পুঁজিবাজার
এগ্রিকালচারাল মার্কেটিং পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি এগ্রিকালচারাল মার্কেটিং লিমিটেড (প্রাণ) পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে। কোম্পানিটির পর্ষদ সভা আগামী ৩১ জানুয়ারি দুপুর ১২টায় অনুষ্ঠিত হবে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, সভায় ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে সমাপ্ত দ্বিতীয় প্রান্তিকের (অক্টোবর’২৫-ডিসেম্বর’২৫) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে। পর্ষদের অনুমোদন সাপেক্ষে প্রতিবেদনটি পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।
এমএন
পুঁজিবাজার
কমার্স ব্যাংক সিকিউরিটিজের সিইও আরিফুলের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ দুদকে
কমার্স ব্যাংক সিকিউরিটিজ অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. আরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে জালিয়াতি, কোটি কোটি টাকার আর্থিক অনিয়ম এবং দুর্নীতির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এছাড়াও নিজের ব্যক্তিগত স্বার্থে প্রতিষ্ঠানের পর্ষদের সিদ্ধান্ত অমান্য করে ডিলার কোডে শেয়ার পার্কিংয়ের (গ্যাম্বলারদের সাথে আঁতাত করে আর্থিক সুবিধার মাধ্যমে উচ্চমূল্যে দুর্বল প্রতিষ্ঠানে শেয়ার ক্রয় করে) মাধ্যমে প্রায় ১০ কোটি টাকার ক্ষতিসাধনের তথ্য সামনে এসেছে।
গত মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড কমিশনে এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে।
দুদক সূত্র জানায়, কমার্স ব্যাংক সিকিউরিটিজে সিইও পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে মো. আরিফুল ইসলাম নিয়োগ প্রক্রিয়ায় জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছেন। তিনি আগের প্রতিষ্ঠান (বিনিময় সিকিউরিটিজ) এ কর্মরত থাকার বিষয়টি ঘোষণা করলেও, কোনো প্রকার ছাড়পত্র ছাড়াই বর্তমান প্রতিষ্ঠানে চুক্তিভিত্তিক সিইও হিসেবে নিয়োগ পান। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি বিভিন্ন আর্থিক অনিয়মে সঙ্গে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে দুদকে। এছাড়াও তাঁর অনৈতিক ও স্বেচারিতার প্রতিবাদ করলেই কর্মকর্তারা হয়রানির শিকার হচ্ছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে, সিইও আরিফুল ইসলাম ডিলার অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে শেয়ার লেনদেনে অনিয়ম এবং মার্জিন অ্যাকাউন্টে ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগ করেছেন। বহুল আলোচিত লাভেলো শেয়ারে ব্যক্তিগত আর্থিক সুবিধার বিনিময়ে বিনিয়োগ করে প্রতিষ্ঠানের কোটি কোটি টাকার লোকসান করলেও নিজে ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ইতিমধ্যেই আলোচিত লাভেলো শেয়ার নিয়ে বিএসইসি একাধিক তদন্ত ও জরিমানা করেছে।
এছাড়া বোর্ডের সিদ্ধান্ত তোয়াক্কা না ১০ কোটি টাকার শেয়ার পার্কিংয়ের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানকে বড় ধরনের আর্থিক বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দিয়েছেন তিনি।
বিএসইসি সূত্র জানায়, অভিযোগ পাওয়া গেছে, মো. আরিফুল ইসলাম নিজে অথরাইজড ট্রেডার না হওয়া সত্ত্বেও সিকিউরিটিজ আইন অমান্য করে দপ্তরের দরজা বন্ধ করে গোপনে ট্রেড পরিচালনার করেন। এছাড়া মার্জিন আইনের তোয়াক্কা না করে নগদ সুবিধার বিনিময়ে নির্দিষ্ট পোর্টফোলিওধারীদের অনৈতিক সুবিধা দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে।
প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরে কর্পোরেট গভর্ন্যান্সের চরম অবনতি ঘটেছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। মানবসম্পদ বিভাগের মাধ্যমে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন, মতের অমিল হলেই বদলি বা বরখাস্তসহ অমানবিক আচরণের অভিযোগও উঠেছে সিইও’র বিরুদ্ধে। এমনকি নতুন বিনিয়োগকারীদের প্ররোচিত করে বিনিয়োগ থেকে বিরত রাখছেন, যা একটি ব্রোকারেজ হাউজের জন্য আত্মঘাতী বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ভুক্তভোগী কর্মকর্তা ও বিনিয়োগকারীরা এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে মো. আরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে দ্রুত কার্যকর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন দুদক ও বিএসইতে দেওয়া লিখিত অভিযোগে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মো. আরিফুল ইসলাম অর্থসংবাদকে বলেন, বিনিয়োগ করার ক্ষেত্রে বোর্ডের অনুমতি দরকার নেই, কমিটি অনুমোদন দেয়। আর্থিক সুবিধা নিয়ে লাভেলোর শেয়ার পার্কিংয়ের বিষয়ে জানতে চাইলে বিষয়টি কৌশলে এড়িয়ে গিয়ে বলেন, সল্প সময়ের জন্য বিনিয়োগ গিয়ে লাভেলোতে লংটার্ম বিনিয়োগ হয়ে গেছে এবং ১০-১২% লোকসানে আছি।এছাড়াও আমাদের কোম্পানির নামে সোনালী লাইফের একটা মামলা আছে, এসব বিষয়ে একটা স্পেশাল অডিট হয়েছে এখানে যোগদানের পর আমি এমপ্লয়ীদের সহযোগিতা পাইনি।আমি কি একা স্বেচ্ছারিতা করতে পারি? আমার উপরে বোর্ড আছে!
