জাতীয়
অপেক্ষা না করে ভবিষ্যতের ভিত্তি তৈরি করছে বাংলাদেশ: বিডা চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ)–এর খসড়া চূড়ান্ত হয়েছে। বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)–এর চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক এ অর্জনকে একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে চৌধুরী আশিক বলেন, এটি জাপানের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রথম বড় অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি। নীতিগত ধারাবাহিকতা, বিনিয়োগ সুরক্ষা ও বিশ্বাসযোগ্য বিরোধ নিষ্পত্তির প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকারের প্রতিফলন রয়েছে এই চুক্তিতে।
তিনি তার পোস্টে উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ ভবিষ্যতের জন্য অপেক্ষা করছে না, বরং ভবিষ্যৎ গড়ার জন্য প্রয়োজনীয় কাঠামো, পরিকল্পনার ও ভিত্তি স্থাপন করছে।
তিনি আরো বলেন, এই ইপিএ শুধু ঐতিহ্যবাহী উৎপাদন বা জ্বালানি খাতে সীমাবদ্ধ নয়, বরং মোটরগাড়ি, ডিজিটাল সেবা, সরবরাহ ব্যবস্থা ও স্বাস্থ্যসেবার মতো খাতেও নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেবে। জাপানি বিনিয়োগ প্রযুক্তি, দক্ষতা ও মানদণ্ড নিয়ে আসবে, যা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কাঠামোকে নতুনভাবে রূপ দেবে।
এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে এ ধরনের চুক্তিকে গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে দেখছে বাংলাদেশ।
তিনি বলেছেন, এটি কেবল শুরু। এলডিসি থেকে সফলভাবে উত্তরণের জন্য আমাদেরকে প্রধান বাজারগুলোর সাথে এই ধরনের আরো প্ল্যাটফর্ম স্থাপন করতে হবে। তাই, আমরা এই ধরনের আরো চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য আমাদের অংশীদারদের সাথে যোগাযোগ করছি— যার মধ্যে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং দক্ষিণ কোরিয়া।
এমকে
জাতীয়
যারা মাজার ভাঙে, তারা কোনো ধর্মের লোক হতে পারে না: ফরহাদ মজহার
ভাবুক কবি ও রাষ্ট্র চিন্তক ফরহাদ মজহার বলেছেন, যারা মাজার ভাঙছে তারা দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। মাজার ভাঙা একটা ফৌজদারি অপরাধ। যারা মাজার ভাঙে তারা কোনো ধর্মের লোক হতে পারে না। যারা মাজার ভাঙে তারা অপরাধী।
তাদের শাস্তি পেতেই হবে।
শুক্রবার রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আধ্যাত্মিক সাধক পুরুষ আব্দুল কাদির শাহর ৫৮তম স্মরণোউৎসব ও বার্ষিক ওরসে ‘সুফিবাদ ও আত্মদর্শন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
ফরহাদ মাজহার বলেন, ‘একটি বিশেষ পক্ষ নিয়ে অন্য পক্ষকে দমন করা, নির্যাতন করা আইনবিরোধী কাজ। মাজার ভাঙার বিরুদ্ধে আমি দীর্ঘদিন ধরে লড়াই করেছি, সংগ্রাম করছি।
এর আগের সরকার চেষ্টা করেছে, কিন্তু মাজার ভাঙা বন্ধ হয়নি। বর্তমান সরকারের সময়ে আমরা আশা করব, কোনো মাজার যেন ভাঙা না হয়।’
তিনি বলেন, আপনারা দেখেছেন, চিন্ময়কে অন্যায়ভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আর সবচেয়ে বড় ভয়ংকর যে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রপাগান্ডা ছড়ানো হয়েছে, যে চিন্ময় ইসকন।
কিন্তু চিন্ময় ইসকনের অন্তর্ভুক্ত কেউ নন। আগে থেকেই ইসকনের সঙ্গে তার বিরোধ রয়েছে। মিথ্যা প্রপাগান্ডা তার বিরুদ্ধে দাঁড় করানো হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, বড় কথা হলো—আপনার যদি কারো বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকে, থাকতে পারে। সে ক্ষেত্রে সে তো জামিন পাওয়ার যোগ্য।
কিন্তু তার জামিন পাওয়ার জন্য যে উকিল দরকার, সেই উকিলও তাকে দেওয়া হয়নি। উল্টো তার বিরুদ্ধে অন্যায় মামলা দেওয়া হয়েছে পুলিশের তরফ থেকে। এটা অন্যায় মামলা। তিনি যখন জেলে তখন আইনজীবী হত্যার সঙ্গে জড়িত বলে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। যদিও আইনজীবী হত্যার ঘটনাটি দুঃখজনক। তার বিচার হওয়া উচিত। কিন্তু আইনজীবী হত্যার দায় চিন্ময়ের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে।
আব্দুল কাদির শাহ পাঠাগার আয়োজিত ওরসে সভাপতিত্ব করেন পাঠাগারটির উপদেষ্টা মো. খালিদ সাহিদ বিদ্যুৎ। পরে আধ্যাত্মিক ও বাউল গানের আসর চলে রাতব্যাপী।
জাতীয়
স্পিকার হাফিজ উদ্দিনের সহধর্মিণী দিলারা আর নেই
