জাতীয়
আজ যেসব সড়ক এড়িয়ে চলার অনুরোধ ডিএমপির
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে ট্রাফিক নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলীর সই করা এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
নির্দেশনায় বলা হয়, তারেক রহমানকে অভ্যর্থনাকারীরা কোনো ব্যাগ, লাঠি ইত্যাদি বহন করতে পারবেন না। তারেক রহমানের গাড়িবহরে কেউ যুক্ত হতে পারবেন না। মোটরসাইকেল নিয়ে কোনোক্রমেই গুলশান, বনানী থেকে এয়ারপোর্ট পর্যন্ত রাস্তায় অবস্থান বা চলতে পারবে না।
গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৫ ডিসেম্বর বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান লন্ডন থেকে দেশে প্রত্যাবর্তন করবেন। তিনি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ে (৩০০ ফিট) হয়ে এভারকেয়ার হাসপাতাল হয়ে গুলশান বাসভবন যাবেন।
এ উপলক্ষে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ে হয়ে এভারকেয়ার হাসপাতাল হয়ে গুলশান বাসভবন পর্যন্ত রাস্তায় তাকে অভ্যর্থনা জানানোর জন্য অতিরিক্ত জনসমাগম হবে। এ অবস্থায় সুষ্ঠু ট্রাফিক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় কিছু বিষয় প্রতিপালনে সংশ্লিষ্ট সবাইকে বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো।
১. বিমানবন্দর থেকে পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ের সংবর্ধনা স্থান, সংবর্ধনা স্থান থেকে এভারকেয়ার হাসপাতাল এবং এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে গুলশান বাসভবন পর্যন্ত রাস্তায় অভ্যর্থনাকারীদের বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের গমনাগমনের সময় গাড়িবহর চলাচলের জন্য প্রয়োজনীয় রাস্তা ছেড়ে দেওয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো।
২. বৃহস্পতিবার ভোর ৪টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত মহাখালী থেকে আব্দুল্লাহপুর এবং কুড়িল থেকে মস্তুল পর্যন্ত পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ে পরিহার করে কিছু বিকল্প রাস্তা ব্যবহার করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে-
(ক) আব্দুল্লাহপুর-কামারপাড়া-ধউর ব্রিজ-পঞ্চবটি-মিরপুর বেড়িবাঁধ দিয়ে গাবতলী হয়ে চলাচল করতে পারেন।
(খ) উত্তরা ও মিরপুরে বসবাসকারী নাগরিকদের এয়ারপোর্ট সড়ক ব্যবহার না করে বিকল্প হিসেবে হাউজ বিল্ডিং-জমজম টাওয়ার-১২ নম্বর সেক্টর খালপাড়-মেট্রোরেল উত্তরা উত্তর স্টেশন-উত্তরা সেন্টার স্টেশন-মিরপুর ডিওএইচএস হয়ে চলাচল এবং উত্তরা সেন্টার স্টেশন থেকে ১৮ নম্বর সেক্টর-পঞ্চবটি হয়ে মিরপুর বেঁড়িবাধ হয়ে চলাচল করতে পারেন।
(গ) গুলশান, বাড্ডা এবং প্রগতি সরণি এলাকার যাত্রী সাধারণ কাকলী, গুলশান-২, কামাল আতাতুর্ক সড়কের পরিবর্তে গুলশান-১/ পুলিশ প্লাজা-আমতলী-মহাখালী হয়ে চলাচল করতে পারেন।
(ঘ) মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে ময়মনসিংহ-টাঙ্গাইলগামী যানবাহন মিরপুর-গাবতলী রোড হয়ে চলাচল করতে পারেন।
(ঙ) কাঞ্চন ব্রিজ থেকে পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ে থেকে আগত যানবাহন এক্সপ্রেসওয়ের মঞ্চল থেকে বামে টার্ন নিয়ে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার ভেতর দিয়ে (এম ব্লক, স্বদেশ প্রোপার্টি লিমিটেডের পাশের রাস্তা) মাদানী অ্যাভিনিউ হয়ে চলাচল করতে পারেন।
(চ) তেজগাঁও-মিরপুরসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত যানবাহন মিরপুর ডিওএইচএস হয়ে মেট্রোরেলের নিচের রাস্তা দিয়ে উত্তরা এলাকায় চলাচল করতে পারেন।
(ছ) যাত্রীরা বিকল্প হিসেবে ঢাকা-জয়দেবপুর গমনাগমনকারী ট্রেন ব্যবহার করতে পারেন।
