জাতীয়
জানাজাস্থলে খালেদা জিয়ার মরদেহ
সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মরদেহ রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে জানাজাস্থলে নেওয়া হয়েছে। বুধবার দুপুর ২টা ২৫ মিনিটে লাল-সবুজ পতাকায় মোড়ানো ফ্রিজার ভ্যানে করে তার মরদেহ নেওয়া হয়।
এর আগে দুপুর ২টা ৫ মিনিটে জানাজাস্থলে পৌঁছান প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সেখানে উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, তিন বাহিনীর প্রধান এবং বিএনপিসহ রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত হয়েছেন।
এদিকে, খালেদা জিয়ার নামাজে জানাজায় ইমামতি করবেন জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি মুহাম্মাদ আবদুল মালেক। কিছুক্ষণের মধ্যেই খালেদা জিয়ার নামাজে জানাজা শুরু হবে।
জাতীয়
শতভাগ বই পেয়েছে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা: শিক্ষা উপদেষ্টা
বছরের প্রথম দিনেই প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা শতভাগ বই পেয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আবুল বাসার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বই বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন শেষে তিনি একথা বলেন।
উপদেষ্টা জানান, এবারের বইয়ের মানও আগের তুলনায় ভালো এটা অন্তর্বর্তী সরকারের বড় সাফল্য। এবার প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের মোট ৩০ কোটি বিনা মূল্যের বই ছাপিয়েছে সরকার বলেও জানিয়েছেন তিনি।
প্রাথমিকের ছাপা ও বিতরণের কাজ শতভাগ শেষ হলেও মাধ্যমিকের ৬০ শতাংশ বই মাঠপর্যায়ে পৌঁছেছে বলে জানানো হয়েছে বলেও জানানো হয়। মূলত-বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া মারা যাওয়ায় রাষ্ট্রীয় শোক চলমান থাকায় বই বিতরণ উৎসব না করে অনানুষ্ঠানিকভাব শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেয়া হয় বই।
এমকে
জাতীয়
ঢাকা ছেড়েছেন ভুটানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াকে শেষ শ্রদ্ধা জানিয়ে ঢাকা ত্যাগ করেছেন ভুটানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিয়েন পো ডিএন ডুঙ্গেল।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকালে ঢাকা ছেড়ে গেছেন ভুটানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এই তথ্য জানিয়েছে ঢাকার ভুটান দূতাবাস।
ভুটান দূতাবাস জানায়, বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে আজ সকালে ঢাকা ত্যাগ করেছেন ভুটানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিয়েন পো ডিএন ডুঙ্গেল।
এদিকে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আজ বৃহস্পতিবার চলছে দ্বিতীয় দিনের রাষ্ট্রীয় শোক। আগামীকাল শুক্রবার (২ জানুয়ারি) শেষ হবে শোক।
এমকে
জাতীয়
বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে কোরআন তালিমের ব্যবস্থা করার ঘোষণা
বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে পবিত্র কোরআনের তালিমের ব্যবস্থা করার ঘোষণা দিয়েছেন ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশনে এক অনুষ্ঠানে এ ঘোষণা দেন তিনি।
মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের বই বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান উপদেষ্টার দুই বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রিয়াজ ও মনির হায়দারও উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, ইসলামি শিক্ষা প্রসারে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে সরকার। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে কোরআনের তালিমের ব্যবস্থা করার ঘোষণাও দেন তিনি।
তিনি আরও জানান, ইমাম, আলেম ও বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্রদের স্কলারশিপ দেবে সরকার। বিশ্বের বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে সব রকমের সহায়তা করা হবে।
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার একটি সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। দায়িত্বে থাকার সময়টুকুতে সততার সাথে কাজ করে যাবো।