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সহধর্মিণী দিলারা হাফিজ আর নেই। সিঙ্গাপুরের স্থানীয় সময় শনিবার (২৮ মার্চ) বেলা ১টা ২৯ মিনিটে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন করেন তিনি। (ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না-ইলাইহী রাজিউন)।
দিলারা হাফিজেরর বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর। তিনি স্বামী, এক ছেলে, এক মেয়ে, নাতিনাতনিসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার মরদেহ আগামীকাল সন্ধ্যায় বাংলাদেশে নিয়ে আসা হবে। আগামী ৩০ মার্চ প্রথম নামাজের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে তারা।
এদিন জাতীয় সংসদ দক্ষিণ প্লাজায় রাখা হবে মরদেহ। বাদ যোহর সেনানিবাসে কেন্দ্রীয় মসজিদে জানাজা শেষে বনানী সামরিক বাহিনীর কবরস্থানে দাফন করা হবে তাকে। দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে এ তথ্য জানিয়েছেন বিএনপির বিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।
জাতীয়
নকল নিয়ে শিক্ষকদের যে হুঁশিয়ারি দিলেন শিক্ষামন্ত্রী
পরীক্ষায় নকল হলে শুধু সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীকেই নয়, কেন্দ্রে দায়িত্বরত শিক্ষকদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, আসন্ন এসএসসি পরীক্ষা হবে সম্পূর্ণ নকলমুক্ত এবং প্রশ্ন ফাঁসমুক্ত। যদি কোনো কেন্দ্রে অনিয়ম প্রমাণিত হয়, তবে কেবল পরীক্ষার্থীর বিরুদ্ধে নয়, কেন্দ্রে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধেও আমরা বিভাগীয় কঠোর ব্যবস্থা নেব।
এবার খাতায় ‘গ্রেস মার্কে’র সুযোগ নেই জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, এবার থেকে খাতায় কোনো ধরনের ‘গ্রেস মার্ক’ বা অনুকম্পার সুযোগ থাকবে না।
ছাত্রছাত্রীরা যা লিখবে, তার ভিত্তিতেই নম্বর পাবে তারা। আমরা চাই মেধার প্রকৃত লড়াই হোক। কোনো ধরনের দয়া-দাক্ষিণ্য দেখিয়ে অযোগ্যদের পার করে দেওয়ার সংস্কৃতি আমরা বন্ধ করতে চাই। আমরা আর কোনো অটোপাস চাই না।
শিক্ষামন্ত্রী আরো বলেন, আপাতত ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে বসানো হবে ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা। এই কেন্দ্রগুলো বিশেষভাবে তদারক করা হবে। পর্যায়ক্রমে সব কেন্দ্রে বাধ্যতামূলকভাবে সিসি ক্যামেরা বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে। প্রয়োজনে এবারও আগের মতো ‘হেলিকপ্টার মিশন’ থাকবে।
তাৎক্ষণিকভাবে পরিদর্শন করা হবে দেশের যেকোনো কেন্দ্র।
এদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র বলছে, আসন্ন এসএসসি-এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে নকল ও অনিয়ম প্রতিরোধে নজিরবিহীন কঠোর অবস্থান নিতে যাচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। পরীক্ষার স্বচ্ছতা বজায় রাখতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করেছেন শিক্ষামন্ত্রী। বিশেষ করে দুর্গম এলাকা, চরাঞ্চল, উপকূলীয় এলাকা এবং পাহাড়ঘেরা কেন্দ্রগুলোতে বিশেষ নজর থাকবে। খাতা মূল্যায়নে কোনো ধরনের অলিখিত দয়া-দাক্ষিণ্য দেখিয়ে অযোগ্যদের পার করে দেওয়ার সুযোগ থাকবে না।
শিক্ষামন্ত্রী এর মধ্যে সব শিক্ষা বোর্ডের কাছে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের তালিকা চেয়েছেন। সেখানে প্রয়োজনে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। এর সঙ্গে যুক্ত থাকবে বিশেষ ‘লাইভ মনিটরিং’ সিস্টেম। কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে কোনো নির্দিষ্ট কেন্দ্রে অস্বাভাবিক গতিবিধির সংকেত পাওয়া গেলে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে সেখানে পৌঁছে যাবেন শিক্ষামন্ত্রী বা মন্ত্রণালয়ের টিম।
প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজব ও ডিজিটাল জালিয়াতি রুখতে নিরাপত্তার জাল বিছিয়েছে মন্ত্রণালয়। প্রশ্নপত্র মুদ্রণ ও বিতরণের প্রতিটি পয়েন্টে নিরাপত্তাব্যবস্থা কয়েক গুণ বাড়ানো হয়েছে। কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ওপর বিশেষ বিধি-নিষেধ আরোপের পাশাপাশি পুরো প্রক্রিয়াটি ডিজিটাল ট্র্যাকিংয়ের আওতায় আনা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, বিএনপির নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর আগামী ২১ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা।