(জ) হজযাত্রীসহ বিদেশগামী যাত্রী সাধারণকে এয়ারপোর্ট গমনাগমনের ক্ষেত্রে যথেষ্ট সময় নিয়ে বাসা থেকে বের হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
(ঝ) মিরপুর ও উত্তরাবাসীকে বিকল্প হিসেবে মেট্রোরেল ব্যবহার করার জন্য অনুরোধ করা হলো।
(ঞ) বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে অভ্যর্থনাকারী ব্যক্তিদের কোনো ব্যাগ, লাঠি ইত্যাদি বহন না করার জন্য অনুরোধ করা হলো।
(ট) অভ্যর্থনাকারী ব্যক্তিরা কোনো যানবাহন নিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের গাড়িবহরে যুক্ত হতে পারবেন না।
(ঠ) অভ্যর্থনাকারী ব্যক্তিরা মোটরসাইকেল নিয়ে কোনোক্রমেই গুলশান, বনানী থেকে এয়ারপোর্ট পর্যন্ত রাস্তায় অবস্থান করতে পারবেন না বা মোটরসাইকেলযোগে জনতার মধ্য দিয়ে চলতে পারবেন না।
(ড) জরুরি পরিসেবায় ব্যবহৃত যানবাহন (অ্যাম্বুলেন্স/ ফায়ার সার্ভিস ইত্যাদি) এ নির্দেশনার আওতামুক্ত থাকবে।
(চ) বিদেশগমনকারী যাত্রীদের সঙ্গে এয়ার টিকিট থাকতে হবে এবং যাত্রীদের সঙ্গে কোনো সহযোগী থাকবে না।
(ণ) নতুন বাজার থেকে গুলশান-২ গামী এবং গুলশান-২ থেকে নতুন বাজারগামী রাস্তা পরিহার করার জন্য সবাইকে অনুরোধ করা হলো।
অভ্যর্থনা জানাতে আগত নেতাকর্মীরা যেসব স্থানে গাড়ি পার্কিং করবেন
১. টঙ্গী জয়দেবপুর রোড হয়ে আগত গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য নির্ধারিত এলাকা টঙ্গী বিশ্ব এজতেমা মাঠ।
২. সিলেট ও চট্টগ্রাম থেকে কাঞ্চনব্রিজ পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ে হতে আগত গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য নির্ধারিত এলাকা পূর্বাচল নীলা মার্কেট বা পূর্বাচল বাণিজ্য মেলা মাঠ।
৩. বাবুবাজার ব্রিজ এবং বসিলা ব্রিজ থেকে আগত গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য নির্ধারিত এলাকা আগারগাঁও পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠ।
৪. আমিন বাজার-গাবতলী হয়ে আগত গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য নির্ধারিত এলাকা উত্তরা ১৭ নম্বর সেক্টর, দিয়াবাড়ি পশুরহাট মাঠ (বউবাজার)।
৫. মাওয়া রোড, বুড়িগঙ্গা ব্রিজ হয়ে আগত গাড়িগুলো পার্কিংয়ের জন্য নির্ধারিত এলাকা মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা।
এসব ডাইভারশন ২৫ ডিসেম্বর ভোর ৪টা থেকে কার্যকর থাকবে বলে জানিয়েছে ডিএমপি।
জাতীয়
নির্বাচনী পরিবেশ খুবই ইতিবাচক: ইইউ’র প্রধান পর্যবেক্ষক
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরিবেশ খুবই ইতিবাচক মন্তব্য করেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষক দলের প্রধান ইভারস আইজাবস।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকালে গণমাধ্যমে ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভালো জানিয়ে ইভারস আইজাবস বলেন, স্বল্প মেয়াদি ইইউ পর্যবেক্ষকরা আজ থেকে মাঠে থাকবেন।
তিনি বলেন, বর্তমানে নির্বাচনী পরিবেশ খুবই ইতিবাচক। যদিও কিছু কিছু ক্ষেত্রে আলোচনার দরকার। তবে, মোটা দাগে পরিবেশ আশাব্যঞ্জক।
ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষক দলের প্রধান বলেন, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে ইইউ, যেখানে সংখ্যালঘু ও নারীর অংশগ্রহণ থাকবে।
এমএন
জাতীয়
আজ থেকে নির্বাচনী মাঠে কাজ শুরু করবেন ইইউ’র ২০০ পর্যবেক্ষক
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট পর্যবেক্ষণে আজ মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) থেকে দেশব্যাপী মাঠপর্যায়ে কাজ শুরু করছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ২০০ পর্যবেক্ষক।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) এক আনুষ্ঠানিক বার্তায় ইইউ ইলেকশন অবজারভেশন মিশন এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
