জাতীয়
যেসব কারণে বাতিল হবে পোস্টাল ব্যালট
স্বাক্ষর ছাড়া গণভোট, কোনো প্রতীকে টিক বা ক্রস চিহ্ন দেওয়া না হলে এবং একাধিক প্রতীকে টিক বা ক্রস চিহ্ন দিয়ে পোস্টাল ব্যালট পাঠালে তা বাতিল করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এছাড়াও আরও বেশি কিছু কারণে পোস্টাল ব্যালট বাতিল করবে সংস্থাটি।
ইসির উপ-সচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন ইতিমধ্যে এমন সিদ্ধান্তের চিঠি সকল রিটার্নিং কর্মকর্তাদের পাঠিয়েছেন। এতে বলা হয়েছে, বৈধ ব্যালট পেপারসমূহ জাতীয় সংসদের ক্ষেত্রে প্রার্থীভিত্তিক এবং গণভোটের ক্ষেত্রে হ্যাঁ/না ভিত্তিক আলাদা করার পর তা গণনা করতে হবে।
তবে ইস্যুকৃত পোস্টাল ব্যালট, নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে, প্রিজাইডিং অফিসার কোনো প্রার্থীর অনুকূলে গণনা করবেন না:
(ক) খামের মধ্যে ঘোষণাপত্র না থাকলে;
(খ) ঘোষণাপত্রে ভোটারের স্বাক্ষর না থাকলে;
(গ) একাধিক প্রতীকে টিক বা ক্রস চিহ্ন দেওয়া হলে;
(ঘ) কোনো প্রতীকে টিক বা ক্রস চিহ্ন দেওয়া না হলে;
(ঙ) এমনভাবে টিক বা ক্রস চিহ্ন দেওয়া হয়েছে যে ভোটটি কোনো প্রার্থী/প্রতীকের পক্ষে দেওয়া হয়েছে তা যুক্তিসঙ্গতভাবে নিশ্চিত করা যায় না;
(চ) OCV (প্রবাসী) এর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রতীক ব্যতীত অন্য প্রতীকে টিক বা ক্রস চিহ্ন দেওয়া হলে;
(ছ) ব্যালট পেপারে টিক বা ক্রস চিহ্ন ব্যতীত অন্য কোনো চিহ্ন প্রদান করা হলে।
রিটার্নিং কর্মকর্তাদের পাঠানো চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, গণনার সময় উপযুক্ত কারণে ঘোষিত জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের অবৈধ বা বাতিল ব্যালট পেপারসমূহ একত্রে একটি নির্ধারিত খামে রেখে খামের ওপর সংখ্যা উল্লেখ করতে হবে। এছাড়া মোট অবৈধ বা বাতিল ব্যালটের সংখ্যা ফলাফল বিবরণীর নির্ধারিত স্থানে লিপিবদ্ধ করে ফলাফল বিবরণী প্রস্তুত করতে হবে।
এদিকে কোনো আসনের পোস্টাল ব্যালট অধীনে ভোট গণনা শুরুর আগে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের নিকট না পৌঁছালে উক্ত পোস্টাল ব্যালট গণনার অন্তর্ভুক্ত হবে না।
এছাড়া কোনো আদালতের আদেশে কোনো নির্দিষ্ট নির্বাচনী আসনের প্রার্থীনতালিকায় পরিবর্তন ঘটলে উক্ত আসনের পোস্টাল ব্যালট গণনার প্রয়োজন হবে না (‘যথাসময়’ বলতে মোট পাঁচ দিন তথা ভোটগ্রহণের দিনসহ পূর্ববর্তী ০৪ দিন সময়কে বোঝাবে)।
বাতিল ব্যালটগুলো QR কোড ডুপ্লিকেট হওয়ার কারণে এবং ভোটার কর্তৃক পোস্টাল ব্যালট পাওয়ার পর খামের QR কোড স্ক্যান না করার কারণে বাতিল হওয়া ব্যালটের খামের সঙ্গে আলাদাভাবে সংরক্ষণ করতে হবে এবং তার হিসাব প্রকাশ করতে হবে।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। দেশের ভেতর থেকে ভোটের দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি চাকরিজীবী, কয়েদী ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা এবং প্রবাসীরা মিলে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার নিবন্ধন করেছেন ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ভোটার।
এমকে
জাতীয়
পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেবেন রাষ্ট্রপতি
পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ান ইচ্ছা পোষণ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, রাষ্ট্রপতি পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ান ইচ্ছা পোষণ করেছেন। কমিশন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে।
