কর্পোরেট সংবাদ
এবিবি’র চেয়ারম্যান মাসরুর আরেফিন, সেক্রেটারি জেনারেল আহসান জামান
সিটি ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাসরুর আরেফিন দেশের ব্যাংক নির্বাহীদের শীর্ষ সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। একই সঙ্গে ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আহসান জামান চৌধুরী সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল নির্বাচিত হয়েছেন।
নবনির্বাচিত কমিটি ২০২৬-২০২৭ মেয়াদে দুই বছর দায়িত্ব পালন করবে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এবিবির ২৮তম বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) এই নেতৃত্ব নির্বাচন সম্পন্ন হয়।
নতুন কমিটির তিনজন ভাইস চেয়ারম্যান হলেন- হাসান ও রশীদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, প্রাইম ব্যাংক পিএলসি, মোহাম্মদ আলী, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, পূবালী ব্যাংক পিএলসি এবং মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি।
তারেক রিয়াজ খান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, এনআরবি ব্যাংক পিএলসি, ট্রেজারার হিসেবে এবং মির্জা ইলিয়াস উদ্দিন আহমেদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, যমুনা ব্যাংক পিএলসি, যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।
উপরোক্ত পদাধিকারীদের পাশাপাশি এজিএমে আরও ১২ জন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে এবিবির বোর্ড অব গভর্নর্সের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে।
নতুন চেয়ারম্যান মাসরুর আরেফিন একজন অভিজ্ঞ পেশাদার ব্যাংকার, যার ব্যাংকিং খাতে ৩১ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি গত সাত বছর ধরে সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং এর আগে গত সাত মাস এবিবি-র অন্তর্বর্তীকালীন চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। তিনি বাংলাদেশে SWIFT Members & Users Group (SMUGB)–এর চেয়ারপারসন হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
নবনির্বাচিত সেক্রেটারি জেনারেল আহসান জামান চৌধুরী ১৯৮৬ সালে এবি ব্যাংক লিমিটেডে কর্মজীবন শুরু করেন। তিনি ১৯৯৮ সালে ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেডে যোগ দেন এবং জুলাই ২০২৪ থেকে ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি–র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
এমকে
কর্পোরেট সংবাদ
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্টার্টআপ ফান্ডে এসবিএসি ব্যাংকের চেক হস্তান্তর
প্রযুক্তিনির্ভর ও উদ্ভাবনী উদ্যোক্তাদের জন্য ইক্যুইটি বিনিয়োগ সহজলভ্য করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ স্টার্টআপ ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি পিএলসিতে অর্থ স্থানান্তরের অংশ হিসেবে চেক হস্তান্তর করেছে এসবিএসি ব্যাংক পিএলসি।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস ডিপার্টমেন্টে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পরিচালক নওশাদ মোস্তাফার কাছে এসবিএসি ব্যাংকের বিনিয়োগযোগ্য তহবিলের ২ কোটি ৫৮ লাখ টাকার বেশি মূল্যমানের চেক হস্তান্তর করেন ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ রবিউল ইসলাম।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন এসবিএসি ব্যাংকের ইভিপি ও হেড অব ক্রেডিট মোহাম্মদ আব্দুল মান্নানসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
এমএন
কর্পোরেট সংবাদ
ব্যুফে ইফতারে বিকাশ পেমেন্টে ‘বাই ওয়ান গেট থ্রি’, মিলছে ডিসকাউন্ট ও ক্যাশব্যাক
পবিত্র রমজান মাসে ইফতার আয়োজন ও ঈদের ছুটিতে খাওয়া-দাওয়ায় গ্রাহকদের জন্য আকর্ষণীয় অফার ঘোষণা করেছে বিকাশ। দেশজুড়ে বিভিন্ন প্রিমিয়াম হোটেল, রেস্টুরেন্ট, ক্যাফে, সুইটস ও বেকারিতে বিকাশ পেমেন্টে মিলছে ‘বাই ওয়ান গেট থ্রি’সহ নানা অফার এবং সর্বোচ্চ ১,২৫০ টাকা পর্যন্ত ডিসকাউন্ট ও ক্যাশব্যাক সুবিধা।
