রাজনীতি
আ.লীগের ১০ নেতার পদত্যাগ
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরের পশারগাতী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ১০ নেতা দলীয় পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। রবিবার (২৮ ডিসেম্বর) সকালে মুকসুদপুরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন তারা।
পদত্যাগকারী নেতারা হলেন ১নং ওয়ার্ডের সভাপতি ওবায়দুর রহমান, ১নং ওয়ার্ডের সদস্য ওসমান শেখ, ১নং ওয়ার্ডের আয়নাল শেখ, ২নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আ. মান্নান শেখ, ২নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর শেখ, ২নং ওয়ার্ডে সদস্য জবেদ আলী, কৃষিবিষয়ক সম্পাদক সাহেব আলী মেম্বার, পশারগাতী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মো. টুটুল শেখ, সাবেক ৪নং ওয়ার্ডের সহসভাপতি খন্দকার লিয়াকত আলী ও পশারগাতী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সহসভাপতি (সাবেক) মো. মিরাজুল রহমান ওহিদ মিয়া।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করে ওবায়দুর রহমান জানান, মুকসুদপুরের পশারগাতী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্বরত ছিলাম। আমাদের ব্যক্তিগত সমস্যার কারণে আমরা স্বেচ্ছায় আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সদস্যসহ সব পদ-পদবি থেকে পদত্যাগ করছি। আজ থেকে আমাদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের আর কোনো সম্পর্ক নেই।
রাজনীতি
প্রথমবারের মতো সংসদে এনসিপি: নাহিদ-হাসনাতসহ সংসদে যাচ্ছেন যারা
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে গঠিত হয় নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড় সাফল্য পেয়েছে। দলটির আহবায়ক নাহিদ ইসলামসহ মোট ৬ জন নেতা বেসরকারিভাবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তারা প্রথমবারের মতো জাতীয় সংসদে দলটির হয়ে প্রতিনিধিত্ব করবেন।
বিজয়ীদের তালিকা ও নির্বাচনী এলাকা:
ঢাকা-১১: এনসিপির আহবায়ক নাহিদ ইসলাম (শাপলা কলি প্রতীক) ৯৩,৮৭২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির এম এ কাইয়ুম পেয়েছেন ৯১,৮৩৩ ভোট।
কুমিল্লা-৪: দলটির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ ১,০৪,৯৪৭ ভোট পেয়ে বিশাল জয় পেয়েছেন।
রংপুর-৪: এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসাইন ১,৪৭,৯৪৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।
নোয়াখালী-৬: এনসিপির যুগ্ম সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদ বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন।
কুড়িগ্রাম-২: দলটির যুগ্ম আহবায়ক আতিকুর রহমান মুজাহিদ ১,৭৯,৭৮৬ ভোট পেয়ে জয় নিশ্চিত করেছেন।
নারায়ণগঞ্জ-৪: এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল আমিন এই আসন থেকে বিজয়ী হয়েছেন।
এবারের নির্বাচনে মোট ৫০টি রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করে এবং ২ হাজার ২৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ৪২ হাজার ৭৭৯টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসব কেন্দ্রে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮২টি ভোটকক্ষ ছিল। এই নির্বাচনে তরুণ নেতৃত্বের এই জয় দেশের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
এমএন
রাজনীতি
বিএনপির জয়ের মাতোয়ারা গুলশান কার্যালয়, শুভেচ্ছা জানাতে কর্মীদের ভীড়
নির্বাচন কমিশনের আনুষ্ঠানিক ফলাফলে বিএনপি ও তার মিত্রদের নিরঙ্কুশ বিজয় হওয়ার পর থেকেই উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে রাজধানীর গুলশানে। বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ের সামনে ভিড় করতে শুরু করেছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা নেতা-কর্মীরা। কেউ হাতে ফুলের তোড়া, কেউ বা দলের বিজয় চিহ্ন দেখিয়ে উল্লাস প্রকাশ করছেন।
আজ শুক্রবার সকাল থেকে বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত কার্যালয়ের সামনে অবস্থান করে এমন দৃশ্য চোখে পড়ে।
