রাজনীতি
তারেক রহমানের সম্পদ ২ কোটি টাকার, বার্ষিক আয় ৬ লাখ ৭৬ হাজার
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মোট সম্পদ ১ কোটি ৯৬ লাখ ৮০ হাজার ১৮৫ টাকার। পেশা রাজনীতি। তার বার্ষিক আয় ৬ লাখ ৭৬ হাজার ৩৫৩ টাকা, এবং সে অনুযায়ী তিনি ১ লাখ ১ হাজার ৪৫৩ টাকা আয়কর দিয়েছেন। চিকিৎসক স্ত্রী জুবাইদা রহমানের সম্পদের পরিমাণ ১ কোটি ৫৩ লাখ ১৯১ টাকার। তারেক রহমানের নামে নেই কোনো বাড়ি-গাড়ি। অলংকার আছে ২ হাজার ৯৫০ টাকা মূল্যের।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দাখিল করা হলফনামায় এ তথ্য দিয়েছেন তিনি। তারেক রহমান বগুড়া-৬ (সদর) ও ঢাকা-১৭ (গুলশান-বনানী-বারিধারা-ক্যান্টনমেন্ট) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
তারেক রহমানের দাখিল করা হলফনামায় দেখা যায়, ৭৭টি মামলার সবগুলো থেকে অব্যাহতি ও খালাস পেয়েছেন। পাশাপাশি কিছু মামলা প্রত্যাহারও করা হয়েছে। সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে উচ্চ মাধ্যমিক উল্লেখ করেছেন। পেশা রাজনীতি। স্ত্রীর পেশা হিসেবে চিকিৎসক উল্লেখ করেছেন। নিজের নামে বাড়ি বা জমি নেই।
হলফনামায় তিনি উল্লেখ করেছেন, বাংলাদেশ ছাড়া তিনি অন্য কোনো দেশের নাগরিক নন।
সম্পত্তির বিবরণী
তারেক রহমানের নিজের হাতে নগদ অর্থ আছে ৩১ লাখ ৫৮ হাজার ৪২৮ টাকা। এছাড়া ওনার স্ত্রীর নামে ৬৬ লাখ ৫৪ হাজার ৭৪৭ টাকা। হাতে নেই বিদেশি মুদ্রা। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা অর্থ নেই। বন্ড, ঋণপত্র স্টক একচেঞ্জে তালিকাভুক্ত ও তালিকাভুক্ত নয় এমন কোম্পানির শেয়ার (পরিমাণ অর্জনকালীন সময়ের মূল্য, বর্তমান মূল্যসহ) আছে ৫ লাখ টাকা।
এছাড়া কোম্পানির শেয়ার রয়েছে ৪৫ লাখ টাকা। সঞ্চয়পত্র, স্থায়ী আমানত (ফিক্সড ডিপোজিট) আছে ২০ হাজার টাকা, এফডিআর রয়েছে ৯০ লাখ ২৪ হাজার ৩০৭ টাকার, অন্য আমানত আছে এক লাখ টাকার।
তারেক রহমানের নামে বাস, ট্রাক, মোটরযান ও মোটরসাইকেল নেই। মাত্র ২ হাজার ৯৫০ টাকা মূল্যের সোনা ও অন্য ধাতু এবং পাথরের তৈরি গহনা আছে। ১ লাখ ৭৯ হাজার ৫০০ টাকার আসবাবপত্র রয়েছে। নিজের নামে নেই কোনো আগ্নেয়াস্ত্র। বিদেশে অস্থাবর সম্পত্তিও নেই।
স্থাবর সম্পদ বিবরণী
তারেক রহমানের নামে কৃষিজমি নেই। তবে ১ দশমিক ৪ শতাংশ অকৃষি জমি রয়েছে, যার আর্থিক মূল্য ৩ লাখ ৪৫ হাজার টাকা দেখানো হয়েছে। স্ত্রীর নামে ১১১ দশমিক ২৫ শতাংশ জমি আছে। ৮০০ বর্গফুট দোতলা ভবন রয়েছে যৌথ মালিকানায়। ২ দশমিক ৯ শতাংশ জমির ওপর একটি ভবন রয়েছে, যা উপহার হিসেবে পাওয়া। নিজের নামে বাড়ি/অ্যাপার্টমেন্ট নেই। তারেক রহমান ও তার স্ত্রী-কন্যার নামে সরকারি কোনো ঋণ নেই।
তারেক রহমান হলফনামায় ঋণ সংক্রান্ত তথ্যাবলীতে উল্লেখ করেন, ‘আমি একক বা যৌথভাবে বা আমার পিতা, মাতা, স্বামী/স্ত্রী, সন্তান বা আমার ওপর নির্ভরশীল কোনো সদস্য অথবা কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান, ম্যানেজিং ডিরেক্টর বা ডিরেক্টর হওয়ার সুবাদে আমি কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ গ্রহণ করিনি। আমি/আমার একক বা যৌথভাবে বা আমার ওপর নির্ভরশীল কোনো সদস্য অথবা কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান, ম্যানেজিং ডিরেক্টর বা ডিরেক্টর হওয়ার সুবাদে আমি কোনো ব্যাংক বা আর্থিকপ্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ গ্রহণ করিনি।’
সবশেষ ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তারেক রহমান আয়কর রিটার্নে ১ কোটি ৯৬ লাখ ৮০ হাজার ১৮৫ টাকার সম্পদ দেখিয়েছেন। রিটার্নে দেখানো আয়ের পরিমাণ ৬ লাখ ৭৬ হাজার ৩৫৩ টাকা। প্রদত্ত আয়করের পরিমাণ ১ লাখ ১ হাজার ৪৫৩ টাকা। আয়কর রিটার্নে দেখানো স্ত্রীর সম্পদের পরিমাণ ১ কোটি ৫৩ লাখ ১৯১ টাকা।
এমকে
রাজনীতি
ইসলামী আন্দোলনের আমির রেজাউল করীমের বাসায় তারেক রহমান
নির্বাচন-পরবর্তী রাজনৈতিক সৌহার্দ্য ও ইতিবাচক রাজনীতির বার্তা দিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাইর বাসায় সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে আসেন।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে রমনার ৫৫/১ সিদ্ধেশ্বরী রোডে মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীমের বাসায় পৌঁছান তারেক রহমান। সেখানে তারেক রহমানকে স্বাগত জানান মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন মহাসচিব (সেক্রেটারি জেনারেল) অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমদ।
