আন্তর্জাতিক
কোরআন হাতে শপথ নিলেন জোহরান মামদানি
কোরআন হাতে শপথ নিয়েছেন নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি। বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) ইতিহাস গড়ে নিউইয়র্ক সিটির মেয়র হিসেবে শপথ নিয়েছেন। তিনি নিউইয়র্কের প্রথম মেয়র, যিনি কোরআন শরিফে হাত রেখে শপথ গ্রহণ করলেন।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শহরের প্রথম মুসলিম ও দক্ষিণ এশীয় বংশোদ্ভূত মেয়র মামদানি শপথ গ্রহণের জন্য ব্যবহার করেন তার দাদার সংরক্ষিত কোরআন এবং নিউইয়র্ক পাবলিক লাইব্রেরি (এনওয়াইপিএল) থেকে ধার নেওয়া প্রায় ২০০ বছরের পুরোনো একটি ঐতিহাসিক কোরআন। টাইমস স্কয়ারের নিচে পরিত্যক্ত একটি সাবওয়ে স্টেশনে আয়োজিত ব্যক্তিগত শপথ অনুষ্ঠানে এই দুটি কোরআন ব্যবহৃত হয়।
শুক্রবার নিউইয়র্ক সিটি হলে আয়োজিত আনুষ্ঠানিক শপথ অনুষ্ঠানে তিনি তার দাদা ও দাদির সংরক্ষিত দুটি কোরআন ব্যবহার করার পরিকল্পনা করেছেন।
লাইব্রেরি থেকে ধার নেওয়া ঐতিহাসিক কোরআনটি একসময় আফ্রিকান-আমেরিকান ইতিহাসবিদ ও লেখক আরতুরো শমবার্গের সংরক্ষণে ছিল। তিনি ১৯২৬ সালে তার প্রায় ৪ হাজার বইয়ের সংগ্রহ নিউইয়র্ক পাবলিক লাইব্রেরির কাছে বিক্রি করেন, যা পরবর্তী সময় বিখ্যাত শমবার্গ সেন্টার ফর রিসার্চ ইন ব্ল্যাক কালচার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
শমবার্গ ১৮৭০-এর দশকে পুয়ের্তো রিকোতে জন্মগ্রহণ করেন এবং পরে নিউইয়র্কে অভিবাসী হয়ে আসেন। ১৯২০ ও ১৯৩০-এর দশকে হার্লেম রেনেসাঁ আন্দোলনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এ সময় নিউইয়র্কের কৃষ্ণাঙ্গ সম্প্রদায়ের মধ্যে সাংস্কৃতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক জাগরণ ঘটে।
নিউইয়র্ক পাবলিক লাইব্রেরি জানিয়েছে, মামদানির এই কোরআন বেছে নেওয়া নিউইয়র্কের অন্যতম প্রভাবশালী চিন্তাবিদের উত্তরাধিকার এবং অন্তর্ভুক্তির বার্তাকে তুলে ধরে। লাইব্রেরির মতে, ছোট আকার ও সাধারণ নকশার কারণে এটি দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য তৈরি কোরআন বলে ধারণা করা হয়। এর লেখনশৈলী ও বাঁধাই থেকে অনুমান করা হয় যে, এটি ১৯শ শতকে উসমানি সিরিয়ার অঞ্চলে মুদ্রিত হয়েছিল।
লাইব্রেরির মধ্যপ্রাচ্য ও ইসলামী অধ্যয়ন বিভাগের কিউরেটর হিবা আবিদ বলেন, এই কোরআনের গুরুত্ব শুধু এর সৌন্দর্যে সীমাবদ্ধ নয়। এটি সাধারণ মানুষের খুব কাছের একটি কোরআন এবং দেশের সবচেয়ে বড় পাবলিক লাইব্রেরি ব্যবস্থার অংশ।
লাইব্রেরির প্রেসিডেন্ট ও সিইও অ্যান্থনি ডব্লিউ মার্ক্স বলেন, শমবার্গের কোরআন ব্যবহারের সিদ্ধান্ত অন্তর্ভুক্তি, প্রতিনিধিত্ব ও নাগরিক মূল্যবোধের প্রতীক।
যুক্তরাষ্ট্রে খুব কম সংখ্যক রাজনীতিবিদই কোরআনে শপথ নিয়েছেন। নিউইয়র্কে মেয়রদের জন্য ধর্মগ্রন্থে শপথ নেওয়া বাধ্যতামূলক নয়, তবে অতীতে অনেক মেয়র বাইবেল ব্যবহার করেছেন। সাবেক মেয়র মাইকেল ব্লুমবার্গ একবার তার পরিবারের ১০০ বছরের পুরোনো বাইবেলে শপথ নেন, আর বিল ডি ব্লাসিও ব্যবহার করেছিলেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্র্যাঙ্কলিন ডি রুজভেল্টের বাইবেল। মামদানির পূর্বসূরি এরিক অ্যাডামসও পারিবারিক বাইবেলে শপথ নিয়েছিলেন।
