিএসইতে পিই রেশিও বেড়েছে ৩ শতাংশ
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বিদায়ী সপ্তাহে সার্বিক মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) ৩ শতাংশ বেড়েছে।
ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
জানা গেছে, বিদায়ী সপ্তাহের শুরুতে ৯.৫৩ পয়েন্টে আর সপ্তাহ শেষে পিই রেশিও অবস্থান করছে ৯.৭৭ পয়েন্টে। অর্থ্যাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর পিই রেশিও ০.২৪ পয়েন্ট বা ৩ শতাংশ বেড়েছে।
পুঁজিবাজার
সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষে ওরিয়ন ইনফিউশন
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষে উঠে এসেছে ওরিয়ন ইনফিউশন লিমিটেড।
ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
জানা গেছে, সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির ২৮ কোটি ৬৯ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা ছিল ডিএসইর মোট লেনদেনের ৫.৪০ শতাংশ।
তালিকার দ্বিতীয় স্থানে থাকা সিটি ব্যাংকের ২৭ কোটি ১২ লাখ ৫০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা ছিল ডিএসইর লেনদেনের ৫.১০ শতাংশ।
তৃতীয় স্থানে থাকা অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজের ১৬ কোটি ৭১ লাখ ৭০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা ছিল ডিএসইর লেনদেনের ৩.১৫ শতাংশ।
লেনদেনের তালিকায় থাকা অন্যান্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে- ব্র্যাক ব্যাংকের ১৬ কোটি ৪১ লাখ ৫০ হাজার টাকা , রবি আজিয়াটার ১৫ কোটি ৮৯ লাখ ৮০ হাজার টাকা , এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজের ১৪ কোটি ৯৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা , খান ব্রাদার্স পিপি ব্যাগের ১৩ কোটি ১ লাখ টাকা , লোভেলোর ১২ কোটি ২৫ লাখ ১০ হাজার টাকা , সামিট অ্যালায়েন্স পোর্টের ১০ কোটি ৪১ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং ইনটেক লিমিটেডের ৯ কোটি ১২ লাখ ৪০ হাজার টাকা লেনদেন হয়েছে।
পুঁজিবাজার
সাপ্তাহিক দর পতনের শীর্ষে সাইফ পাওয়ারটেক
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সাপ্তাহিক শেয়ার দর পতনের শীর্ষে উঠে এসেছে সাইফ পাওয়ারটেক লিমিটেড।
ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
জানা গেছে, সপ্তাহজুড়ে কোম্পানির দর কমেছে ৬ দশমিক ৯৪ শতাংশ। শেয়ারটির সমাপনী মূল্য ছিল ৬.৭০ টাকা।
তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা গ্রীণ ডেল্টার শেয়ার দর কমেছে ৫ দশমিক ৬৮ শতাংশ। শেয়ারটির সমাপনী মূল্য ছিল ৫৩.১০ টাকা।
তালিকায় তৃতীয় স্থানে থাকা রিং-শাইনের শেয়ার দর কমেছে ৫ দশমিক ৪১ শতাংশ। শেয়ারটির সমাপনী মূল্য ছিল ৩.৫০ টাকা।
তালিকায় উঠে আসা অন্যান্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে- দুলামিয়া কটনের ৫.১০ শতাংশ, হামি ইন্ড্রাস্ট্রিজের ৪.৯৮ শতাংশ, ওরিয়ন ইনফিউশনের ৪.৭৬ শতাংশ, নর্দার্ণ জুটের ৪.৫৩ শতাংশ, রেনউইকের ৪.৫১ শতাংশ, এএফসি অ্যাগ্রোর ৪.৩৫ শতাংশ ও মেট্রো স্পিনিংয়ের ৪.১২ শতাংশ শেয়ার দর কমেছে।
পুঁজিবাজার
সাপ্তাহিক দর বৃদ্ধির শীর্ষে ইন্টারন্যাশনাল লিজিং
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সাপ্তাহিক শেয়ার দর বৃদ্ধির শীর্ষে উঠে এসেছে ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স লিমিটেড ।
ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
জানা গেছে, গত সপ্তাহে কোম্পানির দর বেড়েছে ৫০ শতাংশ। শেয়ারটির সমাপনী মূল্য ছিল ৩৩০ টাকা।
তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা পিপলস লিজিংয়ের শেয়ার দর বেড়েছে ৫০ শতাংশ। শেয়ারটির সমাপনী মূল্য ছিল ৩.৬০ টাকা।
তালিকায় তৃতীয় স্থানে ফাস ফাইন্যান্সের শেয়ার দর বেড়েছে ৫০ শতাংশ। শেয়ারটির সমাপনী মূল্য ছিল ৩.৬০ টাকা।
তালিকায় উঠে আসা অন্যান্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে–ফারইস্ট ফাইন্যান্সের ৫০.০০ শতাংশ, প্রিমিয়ার লিজিংয়ের ৪২.৩১ শতাংশ, ফ্যামিলি টেক্সের ২৭.৫৯ শতাংশ, এইচ আর টেক্সটাইলের ২৫.০০ শতাংশ, মেঘনা কনডেন্স মিল্কের ২৩.৬১ শতাংশ, মেঘনা পেটের ২২.৯২ শতাংশ ও প্রাইম ফাইন্যান্সের ১৭.৩৯ শতাংশ শেয়ার দর বেড়েছে।
পুঁজিবাজার
কমার্স ব্যাংক সিকিউরিটিজের সিইও আরিফুলের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ দুদকে