এমএন
পুঁজিবাজার
ডিএসইর বাজার মূলধন বাড়লো ৮ হাজার ৯৬১ কোটি টাকা
দেশের শেয়ারবাজারে সূচকের উত্থানের মধ্য দিয়ে চলতি সপ্তাহে লেনদেন হয়েছে। এতে সপ্তাহ ব্যবধানে দেশের প্রধান শেয়ারবাজারে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধন বেড়েছে ৮ হাজার ৯৬১ কোটি টাকা।
পুঁজিবাজারের সাপ্তাহিক হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)
সপ্তাহ ব্যবধানে ডিএসইর বাজার মূলধন বেড়েছে ১ দশমিক ২৮ শতাংশ বা ৮ হাজার ৯৬১ কোটি টাকা। চলতি সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ৬ হাজার ৯১২ কোটি টাকা। এর আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে এই মূলধন ছিল ৬ লাখ ৯৭ হাজার ৯৫১ কোটি টাকা।
সূত্র মতে, চলতি সপ্তাহে ডিএসইতে বেড়েছে সব কয়টি সূচকের মান। প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ১২৭.৫৬ পয়েন্ট বা ২.৪২৩ শতাংশ। ডিএসই-৩০ সূচক বেড়েছে ৫৪.৭৪ পয়েন্ট বা ২.৭২ শতাংশ। আর ডিএসইএস সূচক বেড়েছে ৩০.৭০ পয়েন্ট বা ২.৯৩ শতাংশ।
সূত্র মতে, ডিএসইতে কমেছে লেনদেনের পরিমাণ। সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২ হাজার ৬৫৬ কোটি ৮২ লাখ টাকা। এর আগের সপ্তাহে মোট লেনদেন হয়েছিল ৩ হাজার ৪৮২ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। এক সপ্তাহে লেনদেন কমেছে ৮২৫ কোটি ৬৩ লাখ টাকা।
আর প্রতি কার্যদিবসে গড় লেনদেন কমেছে ১৬৫ কোটি ১৩ লাখ টাকা বা ২৩.৭১ শতাংশ। চলতি সপ্তাহের প্রতি কার্যদিবসে ডিএসইতে গড়ে লেনদেন হয়েছে ৫৩১ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। এর আগের সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছিল ৬৯৬ কোটি ৪৯ লাখ টাকা।
সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে ৩৮৯টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ৩২৪টি কোম্পানির, কমেছে ৩৮টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৭টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)
এদিকে সপ্তাহ ব্যবধানে দেশের অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) প্রধান সূচক সিএএসপিআই ও সিএসসিএক্স যথাক্রমে ১.০৪ শতাংশ ও ১.০৯ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪৯৮০.০৭ পয়েন্টে ও ৯১৫৯.৮০ পয়েন্টে।
এছাড়া সিএসই-৫০ সূচক বেড়েছে ১.৪০ শতাংশ। সূচকটি অবস্থান করছে ১১৫০.১৮ পয়েন্টে। আর সিএসই-৩০ সূচক ০.৮৩ শতাংশ ও সিএসআই সূচক ১.৬৯ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ১৩৩০৭.৭১ পয়েন্টে ও ৯০৪.৬২ পয়েন্টে।
সূত্র মতে, চলতি সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১৬৬ কোটি ৫২ লাখ টাকা, যা এর আগের সপ্তাহে ছিল ১০৬ কোটি ২ লাখ টাকা। সপ্তাহ ব্যবধানে লেনদেন বেড়েছে ৬০ কোটি ৫০ লাখ টাকা।
সূত্র মতে, সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে ২৭১টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৪৩টির, কমেছে ১০৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৫টির কোম্পানির শেয়ার দর।
এমএন
পুঁজিবাজার
ব্লক মার্কেটে ৪৪ কোটি টাকার লেনদেন
সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে প্রধান ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে মোট ২৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এদিন ব্লক মার্কেটে ৪৪ কোটি ১৬ লাখ ৭৮ হাজার টাকার লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) কোম্পানিগুলোর মোট ৬৯ লাখ ২ হাজার ৪২৮টি শেয়ার ৫১ বারে লেনদেন হয়েছে। যার আর্থিক মূল্য ৪৪ কোটি ১৬ লাখ ৭৮ হাজার টাকা।
ব্লক মার্কেটে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজের ২১ কোটি টাকার, দ্বিতীয় স্থানে সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির ৯ কোটি ৩৫ লাখ ০৪ হাজার টাকার এবং তৃতীয় স্থানে উত্তরা ব্যাংকের ২ কোটি ১৫ লাখ ২৭ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।
এমএন
পুঁজিবাজার
দরপতনের শীর্ষে বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স
সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে দরপতনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি লিমিটেড।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্রমতে, বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি লিমিটেডের শেয়ার দর দশমিক ৪ পয়সা বা ৫ দশমিক ৫৬ শতাংশ কমেছে। এর ফলে কোম্পানিটি দরপতনের শীর্ষে অবস্থান করেছে।
দরপতনের এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ছিল ইউনিয়ন ক্যাপিটাল লিমিটেড। কোম্পানিটির শেয়ার দর ৪ দশমিক ৬২ শতাংশ কমেছে। আর তৃতীয় স্থানে থাকা মাইডাস ফাইন্যান্স পিএলসির ইউনিট দর ২ দশমিক ৭৩ শতাংশ কমেছে।
এছাড়াও, ডিএসইতে দরপতনের শীর্ষ দশে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হলো- নূরানী ডাইংয়ের ২.৭০ শতাংশ, হাওয়েল টেক্সটাইলের ১.৯৯ শতাংশ, আনলিমা ইয়ার্ন ডাইংয়ের ১.৯৭ শতাংশ, ফনিক্স ফাইন্যান্সের ১.৯৬ শতাংশ, প্রাইম ফাইন্যান্সের ১.৮২ শতাংশ, জিএসপি ফাইন্যান্সের ১.৭২ শতাংশ এবং বে লিজিংয়ের ১.৬৪ শতাংশ দর কমেছে।
এমএন
পুঁজিবাজার
দর বৃদ্ধির শীর্ষে বারাকা পতেঙ্গা পাওয়ার
সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৯০ কোম্পানির মধ্যে ৩০৮টির শেয়ারদর বৃদ্ধি পেয়েছে। এরমধ্যে সর্বোচ্চ দর বৃদ্ধি পেয়েছে বারাকা পতেঙ্গা পাওয়ার লিমিটেড।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ডিএসইতে সর্বোচ্চ বারাকা পতেঙ্গা পাওয়ার লিমিটেডের শেয়ার দর আগের কার্যদিবসের তুলনায় ১ টাকা বা ৭ দশমিক ৯ শতাংশ বেড়েছে। এর ফলে কোম্পানিটি দর বৃদ্ধি তালিকায় প্রথম স্থান দখল করে নেয়।
দর বৃদ্ধির এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে শার্প ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি। কোম্পানিটির শেয়ার দর ৬ দশমিক ৯২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। আর তৃতীয় স্থানে থাকা লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশ পিএলসির দর বেড়েছে ৬ দশমিক ৫২ শতাংশ।
এছাড়াও, ডিএসইতে দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হচ্ছে- এসইএমএল গ্রোথ ফান্ডের ৬.০০ শতাংশ, ড্যাফোডিল কম্পিউটার্সের ৫.৮৫ শতাংশ, প্রাইম লাইফের ৫.০৩ শতাংশ, ভিএফএস থ্রেডের ৪.৬৭ শতাংশ, ইন্দো-বাংলা ফার্মার ৪.৬৫ শতাংশ, আইসিবি সোনালি ফান্ডের ৪.৪৪ শতাংশ ও আরামিটের ৪.৩৯ শতাংশ শেয়ার দর বেড়েছে।
এমএন