ব্যুফে ইফতারে বিশেষ অফার:
আগামী ২০ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত দেশের কয়েকটি প্রিমিয়াম হোটেলে ব্যুফে ইফতার প্যাকেজে বিকাশ পেমেন্টে ‘বাই ওয়ান গেট থ্রি’, ‘বাই ওয়ান গেট টু’ এবং ‘বাই ওয়ান গেট ওয়ান’ অফার পাওয়া যাচ্ছে।
‘বাই ওয়ান গেট থ্রি’ অফার পাওয়া যাবে সিক্স সিজনস হোটেলে।
‘বাই ওয়ান গেট টু’ অফার দিচ্ছে হোটেল বেঙ্গল ব্লুরেরি, হোটেল লেকশোর, এবং দ্য মিডোরি।
এছাড়া ‘বাই ওয়ান গেট ওয়ান’ অফার রয়েছে, ফারস হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টস, এশিয়া হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট, বেঙ্গল ইন, স্কাই সিটি হোটেল, হোটেল জাবের প্যারাডাইজ, প্লাটিনাম গ্র্যান্ড, ম্যাপল লিফ হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট, ইউনিক রিজেন্সি, অ্যাসকট ঢাকা, এবং হোটেল সারিনা।
রেস্টুরেন্টে ডিসকাউন্ট:
দেশজুড়ে বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে বিকাশ পেমেন্টে ‘D4’ কুপন কোড ব্যবহার করে ইফতার আয়োজন বা ঈদ আড্ডায় পাওয়া যাচ্ছে সর্বোচ্চ ৭৫০ টাকা পর্যন্ত ডিসকাউন্ট। ন্যূনতম ৫০০ টাকা পেমেন্টে দিনে একবার ১০% হারে সর্বোচ্চ ১৫০ টাকা পর্যন্ত এবং অফার চলাকালীন মোট পাঁচবারে ৭৫০ টাকা পর্যন্ত ছাড় উপভোগ করা যাবে।
এই অফারটি পাওয়া যাচ্ছে, আলফ্রেডো, বার্গার কিং, সিক্রেট রেসিপি, ক্যাফে রিও, ক্যাপ্টেনস ওয়ার্ল্ড, শেফ’স টেবল, ক্রিস্প, গ্রিনস অ্যান্ড সিডস, ইনডালজ্, খাও সান, গিনজা, পিৎজা টাইমস, পিৎজারিয়ান বিডি, দ্যা গ্রিন লাউঞ্জ, উৎসব সহ বিভিন্ন রেস্টুরেন্টের প্রায় ২,৪০০ আউটলেটে।
ক্যাফে, সুইটস ও বেকারি শপ:
ক্যাফে, সুইটস ও বেকারি শপে ‘D7’ কুপন কোড ব্যবহার করে বিকাশ পেমেন্টে পাওয়া যাচ্ছে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা পর্যন্ত ডিসকাউন্ট। ন্যূনতম ৩০০ টাকা পেমেন্টে দিনে একবার ১০% হারে সর্বোচ্চ ১০০ টাকা এবং অফার চলাকালীন পাঁচবারে মোট ৫০০ টাকা পর্যন্ত ছাড় মিলবে। এই ক্যাম্পেইন চলবে ৩১ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত।
অফারটি পাওয়া যাচ্ছে- আমাল ফুড, আজওয়া, অ্যাম্বার বেইক অ্যান্ড পেস্ট্রি, ব্রেড অ্যান্ড বিয়ন্ড, ক্লাউড কেক, কুপার’স, পিউরো বেকারি, কিউ বেকারি, সুমি’স হট কেক, টেস্টি ট্রিট, ওয়েল ফুড, বারকোড ক্যাফে, নর্থ অ্যান্ড ক্রিমসন কাপ, বনফুল, ভাগ্যকূল মিষ্টান্ন ভান্ডার, বস সুইটস, প্রিমিয়াম সুইটস, খাজানা মিঠাই, ফুলকলি, মিনা সুইটস, মিঠাই, রস সুইটস, বিক্রমপুর মিষ্টান্ন ভান্ডার সহ ২,৫০০-এর বেশি আউটলেটে।
বিকাশ পেমেন্টে ইফতার অর্ডারে অফারগুলো দেখে নেয়া যাবে এই লিংকে-
https://www.bkash.com/campaign/search?category=restaurant,payment-five-star-bogo
এমএন
কর্পোরেট সংবাদ
নগদের মাধ্যমে বিতরণ হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ডের অর্থ
পরিবারের নারী প্রধানকে অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী ও আরো আত্মবিশ্বাসী করতে সরকার যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরু করেছে সেখানে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে মোবাইল আর্থিক সেবা নগদ।
মঙ্গলবার সকালে কড়াইল বস্তি এলাকায় এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এই কর্মসূচীর আওতায় পরীক্ষামূলক পর্যায়ে ১৩ জেলার ছয় হাজার ৪৫১টি পরিবার ‘নগদ’এর মাধ্যমে এক কোটি ৬২ লাখ চার হাজার ২৬৫ টাকা পেয়েছেন।
কড়াইল বস্তির মতো ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় এই কর্মসূচির উদ্বোধন করার ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহের সৃষ্টি করেছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরাসরি ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভাতা প্রদানের ফলে মাঝপথে অর্থ লোপাটের কোনো সুযোগ থাকবে না এবং প্রকৃত দুস্থরাই এই সুবিধা পাবেন।
ফ্যামিলি কার্ডের মতো সরকারের অগ্রাধিকার প্রকল্পের অর্থ বিতরণের জন্যে ডাক বিভাগের মোবাইল আর্থিক সেবা নগদকে বেছে নেওয়ার নগদ কর্তৃপক্ষ সরকার এবং বিশেষভাবে সরকার প্রধানকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