বার্তায় বলা হয়, ঢাকায় বর্তমানে সব স্বল্পমেয়াদি পর্যবেক্ষককে নির্বাচনের দিনের কার্যক্রম, ভোটগ্রহণ, ভোট গণনা এবং ফলাফল তালিকা পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন এলাকায় মঙ্গলবার তাদের মোতায়েন করা হবে।
ইতোমধ্যে ইউরোপ থেকে ৯০ জন স্বল্পমেয়াদি পর্যবেক্ষক দেশে পৌঁছেছেন। পাশাপাশি ইইউ কূটনৈতিক সম্প্রদায় ও অংশীদার দেশগুলো থেকে আরও ৩৫ জন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক যুক্ত হয়ে পর্যবেক্ষণের পরিধি বাড়াচ্ছেন।
গত বছরের ডিসেম্বরের শেষ দিক থেকে ১১ জন বিশ্লেষকের একটি মূল দল অবস্থান করছেন দেশে। তাদের সঙ্গে জানুয়ারির মাঝামাঝি সময় থেকে ৫৬ জন দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষক দেশের ৬৪টি প্রশাসনিক জেলায় কাজ করছেন।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের শহর, পৌর এলাকা ও গ্রামে ভোটগ্রহণ, ভোট গণনা এবং ফলাফলের তালিকা পর্যবেক্ষণ করবেন ইইউ পর্যবেক্ষকরা।
এ ছাড়া ১৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান পর্যবেক্ষক ইভার ইজাবস ইইউ মিশনের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ ও ফলাফল উপস্থাপন করবেন।
এমএন
জাতীয়
নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠাচ্ছে না ভারত-অস্ট্রেলিয়াসহ ৮ দেশ
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট পর্যবেক্ষণে আন্তর্জাতিক মহলের ব্যাপক আগ্রহ থাকলেও শেষ মুহূর্তে ভারত, ফ্রান্স ও অস্ট্রেলিয়াসহ আটটি দেশ নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠাচ্ছে না। এখন পর্যন্ত এসব দেশ বা তাদের পক্ষ থেকে কোনো পর্যবেক্ষক পাঠানোর বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) নিশ্চিত করা হয়নি।
নির্বাচন কমিশন (ইসি) ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, ভারতের পাশাপাশি ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, মিসর, কুয়েত, মরক্কো ও রোমানিয়ার নির্বাচনী পর্যবেক্ষকরা ইসির আমন্ত্রণে আসার বিষয়ে এখনও নিশ্চিত হননি। এছাড়া ফোরাম অব দ্য ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট বডিস অব সাউথ এশিয়া (এফইএমবিওএসএ) নামক আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকেও কোনো উত্তর আসেনি।
এখন পর্যন্ত নির্বাচনে অংশগ্রহণের নিশ্চয়তা দিয়েছে প্রায় ৬০ জন অতিথি, যারা বিভিন্ন দেশের নির্বাচন কমিশন ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান থেকে আসছেন। ইতোমধ্যে কেউ কেউ ঢাকায় পৌঁছেছেন, বাকিরা শিগগিরই আসবেন। তাদের জন্য ঢাকার একটি হোটেলে ৯–১৩ ফেব্রুয়ারি সরকারি ব্যবস্থাপনায় আতিথেয়তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন সচিবালয় জানিয়েছে, মোট ৫৪০ জন বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিক বাংলাদেশে আসছেন। এর মধ্যে বিভিন্ন দেশের নির্বাচন কমিশন ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান থেকে ৬০, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ও নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থা থেকে ৩৩০, ৪৫টি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান থেকে ১৫০ জন নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আসছেন।
