জাতীয়
তাসনিম জারার মনোনয়নপত্র বাতিল
ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. তাসনিম জারার মনোনয়পত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার (৩ জানুয়ারি) রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ঢাকা জেলা প্রশাসক রেজাউল করিম এ ঘোষণা দেন। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তাসনিম জারা নির্বাচন কমিশনে আপিল করবেন বলে জানিয়েছেন।
দুইজন ভোটারের তথ্য যাচাইয়ে গরমিল পাওয়া গেছে জানিয়ে তাসনিম জারা বলেন, যে দুই জনের তথ্য গরমিল পেয়েছে, এদের মধ্যে একজনের জানার কোনো উপায় ছিল না যে তিনি ঢাকা-৯ আসনের ভোটা না। আরেকজন যার ব্যতিক্রম এসেছে, তার কাছে এসআইডির যে হার্ড কপি আছে সেখানকার ঠিকানা অনুযায়ী তিনি জানতেন ঢাকা-৯ আসনের ভোটার। তবে নির্বাচন কমিশনের কাছে তথ্য আছে তিনি এ আসনের ভোটার না।
গত ২৭ ডিসেম্বর এক ফেসবুক পোস্টে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে পদত্যাগের পর ঢাকা–৯ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেন তাসনিম জারা। জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে এনসিপির নির্বাচনী সমঝোতার প্রেক্ষাপটে তিনি এই সিদ্ধান্ত নেন।
এমকে
জাতীয়
ভারতের সঙ্গে উত্তেজনার প্রভাব দেশের অর্থনীতিতে পড়বে না: অর্থ উপদেষ্টা
ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার উত্তেজনার কোনো প্রভাব দেশের অর্থনীতিতে পড়বে না বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভা শেষে তিনি এ কথা বলেন। উপদেষ্টা বলেন, ক্রিকেটার মুস্তাফিজকে নিয়ে যেটি ঘটেছে সেটি দুঃখজনক। এর শুরুটা কিন্তু আমরা করিনি। তবে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার রাজনৈতিক টানাপোড়েনের কোনো প্রভাব দেশের অর্থ-বাণিজ্যে পড়বে না।
তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক খারাপ হোক সেটি চাই না। তবে দুই দেশ বসেই বিষয়টির মীমাংসা করতে হবে। রাজনৈতিক বা অর্থনৈতিক সম্পর্ক নষ্ট করবে না বলেই আশা করছি।
এ সময় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) পৃথকীকরণ অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েই বাস্তবায়িত হবে বলেও জানান অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
এমকে
জাতীয়
ব্যবসায়ীরা কারসাজি করে গ্যাসের দাম বাড়িয়েছে: জ্বালানি উপদেষ্টা
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায়ীরা কারসাজি করে গ্যাসের (এলপিজি) দাম বাড়িয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় এবং অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা এ কথা জানান।
তিনি বলেন, যারা আশা করতেছিলেন এলপিজির দাম বাড়বে, যেটা আপনার দেখছেন যে বিইআরসি ৫৩ টাকা না কত টাকা যেন বাড়িয়েছে। তো অনেকে এইটার সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করছে। এরপরে কেবিনেট সেক্রেটারিকে আমরা বলেছি যে, প্রত্যেক জেলায় জেলায় এগুলো নিয়ে যেন মোবাইল কোর্ট করা হয়।
তিনি আরও বলেন, গতকাল আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় তো আমরা আলাপ করছি। তো এখানে ইয়ের কোনো কারণ নেই, মানে যে এই দামের অস্বাভাবিকতা, এটা একটা কারসাজির মাধ্যমে করা হয়েছে। সরকার এজন্য ব্যবস্থা নিচ্ছে জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে এবং পুলিশের মাধ্যমে।
কারা কারসাজি করেছে জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, খুচরা এবং পাইকারি ব্যবসায়ীরা মিলে এটা করেছেন।
এমকে
জাতীয়
ট্রাইব্যুনালে সালমান-আনিসুল, আসামিপক্ষের অব্যাহতি চেয়ে শুনানি আজ
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান ও সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হককে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে।