এবার প্রবাসী ও দেশের ভেতরে ভোটের দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তি, আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ও কয়েদিদের ভোট দেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করেছে ইসি।
দেশে ও দেশের বাইরে থেকে এবার পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার জন্য পোস্টাল ভোট বিডি অ্যাপে নিবন্ধন করেছেন ১৫ লাখ ৩৩ হাজার নাগরিক।
পোস্টাল ব্যালটে দেওয়ার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে অ্যাপে নিবন্ধন করলে ইসি ডাকযোগে ব্যালট পাঠিয়ে দেয়। ভোট দিয়ে ভোটার নিকটস্থ পোস্ট অফিসে জমা দিলে তা আবার সংশ্লিষ্ট আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে চলে আসে।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি গণভোট ও সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
জাতীয়
যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করলে ভোট বাতিল হয়ে যাবে: ইসি সানাউল্লাহ
আমরা কোন বিষয়ে ছাড় দিবো না। কেউ যদি যথাযথ প্রক্রিয়া অনুশীলন না করে ভোট প্রদান করে তাহলে তার ভোট বাতিল হয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ (অবঃ)।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সকালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে নোয়াখালীতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল, ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিমের সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ভোটারদের আগ্রহকে ধারণ করে উৎসব মুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণের পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। কোন ভোটারকে যেনো কেউ বাধা দিতে না পারে সেটি খেয়াল রেখে সবার ভোট প্রদান নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, পোস্টাল ব্যালট প্রবাস ও দেশ থেকে দুইভাগে হবে। আমরা কোন বিষয়ে ছাড় দিবো না। কেউ যদি যথাযথ প্রক্রিয়া অনুশীলন না করে ভোট প্রদান করে তাহলে তার ভোট বাতিল হয়ে যাবে। একই সময় সাধারণ ব্যালট ও পোস্টাল ব্যালট গণনা কর হবে।
তবে পোস্টাল ব্যালট গণনায় সময় লাগবে। ১১৯টি প্রতীক রয়েছে প্রতিটি ব্যালটে, তাই প্রবাসীদের এ ব্যালটের প্রতীকগুলো এজেন্টদের দেখিয়ে নিশ্চিত করতে হবে তিনি কোথায় ভোট দিয়েছেন।
এছাড়া সভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাগণ, নির্বাচন কর্মকর্তা, সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিজিবি, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, আনসার’সহ বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন। সভায় বক্তারা নির্বাচনের আইনশৃঙ্খলা, ভোটের পরিবেশ, গণভোটসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন।
এমকে
জাতীয়
পে-স্কেল বাস্তবায়ন করবে না অন্তর্বর্তী সরকার: জ্বালানি উপদেষ্টা
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার পে-স্কেল বাস্তবায়ন করবে না।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বাড়ানো নিয়ে পে-কমিশনের প্রতিবেদনটাই শুধু জমা দেয়া হয়েছে। পে-স্কেল বাস্তবায়ন করবে না অন্তর্বর্তী সরকার।