নগদের মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশন্স বিভাগের প্রধান মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, “সরকার ক্ষমতা গ্রহনের মাত্র এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে সাধারণ জনগনের কাছে প্রতিশ্রুতি পূরণের যে অঙ্গীকার পুনব্যক্ত করেছে সেটি আমাদেরকে মুগ্ধ করেছে। সরকারের এমন একটি প্রকল্পের অংশীদার হওয়ায় আমরা গোটা নগদ পরিবার সরকার প্রধানের প্রতি বিশেষ কর্তৃজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাচ্ছি।”
সরকারের নির্বাচনপূর্ব প্রতিশ্রুত এই কর্মসূচির আওতায় দেশের বিভিন্ন জেলা ও সিটি করপোরেশন এলাকার দরিদ্র পরিবারগুলোকে প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে দেশের ১৩ জেলার সিটি করপোরেশন, পৌরসভা এবং বিভিন্ন ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য অংশই নগদের মাধ্যমে বিতরণ করা হয়েছে।
প্রাথমিকভাবে হতদরিদ্র ও নিম্ন মধ্যবিত্ত শ্রেণির ৫১ হাজার ৮০৫টি পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। পরে মাঠ পর্যায়ে নিবিড় যাচাই-বাছাই এবং একই ব্যক্তির একাধিক সরকারি ভাতা গ্রহণ রোধ, সরকারি চাকরিজীবী বা পেনশনভোগীদের বাদ দেওয়া হয়।
এই প্রকল্পের আওতায় কেবল ‘নারী প্রধান’ পরিবারগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে, যাতে সমাজের প্রান্তিক নারীদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। সরকারের এই উদ্যোগটি নিম্নবিত্ত মানুষের জীবনমান উন্নয়নে একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে মনেকরা হচ্ছে।
কর্পোরেট সংবাদ
রমজানে নগদ ও নগদ ইসলামিকে সহজে জাকাত ও অনুদান পাঠানোর সুবিধা
মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে সহজেই জাকাত ও দান-অনুদান পাঠানোর সুযোগ দিচ্ছে নগদ এবং নগদ ইসলামি-এ। বিভিন্ন দাতব্য সংস্থায় জাকাত দেওয়ার পাশাপাশি আর্তমানবতার সেবায় আর্থিক সহায়তা পাঠানোর সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে এই দুটি প্ল্যাটফর্মে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রতিদিন নগদ ও নগদ ইসলামিক অ্যাপ ব্যবহার করে এবং বেসিক ফোন ব্যবহারকারীরা ইউএসএসডি কোড (*167#) ডায়াল করে অর্ধশতাধিক প্রতিষ্ঠানে জাকাত ও আর্থিক অনুদান পাঠাচ্ছেন।
বিশেষ করে পবিত্র রমজান মাসে জাকাত ও অনুদান পাঠানোর পরিমাণ আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেড়েছে। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা এ সময় অধিক সওয়াবের আশায় দান-সদকা করার পাশাপাশি তাদের বাধ্যতামূলক জাকাতও আদায় করে থাকেন।
নগদ ও নগদ ইসলামিকের অ্যাপ বা ওয়েবসাইট ব্যবহার করে গ্রাহকেরা তাদের বার্ষিক আয়, বিনিয়োগ, স্বর্ণ, ঋণ ও অন্যান্য সম্পদের তথ্য দিয়ে জাকাতের পরিমাণ সহজেই হিসাব করতে পারবেন। নগদ ও নগদ ইসলামিকের গ্রাহকদের মধ্যে যারা স্মার্টফোন ব্যবহার করছেন তারা অ্যাপের ডোনেশন অপশনে গিয়ে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সরাসরি জাকাত বা অনুদান পাঠাতে পারছেন।
নগদ ও নগদ ইসলামিকের মাধ্যমে যেসব দাতব্য প্রতিষ্ঠানে জাকাত ও অনুদানের অর্থ প্রেরণ করা যায়, তারমধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- , কে কে ফাউন্ডেশন, কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন, অভিযাত্রিক ফাউন্ডেশন, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ জাকাত ফান্ড, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল রোগী কল্যাণ সমিতি (জাকাত তহবিল) এবং মুসলিম এইড ইউকে বাংলাদেশ ফিল্ড অফিস।