এমকে
আন্তর্জাতিক
কঠিন বাস্তবতায় রোজা শুরু করেছে ফিলিস্তিনিরা
নাজুক যুদ্ধবিরতির মধ্যে পবিত্র রমজান মাস শুরু করেছে গাজার ফিলিস্তিনিরা। তবে দীর্ঘ যুদ্ধ, ধ্বংস ও অর্থনৈতিক সংকটের কারণে অনেকের কাছেই রমজানের স্বাভাবিক আনন্দ হারিয়ে গেছে।
রমজান মুসলিমদের জন্য ইবাদত, আত্মসমালোচনা ও দানের মাস। সাধারণ সময়ে পরিবার ও বন্ধুরা একসঙ্গে ইফতার করেন। কিন্তু এবার গাজায় পরিস্থিতি ভিন্ন। বহু মানুষ প্রিয়জন হারিয়েছেন এবং প্রতিদিনের জীবনযাপনই হয়ে উঠেছে কঠিন।
২০২৩ সালের অক্টোবরের হামলার পর হামাস ও ইসরায়েলের যুদ্ধ গাজায় ব্যাপক ধ্বংস ডেকে আনে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যে, এ যুদ্ধে ৭২ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং অধিকাংশ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
বাজারে গিয়ে অনেকেই বলছেন, মানুষের হাতে টাকা নেই এবং কাজও নেই। ফলে রমজানের প্রয়োজনীয় জিনিস কেনা কঠিন হয়ে পড়েছে। আগে রমজানে রাস্তা আলোকসজ্জায় সাজানো থাকত, শিশুদের মুখে থাকত আনন্দ, এবার সেই পরিবেশ নেই বললেই চলে।
গত বছর ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় একটি যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনা চালু হলেও গাজায় এখনো প্রায় প্রতিদিনই গোলাগুলি ও হামলার খবর পাওয়া যাচ্ছে। এতে নতুন করে হতাহতের ঘটনাও ঘটছে।
তবু কঠিন বাস্তবতার মধ্যেও কিছু মানুষ রমজানের আনন্দ ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছেন। খান ইউনিসে ধ্বংসস্তূপের মাঝে শিল্পী হানি দাহমান দেয়ালে আরবিতে লিখেছেন ‘রমজান মোবারক’। শিশুদের জন্য ছোট ছোট আলোকসজ্জাও ঝুলানো হয়েছে।
এমএন
আন্তর্জাতিক
মাইন বিস্ফোরণে পশ্চিম তীরে ১৩ বছরের ফিলিস্তিনি শিশুর মৃত্যু
ইসরায়েলি সামরিক ঘাঁটির কাছে মাইন বিস্ফোরণে এক ফিলিস্তিনি শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিন রেড ক্রিসেন্ট। মঙ্গলবার অধিকৃত পশ্চিম তীরে এই ঘটনা ঘটে।
সংস্থাটি জানায়, উত্তর জর্দান উপত্যকার জিফতলিক এলাকায় পুরোনো একটি সামরিক শিবিরে মাইন বিস্ফোরণে ১৩ বছর বয়সী এক ছেলে মারা যায়। সিওজিএটি–এর একটি সূত্র বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানায়, নিহত শিশুটির নাম মোহাম্মদ আবু দালাহ।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানায়, ওই এলাকা তিরজাহ নামে একটি সামরিক শিবিরের অংশ এবং গুলিবর্ষণের সক্রিয় এলাকা হওয়ায় সেখানে প্রবেশ নিষিদ্ধ।
স্থানীয় সূত্র জানায়, তিন শিশু ঘাঁটির কাছে শাক তুলতে গিয়ে মাইনে পা দেয়। তাদের মধ্যে একজন মারা যায়। জিফতলিক ও তিরজাহ এলাকা ‘এরিয়া সি’তে পড়ে, যা সরাসরি ইসরায়েলর নিয়ন্ত্রণে।
১৯৬৭ সাল থেকে ইসরায়েল পশ্চিম তীর দখলে রেখেছে। জর্দান সীমান্তের কাছাকাছি অনেক এলাকায় এখনো মাইন পাতা রয়েছে।