নির্বাচিত সরকার চাইলে এই পে-স্কেল বাস্তবায়ন বা বাতিল যে কোনোটাই করতে পারবে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, প্রস্তাবিত পে-স্কেল নির্বাচিত সরকারের জন্য চাপ হবে না।
বেতন বাড়ানো নিয়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্ষোভ ছিল। নির্বাচিত সরকার যাতে সেই ক্ষোভের মুখে না পড়ে সেজন্য অন্তর্বর্তী পে-কমিশন গঠন করেছে বলেও জানিয়েছেন জ্বালানি উপদেষ্টা।
তিনি আরও বলেন, হ্যাঁ ভোটের জন্য কিছু বিশেষ বরাদ্দ দিয়েছে সরকার।
তিনি বলেন, সামরিক সরঞ্জাম কেনে বাংলাদেশ। তবে এখন বাংলাদেশেই সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদন করা হবে। সেজন্য চট্টগ্রামে ডিফেন্স ইকোনমিক জোনের জমি বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।
জ্বালানি উপদেষ্টা জানান, সভায় রমজান উপলক্ষে ১০ হাজার টন মসুর ডাল এবং ১ কোটি লিটার পরিশোধিত সয়াবিন তেল কেনার অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এছাড়া র্যাবের জন্য ১০০টি জিপ কেনা হবে। ৪০ হাজার টন ইউরিয়া সারও কেনার অনুমতি দেয়া হয়েছে।
এমকে
জাতীয়
কারাবন্দিদের নিরাপত্তার পাশাপাশি মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে কারা প্রশাসন পরিচালনায় নিরাপত্তা ও মানবাধিকার একে অপরের পরিপূরক বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.)। তিনি বলেন, “বন্দিদের মৌলিক মানবাধিকার সংরক্ষণ করে তাদের সংশোধিত নাগরিক হিসেবে সমাজে ফিরিয়ে দেওয়া রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব।” তাই কারাগারে বন্দিদের নিরাপত্তার পাশাপাশি মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে। আর এটি বাস্তবায়নে প্রশিক্ষিত ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিসম্পন্ন কারারক্ষীদের ভূমিকা অনস্বীকার্য।
আজ মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সকালে গাজীপুরের কাশিমপুর কারা ক্যাম্পাসে অবস্থিত কারা প্রশিক্ষণকেন্দ্রের প্যারেড গ্রাউন্ডে ৬৩তম ব্যাচ মহিলা কারারক্ষী বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেছেন, কারাগার অত্যন্ত স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান এবং ক্রিমিনাল জাস্টিস সিস্টেমের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। কারাগার রাষ্ট্রের বিচারব্যবস্থার মাধ্যমে কারা বন্দিদের নিরাপদ আটক নিশ্চিত করে, অপরাধ দমন, অপরাধীর সংশোধন এবং সামাজিক পুনর্বাসনের প্রক্রিয়ায় কারা প্রশাসনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতা মূলক কারা প্রশাসন গঠনে কারারক্ষীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশপ্রেমের মহান দায়িত্বকে হৃদয়ে ধারণ করে নবীন প্রশিক্ষণার্থীরা সততা, দক্ষতা ও পেশাদারত্বের মাধ্যমে এটি বাস্তবায়নে কার্যকর ভূমিকা রাখবে উপদেষ্টা এ সময় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.) বলেন, দুর্নীতি রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শত্রু। দুর্নীতি শুধু অর্থনৈতিক ক্ষতি করে না; এটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে ভেতর থেকে ক্ষয় করে এবং জনগণের বিশ্বাস ভেঙে দেয়।
উপদেষ্টা বলেন, কোনো কারা সদস্য যদি ব্যক্তিস্বার্থ, লোভ বা রাজনৈতিক সুবিধার অংশ হয়ে কাজ করে, তবে সে শুধু আইন ভাঙ্গে না— সে রাষ্ট্রের ভিত্তিকেও দুর্বল করে। কারার কোনো সদস্য, কোনো স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর রক্ষক নয়— এটি রাষ্ট্রের নিরীহ জনগণের ট্যাক্সের টাকায় বেতনভুক্ত সরকারি কর্মচারী। তাই জনকল্যাণই তাদের একমাত্র ব্রত হওয়া উচিত।
