পুঁজিবাজার
আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজের সর্বোচ্চ দরপতন
সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে দরপতনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, সোমবার (০৫ জানুয়ারি) কোম্পানিটির শেয়ার দর ৩ টাকা ৭০ পয়সা বা ১০ শতাংশ কমেছে।
দরপতনের এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ছিল বিচ হ্যাচারি। কোম্পানিটির শেয়ার দর ৯ দশমিক ৮৮ শতাংশ কমেছে। আর তৃতীয় স্থানে থাকা এস আলম কোল্ড রোল্ডের শেয়ার দর ৯ দশমিক ৬২ শতাংশ কমেছে।
এছাড়াও, ডিএসইতে দরপতনের শীর্ষ দশে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হচ্ছে- কাট্টলি টেক্সটাইল, বাংলাদেশ ওয়েল্ডিং, রিজেন্ট টেক্সটাইল, ফু ওয়াং ফুড, বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স, জিএসপি ফাইন্যান্স এবং ওয়াইম্যাক্স ইলেকট্রোড।
এসএম
পুঁজিবাজার
আইপিও রুলসে সংশোধন, স্বচ্ছ প্রাইসিংয়ে জোর বিএসইসির
প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) রুলসে বেশ কয়েকবার সংশোধন আনা হয়েছে। শুরুতে ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতি ছিলো। পরে বুক বিল্ডিং পদ্ধতি আনা হয়েছে। তারপরও কিছু দুর্বলতার কারণে প্রাইসিং স্বচ্ছ হতে বাধাগ্রস্ত হয়েছে। নতুন আইনে সেই বিষয়গুলোতে সংশোধন আনা হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিএসইসির মাল্টিপারপাস হলে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (পাবলিক অফার অফ ইকুইটি সিকিউরিটিজ) রুলস, ২৫২৫ এর ওপর এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন সংস্থার পরিচালক ও মুখপাত্র মো. আবুল কালাম। এসময় বিএসইসির যুগ্ম পরিচালক শরিফুল আলমসহ সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মো. আবুল কালাম বলেন, নতুন কমিশন দায়িত্ব নিয়েই পুঁজিবাজারে ভালো কোম্পানি আনতে উদ্যোগ নেয়। কিন্ত, ইস্যুয়ার কোম্পানি ও ইস্যু ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে কথা বলে আমরা জানতে পারি, এখানে ভালো কোম্পানি তালিকাভুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে প্রাইসিংসহ আরো কয়েকটি সমস্যা বিদ্যামান।
পরে টাস্কফোর্সের পরামর্শ আইপিও রুলস সংশোধনের উদ্যোগ নেয়া হয় জানিয়ে তিনি বলেন, ইস্যুয়ার কোম্পানিগুলো আমাদের কাছে দাবি জানিয়েছিলো প্রাইসিং স্বচ্ছ করার জন্য। এটি না হওয়ার কারণে অনেকগুলো ভালো কোম্পানি তখন পুঁজিবাজারে আসতে আগ্রহ দেখাচ্ছিল না। আমরা সেই জায়গায় গুরুত্ব দিয়ে কাজ শুরু করেছি।
বিএসইসি মুখপাত্র আরো বলেন, আইপিও রুলস সংশোধনের কাজ চললেও এসময়ে আবেদন বন্ধ রাখা হয়নি। কিন্তু, দুঃখজনক হলে সত্য, গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে পূর্বের রুলসে কোম্পানিগুলো আবেদন করতে আগ্রহ দেখায়নি। তবে আগের পাবলিক ইস্যু রুলস ২০১৫ এর আইনে তারা আবেদন করতে পারতো।
এমকে
পুঁজিবাজার
আলহাজ্ব টেক্সটাইলের বোনাস শেয়ারে সম্মতি দেয়নি বিএসইসি
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি আলহাজ্ব টেক্সটাইল মিলসের ৩০ জুন ২০২৪ সমাপ্ত হিসাব বছরে জন্য ঘোষিত বোনাস লভ্যাংশ শেয়ারহোল্ডারদের প্রদানের সম্মতি দেয়নি নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্রমতে, কোম্পানিটি আলোচিত হিসাব বছরে ৩৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল। তবে নগদ লভ্যাংশের জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫ জানুয়ারি।
জানা গেছে, বিএসইসির সম্মতি পাওয়ার পর বোনাস লভ্যাংশের জন্য একটি নতুন রেকর্ড তারিখ ঘোষণা করা হবে।
এমকে
পুঁজিবাজার
শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ পাঠিয়েছে চার কোম্পানি
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত চার কোম্পানি গত ৩০ জুন, ২০২৫ সমাপ্ত হিসাববছরের ঘোষিত নগদ লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের কাছে পাঠিয়েছে।
কোম্পানিগুলো হচ্ছে- ফারইস্ট নিটিং অ্যান্ড ডাইং ইন্ডাস্ট্রিজ, কোহিনূর কেমিক্যাল কোম্পানী লিমিটেড,মুন্নু সিরামিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড এবং মুন্নু এগ্রো অ্যান্ড জেনারেল মেশিনারি লিমিটেড।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, কোম্পানিগুলো নগদ লভ্যাংশ বিইএফটিএন সিস্টেমস ও বোনাস বিও হিসাবের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের কাছে পাঠিয়েছে।