এছাড়া নির্বাচন পর্যবেক্ষক হিসেবে ভুটান ও নাইজেরিয়ার প্রধান নির্বাচন কমিশনার, মালয়েশিয়ার নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যান, দক্ষিণ কোরিয়ার আইসিএপিপির স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান, তুরস্ক থেকে ৬ জন সংসদ সদস্য ও সুপ্রিম ইলেকশন কাউন্সিলের ১০ সদস্যের দল ফিলিপাইন, জর্জিয়া, রাশিয়া, শ্রীলঙ্কা, দক্ষিণ আফ্রিকা, জর্ডান, কিরগিজস্তান, উজবেকিস্তান, পাকিস্তান ও ইরানের উচ্চ পর্যায়ের নির্বাচন কর্মকর্তারা বাংলাদেশে আসছেন। এর বাইরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ২২৩, কমনওয়েলথ থেকে ২৫, এশিয়ান নেটওয়ার্ক ফর ফ্রি ইলেকশনস (এএনএফআরইএল) থেকে ২৮ এবং ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউট (আইআরআই) ১২ জন নির্বাচন পর্যবেক্ষনে থাকবেন। এর বাইরে পাকিস্তানের ৪৮ জন, আল জাজিরা থেকে ৭ জন, এছাড়া জাপান, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, স্পেন, ফ্রান্স, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, ভারত ও অন্যান্য দেশের গণমাধ্যমের প্রতিনিধি নির্বাচন দেখতে বাংলাদেশে আসছেন।
একই সময়ে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষক মিশন জানিয়েছে, ইইউর ২৭টি সদস্য রাষ্ট্র, কানাডা, নরওয়ে এবং সুইজারল্যান্ড থেকে আগত মোট ২০০ জন পর্যবেক্ষক মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) থেকে নির্বাচনের মাঠে প্রস্তুত থাকবেন।
সরকারি সূত্রের মতে, ভুটান, মালদ্বীপ, নেপাল, চীন, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়াও প্রতিনিধি দল পাঠাচ্ছে। তবে ভারত, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, মিসর, কুয়েত, মরক্কো ও রোমানিয়া এবং এফইএমবিওএসএ-এর অংশগ্রহণ অনিশ্চিত।
এমএন
জাতীয়
শেষ হলো প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচার, ভোটের অপেক্ষা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের প্রচার-প্রচারণা আজ ভোরে শেষ হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নির্দেশনা অনুযায়ী সব ধরনের সভা, সমাবেশ, মিছিল ও মাইকিং নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এখন দেশজুড়ে বইছে ভোটের হাওয়া, প্রতীক্ষা কেবল ব্যালট যুদ্ধের।
এর আগে, সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাতেই মাঠ গরম করা নির্বাচনী সব কার্যক্রম শেষ করে নিয়েছেন প্রার্থীরা।
এখন প্রস্তুত নির্বাচন কমিশনও। সারা দেশে এরই মধ্যে পৌঁছে গেছে বিশাল এ যজ্ঞের নানা সরঞ্জাম। যে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে প্রস্তুত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও। এখন শুধুই ভোটের অপেক্ষা।
এদিকে, বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে সারা দেশে ২৯৯টি সংসদীয় আসনে একযোগে এ ভোট শুরু হবে। বিরতিহীনভাবে চলবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। ভোট উপলক্ষে আগামীকাল বুধবার ও পরশু ভোটের দিন সরকারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মোট ভোটার ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৯ জন। আসন সংখ্যা ২৯৯টি (একটি আসনে প্রার্থীর মৃত্যুতে নির্বাচন স্থগিত)। নির্বাচনে অংশ নেওয়া নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল ৫১টি। মোট প্রার্থী ২ হাজার ৩৪ জন। এর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী ২৭৫ জন। নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি। দলটির প্রতীক ‘ধানের শীষ’ নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ২৯১ প্রার্থী। এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৫৮ প্রার্থী ‘হাতপাখা’ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। জামায়াতের ২২৯ প্রার্থী ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এ ছাড়া জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন ১৯৮ প্রার্থী। আর ৫ আগস্ট কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা তরুণদের রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শাপলা কলি প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন ৩২ প্রার্থী। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে ৭৬ জন ‘ফুটবল’ প্রতীক নিয়ে মাঠে রয়েছেন। দেশীয় পর্যবেক্ষকদের পাশাপাশি এবারের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবেন ৫৪০ বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিক।
নির্বাচনের মোট ভোটকেন্দ্র রয়েছে ৪২ হাজার ৭৭৯টি (স্থায়ী কেন্দ্রের পাশাপাশি দুর্গম এলাকায় কিছু অস্থায়ী কেন্দ্রও রয়েছে)। মোট বুথ (ভোটকক্ষ) রয়েছে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮২টি। এর মধ্যে পুরুষ বুথ প্রায় ১ লাখ ১৫ হাজার ১৩৭টি। আর নারী বুথ রয়েছে প্রায় ১ লাখ ২৯ হাজার ৬০২টি। এবার সবচেয়ে বেশি কেন্দ্র রয়েছে ঢাকা বিভাগে এবং সবচেয়ে বড় নির্বাচনী এলাকা হিসেবে গাজীপুর-২ আসনে কেন্দ্রের সংখ্যা অন্যান্য আসনের তুলনায় অনেক বেশি।
এবারের নির্বাচনে ভোটারদের দুটি পৃথক ব্যালট পেপার দেওয়া হবে। একটিতে থাকবে সংসদীয় আসনের পছন্দের প্রার্থীর প্রতীক এবং অন্যটিতে থাকবে সংবিধানের মৌলিক পরিবর্তন বা ‘জুলাই সনদ’ অনুমোদনের পক্ষে-বিপক্ষে ভোট দেওয়ার সুযোগ।
নির্বাচন উপলক্ষে মঙ্গলবার রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার মধ্যরাত পর্যন্ত মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকবে। এ ছাড়া ট্যাক্সি ক্যাব, মাইক্রোবাস, জিপ, পিকআপ, কার, বাস, ট্রাক ও ইজিবাইক চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা শুরু হবে আগামীকাল রাত ১২টা থেকে, যা বৃহস্পতিবার মধ্যরাত পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।
এমএন
জাতীয়
আজকেরটাই সম্ভবত শেষ ব্রিফিং: বিদায়ী বার্তা দিলেন প্রেস সচিব
আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ বৈঠক শেষে এক আবেগঘন পরিবেশে প্রেস ব্রিফিং করেছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং। প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, বর্তমান সরকারের পক্ষ থেকে এটিই সম্ভবত শেষ আনুষ্ঠানিক ব্রিফিং।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
নিজেদের কাজের বিষয় তুলে ধরে শফিকুল আলম বলেন, গত ১৮ মাসে আমরা সব সময়ই নিউজ যত দ্রুত সম্ভব আপনাদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করেছি। প্রতিটি ঘটনার সঙ্গে সরকারের অবস্থা কী, তা আমরা আপনাদের জানিয়েছি। প্রধান উপদেষ্টার ফেসবুক পেজকে তথ্যের প্রধান উৎস হিসেবে ব্যবহার করে সব নিউজ শেয়ার করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, প্রেস ব্রিফিংয়ে বেশিরভাগ প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে। মাঝেমধ্যে বিভিন্ন সময় প্রেস কনফারেন্সের যত প্রশ্ন আপনাদের ছিল, সব আমরা নিয়েছি।
প্রেস উইংয়ের আরেক সদস্য আজাদ মজুমদার বলেন, আমরা আপনাদের সহযোগিতা করার চেষ্টা করেছি, আপনাদের সহযোগিতা পেয়েছি। আগামী সপ্তাহে আশা করছি, আমরা টেবিলের ওপারে আপনাদের সঙ্গেই থাকব।
আরেক সদস্য ফয়েজ আহমদ বলেন, আমি সব সময় আপনাদের সঙ্গে বেশি ক্লোজ থেকেছি। সম্পূর্ণ পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করার চেষ্টা করেছি। নানা কারণে আমরা এক্সট্রা অর্ডিনারি অবস্থার মধ্যে দিয়ে গিয়েছি। আমাদের কোনো আচরণে আপনারা কষ্ট পেয়ে থাকলে, আমরা সরি।
এমএন



