পুঁজিবাজার
সাপ্তাহিক দরপতনের শীর্ষে ইন্টারন্যাশনাল লিজিং
বিদায়ী সপ্তাহে (২৩ নভেম্বর-২৭ নভেম্বর) প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দর পতনের শীর্ষ তালিকার প্রথম স্থানে রয়েছে ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স সার্ভিসেস লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারদর সপ্তাহজুড়ে কমেছে ৮ দশমিক ৯৬ শতাংশ।
ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনায় এ তথ্য জানা গেছে।
তথ্য মতে, তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা যমুনা অয়েলের শেয়ার দর কমেছে ৮ দশমিক ৯৩ শতাংশ। আর তালিকায় তৃতীয় স্থানে থাকা জিল বাংলা সুগার মিলসের শেয়ার দর কমেছে ৭ দশমিক ৯০ শতাংশ।
তালিকায় উঠে আসা অন্যান্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে- আইএফআইসি ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডের ৭.৬৯ শতাংশ, পপুলার লাইফ ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডের ৭.৬৯ শতাংশ, ট্রাস্ট ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডের ৭.৬৯ শতাংশ, ফার্স্ট ফাইন্যান্সের ৭.৪১ শতাংশ, ডিবিএইচ ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডের ৭.২৫ শতাংশ, আরামিট লিমিটেডের ৬.৮৮ শতাংশ এবং নর্দান জুট ম্যানুফ্যাকচারিংয়ের ৬.৮২ শতাংশ দর কমেছে।
এমকে
পুঁজিবাজার
ব্লক মার্কেটে ৩৩ কোটি টাকার লেনদেন
সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে মোট ৩০টি কোম্পানির ৩৩ কোটি ৬৩ লাখ ৪৩ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।
ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্রমতে, কোম্পানিগুলোর মোট ৩৬ লাখ ৮২ হাজার ৭১১ টি শেয়ার ১০৫ বারে লেনদেন হয়েছে। যার আর্থিক মূল্য ৩৩ কোটি ৬৩ লাখ ৪৩ হাজার টাকা।
ব্লক মার্কেটে সবচেয়ে বেশি ফাইন ফুডসের ৮ কোটি ৯৬ হাজার টাকার, দ্বিতীয় স্থানে গ্রামীন ফোনের ৩ কোটি ৯৪ লাখ ২২ হাজার টাকার ও তৃতীয় স্থানে রেনেটার ৩ কোটি ৯০ লাখ ৪০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।
এমকে
পুঁজিবাজার
পিপলস লিজিংয়ের সর্বোচ্চ দরপতন
সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে দরপতনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স সার্ভিসেস লিমিটেড। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, মঙ্গলবার (০৬ জানুয়ারি) কোম্পানিটির শেয়ার দর ৬ পয়সা বা ১০.৫২ শতাংশ কমেছে।
দরপতনের এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ছিল এপোলো ইস্পাত। কোম্পানিটির শেয়ার দর ১০ শতাংশ কমেছে। আর তৃতীয় স্থানে থাকা এফএএস ফাইন্যান্সের শেয়ার দর ১০ শতাংশ কমেছে।
এছাড়াও, ডিএসইতে দরপতনের শীর্ষ দশে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হচ্ছে- প্রিমিয়ার লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স লিমিটেড, রিজেন্ট টেক্সটাইল, শ্যামপুর সুগার, স্ট্যান্ডার্ড সিরামিক, খুলনা প্রিন্টিং, বাংলাদেশ ওয়েলডিং ইলেক্ট্রোডস এবং ফারইস্ট ফাইনান্স ও ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।
এমকে
পুঁজিবাজার
দর বৃদ্ধির শীর্ষে জিকিউ বলপেন
সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৯১ কোম্পানির মধ্যে ১০৮টির শেয়ারদর বৃদ্ধি পেয়েছে। এরমধ্যে সর্বোচ্চ দর বৃদ্ধি পেয়েছে জিকিউ বলপেন ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড।
ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) ডিএসইতে সর্বোচ্চ দর বৃদ্ধি পাওয়া কোম্পানিটির শেয়ারদর আগের কার্যদিবসের তুলনায় ৩৩ টাকা ৮০ পয়সা বা ৭ দশমিক ৪৫ শতাংশ বেড়েছে। এর ফলে কোম্পানিটি দর বৃদ্ধির তালিকায় প্রথম স্থান দখল করে নেয়।
দর বৃদ্ধির এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ছিল টেকনো ড্রাগ। কোম্পানিটির শেয়ার দর ৬ দশমিক ৫১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। আর তৃতীয় স্থানে থাকা এনভয় টেক্সটাইলসের দর বেড়েছে ৪ দশমিক ৪৬ শতাংশ।
এছাড়াও, ডিএসইতে দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হচ্ছে- ফার্স্ট জনতা ব্যাংক মিউচুয়াল ফান্ড, শাইনপুকুর সিরামিক্স, প্রাইম ফাইন্যান্স ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, মতিন স্পিনিং, বিডিকম অনলাইন, রহিম টেক্সটাইল এবং শাশা ডেনিম পিএলসি।