উপদেষ্টা প্যারেড পরিদর্শন করেন ও প্রশিক্ষণে কৃতিত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ সেরা মহিলা কারারক্ষীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন। অনুষ্ঠানে মহিলা কারারক্ষীরা বিভিন্ন ধরনের শারীরিক কসরত ও ডিসপ্লে প্রদর্শন করেন।
উল্লেখ্য, ৬৩তম ব্যাচের মহিলা কারারক্ষীদের মধ্যে ড্রিলে প্রথম স্থান অধিকার করেছে লিজা খাতুন, পিটিতে প্রথম স্থান অধিকার করেছেন মোছা. রায়হানা আক্তার সুবর্ণা, আন আর্মড কম্ব্যাটে প্রথম স্থান অধিকার করেছে জুথি পারভীন, ফায়ারিংয়ে প্রথম স্থান অধিকার করেছে মানসুরা। একাডেমিসহ সর্ববিষয়ে প্রথম স্থান অধিকার করেছে মোছা. রায়হানা আক্তার সুবর্ণা।
এমএন
জাতীয়
বিআরটিসির সব বাস থেকে কালো ধোঁয়া বের হয়: উপদেষ্টা রিজওয়ানা
বিআরটিসির যত বাস আছে, সবকটা বাস থেকে কালো ধোঁয়া বের হয়। সবকটা বাস আমি চ্যালেঞ্জ করে বলে গেলাম। প্রতিটা বাস থেকে কালো ধোঁয়া বের হয় বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) তেজগাঁওয়ের বিআরটিসি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে বিআরটিএ আয়োজিত পেশাজীবী পরিবহন গাড়িচালক/শ্রমিকদের দক্ষতা ও শব্দদূষণ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি চ্যালেঞ্জ করে এ কথা বলেন।
এসময় সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান ও বিআরটিসি চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা উপস্থিত ছিলেন।
পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, ‘একটা কাজের কথা একটু মন খারাপ করে বলি। বিআরটিসির যত বাস আছে, সবকটা বাস থেকে কালো ধোঁয়া বের হয়। সবকটা বাস আমি চ্যালেঞ্জ করে বলে গেলাম। প্রতিটা বাস থেকে কালো ধোঁয়া বের হয়। এইগুলো কি আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে পারতাম না?’
তিনি আক্ষেপ করে বলেন, আমি ১০টা মাস যাবৎ যতবার ফোন করছি একটা স্ক্র্যাপ পলিসির জন্য, আমি জানি না ফাওজুল ভাই (সড়ক উপদেষ্টা) কতবার ফোন করেছেন। গত অক্টোবরের ২৮ তারিখে যেই স্ক্র্যাপ পলিসি ফাইনাল হয়ে যাওয়ার কথা, সেটি এখনও হয়নি। আমরা যদি কয়েকটা দূষণকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে কঠিন না হই, আর কেউ কঠিন হবে না।
সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, প্রতিটা বাস থেকে কালো ধোঁয়া বেরচ্ছে। তারা মেইটেন্যান্সে যাবে। সেখানে বিআরটি-এর একটা বড় দায়িত্ব আছে। এটা পালন করার একটা সমন্বিত উদ্যোগ হতে হবে। যাদের পুরোনো বাস আমরা বলছি না আজকেই সরে যান, কিন্তু আমরা তো সময় দিচ্ছি আপনারা অন্তত দয়া করে মেনটেন্যান্সটা করেন। পুরোনো বাস বদলাতে বুঝলাম সময় লাগবে। আর কত সময়? ৫৪ বছর হয়ে গেছে, না? আরও সময় লাগবে? আর তো সময় লাগার কোনো কারণ নাই।
পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, আমরা আজকে যে প্রশিক্ষণটা শুরু করেছি বিআরটিএ সব চালকদের জানাবেন তাদের আসলে দায়িত্বশীলভাবে কেমন করে গাড়ি চালাতে হবে। যখন হর্ন বাজানো বন্ধ করবেন, তখন গাড়ির গতিও কমে আসবে। দুর্ঘটনাও কমে যাবে। এটা কোনো বিরক্তের জায়গা না। আর কোনো জায়গায় ক্ষমতা দেখাইতে পারি না, গাড়িতে উঠে হর্ন বাজানো শুরু করব। এটার জন্য মানুষের কষ্ট হয়।
এমকে