এমকে
জাতীয়
নতুন বছরে কতদিন ছুটি পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা
নতুন বছরে সব মিলিয়ে মোট সরকারি ছুটি থাকছে ২৮ দিন। এর মধ্যে সাধারণ ছুটি থাকবে ১৪ দিন এবং নির্বাহী আদেশে আরও ১৪ দিন। গত বছরের ৯ নভেম্বর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, নতুন বছরে সাধারণ ছুটি থাকবে ১৪ দিন এবং নির্বাহী আদেশে আরও ১৪ দিন—সব মিলিয়ে মোট সরকারি ছুটি নির্ধারিত হয়েছে ২৮ দিন। এর মধ্যে ৯ দিন পড়েছে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে (শুক্র–শনিবার), ফলে প্রকৃত ছুটি থাকছে ১৯ দিন।
ঐচ্ছিক ছুটির ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। মুসলিম কর্মীদের জন্য ৫ দিন, হিন্দুদের জন্য ৯ দিন, খ্রিষ্টানদের ৮ দিন, বৌদ্ধদের ৭ দিন এবং ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর কর্মীদের জন্য ২ দিন করে ঐচ্ছিক ছুটি ভোগের সুযোগ থাকবে। তবে একজন কর্মকর্তা বছরে সর্বোচ্চ ৩ দিন পর্যন্ত ঐচ্ছিক ছুটি নিতে পারবেন এবং তার জন্য বছরের শুরুতেই কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিতে হবে। সাধারণ ছুটি ও সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে এ ছুটি যুক্ত করার সুযোগও থাকবে।
সরকার জানিয়েছে, ২০২৬ সালে দেশের সরকারি–আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানে এই ছুটি পালন করা হবে। তবে যেসব প্রতিষ্ঠানের ছুটি ও সময়সূচি নিজস্ব আইনে নিয়ন্ত্রিত অথবা জরুরি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ঘোষণা করা, তারা প্রয়োজন ও জনস্বার্থ বিবেচনায় নিজস্ব নিয়মে ছুটি ঘোষণা করবে।
কর্মব্যস্ত জীবনে লম্বা ছুটি সবসময়ই স্বস্তির। এবারও কয়েকটি মাসে এক–দুই দিনের পরিবর্তিত ছুটি নিলে মিলবে টানা ছুটির সুযোগ। দেখে নেওয়া যাক মাসওয়ারি ছুটির সম্ভাব্য ধারাবাহিকতা—
ফেব্রুয়ারি
৪ ফেব্রুয়ারি (চাঁদ দেখা সাপেক্ষে) শবে বরাতের ছুটি বুধবার পড়তে পারে। ৫ ফেব্রুয়ারি এক দিন ছুটি নিলে ৬ ও ৭ ফেব্রুয়ারির সাপ্তাহিক ছুটিসহ মোট ৪ দিনের দীর্ঘ অবকাশ মিলবে।
মার্চ
মার্চ মাসে মাত্র এক দিন ছুটি নিলেই মিলতে পারে টানা ৭ দিনের ছুটি। ২০ মার্চ জুমাতুল বিদা, ২১ মার্চ (চাঁদ দেখা সাপেক্ষে) ঈদুল ফিতর। ঈদের আগে–পরে নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকায় মোট ৫ দিন ছুটি পাওয়া যাবে। এ ছাড়া ১৭ মার্চ শবে কদরের ছুটি থাকতে পারে; ১৮ মার্চ ছুটি নিলে টানা ৭ দিনের ছুটি সম্ভব। এদিকে ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস বৃহস্পতিবার হলে আগের বা পরের দিনে ছুটি নিয়ে পাওয়া যাবে টানা ৩ থেকে ৪ দিনের বিশ্রাম।
এপ্রিল
১০–১১ এপ্রিল সাপ্তাহিক ছুটি। ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখের ছুটি। মাঝের ১২ ও ১৩ এপ্রিল ছুটি নিলে টানা ৫ দিনের বিরতি মিলবে।
মে
মে মাসে ২৪ ও ২৫ মে ছুটি নিলে বিরলভাবে টানা ১০ দিনের দীর্ঘ ছুটির সুযোগ তৈরি হবে।
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২৮ মে ঈদুল আজহা। ঈদের আগে ২৬–২৭ মে ও পরে ২৯–৩১ মে নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকায় ২২–২৩ মে’র সাপ্তাহিক ছুটি ধরে মোট ১০ দিনের অবকাশ পাওয়া সম্ভব।
আগস্ট
৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থান দিবসে সাধারণ ছুটি। ৬ আগস্ট ছুটি নিলে ৭–৮ আগস্টের সাপ্তাহিক ছুটিসহ টানা ৪ দিনের ছুটি মিলবে। অন্যদিকে ২৬ আগস্ট মিলাদুন্নবী (সা.) অনুমেয় তারিখ। ২৭ আগস্ট ছুটি নিলে ২৮–২৯ আগস্টের সাপ্তাহিক বন্ধ মিলে পাওয়া যাবে আরও টানা ৪ দিনের ছুটি।
অক্টোবর
২০ অক্টোবর দুর্গাপূজার নবমী উপলক্ষে নির্বাহী আদেশে ছুটি এবং ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমীতে সাধারণ ছুটি। ২২ অক্টোবর ছুটি নিলে ২৩–২৪ অক্টোবরের সাপ্তাহিক বন্ধসহ মোট ৫ দিনের দীর্ঘ ছুটি পাওয়া যাবে।
ডিসেম্বর
১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস (বুধবার)। ১৭ ডিসেম্বর ছুটি নিলে ১৮–১৯ ডিসেম্বর শুক্রবার–শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হয়ে মোট ৪ দিনের অবকাশ মিলবে।