তারেক রহমানের সঙ্গে ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতি, রাজনৈতিক সহাবস্থান ও ভবিষ্যৎ সহযোগিতা নিয়ে আলোচনার লক্ষ্যেই এই সৌজন্য সাক্ষাৎ।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য দেন তারেক রহমান।
তিনি বলেন, নির্বাচনের মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারণে একে অপরের মধ্যে কোথাও কোথাও ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়ে থাকতে পারে।
তবে এসব বিরোধ যেন প্রতিশোধ বা প্রতিহিংসায় রূপ না নেয়, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি একটি নিরাপদ, মানবিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার যাত্রাপথে ভিন্ন দল কিংবা ভিন্নমতের সবার সহযোগিতার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে ২১২ আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি। এ নির্বাচনে ৬৮ আসনে জয়ী হয়েছে জামায়াত।
এ ছাড়া জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সংগঠকদের দল এনসিপি পেয়েছে ছয়টি আসন এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ পেয়েছে একটি আসন।
এ সময় আমিরের বাসার সামনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বাড়তি নিরাপত্তা এবং সাধারণ মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
রাজনীতি
জুলাই সনদে স্বাক্ষর করছে এনসিপি, সন্ধ্যায় যাবে যমুনায়
জুলাই সনদে স্বাক্ষর করতে সন্ধ্যায় যমুনায় যাবে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রতিনিধি দল। এতে নেতৃত্ব দেবেন দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় জুলাই সনদে স্বাক্ষর করতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় যাবে এনসিপি প্রতিনিধি দল। এনসিপির মিডিয়া উইংয়ের এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বার্তায় বলা হয়েছে, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল আজ সন্ধ্যা ৬টায় জুলাই সনদে স্বাক্ষর করতে যমুনায় যাবেন। প্রতিনিধি দলে থাকবেন সদস্য সচিব আখতার হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, জাভেদ রাসিন, মনিরা শারমিন এবং যুগ্ম সদস্য সচিব জহিরুল ইসলাম মুসা।
গত বছরের ১৭ অক্টোবর জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং ২৫টি রাজনৈতিক দলের নেতারা জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি জুলাই জাতীয় সনদের ওপর গণভোটও অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দেশের ২৯৯টি আসনে একযোগে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। বেসরকারি ফলাফলে গণভোটে জনমত ‘হ্যাঁ’ ভোট জয়ী হয়েছে।
এমএন
রাজনীতি
সন্ধ্যায় ইসলামী আন্দোলনের আমিরের বাসায় যাবেন তারেক রহমান
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ রেজাউল করিমের বাসায় সৌজন্যে সাক্ষাৎ করতে যাবেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় তিনি সাক্ষাৎ করতে যাবেন। বিএনপির দলীয় সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।
এর আগে গতকাল রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে তার বাসায় যান বিএনপির চেয়ারম্যান। এ সময় তারেক রহমানকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান জামায়াতের আমির। পরে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের বাসায় যান তারেক রহমান।
গত বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৭ আসনের ফলাফলে দেখা গেছে, বিএনপি এককভাবে ২০৯টি আসনে জয়লাভ করে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। জোটের শরিকদের আরও ৩টি আসন মিলিয়ে বিএনপি জোটের বর্তমান আসনসংখ্যা ২১২। দীর্ঘ দেড় দশক পর এমন ‘ভূমিধস’ বিজয় দলটির কর্মী-সমর্থকদের মাঝে নতুন প্রাণের সঞ্চার করেছে।
তারেক রহমানের এই ঐতিহাসিক বিজয়ে তাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
এক অভিনন্দন বার্তায় তিনি বলেন, ‘আপনার নেতৃত্বে বিএনপি বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করায় আপনাকে আন্তরিক মোবারকবাদ। গণতান্ত্রিক উত্তরণের এই ঐতিহাসিক প্রক্রিয়ায় জনগণের এই স্পষ্ট রায় দেশের সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