এমকে
পুঁজিবাজার
লেনদেনের শীর্ষে স্কয়ার ফার্মা
সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে লেনদেনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, মঙ্গলবার (০৬ জানুয়ারি) কোম্পানিটির ১৪ কোটি ২৮ লাখ ৪২ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর ফলে কোম্পানিটি লেনদেনের তালিকায় প্রথম স্থান দখল করে।
এদিন লেনদেনের এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ছিল উত্তরা ব্যাংক। কোম্পানিটির ১৩ কোটি ২১ লাখ ১৬ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আর ১২ কোটি ৫৯ লাখ ৬৭ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন করে তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে ওরিয়ন ইনফিউশন লিমিটেড।
এছাড়াও, ডিএসইতে লেনদেনের শীর্ষ দশে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হলো- সায়হাম কটন মিলস লিমিটেড, সামিট অ্যালায়েন্স, শাহজিবাজার পাওয়ার, সিটি ব্যাংক, রহিমা ফুড, সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ এবং রবি আজিয়াটা পিএলসি।
এমকে
পুঁজিবাজার
সময়মতো ব্যবসা শুরু না করায় এক ব্রোকারেজ হাউসের সনদ বাতিল
পুঁজিবাজারে শেয়ার লেনদেনের অনুমোদন পাওয়া প্রতিষ্ঠান এসকিউ ব্রোকারেজ হাউসের সনদ বাতিল করেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কর্তৃপক্ষ। নিয়ম অনুযায়ী, সনদ নেওয়ার পরও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যবসা শুরু করতে না পারায় প্রতিষ্ঠানটির নিবন্ধন সনদ বাতিল করা হয়েছে। ডিএসই থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, নিবন্ধন সনদ বাতিল হওয়ায় এখন আর পুঁজিবাজারে লেনদেনের কোনো বৈধতা নেই প্রতিষ্ঠানটির। এ কারণে এ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কোনো ধরনের শেয়ার লেনদেন–সংক্রান্ত কোনো কার্যক্রমে যুক্ত না থাকার বিষয়ে বিনিয়োগকারীদের সতর্কতার অংশ হিসেবে এ সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে।
একই সঙ্গে ডিএসইর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে এরই মধ্যে কোনো বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে লেনদেন করে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলে প্রয়োজনীয় তথ্যপ্রমাণসহ এ বিষয়ে স্টক এক্সচেঞ্জের সঙ্গে যোগাযোগ করতে।
ডিএসই সূত্রে জানা যায়, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় রাজনৈতিক বিবেচনায় শেয়ারবাজারে শেয়ার লেনদেনের জন্য ট্রেডিং রাইট এনটাইটেলমেন্ট সার্টিফিকেট বা ট্রেক সনদ নেয় এসকিউ ব্রোকারেজ হাউস। শেয়ারবাজারে ট্রেক সনদপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলো ‘ব্রোকারেজ হাউস’ নামে পরিচিত। রাজনৈতিক বিবেচনায় প্রতিষ্ঠানটিকে স্টক ব্রোকার ও স্টক ডিলারের সনদ দেয় তৎকালীন পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এর মধ্যে স্টক ব্রোকার সনদ হচ্ছে শেয়ারবাজারে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য শেয়ার লেনদেন সুবিধা–সংক্রান্ত ব্যবসার অনুমোদন। আর স্টক ডিলার সনদ দেওয়া হয় প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব বিনিয়োগ ও ব্যবসার জন্য।
নিয়ম অনুযায়ী, এই সনদ প্রাপ্তির নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটিকে ব্যবসা শুরু করতে হয়। কিন্তু কয়েক দফা সময় বাড়ানোর পরও প্রতিষ্ঠানটি ব্যবসা শুরু করতে পারেনি বলে ডিএসই জানিয়েছে। এ অবস্থায় ডিএসইর পক্ষ থেকে প্রতিষ্ঠানটিকে ব্যবসা শুরুর তাগিদও দেওয়া হয় কয়েক দফায়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটি ব্যবসা শুরু করতে পারেনি। সর্বশেষ প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে সনদ বাতিলের আবেদন করা হলে ডিএসই প্রতিষ্ঠানটির ব্রোকারেজ সনদ বাতিল করে।
আরও জানা যায়, এ প্রতিষ্ঠানের মালিকানায় ছিলেন কুমিল্লা থেকে নির্বাচিত আওয়ামী লীগদলীয় একজন সংসদ সদস্য। ২০২৪ সালের আগস্টে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তাই প্রতিষ্ঠানটি এ ব্যবসায় যুক্ত হওয়ার আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। এ কারণে নিজেরা সনদ বাতিলের আবেদন করে। তার ভিত্তিতে সনদ বাতিল হয়-জানিয়েছে গণমাধ্যম।
এমকে