এমকে
জাতীয়
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ৩০ বছর আগের স্মৃতিতে কাতর স্কুলশিক্ষক
প্রায় ৩০ বছর আগের কথা। ময়মনসিংহের গৌরীপুর স্টেডিয়ামে নির্বাচনী জনসভার মঞ্চে উঠেছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। জনতার ভিড় ঠেলে বিএনপি নেতা বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুল গণি মণ্ডল তার দুই সন্তানকে নিয়ে মঞ্চে ওঠেন। এসময় দুই ভাইবোন অটোগ্রাফের জন্য ডায়েরি এগিয়ে দেয় খালেদা জিয়ার দিকে। হাস্যোজ্জ্বলভাবে তিনি ডায়েরিতে অটোগ্রাফ দিয়ে শুভকামনা জানান।
৩০ বছর পর সেই অটোগ্রাফ দেওয়ার ক্যামেরাবন্দি সেই ছবি ও ডায়েরিতে অটোগ্রাফের ছবি শেয়ার করে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেছেন জিনাত আরা তানি। ছবিতে তানি লেখেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন একজন মমতাময়ী মা। কঠিন পরিস্থিতিতেও নিজেকে সামলিয়ে নেওয়ায় ছিল অকুতোভয় এক সাহস।’ এদিকে ছবিটি শেয়ার করার পর মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।
এই ছবি ও অটোগ্রাফের শেষাংশে তানির মন্তব্য, ‘আমি ভাগ্যে বিশ্বাস করি। বেগম খালেদা জিয়া এই দেশের মাটিতে মৃত্যুবরণ করতে চেয়েছিলেন। এতটুকু বলতেই হচ্ছে- তিনি সৌভাগ্যবান। কারণ এই দেশের মাটিতেই সম্মানের সঙ্গে তিনি মৃত্যুকে বরণ করেছেন।’
জানা গেছে, ময়মনসিংহের গৌরীপুরের ডৌহাখলা ইউনিয়নের মরিচালী গ্রামের বাসিন্দা বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুল গণি মণ্ডলের সন্তান ইয়াসিন মণ্ডল জনি ও জিনাত আরা তানি। ১৯৯৬ সালে ২৩ মে সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে গৌরীপুর স্টেডিয়ামে নির্বাচনী সভার আয়োজন করে স্থানীয় বিএনপি। ওই সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বেগম খালেদা জিয়া দলটির প্রার্থী এএফএম নজমূল হুদার পক্ষে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।
ওই সময় উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুল গণি মণ্ডল। নির্বাচনী জনসভায় বেগম খালেদা জিয়া মঞ্চে উঠার পরপরই জনতার ভিড় ঠেলে নিজের দুই সন্তানকে নিয়ে মঞ্চে উঠেন তিনি। দুই ভাইবোন অটোগ্রাফের জন্য ডায়েরি এগিয়ে দেয় খালেদা জিয়ার দিকে। হাস্যোজ্জ্বলভাবে বেগম খালেদা জিয়া ডায়েরিতে অটোগ্রাফ দিয়ে দুই ভাইবোনের জন্য শুভকামনা জানান।
২০০৫ সালে বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুল গণি মণ্ডল মৃত্যুবরণ করেন। তার বড় ছেলে ইয়াসিন মণ্ডল জনি এখন রাজধানী ঢাকায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। ছোট মেয়ে জিনাত আরা তানি চাকরি করেন গৌরীপুর শেখ লেবু স্মৃতি পৌর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে।
সেদিনের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে জিনাত আরা তানি বলেন, ‘সেদিন বুঝি নাই। এই মহাকাব্যের এই মহীয়সীর নারীর স্পর্শ আর অনুভূতি জীবনকে পাল্টে দেয়, দেশকে বদলে দেয়। যার হাত ধরে এ দেশের কোটি মানুষের উন্নয়ন সাধিত হয়। যিনি ছিলেন অদম্য সাহসী, মেধাবী আর জীবন সংগ্রামেও একজন লড়াকু।’
ইয়াসিন মণ্ডল জনি সেদিনের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বলেন, ‘আমি তখন তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ি আর ছোটবোন তানি দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ে। বাবার বিএনপির রাজনীতিতে জড়িত থাকার সুবাদেই আমরা দুই ভাইবোন মঞ্চে উঠে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে ছবি তোলা ও অটোগ্রাফ নেওয়ার সুযোগ পাই। আজকে তিনি নেই। আমরা তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করি।’
উল্লেখ্য, সপ্তম জাতীয় সংসদের ওই নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থী এএফএম নজমুল হুদা ৩৭ হাজার ১১৪ ভোটে বিজয়ী হন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ডা. ক্যাপ্টেন (অব.) মুজিবুর রহমান ফকির পান ৩১ হাজার ৮২৫ ভোট ও জাতীয় পার্টির প্রার্থী লাঙল প্রতীকে নুরুল আমিন খান পাঠান ২১ হাজার ১৬৩ ভোট পান।
এমকে