এমএন
রাজনীতি
জামায়াত আমিরকে যেসব আশ্বাস দিলেন তারেক রহমান
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বাংলাদেশের ভবিষ্যত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে অগ্রিম অভিনন্দন জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় জামায়াত আমিরের বাসায় যান তারেক রহমান। সেখানে দুজনের সাক্ষাতের পর ফেসবুকে এক পোস্টে জামায়াত আমির বলেন, তিনি (তারেক রহমান) আজ আমার আবাসিক কার্যালয়ে এসেছিলেন। তার এই আগমন আমাদের জাতীয় রাজনীতির জন্য এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত।
তিনি আরও বলেন, আমি তার এই আগমনকে স্বাগত জানাই এবং প্রত্যাশা রাখি, সংলাপ ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে এটি রাজনৈতিক পরিপক্বতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার এক নতুন অধ্যায় সূচনা করবে।
পোস্টে আরও লেখেন, আমি এমন এক বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখি, যা হবে ফ্যাসিবাদমুক্ত, সার্বভৌম এবং ইনসাফ ও ন্যায়বিচারের ওপর প্রতিষ্ঠিত। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ১১ দলীয় জোটের সাথে মিলে একটি সমৃদ্ধ, স্থিতিশীল ও আধুনিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং সাংবিধানিক শাসনের ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হবে।
তারেক রহমানের সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে জামায়াত আমির বলেন, আমাদের আলোচনায় তিনি আশ্বস্ত করেছেন যে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা এবং বিরোধী দলের কর্মী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর যেকোনো হামলা রোধে তিনি কার্যকর পদক্ষেপ নেবেন। আমি এই আশ্বাসকে সাধুবাদ জানাই।
নিজেদের উদ্দেশ্য নিয়ে জামায়াত আমির বলেন, জাতীয় স্বার্থের বিষয়ে আমরা নির্বাচিত সরকারকে পূর্ণ সহযোগিতা প্রদান করব, তবে একটি আদর্শিক বিরোধী দল হিসেবে আমাদের সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে আমরা আপসহীন থাকব। সরকারের জনকল্যাণমূলক কাজে আমাদের সমর্থন থাকবে, কিন্তু যেখানেই জবাবদিহির প্রয়োজন হবে, সেখানে আমরা সোচ্চার থাকব। আমাদের উদ্দেশ্য সংঘাত নয় বরং সংশোধন; বাধা দেওয়া নয় বরং পর্যবেক্ষণ।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশের মানুষ এমন একটি সংসদ প্রত্যাশা করে, যা ন্যায়বিচার ও নাগরিক অধিকার রক্ষা করবে এবং স্থিতিশীলতার সাথে রাষ্ট্রকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
এর আগে সন্ধ্যা ৭টার দিকে জামায়াত আমিরের বাসায় পৌঁছে তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
এ সময় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম, জামায়াতের নায়েবে আমির আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের উপস্থিত ছিলেন।
রাজনীতি
ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি ও সরকারি প্লট নেবেন না জামায়াত এমপিরা
জামায়াতে ইসলামীর নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি ও সরকারি প্লট গ্রহণ করবেন না বলে জানিয়েছেন দলটির নেতা ও সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজের এক পোস্টে এ তথ্য জানান তিনি।
ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, ‘পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী আমাদের এমপি মহোদয়গণ ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি এবং সরকারি প্লট গ্রহণ করবেন না ইনশাআল্লাহ।’
এর আগে ২০২৫ সালের ৭ নভেম্বর সিলেট নগরের একটি কনভেনশন হলে মহানগর জামায়াত আয়োজিত সুধী সমাবেশে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. আমির শফিকুর রহমান ঘোষণা দিয়েছিলেন, আগামীতে আমাদের একজনও যদি এমপি নির্বাচিত হন, তাদের কেউ সরকারি প্লট নেবেন না ও বিনা ট্যাক্সের গাড়িতে চলবেন না।
উল্লেখ্য, সুনামগঞ্জ-২ (দিরাই-শাল্লা) আসনে জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হন শিশির মনির। তিনি ৬৩ হাজার ২২০টি ভোট পেয়েছেন। অপরদিকে, এ আসনে বিএনপির নাছির চৌধুরী ধানের শীষ প্রতীকে ৯৯ হাজার ৫২২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।
এমএন