জুলাই অভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতা হত্যায় উসকানি দেওয়ার অভিযোগে দায়ের করা এই মামলায় তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন না করার পাশাপাশি অব্যাহতি চেয়ে আসামিপক্ষের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে আজ।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ শুনানি শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
প্যানেলের অন্য সদস্যরা হলেন– বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
এদিন সকাল ১০টার পর কারাগার থেকে কড়া পাহারায় প্রিজনভ্যানে করে সালমান ও আনিসুল হককে ট্রাইব্যুনালে নিয়ে আসে পুলিশ।
এর আগে গত ২২ ডিসেম্বর তাদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের বিষয়ে প্রসিকিউশন পক্ষ শুনানি শেষ করেছে। শুনানির ওই পর্যায়ে সালমান ও আনিসুলের একটি বিতর্কিত ফোনালাপ ট্রাইব্যুনালে বাজিয়ে শোনানো হয়েছিল।
প্রসিকিউশন পক্ষের দাবি ছিল, কারফিউ চলাকালে আন্দোলনকারীদের ‘শেষ করে দেওয়ার’ এই প্ররোচনা হত্যাকাণ্ডে উসকানি হিসেবে কাজ করেছে। শুনানি শেষে আসামিদের বিরুদ্ধে বিচার শুরুর প্রার্থনা করে প্রসিকিউশন।
গত ৪ জানুয়ারি আসামিপক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী।
তিনি ট্রাইব্যুনালে শোনানো ফোনালাপটি সালমান ও আনিসুলের নয় বলে দাবি করেন এবং বিদেশি বিশেষজ্ঞের মাধ্যমে ভয়েস রেকর্ডটি পরীক্ষা করার আবেদন জানান। যদিও ট্রাইব্যুনাল সেই আবেদনটি খারিজ করে তা নথিভুক্ত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।
এ ছাড়া মুনসুরুল হক তার মক্কেলদের পক্ষে বিদেশি আইনজীবী নিয়োগের জন্য ১০ ডিসেম্বর একটি আবেদন দাখিল করেছেন।
চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম গত ২২ ডিসেম্বর সালমান ও আনিসুলের বিরুদ্ধে পাঁচটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাঠ করেন। এর আগে ৪ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হলে আদালত তা আমলে নেন।
প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের সময় করা ওই ফোনালাপের পর ঢাকা ও সারা দেশে নির্বিচারে গুলি চালিয়ে হত্যাকাণ্ড চালানো হয়। এই অপরাধের দায়ভার ও উসকানির বিষয়েই আজ আসামিপক্ষ তাদের আইনি ব্যাখ্যা ও অব্যাহতির আবেদন পেশ করবেন।
এমকে
জাতীয়
ঢাকার বাতাস আজ অস্বাস্থ্যকর
জলবায়ু পরিবর্তনসহ নানা কারণে পৃথিবীর বিভিন্ন শহরে দিন দিন বাড়ছে বায়ুদূষণ। দীর্ঘদিন ধরে মেগাসিটি ঢাকার বাতাসও দূষিত। সম্প্রতি বৃষ্টির কারণে ঢাকার বায়ুমান কিছুটা উন্নতির দিকে থাকলেও আজ ঢাকার বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে গণ্য করা হয়।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে আন্তর্জাতিক বায়ুমান প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ার থেকে এ তথ্য জানা যায়।
২১৯ স্কোর নিয়ে আজ বায়ুদূষণে শীর্ষে ভারতের শহর ‘দিল্লি’, যা এখানকার বাতাসের মান নাগরিকদের জন্য ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’। একই সময় ১৮৫ স্কোর নিয়ে বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে মিশরের শহর ‘কায়রো’।
এদিকে ১৮০ স্কোর নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারতের শহর ‘কলকাতা’। আর ১৫৩ স্কোর নিয়ে এই তালিকায় ১২তম অবস্থানে রয়েছে রাজধানী ‘ঢাকা’, যা এখানকার বাতাসের মান নাগরিকদের জন্য ‘অস্বাস্থ্যকর’।
ঢাকার ৭ স্থানে ভয়াবহ বায়ুদূষণ
বায়ুদূষণ ঢাকায় এখন নিত্যদিনের সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত ডিসেম্বর মাসে এক দিনও নির্মল বায়ুর দেখা মেলেনি রাজধানীতে। চলতি বছরের শুরু থেকেই ঢাকায় বায়ুদূষণের মাত্রা ক্রমেই বাড়ছে।
আজ সকালে ঢাকার সাতটি স্থানে বায়ুর মান ‘খুব খারাপ’ পর্যায়ে রয়েছে। এলাকাগুলো হলো- গোড়ান (১৬৩), শান্তা ফোরাম (১৬২), পল্লবী (১৫৭), বেচারাম দেউড়ী (১৫৭), মিরপুরের ইস্টার্ন হাউজিং (১৫৩), কল্যাণপুর (১৫৩) ও গুলশানের বে’জ এইজ ওয়াটার (১৫২)।