জাতীয়
পুলিশ কোনো দলের লাঠিয়াল বাহিনী নয় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
পুলিশ কোনো বিশেষ দলের বা গোষ্ঠীর লাঠিয়াল বাহিনী নয় বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। শনিবার (২৮ মার্চ) সকালে সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে ৪৩তম বিসিএস শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার ব্যাচের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বিশ্বাস করে পুলিশ কোন বিশেষ দল বা গোষ্ঠীর লাঠিয়াল বাহিনী নয় বরং জনগণের বন্ধু। আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষণা করেছি জননিরাপত্তা নিশ্চিত এবং পুলিশ বাহিনীকে দলীয় প্রভাব মুক্ত করে একটি আধুনিক সেবাধর্মী ও মানবিক সংস্থা রূপান্তর করাই মূল লক্ষ্য।
সেজন্য পুলিশ বাহিনীর মনোভাব প্রতিষ্ঠাসহ একটি দক্ষ ও আধুনিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার ইতমধ্যে জনবল বৃদ্ধিসহ নানা উদ্যোগ নিয়েছে। আমরা দায়িত্বে আসার পর থেকেই একটি স্বাধীন ও শক্তিশালী পুলিশ সংস্কার কমিশন গঠনের বিষয়ে কাজ করছি।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের একটি প্রত্যাশা আছে, আবেদন আছে। সর্বস্তরের পুলিশের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে যেটা অনুধাবন করেছি তা হলো বর্তমানের যে পোশাক, এই পোশাকে পুলিশ সদস্যরা সন্তুষ্ট নয়।
সুতরাং ঐতিহ্য মন্ডিত যেন একটি পোশাক পুলিশ বাহিনী পায় সেজন্য সরকারের সর্বোচ্চ মহলে আলোচনা করে একটি সিদ্ধান্ত দেব ইনশাআল্লাহ।
অনুষ্ঠানে ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির, পুলিশ একাডেমির অধ্যক্ষ অতিরিক্ত আইজিপি জিএম আজিজুল রহমান, উপাধ্যক্ষ ডিআইজি বসু দেব বণিকসহ ঊর্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজে প্যারেড কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন শিক্ষানবিস সহকারী পুলিশ সুপার আহমেদ সাদমান সাকিব। দীর্ঘ প্রশিক্ষণের কৃতিত্বের অংশ হিসেবে বেস্ট প্রবেশনার এবং বেস্ট একাডেমিক এই দুটো ক্যাটাগরিতে অ্যাওয়ার্ড পাওয়ার গৌরব অর্জন করেন শিক্ষানবিস সহকারী পুলিশ সুপার মো. ফাহিম ফয়সাল।
এছাড়াও বেস্ট ইন ফিল্ড অ্যাক্টিভিটিজ অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেন শিক্ষানবিস সহকারী পুলিশ সুপার মো. আরাফাত হোসেন, বেস্ট হর্সম্যানশিপ অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেন শিক্ষানবিস সহকারী পুলিশ সুপার শাওন রেজা এবং বেস্ট শ্যুটার হওয়ার গৌরব অর্জন করেন শিক্ষানবিস সহকারী পুলিশ সুপার বাপী কুমার দাশ।
জাতীয়
যমুনা সেতু দিয়ে ২৪ ঘণ্টায় টোল আদায় ৩ কোটি ৪১ লাখ টাকা
পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটি শেষে কর্মস্থল রাজধানীতে ফিরতে শুরু করেছে মানুষ। এতে যমুনা সেতু ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বেড়েছে। সেই সঙ্গে বেড়েছে টোল আদায়ের পরিমাণ। গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা সেতুর টোল আদায় হয়েছে ৩ কোটি ৪১ লাখ ৫৩ হাজার ৯০০ টাকা।
শনিবার (২৮ মার্চ) সকালে যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সেতু কর্তৃপক্ষ জানায়, বৃহস্পতিবার রাত ১২টা থেকে শুক্রবার রাত ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সেতু দিয়ে ৪৬ হাজার ২৭৮টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর মধ্যে উত্তরবঙ্গগামী ১৬ হাজার ২২২ টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৪৩ লাখ ১০ হাজার ৮শত টাকা। অপরদিকে ঢাকাগামী ৩০ হাজার ৫৬টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর বিপরীতে টোল আদায় ১ কোটি ৯৮ লাখ ৪৩ হাজার ১০০ টাকা।
যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন জানান, ঈদের ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফিরছে মানুষ। এতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বেড়েছে। যমুনা সেতুর দুই পাশ দিয়ে ৯টি করে মোট ১৮ টি বুথ দিয়ে যানবাহন পারাপার হচ্ছে। এর মধ্যে দুই পাশেই দুটি করে বুথ দিয়ে আলাদাভাবে মোটরসাইকেল পারাপার হচ্ছে। আমরা সার্বক্ষণিক টোল বুথ চালু রাখার চেষ্টা করছি।



