পুঁজিবাজার
শেফার্ড ইন্ডাস্ট্রিজের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান শেফার্ড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড তাদের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে। কোম্পানিটির পর্ষদ সভা আগামী ২৯ জানুয়ারি বিকাল ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র জানায়, উক্ত সভায় ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে সমাপ্ত দ্বিতীয় প্রান্তিকের (অক্টোবর ২০২৫–ডিসেম্বর ২০২৫) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে। পর্ষদ সভায় প্রতিবেদনটি অনুমোদিত হলে তা বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রকাশ করা হবে।
পুঁজিবাজার
সূচক নিম্নমুখী, এক ঘণ্টায় শেয়ারদর কমেছে ৩৪৩ কোম্পানির
সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের নিম্নমুখী প্রবণতায় চলছে লেনদেন। এদিন লেনদেন শুরুর প্রথম এক ঘণ্টার মধ্যে শেয়ার দর হারিয়েছে ৩৪৩ কোম্পানির।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, শনিবার(৮ মার্চ) ডিএসইর লেনদেন শুরুর এক ঘণ্টা পর অর্থাৎ বেলা সাড়ে ১১টা ১২ মিনিট পর্যন্ত ডিএসইর প্রধান সূচক বা ‘ডিএসইএক্স’ ১৪১ দশমিক ২৭ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৫ হাজার ৯৯ পয়েন্টে।
প্রধান সূচকের সঙ্গে শরিয়াহ সূচক বা ‘ডিএসইএস’ ২৩ দশমিক ০৪ পয়েন্ট কমে আর ‘ডিএস-৩০’ সূচক ৫৬ দশমিক ৬৬ পয়েন্ট কমে যথাক্রমে ১০২৫ ও ১৯৫৪ পয়েন্টে অবস্থান করেছে।
আলোচ্য সময়ে ডিএসইতে মোট ১৯৫ কোটি ৭৮ লাখ ২৮ হাজার টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে।
এসময় লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৭টির, কমেছে ৩৪৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২২টি কোম্পানির শেয়ারদর।
এমএন
পুঁজিবাজার
নগদ ৪২০% লভ্যাংশ ঘোষণা ইউনিলিভারের
তালিকাভুক্ত ইউনিলিভার কনজিউমার কেয়ার লিমিটেডের সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে নিট মুনাফা বেড়েছে ১৯ শতাংশ।
আলোচ্য হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৪২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটির পর্ষদ। কোম্পানিটির এক মূল্যসংবেদনশীল তথ্যের মাধ্যমে বিষয়টি জানা গেছে।
তথ্যানুসারে, সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে ইউনিলিভারের কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে ৭৯ কোটি ৪২ লাখ টাকা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৬৬ কোটি ৭২ লাখ টাকা। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪১ টাকা ২১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩৪ টাকা ৬২ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১১৬ টাকা ৩০ পয়সায়।
কোম্পানিটি জানিয়েছে, রাজস্ব বৃদ্ধি, পরিচালন ব্যয়ে দক্ষতা, প্রযুক্তি ও ট্রেডমার্ক রয়্যালটির পূর্ববর্তী দায় পুনর্মূল্যায়ন থেকে এককালীন সুবিধা পাওয়ার পাশাপাশি নগদ অর্থের কার্যকর বিনিয়োগে নিট আর্থিক আয় বেড়েছে। ফলে নিট মুনাফা বেড়েছে। এদিকে ঘোষিত লভ্যাংশ ও অন্যান্য এজেন্ডায় বিনিয়োগকারীদের অনুমোদন নিতে আগামী ১৮ মে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আহ্বান করেছে কোম্পানিটির পর্ষদ। এ-সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ এপ্রিল।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৫২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ইউনিলিভার কনজিউমার কেয়ারের ইপিএস হয়েছে ৩৪ টাকা ৬২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪৯ টাকা ৮৯ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১২৬ টাকা ৮৩ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৩০০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ইউনিলিভার কনজিউমার কেয়ারের ইপিএস হয়েছে ৪৯ টাকা ৮৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩৭ টাকা ৯০ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১২২ টাকা ২১ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরের জন্য বিনিয়োগকারীদের ৩০০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। এর মধ্যে ২৪০ শতাংশ নগদ ও ৬০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে ইউনিলিভার কনজিউমার কেয়ারের ইপিএস হয়েছে ৬০ টাকা ৬৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরের যা ছিল ৪৩ টাকা ৮০ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১৩৯ টাকা ৬০ পয়সায়।