গত ৩০ জুন, ২০২৫ সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য ফারইস্ট নিটিং ১২ শতাংশ, মুন্নু এগ্রো ৫ শতাংশ, মুন্নু সিরামিক ২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল। এছাড়া কোহিনূর কেমিক্যাল ৬৫ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা দিয়েছিল।
এমকে
পুঁজিবাজার
সূচক ঊর্ধ্বমুখী, দেড় ঘণ্টায় বেড়েছে ১৮৫ শেয়ারদর
সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্য সূচকের ইতিবাচক প্রবণতায় লেনদেন চলছে। এদিন প্রথম দেড় ঘণ্টায় লেনদেনে অংশ নেওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ১৮৫টির শেয়ারদর বেড়েছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বেলা ১১টা ৩০মিনিট পর্যন্ত ডিএসইর প্রধান সূচক বা ‘ডিএসইএক্স’ সূচক ১৫ দশমিক ৯৪ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৪ হাজার ৯৬২ পয়েন্টে। অন্য সূচকগুলোর মধ্যে শরিয়াহ সূচক ‘ডিএসইএস’ সূচক ৩ দশমিক ২৩ পয়েন্ট বেড়ে এবং ‘ডিএস৩০’ সূচক ৬ দশমিক ৫০ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ৯৯৮ ও ১৯৫০ পয়েন্টে।
এসময় টাকার অংকে লেনদেন হয়েছে ১০৯ কোটি ৪৫ লাখ ৫২ হাজার টাকা।
এসময়ে লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৮৫টি, কমেছে ১০২টি এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৯৮টি কোম্পানির শেয়ারের।
এমকে
পুঁজিবাজার
সিডিবিএলের সফটওয়্যার সমস্যায় বিও হিসাব খোলা বন্ধ, ভোগান্তিতে ব্রোকার-বিনিয়োগকারীরা
কেন্দ্রীয় ইলেকট্রনিক শেয়ার সংরক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিডিবিএল) সফটওয়্যার সমস্যার কারণে নতুন বেনিফিশিয়ারি ওনার্স বা বিও অ্যাকাউন্ট খোলা বন্ধ রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সপ্তাহের শুরু থেকেই নতুন করে কোনো বিও হিসাব খুলতে পাচ্ছে না। এমনকি সফটওয়্যারে প্রয়োজনীয় তথ্য চাইলেও মিলছে না, ভুল তথ্য আসছে বলে অভিযোগ করছে একাধিক ব্রোকারেজ হাউজ। এতে ব্রোকারেজ হাউজগুলোতে হিসাব খুলতে এসেও ফিরে যাচ্ছে নতুন বিনিয়োগকারীরা।
তবে, এবিষয়ে সিডিবিএল থেকে ব্রোকারেজ হাউজগুলোকে কোনো তথ্য জানানো হয়নি। সিডিবিএলে বিষয়টি গোপন করার চেষ্টা করছে বলে অভিয়োগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র জানায়, পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের প্রথম ও অপরিহার্য ধাপ বিও হিসাব খোলা। ব্রোকারেজ হাউজের মাধ্যমে সিডিবিএলে অ্যাকাউন্ট খোলার মাধ্যমে বিনিয়োগকারীরা তাদের শেয়ার ইলেকট্রনিকভাবে জমা রাখে। তবে গত রবিবার থেকে সিডিবিএলের সফটওয়্যারে কারিগরি ত্রুটির কারণে নতুন করে কোনো হিসাব খোলা যাচ্ছে না। এতে নতুন বিনিয়োগকারীরা পুঁজিবাজারে আসতে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। বাজারে এর নেতিবাচক প্রভাব পরার আশঙ্কা রয়েছে। তবে সিডিবিএল থেকে ব্রোকারেজ হাউজগুলোকে কোনো তথ্য জানানো হয়নি।
এবিষয়ে মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) ফার্স্ট ক্যাপিটাল সিকিউরিটিজের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. কাউসার আল মামুন অর্থসংবাদকে বলেন, গত বরিবার থেকে সিডিবিএলের সফটওয়্যারে ত্রুটি দেখা দিচ্ছে। একটিও বিও হিসাব খোলা সম্ভব হচ্ছে না। এছাড়াও, সিডিবিএলের সফটওয়্যারে প্রয়োজনীয় তথ্য চাইলেও মিলছে না, ভুল তথ্য আসছে। এতে নতুন বিনিয়োগকারীরা চেক-টাকা নিয়ে আসলেও হিসাব খোলা সম্ভব না হওয়ায় তারা ফিরে যাচ্ছে। আমরা আরও কয়েকটা হাউজে খবর নিয়ে দেখেছি, তারাও হিসাব খুতে পারছে না।
তিনি আরও বলেন, আমাদের ব্রোকারেজ হাউজ থেকে সিডিবিএল কর্মকর্তাদের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তারা কোনো সদুত্তর দিতে পারেনি। পরোক্ষণে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তারা সাড়া দেননি।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সিডিবিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও সিইও মো. আবদুল মোতালেব অর্থসংবাদকে বলেন, এবিষয়ে কোনো বিনিয়োগকারী বা ব্রোকারেজ হাউজ থেকে অভিযোগ পাইনি। সব কিছু ঠিক আছে। কোনো ব্যাপারে আমরা অভিযোগ পেলে সেটা যাচাই করে দেখি।
সবকিছু ঠিক থাকলে গত কয়েকদিনে নতুন করে বিও হিসাবের সংখ্যা বাড়ছে কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, নতুন বিও হিসাব আসছে। তবে কতটা হিসাব খোলা হয়েছে, কি হারে আসছে এমডি হিসাবে এটা আমার জানা হয় না।
এসএম