সূত্র : আলঅ্যারাবিয়া।
আন্তর্জাতিক
হরমুজ প্রণালির কিছু অংশ বন্ধ করল ইরান
বৈশ্বিক তেল পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালির কিছু অংশ সাময়িকভাবে বন্ধ করেছে ইরান। দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, নিরাপত্তাজনিত সতর্কতা হিসেবে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে জেনেভাতে পারমাণবিক আলোচনা চলছে।
ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী হরমুজ প্রণালিতে সামরিক মহড়া চালাচ্ছে। মহড়ার অংশ হিসেবেই নৌযান চলাচলের একটি নির্দিষ্ট এলাকা কয়েক ঘণ্টার জন্য সীমিত করা হয়েছে বলে জানানো হয়। ইরান বলেছে, এর লক্ষ্য জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
ওমান ও ইরানের মধ্যবর্তী এই সংকীর্ণ জলপথ দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের তেল বিশ্ববাজারে যায়। ২০২৫ সালে প্রতিদিন প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল এই পথ দিয়ে পরিবহন হয়েছে, যা সমুদ্রপথে পরিবাহিত বৈশ্বিক তেলের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ।
বিশ্লেষকদের মতে, এটি প্রথমবার নয় যে উত্তেজনার মধ্যে ইরান এমন পদক্ষেপ নিল। চলতি বছরের জানুয়ারিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক হুমকি দেওয়ার পরও পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল।
জেনেভায় আলোচনার পর ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানান, দুই দেশ কিছু নির্দেশনামূলক নীতিতে একমত হয়েছে। তবে এখনই চূড়ান্ত চুক্তির সম্ভাবনা নেই।
এদিকে আলোচনার খবরে তেলের বাজারে বড় ধাক্কা লাগেনি। বিশেষজ্ঞদের মতে, সাময়িক এই নিষেধাজ্ঞায় বড় ধরনের সরবরাহ সংকটের আশঙ্কা নেই, শুধু কিছু জাহাজ চলাচলে সামান্য বিলম্ব হতে পারে।
এমএন
আন্তর্জাতিক
যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে ইরানকে সহায়তা করবে তালেবান
যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানে হামলা চালায়, তাহলে ইরানকে সহযোগিতা করার ইঙ্গিত দিয়েছে তালেবান। তালেবানের মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ইরান চাইলে আফগান জনগণ তাদের প্রতি সহমর্মিতা দেখাবে এবং সম্ভাব্য সহযোগিতা করবে। তবে তিনি বলেন, এর মানে এই নয় যে তালেবান নিজেরা থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়াবে।
তিনি আরও জানান, তালেবান যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ চায় না। বরং পারমাণবিক ইস্যুতে কূটনৈতিক আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার ওপর জোর দিয়েছে তারা।
মুজাহিদ বলেন, গত বছরের ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনার সময় ইরান নিজেদের সফলভাবে রক্ষা করেছে বলে তালেবান মনে করে। ভবিষ্যতে হামলা হলে ইরান আবারও নিজেদের রক্ষা করতে পারবে।