বায়ুদূষণ মোকাবিলায় দেশে বিভিন্ন সময়ে একাধিক প্রকল্প নেওয়া হলেও বাস্তবে পরিস্থিতির তেমন উন্নতি হয়নি। বরং দিন দিন দূষণ আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। এ সমস্যা শুধু ঢাকায় সীমাবদ্ধ নয়; দেশের অন্যান্য শহরেও বায়ুদূষণ উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছাচ্ছে। কোনো কোনো দিন ঢাকাকেও ছাড়িয়ে যাচ্ছে অন্য শহরগুলোর দূষণের মাত্রা।
শুকনা মৌসুম শুরু হওয়ার পর থেকেই ধারাবাহিকভাবে বিশ্বের দূষিত বায়ুর শহরের তালিকায় শীর্ষের দিকে অবস্থান করছে ঢাকা। প্রায় প্রতিদিনই রাজধানীর বায়ুমান অস্বাস্থ্যকর অবস্থায় থাকছে।
সুরক্ষায় নগরবাসীর করণীয়
আইকিউএয়ারের পরামর্শ অনুযায়ী, আজ ঢাকায় বায়ুর মান বিবেচনায় বাইরে বের হলে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। এছাড়া খোলা জায়গায় ব্যায়াম এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে। বায়ুদূষণের প্রভাব কমাতে ঘরের জানালা যতটা সম্ভব বন্ধ রাখারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এমকে
জাতীয়
শীতকালীন রোগ মোকাবিলায় সকল হাসপাতালে জরুরি ৭ নির্দেশনা
শীতকালীন রোগের প্রাদুর্ভাব রোধ ও রোগীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে দেশের সব হাসপাতালের জন্য ৭ দফা নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এসব নির্দেশনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই নির্দেশনা জারি করা হয়। চিঠিতে বলা হয়েছে, জনস্বার্থে শীতকালীন রোগের প্রাদুর্ভাব রোধ এবং হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সাতটি পদক্ষেপ গ্রহণ করা আবশ্যক।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, হাসপাতালের ভাঙা জানালা, দরজা বা যেসব স্থানে ঠান্ডা বাতাস প্রবেশ করে, সেগুলো পিডব্লিউডি, এইচইডি অথবা নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় দ্রুত মেরামত বা সংস্কার করতে হবে। এর মাধ্যমে শীতকালীন তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে এবং রোগীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা যাবে।
এছাড়া রোগীদের জন্য পর্যাপ্ত কম্বল ও মশারি সরবরাহের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে শীত ও তাপমাত্রা পরিবর্তনের কারণে সংক্রমণের ঝুঁকি না বাড়ে।
শীতকালীন রোগের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় নেবুলাইজার সলিউশন, অ্যান্টিবায়োটিক, অক্সিজেন, ওরাল স্যালাইন, আইডি ফ্লুইডসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় ওষুধ পর্যাপ্ত পরিমাণে মজুত ও সরবরাহ নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
নির্দেশনায় শিশু ও মেডিসিন ওয়ার্ডে বাধ্যতামূলকভাবে বৈকালিক রাউন্ড নিশ্চিত করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি রোগীর অভিভাবক ও পরিবারের সদস্যদের শীতকালীন রোগ এবং প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ে স্বাস্থ্য শিক্ষা দেওয়ার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।
এছাড়া প্রতিদিন হাসপাতালের সার্বিক স্বাস্থ্য পরিস্থিতির প্রতিবেদন এমআইএস কন্ট্রোল রুমে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শীতকালীন রোগের প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণ ও রোগীরা যেন সঠিক সেবা পান, সে বিষয়ে হাসপাতাল প্রধানদের ক্ষেত্রে বিশেষ নজরদারি রাখার কথাও বলা হয়েছে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, উপরোল্লিখিত নির্দেশনাগুলো যথাযথভাবে প্রতিপালনের জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করা হলো।
এই নির্দেশনা দেশের সব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক, বিশেষায়িত হাসপাতালের পরিচালক, জেলা সদর ও জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে।
এমকে