সকাল থেকে কার্যালয়ের সামনে নেতা–কর্মীদের তেমন তৎপরতা না থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভীড় বাড়ছে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে নেতাকর্মীরা কার্যালয়ের সামনে আসছেন। জয় পাওয়ায় দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানাতে অপেক্ষা করছেন তারা। কেউ কেউ কার্যালয়ের সামনে ছবিও তুলছেন।
নরসিংদীর বেলাবো উপজেলা থেকে গুলশান কার্যালয়ের সামনে এসেছেন দিদার আলম (২৫)। একগুচ্ছ লাল গোলাপ হাতে সকাল থেকেই কার্যালয়ের সামনে অপেক্ষা করছেন তিনি। দিদার আলম পেশায় একজন বৈদ্যুতিক মিস্ত্রী। জয়ের খবর পেয়ে গতকালই ঢাকায় এসেছেন তিনি।
দিদার আলম বলেন, ‘আমার কোন পদবি নেই। বিএনপির একজন কর্মী। বিপুল ভোটে জয়ের খবর পেয়ে তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানাতে এসেছি। আমার এক বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে সকাল ৭টা থেকে এসে অপেক্ষা করছি। জানিনা ফুলটা দিতে পারবো কিনা। তবে অপেক্ষা করছি।’
কয়েকজন নেতা–কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে কার্যালয়ের সামনে জয়ের চিহ্ন দেখি ছবি তুলছিলেন গুলশান থানার যুবদল নেতা নিপুন চন্দ্র পাল। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘গত এক মাসের বেশি সময় ধরে দিনরাত পরিশ্রমের পর জয় এসেছে। আমরা হাল ছেড়ে দিই নি। জয়ের পর মনে হচ্ছে নতুন করে জন্ম হয়েছে আমাদের। নিজেকে মুক্ত লাগছে।’
এমএন
রাজনীতি
শরীয়তপুরে ৩ আসনেই ধানের শীষের দাপুটে জয়
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শরীয়তপুর জেলার তিনটি সংসদীয় আসনেই নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দিনগত মধ্যরাতে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক তাহসিনা বেগম বেসরকারিভাবে এই ফলাফল ঘোষণা করেন।
ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, শরীয়তপুরের তিনটি আসনেই অন্য সব দলের প্রার্থীদের বিপুল ব্যবধানে পরাজিত করে ধানের শীষের প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শরীয়তপুর জেলার তিনটি আসন থেকে ১০টি রাজনৈতিক দলের দলীয় প্রতীক নিয়ে ১৭ জন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশ নেন ৪ জন। নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দলসমূহ হলো— বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় পার্টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, গণঅধিকার পরিষদ, জাতীয় নাগরিক পার্টি, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জনতার দল ও বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন।
নির্বাচনের ফলাফলে তিনটি আসনেই বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীরা জয়লাভ করে। এদের মধ্যে শরীয়তপুর-১ সংসদীয় আসনে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাঈদ আহমেদ আসলাম। তিনি পেয়েছেন ৭৭ হাজার ৩৯৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খেলাফত মজলিসের প্রার্থী জালালুদ্দিন আহমদ পেয়েছেন ৬২ হাজার ৭১৭ ভোট। ধানের শীষের প্রার্থী ১৪ হাজার ৬৮১ ভোটে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়।
শরীয়তপুর-২ সংসদীয় আসনে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সফিকুর রহমান কিরণ। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ২৯ হাজার ৮১৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাহমুদ হোসেন পেয়েছেন ৭০ হাজার ৮৯২ ভোট। ধানের শীষের প্রার্থী ৫৮ হাজার ৯২২ ভোটে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হন।
শরীয়তপুর-৩ সংসদীয় আসনে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৭৫ হাজার ১৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মুহাম্মদ আজাহারুল ইসলাম পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৬৮৪ ভোট। ধানের শীষের প্রার্থী ৩৭ হাজার ৮৩২ ভোটে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন।
এমএন
রাজনীতি
গোপালগঞ্জে ৩ আসনেই ধানের শীষের ঐতিহাসিক জয়