বিশ্লেষকদের মতে, অতীতে মতাদর্শগত বিরোধ থাকলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইরান ও তালেবানের মধ্যে সম্পর্ক কিছুটা উন্নত হয়েছে। পানি, সীমান্ত নিরাপত্তা ও আফগান শরণার্থী ইস্যুতে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা চলছে।
এমএন
আন্তর্জাতিক
বৈশ্বিক এআই সম্মেলন শুরু ভারতে
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে বৈশ্বিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সম্মেলন শুরু হয়েছে। কর্মসংস্থান, শিশু নিরাপত্তা ও প্রযুক্তি নিয়ন্ত্রণসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে সামনে রেখে সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) থেকে পাঁচ দিনব্যাপী এই আয়োজনের উদ্বোধন করা হয়।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ‘এআই ইমপ্যাক্ট সামিট’ উদ্বোধন করে বলেন, এটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে ভারতের দ্রুত অগ্রগতির প্রতিফলন এবং তরুণদের সক্ষমতা তুলে ধরার একটি সুযোগ। সম্মেলনের লক্ষ্য হচ্ছে বৈশ্বিক এআই শাসনব্যবস্থা গড়ে তুলতে একটি যৌথ রোডম্যাপ তৈরি করা।
আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, সম্মেলনে প্রায় আড়াই লাখ দর্শনার্থী, ২০ জন রাষ্ট্র বা সরকারপ্রধান এবং ৪৫টি মন্ত্রীপর্যায়ের প্রতিনিধিদল অংশ নিচ্ছেন। প্রযুক্তি খাতের শীর্ষ ব্যক্তিরাও এতে উপস্থিত রয়েছেন। তাদের মধ্যে আছেন স্যাম অল্টম্যান এবং সুন্দর পিচাই। তবে এনভিডিয়ার প্রধান জেনসেন হুয়াং নির্ধারিত সফর বাতিল করেছেন।
সম্মেলনের ফাঁকে মোদি ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ এবং ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভাসহ বিভিন্ন নেতার সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে জানা গেছে। এসব বৈঠকে এআই খাতে বৈশ্বিক সহযোগিতা বাড়ানো এবং আগামী দশকে ভারতের নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার বিষয়টি গুরুত্ব পাবে।
তবে এআই কোম্পানিগুলোকে বাস্তবভাবে জবাবদিহির আওতায় আনা যাবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে। অনেকের মতে, আগের সম্মেলনগুলোতে দেওয়া প্রতিশ্রুতির বড় অংশই ছিল স্বেচ্ছানিয়ন্ত্রণভিত্তিক।
সম্মেলনে এআই নিরাপত্তা বড় আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে ডিপফেকসহ ভুয়া তথ্যের ঝুঁকি এবং ক্ষতিকর কনটেন্ট তৈরির বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জেনারেটিভ এআই সহজে ক্ষতিকর কনটেন্ট তৈরি করতে পারায় শিশু নিরাপত্তা এখন বড় উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ভারতের তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় বলেছে, উন্নয়নশীল দেশে আয়োজিত এটিই প্রথম বড় বৈশ্বিক এআই সম্মেলন। আয়োজকদের আশা, এই সম্মেলনের মাধ্যমে এমন একটি অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি হবে, যাতে এআই প্রযুক্তি সবার উপকারে আসে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় এগোতে ভারতের সামনে এখনো দীর্ঘ পথ বাকি।
এমএন