নগদ ও নগদ ইসলামিকের মাধ্যমে যেসব দাতব্য প্রতিষ্ঠানে জাকাত ও অনুদান পাঠানো যায়, তারমধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- আল মারকাযুল ইসলামী, আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম, আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন, সেন্টার ফর জাকাত ম্যানেজমেন্ট, তাসাউফ ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া ফাউন্ডেশন, কে কে ফাউন্ডেশন, মাস্তুল ফাউন্ডেশন, কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন, সাজিদা ফাউন্ডেশন, অভিযাত্রিক ফাউন্ডেশন, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ জাকাত ফান্ড, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল রোগী কল্যাণ সমিতি (জাকাত তহবিল) এবং মুসলিম এইড ইউকে বাংলাদেশ ফিল্ড অফিস।
এর বাইরেও আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে যেখানে সারা বছর নগদ ও নগদ ইসলামিকের মাধ্যমে অনুদান প্রদান করে আর্তমানবতার সেবায় অংশ নেওয়া যায়।
এ বিষয়ে নগদ ইসলামিকের শরীয়াহ সুপারভাইজরি কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এইচ এম শহীদুল ইসলাম বারাকাতি বলেন, আর্থিক ইবাদতের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ও ফরজ ইবাদত হচ্ছে জাকাত প্রদান। বিশেষ করে রমজান মাসে জাকাত আদায় করা সবচেয়ে উত্তম। তাই এই সময় নগদ ও নগদ ইসলামিকের মাধ্যমে জাকাত প্রদান করে সহজেই দারিদ্র্যপীড়িত মানুষের পাশে দাঁড়ানো জন্য এটিই সবচেয়ে উত্তম সময়।
ড. বারাকাতি আরও বলেন, আমরা লক্ষ্য করি অনেক মানুষ ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও সময় ও সুযোগের অভাবে অনেক সময় ঠিকমতো জাকাত আদায় করতে পারেন না। তাছাড়া যারা অন্যান্যভাবে আর্থিক সহায়তা প্রদান করতে চান তারাও কাকে দেবেন বা কীভাবে দেবেন এমন নানা সমস্যার সম্মুখীন হন। এক্ষেত্রে নগদ ও নগদ ইসলামিকের মাধ্যমে সত্যিকার অর্থে মানুষের জন্য কাজ করে এমন প্রতিষ্ঠানে জাকাত ও অন্যান্য দান-অনুদান প্রদান করা সম্ভব।
তাছাড়া ইসলামিক জীবন বিধান প্রতিপালন করে মোবাইলে আর্থিক লেনদেন সম্পন্ন করার জন্য নগদ ইসলামিক গ্রাহকদের সেরা পছন্দ হয়ে উঠেছে। রমজান মাসে পবিত্র হজ ও উমরাহর যাতায়াতের পেমেন্ট, ইসলামিক জীবন বীমার কিস্তি পরিশোধ, রোজা ও নামাজের সময়সূচি দেখা, বাংলা অর্থসহ আল কোরআন ও হাদিস পাঠসহ নানা সেবার সুবিধা নগদ ইসলামিকে রয়েছে।
এমএন
কর্পোরেট সংবাদ
সিটি ব্যাংক ও টয়োটা বাংলাদেশের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর
কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদার করতে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে সিটি ব্যাংক পিএলসি এবং টয়োটা বাংলাদেশ লিমিটেড। সোমবার (৯ মার্চ) ঢাকায় সিটি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এ চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
টয়োটা বাংলাদেশ লিমিটেডের পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রেমিত সিং এবং সিটি ব্যাংক পিএলসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাসরুর আরেফিন চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এ সময় অনুষ্ঠানে উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এই চুক্তির আওতায় টয়োটা বাংলাদেশ লিমিটেডকে ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ঋণ সুবিধা প্রদান করবে সিটি ব্যাংক। পাশাপাশি করপোরেট কার্ড, কালেকশন ও ক্যাশ ম্যানেজমেন্ট সেবা, বৈদেশিক বাণিজ্য সেবা এবং পে-রোলসহ এমপ্লয়ি ব্যাংকিং সুবিধাও প্রদান করা হবে।
অনুষ্ঠানে মাসরুর আরেফিন বলেন, টয়োটার বৈদেশিক প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ সিটি ব্যাংকের মাধ্যমে সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যকর সহযোগিতার প্রতিফলন। একইসঙ্গে বিদেশি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের জন্য আর্থিক সেবা প্রদানে সিটি ব্যাংকের সক্ষমতার প্রতিফলন।
এ সময় প্রেমিত সিং সিটি ব্যাংকের কর্মীদের জন্য টয়োটার গাড়িতে বিশেষ ছাড়ের ঘোষণা দেন এবং ভবিষ্যতে দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদার হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠান শেষে উভয় প্রতিষ্ঠান ভবিষ্যতে পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে।
এমএন