গোপালগঞ্জের রাজনৈতিক ইতিহাসে নতুন অধ্যায় রচিত হয়েছে। প্রথমবারের মতো জেলার তিনটি সংসদীয় আসনেই নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছেন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থীরা। এর আগে ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে মাত্র একবার একটি আসনে জয় পেলেও, সব দলের অংশগ্রহণে এমন ফল এবারই প্রথম।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. আরিফ-উজ-জামান বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেন।
ফলাফল অনুযায়ী, গোপালগঞ্জ-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সেলিমুজ্জামান মোল্যা ৬৮ হাজার ৮৬৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী গণঅধিকার পরিষদের মো. কাবির মিয়া পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৯৬১ ভোট।
গোপালগঞ্জ-২ আসনে বিএনপি মনোনীত কে এম বাবর ৪০ হাজার ৪৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী এম এইচ খান মঞ্জু পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৩৯ ভোট।
গোপালগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত এস এম জিলানী ৬০ হাজার ১৬৬ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৮৬৭ ভোট।
এদিকে, গোপালগঞ্জের তিনটি আসনেই গণভোটে ‘না’ ভোট জয়ী হয়েছে।
এমএন
রাজনীতি
সুনামগঞ্জে বিএনপির বাজিমাত, ৫ আসনেই ধানের শীষের জয়
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ জেলার পাঁচটি সংসদীয় আসনেই নিরঙ্কুশ জয় লাভ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। আওয়ামী লীগ বিহীন এই নির্বাচনে অধিকাংশ আসনেই বিএনপির মূল প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে লড়াই করেছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা। তবে ভোটের ব্যবধানে ধানের শীষের প্রার্থীদের ধারেকাছেও ভিড়তে পারেননি অন্য কেউ।
বেসরকারিভাবে প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী আসনভিত্তিক ভোটের চিত্র নিচে তুলে ধরা হলো:
সুনামগঞ্জ-১ (ধর্মপাশা-মধ্যনগর-তাহিরপুর-জামালগঞ্জ)
চার উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী কামরুজ্জামান কামরুল। ১৭৭টি কেন্দ্রের সবগুলোর গণনা শেষে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৬৪ হাজার ২৬১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা উপাধ্যক্ষ তোফায়েল আহমদ খান (দাঁড়িপাল্লা প্রতীক) পেয়েছেন ৮৯ হাজার ৩৩৪ ভোট। কামরুজ্জামান কামরুল সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও তাহিরপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান।
সুনামগঞ্জ-২ (দিরাই-শাল্লা)
এই আসনে ধানের শীষ প্রতীকে ৯৭ হাজার ৭৯০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন নাছির উদ্দিন চৌধুরী। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মোহাম্মদ শিশির মনির দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৮৫৮ ভোট। নাছির উদ্দিন চৌধুরী ৩৯ হাজার ৯৩২ ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেন।
ভোটের ফলাফল নিশ্চিত হওয়ার পর পরাজিত প্রার্থী শিশির মনির তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে স্ট্যাটাস দিয়ে বিজয়ী নাছির উদ্দিন চৌধুরীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন, যা এলাকায় রাজনৈতিক সম্প্রীতির দৃষ্টান্ত হিসেবে আলোচিত হচ্ছে।
সুনামগঞ্জ-৩ (জগন্নাথপুর-শান্তিগঞ্জ)
এই আসনেও বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ। তিনি পেয়েছেন ৯৬ হাজার ৬৬৬ ভোট। এখানে তার মূল প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন নিজ দলের বিদ্রোহী প্রার্থী আনোয়ার হোসেন। তালা প্রতীক নিয়ে আনোয়ার হোসেন পেয়েছেন ৪১ হাজার ৯৮৪ ভোট। ৫৪ হাজার ৬৮২ ভোটের বিশাল ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করেন কয়ছর আহমেদ।
সুনামগঞ্জ-৪ (সদর-বিশ্বাম্ভরপুর)
জেলা সদরের এই গুরুত্বপূর্ণ আসনে বিএনপির প্রার্থী নূরুল ইসলাম নূরুল ৯৭ হাজার ৫৫৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মো. সামছ উদ্দিন পেয়েছেন ৭৪ হাজার ৭৪ ভোট। এছাড়া এই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী দেওয়ান জয়নুল জাকেরীন ১৮ হাজার ৯১১ ভোট পেয়েছেন।
সুনামগঞ্জ-৫ (ছাতক-দোয়ারাবাজার)
১ লাখ ৫১ হাজার ৯১৫ হাজার ভোট পেয়ে জিতেছেন ধানের শীষের প্রার্থী কলিম উদ্দিন আহমেদ।



