পুঁজিবাজার
সাপ্তাহিক দর বৃদ্ধির শীর্ষে পিপলস লিজিং
বিদায়ী সপ্তাহে (১১ জানুয়ারি-১৫ জানুয়ারি) প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) দর বৃদ্ধির শীর্ষ তালিকার প্রথম স্থানে উঠে এসেছে পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড। সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির শেয়ারদর বেড়েছে ৩৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ।
ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনায় এ তথ্য জানা গেছে।
তথ্য মতে, তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ফার্স্ট ফাইন্যান্স। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতিষ্ঠানটির দর বেড়েছে ৪০ পয়সা বা ২০ শতাংশ। তালিকার তৃতীয় স্থানে ১৮.৩৭ শতাংশ দর বৃদ্ধি নিয়ে অবস্থান করছে বিডি ওয়েল্ডিং।
এছাড়া, সাপ্তাহিক দর বৃদ্ধির শীর্ষ তালিকায় থাকা অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে মাইডাস ফাইন্যান্সের ১৬.২৮ শতাংশ, অ্যাপেক্স ট্যানারির ১২.৫৪ শতাংশ, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্সের ১২.০৫ শতাংশ, অ্যাপেক্স স্পিনিংয়ের ১১.৭২ শতাংশ, ফাস ফাইন্যান্সের ৯.৮০ শতাংশ, মিথুন নিটিংয়ের ৯.৬৩ শতাংশ এবং ফ্যামিলি টেক্সের ৯.০৯ শতাংশ দর বেড়েছে।
এমকে
পুঁজিবাজার
ডিএসইর বাজার মূলধন বেড়েছে এক হাজার ২৬০ কোটি টাকা
চলতি সপ্তাহে দেশের পুঁজিবাজারে সব মূল্য সূচকের পতনের মধ্যে দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। অন্যদিকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধন বেড়েছে ১ হাজার ২৬০ কোটি টাকা।
সাপ্তাহিক হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
সপ্তাহ ব্যবধানে ডিএসইর বাজার মূলধন বেড়েছে শূন্য দশমিক ১৮ শতাংশ বা ১ হাজার ২৬০ কোটি টাকা। চলতি সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৮৪ হাজার ৪৪০ কোটি টাকা। এর আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে এই মূলধন ছিল ৬ লাখ ৮৩ হাজার ১৮০ কোটি টাকা।
চলতি সপ্তাহে ডিএসইতে কমেছে সব কয়টি সূচকের মান। প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স কমেছে ৩৯.৫৬ পয়েন্ট বা ০.৭৯ শতাংশ। তবে ডিএসই-৩০ সূচক কমেছে ২.২২ পয়েন্ট বা ০.১২ শতাংশ। আর ডিএসইএস সূচক কমেছে ১৪.৮৭ পয়েন্ট বা ১.৪৭ শতাংশ।
ডিএসইতে কমেছে লেনদেনের পরিমাণও। সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৯০০ কোটি ৬০ লাখ টাকা। এর আগের সপ্তাহে মোট লেনদেন হয়েছিল ২ হাজার ৩৭২ কোটি ৭২ লাখ টাকা। এক সপ্তাহে লেনদেন কমেছে ৪৭২ কোটি ১২ লাখ টাকা।
আর প্রতি কার্যদিবসে গড় লেনদেন কমেছে ৯৪ কোটি ৪২ লাখ টাকা বা ১৯.৯০ শতাংশ। চলতি সপ্তাহের প্রতি কার্যদিবসে ডিএসইতে গড়ে লেনদেন হয়েছে ৩৮০ কোটি ১২ লাখ টাকা। এর আগের সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছিল ৪৭৪ কোটি ৫৪ লাখ টাকা।
সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে ৩৮৬টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ৯৩টি কোম্পানির, কমেছে ২৬৮টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৫টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।
এদিকে সপ্তাহ ব্যবধানে দেশের অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) প্রধান সূচক সিএএসপিআই ও সিএসসিএক্স যথাক্রমে ০.৫১ শতাংশ ও ০.৩৫ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১৩৯২১.৭৬ পয়েন্টে ও ৮৬২২.০৯ পয়েন্টে।
এছাড়া সিএসই-৫০ সূচক কমেছে ০.৪৪ শতাংশ। সূচকটি অবস্থান করছে ১০৭৭.০৬ পয়েন্টে। আর সিএসই-৩০ সূচক ০.০৮ শতাংশ ও সিএসআই সূচক ০.৯৫ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ১২৪৭৭.৯৬ পয়েন্টে ও ৮৫২.৩১ পয়েন্টে।
চলতি সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩২ কোটি ৮১ লাখ টাকা, যা এর আগের সপ্তাহে ছিল ৭২ কোটি ৮০ লাখ টাকা। সপ্তাহ ব্যবধানে লেনদেন কমেছে ৩৯ কোটি ৯৯ লাখ টাকা।
সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে ২৭৪টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ৮৫টির, কমেছে ১৬৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২০টির কোম্পানির শেয়ার দর।
এমকে
পুঁজিবাজার
সাপ্তাহিক দরপতনের শীর্ষে বিআইএফসি
বিদায়ী সপ্তাহে (১১ জানুয়ারি-১৫ জানুয়ারি) প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দরপতনের শীর্ষ তালিকার প্রথম স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি লিমিটেড (বিআইএফসি)। প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারদর সপ্তাহজুড়ে কমেছে ২৩ দশমিক ৮৫ শতাংশ।
ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনায় এ তথ্য জানা গেছে।
তথ্যমতে, পতনের শীর্ষ তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বিচ হ্যাচারি। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতিষ্ঠানটির দর কমেছে ৮ টাকা ৮০ পয়সা বা ২৩.১৬ শতাংশ। সপ্তাহের পতনের শীর্ষ তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে আলিফ ইন্ডাষ্ট্রিজ। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতিষ্ঠানটির দর কমেছে ৫ টাকা ৩০ পয়সা বা ১৬.১১ শতাংশ।
এছাড়া, সাপ্তাহিক পতনের শীর্ষ তালিকায় থাকা অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সুহৃদ ইন্ডাষ্ট্রিজের ১৩.৬৪ শতাংশ, মেঘনা পেটের ১২.০৬ শতাংশ, প্রিমিয়ার লিজিংয়ের ১১.৩৬ শতাংশ, অ্যাপোলো ইস্পাতের ১১.১১ শতাংশ, ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ের ১০.৮৭ শতাংশ, এএফসি এগ্রোর ৯.৪৩ শতাংশ এবং ইবিএল ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডের ৯.৩৮ শতাংশ দর কমেছে।
এমকে
পুঁজিবাজার
সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষে ফাইন ফুডস
বিদায়ী সপ্তাহে (১১ জানুয়ারি-১৫ জানুয়ারি) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সর্বোচ্চ লেনদেনের তালিকায় শীর্ষস্থান দখল করেছে ফাইন ফুডস লিমিটেড। সপ্তাহজুড়ে প্রতিদিন গড়ে কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ১৩ কোটি ৯২ লাখ ৬০ হাজার টাকা, যা ডিএসইর মোট লেনদেনের ৩.৬৬ শতাংশ।
ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনায় এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে স্কয়ার ফার্মা। সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির প্রতিদিন গড়ে ১২ কোটি ৯৯ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যা ছিল ডিএসইর লেনদেনের ৩.৪২ শতাংশ।
লেনদেনের তৃতীয় স্থানে জায়গা করে নিয়েছে ওরিয়ন ইনফিউশন। সপ্তাহজুড়ে প্রতিদিন গড়ে কোম্পানিটির ১২ কোটি ৯৪ লাখ ১০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যা ছিল ডিএসইর লেনদেনের ৩.৪০ শতাংশ।
এছাড়া, সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষ তালিকায় উঠে আসা অন্যান্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে সিটি ব্যাংকের প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছে ১২ কোটি ২৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা, ডোমিনেজ স্টিলের ১০ কোটি ৮৫ লাখ টাকা, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্সের ৬ কোটি ৭১ লাখ ৫০ হাজার টাকা, লাভেলো আইসক্রিমের ৬ কোটি ৩৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা, এসিআই লিমিটেডের ৬ কোটি ২২ লাখ ৯০ হাজার টাকা, সিমটেক্স টেক্সটাইলের ৫ কোটি ৭৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের (বিএসসি) ৫ কোটি ৩৪ লাখ ১০ হাজার টাকার শেয়ার।
এমকে
পুঁজিবাজার
পাঁচ ব্যাংকের আমানতকারীরা দুই বছরের মধ্যে টাকা পাবেন: গভর্নর
অবলুপ্ত হওয়া পাঁচ ব্যাংকের আমানতকারীরা আগামী দুই বছরের মধ্যে টাকা ফিরে পেতে পারেন বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ৫ ব্যাংকের বিষয়ে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
গভর্নর বলেন, লোকসান হওয়ায় অবলুপ্ত ৫ ব্যাংকের আমানতকারীরা ২০২৪-২৫ সালের মুনাফা পাবেন না। তবে আগামী দুই বছরের মধ্যে আমানতকারীরা তাদের টাকা ফেরত পাবেন বলে আশা করছি।