কমার্স ব্যাংক সিকিউরিটিজ অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. আরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে জালিয়াতি, কোটি কোটি টাকার আর্থিক অনিয়ম এবং দুর্নীতির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এছাড়াও নিজের ব্যক্তিগত স্বার্থে প্রতিষ্ঠানের পর্ষদের সিদ্ধান্ত অমান্য করে ডিলার কোডে শেয়ার পার্কিংয়ের (গ্যাম্বলারদের সাথে আঁতাত করে আর্থিক সুবিধার মাধ্যমে উচ্চমূল্যে দুর্বল প্রতিষ্ঠানে শেয়ার ক্রয় করে) মাধ্যমে প্রায় ১০ কোটি টাকার ক্ষতিসাধনের তথ্য সামনে এসেছে।
গত মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড কমিশনে এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে।
দুদক সূত্র জানায়, কমার্স ব্যাংক সিকিউরিটিজে সিইও পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে মো. আরিফুল ইসলাম নিয়োগ প্রক্রিয়ায় জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছেন। তিনি আগের প্রতিষ্ঠান (বিনিময় সিকিউরিটিজ) এ কর্মরত থাকার বিষয়টি ঘোষণা করলেও, কোনো প্রকার ছাড়পত্র ছাড়াই বর্তমান প্রতিষ্ঠানে চুক্তিভিত্তিক সিইও হিসেবে নিয়োগ পান। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি বিভিন্ন আর্থিক অনিয়মে সঙ্গে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে দুদকে। এছাড়াও তাঁর অনৈতিক ও স্বেচারিতার প্রতিবাদ করলেই কর্মকর্তারা হয়রানির শিকার হচ্ছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে, সিইও আরিফুল ইসলাম ডিলার অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে শেয়ার লেনদেনে অনিয়ম এবং মার্জিন অ্যাকাউন্টে ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগ করেছেন। বহুল আলোচিত লাভেলো শেয়ারে ব্যক্তিগত আর্থিক সুবিধার বিনিময়ে বিনিয়োগ করে প্রতিষ্ঠানের কোটি কোটি টাকার লোকসান করলেও নিজে ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ইতিমধ্যেই আলোচিত লাভেলো শেয়ার নিয়ে বিএসইসি একাধিক তদন্ত ও জরিমানা করেছে।
এছাড়া বোর্ডের সিদ্ধান্ত তোয়াক্কা না ১০ কোটি টাকার শেয়ার পার্কিংয়ের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানকে বড় ধরনের আর্থিক বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দিয়েছেন তিনি।
বিএসইসি সূত্র জানায়, অভিযোগ পাওয়া গেছে, মো. আরিফুল ইসলাম নিজে অথরাইজড ট্রেডার না হওয়া সত্ত্বেও সিকিউরিটিজ আইন অমান্য করে দপ্তরের দরজা বন্ধ করে গোপনে ট্রেড পরিচালনার করেন। এছাড়া মার্জিন আইনের তোয়াক্কা না করে নগদ সুবিধার বিনিময়ে নির্দিষ্ট পোর্টফোলিওধারীদের অনৈতিক সুবিধা দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে।
প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরে কর্পোরেট গভর্ন্যান্সের চরম অবনতি ঘটেছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। মানবসম্পদ বিভাগের মাধ্যমে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন, মতের অমিল হলেই বদলি বা বরখাস্তসহ অমানবিক আচরণের অভিযোগও উঠেছে সিইও’র বিরুদ্ধে। এমনকি নতুন বিনিয়োগকারীদের প্ররোচিত করে বিনিয়োগ থেকে বিরত রাখছেন, যা একটি ব্রোকারেজ হাউজের জন্য আত্মঘাতী বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ভুক্তভোগী কর্মকর্তা ও বিনিয়োগকারীরা এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে মো. আরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে দ্রুত কার্যকর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন দুদক ও বিএসইতে দেওয়া লিখিত অভিযোগে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মো. আরিফুল ইসলাম অর্থসংবাদকে বলেন, বিনিয়োগ করার ক্ষেত্রে বোর্ডের অনুমতি দরকার নেই, কমিটি অনুমোদন দেয়। আর্থিক সুবিধা নিয়ে লাভেলোর শেয়ার পার্কিংয়ের বিষয়ে জানতে চাইলে বিষয়টি কৌশলে এড়িয়ে গিয়ে বলেন, সল্প সময়ের জন্য বিনিয়োগ গিয়ে লাভেলোতে লংটার্ম বিনিয়োগ হয়ে গেছে এবং ১০-১২% লোকসানে আছি।এছাড়াও আমাদের কোম্পানির নামে সোনালী লাইফের একটা মামলা আছে, এসব বিষয়ে একটা স্পেশাল অডিট হয়েছে এখানে যোগদানের পর আমি এমপ্লয়ীদের সহযোগিতা পাইনি।আমি কি একা স্বেচ্ছারিতা করতে পারি? আমার উপরে বোর্ড আছে!
এমএন