ইউনিলিভার কনজিউমার কেয়ারের সর্বশেষ ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘এএ’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-১’। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং প্রকাশের দিন পর্যন্ত কোম্পানিটির অন্যান্য প্রাসঙ্গিক গুণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যায়ন করেছে ইমার্জিং ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড (ইসিআরএল)।
১৯৭৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত গ্ল্যাক্সোস্মিথক্লাইন (জিএসকে) বাংলাদেশ লিমিটেডকে ইউনিলিভার কর্তৃক অধিগ্রহণের পর ২০২০ সালের ২৬ নভেম্বর থেকে কোম্পানিটির নতুন নাম হয় ইউনিলিভার কনজিউমার কেয়ার লিমিটেড। বর্তমানে কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ২০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১৯ কোটি ২৭ লাখ ৪০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ২২৫ কোটি ১৭ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১ কোটি ৯২ লাখ ৭৪ হাজার ৩১৮। এর ৯২ দশমিক ৮০ শতাংশই রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩ দশমিক ৫৮, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে দশমিক ১১ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৩ দশমিক ৫১ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।
পুঁজিবাজার
ডিএসইতে পিই রেশিও কমেছে ৬ শতাংশ
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বিদায়ী সপ্তাহে সার্বিক মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) ৬ শতাংশ কমেছে।
ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
জানা গেছে, বিদায়ী সপ্তাহের শুরুতে ডিএসইর পিই রেশিও ছিল ১০.১ পয়েন্টে। আর সপ্তাহ শেষে পিই রেশিও অবস্থান করছে ৯.৫৩ পয়েন্টে। অর্থ্যাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর পিই রেশিও ০.৭৫ পয়েন্ট বা ৬ শতাংশ।
পুঁজিবাজার
সাপ্তাহিক দর পতনের শীর্ষে রহিমা ফুড
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সাপ্তাহিক শেয়ার দর পতনের শীর্ষে উঠে এসেছে রহিমা ফুড লিমিটেড।
ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
জানা গেছে, সপ্তাহজুড়ে কোম্পানির দর কমেছে ২৩ দশমিক ৯০ শতাংশ। শেয়ারটির সমাপনী মূল্য ছিল ১০৮.৯০ টাকা।
তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার দর কমেছে ১৯ দশমিক ৮৬ শতাংশ। শেয়ারটির সমাপনী মূল্য ছিল ১৯৬.১০ টাকা।
তালিকায় তৃতীয় স্থানে থাকা ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর শেয়ার দর কমেছে ১৭ দশমিক ৩৫ শতাংশ। শেয়ারটির সমাপনী মূল্য ছিল ২২৬.৮০ টাকা।
তালিকায় উঠে আসা অন্যান্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে–সোনারগাঁও টেক্সটাইলের ১৭.৩০ শতাংশ , উসমানিয়া গ্লাসের ১৫.১০ শতাংশ , সায়হাম টেক্সটাইলের ১৪.৩৫ শতাংশ , বিডি ওয়েল্ডিং ইলেকট্রোডসের ১৪.১৩ শতাংশ, আজিজ পাইপসের ১৩.৯৮ শতাংশ , ওয়াটা কেমিক্যালসের ১৩.০০ শতাংশ এবং অ্যাপেক্স স্পিনিংয়ের ১২.৮৩ শতাংশ দর কমেছে।
পুঁজিবাজার
সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষে ওরিয়ন ইনফিউশন
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষে উঠে এসেছে ওরিয়ন ইনফিউশন লিমিটেড।
ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
জানা গেছে, সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির ৪১ কোটি ৬৬ লাখ ৪০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা ছিল ডিএসইর মোট লেনদেনের ৫.৮৯ শতাংশ।
তালিকার দ্বিতীয় স্থানে থাকা সিটি ব্যাংকের ৪০ কোটি ৩০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা ছিল ডিএসইর লেনদেনের ৫.৭৪ শতাংশ।
তৃতীয় স্থানে থাকা খান ব্রাদার্সের ২০ কোটি ৬০ লাখ ৬০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা ছিল ডিএসইর লেনদেনের ২.৯৬ শতাংশ।
লেনদেনের তালিকায় থাকা অন্যান্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে-ব্র্যাক ব্যাংকের ১৮ কোটি ৭৬ লাখ ১০ হাজার টাকা , রবি আজিয়াটার ১৭ কোটি ৭২ লাখ ২০ হাজার টাকা , সামিট অ্যালায়েন্স পোর্টের ১৪ কোটি ৩৮ লাখ ৯০ হাজার টাকা , ব্যাংক এশিয়ার ১২ কোটি ৬১ লাখ ৬০ হাজার টাকা , বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের ৯ কোটি ৯৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা , এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজের ৯ কোটি ৫৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা এবং ইস্টার্ন ব্যাংকের ৯ কোটি ৪৯ লাখ ৪০ হাজার টাকা লেনদেন হয়েছে।