এ সময় ব্যাংকগুলোর অডিট নিয়ে তিনি বলেন, যারা ৫ ব্যাংকের ভুয়া অডিট করেছেন তাদের চিহ্নিত করা হয়েছে। শাস্তি চেয়ে মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেয়া হয়েছে।
দোষীদের শাস্তির আওতায় আনার কথা উল্লেখ করে গভর্নর আরও বলেন, ৫ ব্যাংকের ফরেনসিক অডিট শেষ হতে আরও তিন মাস প্রয়োজন। যারা লুটপাট করেছে সেগুলো আরেও পরিষ্কার হবে ও আইনের আওতায় আনা হবে।
ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, ব্যাংকের বোর্ডের বিষয়ে ব্যাপক পরিবর্তন আসছে, কেউ খুশি না হতে পারে। তবে গুণগত সংখ্যাগত পরিবর্তন চেয়ে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।
পুঁজিবাজার
বিএসইসি জার্নালিজম এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেলেন ৯ সাংবাদিক
পুঁজিবাজারভিত্তিক সাংবাদিকতায় উল্লেখযোগ্য অবদান ও পেশাদারত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ বিএসইসি ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিজম এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস পেয়েছেন ৯ জন সাংবাদিক। এদের মধ্যে তিনটি ক্যাটাগরিতে তিনজন বিজয়ী এবং ছয়জন বিশেষ পুরস্কার অর্জন করেছেন।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) এক অনুষ্ঠান আয়োজনের মাধ্যমে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। পুরস্কার বিজয়ীদের হাতে নগদ অর্থ ও সনদ তুলে দেন বিএসইসির চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ।
প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক এবং অনলাইন- এই তিন ক্যাটাগরির প্রত্যেকটিতে ৩টি করে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। প্রত্যেক ক্যাটাগিতে একজন বিজয়ী এবং দুইজন বিশেষ পুরুস্কার অর্জন করেছেন।
প্রিন্ট ক্যাটাগরিতে বিজয় হয়েছেন ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টার-এর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক আহসান হাবীব রাসেল। এই ক্যাটাগরিতে বিশেষ পুরস্কার পেয়েছেন দৈনিক ইত্তেফাক এর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জলিল রায়হান মুন্না এবং দৈনিক সমকাল এর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক আনোয়ার ইব্রাহীম।
ইলেকট্রনিক মিডিয়া ক্যাটারগিতে বিজয়ী হয়েছেন ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক তৌহিদুল ইসলাম রানা। এই ক্যাটাগরিতে বিশেষ পুরস্কার পেয়েছেন এখন টিভির নিজস্ব প্রতিবেদক আতাউর রহমান এবং যমুনা টেলিভিশনের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক আলমগীর হোসেন।
আর অনলাইন ক্যাটাগরিতে বিজয়ী হয়েছেন রাইজিং বিডির জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক এস এম নুরুজ্জামান তানিম। এই ক্যাটাগরিতে বিশেষ পুরস্কার পেয়েছেন জাগো নিউজের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক সাঈদ শিপন এবং বাংলানিউজের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক এস এম এ কালাম।
পুরস্কারপ্রাপ্তদের প্রতিবেদন মূল্যায়ন ও তাদের পুরস্কারের জন্য মনোনীত করতে ছয় সদস্যের জুরিবোর্ড কাজ করেছেন। এদের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক, বিএসইসির প্রতিনিধি এবং সাংবাদিক প্রতিনিধি ছিলেন।
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আয়োজিত এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার পুঁজিবাজারবিষয়ক দায়িত্বশীল, তথ্যনির্ভর ও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার স্বীকৃতি হিসেবে প্রদান করা হয়েছে।
বিএসইসি ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিজম এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস অ্যান্ড ফেলোশিপ এবারই প্রথম চালু করেছে পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা। পুঁজিবাজারের ওপর স্বচ্ছ, নির্ভরযোগ্য এবং গবেষণামূলক সাংবাদিকতাকে উৎসাহিত করার উদ্দেশ্যে এই অ্যাওয়ার্ডস অ্যান্ড ফেলোশিপ চালু করা হয়েছে বলে বিএসইসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।



