জাতীয়
হাদির প্রথম জানাজা কোথায়, জানাল ইনকিলাব মঞ্চ
ইনকিলাব মঞ্চের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সংগঠনটির মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদির প্রথম জানাজা সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত হবে। বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, শহীদ হাদির মরদেহ বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের একটি বাণিজ্যিক ফ্লাইট আজ স্থানীয় সময় বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটে সিঙ্গাপুর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেবে। ফ্লাইটটি সন্ধ্যা ৬টা ০৫ মিনিটের দিকে ঢাকায় পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ইনকিলাব মঞ্চ আরও জানায়, সিঙ্গাপুরের (দ্য আঙ্গুলিয়া মসজিদ) সকাল ১০টায় হাদির প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে দেশে ফিরিয়ে এনে শনিবার বাদ জোহর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে দ্বিতীয় জানাজা আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।
উল্লেখ্য, আততায়ীর গুলিতে গুরুতর আহত হয়ে টানা সাত দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াইয়ের পর চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম সাহসী মুখ শরিফ ওসমান হাদি ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় রাত পৌনে ১০টার দিকে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর আন্দোলনের ইতিহাস সংরক্ষণ ও চেতনাকে ধারণ করতে হাদি প্রতিষ্ঠা করেন ইনকিলাব মঞ্চ। তার মৃত্যুর বিষয়টি বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে নিশ্চিত করেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
ভাষণে ড. ইউনূস বলেন, সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখসারির এক সাহসী যোদ্ধা শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যু জাতির জন্য গভীর বেদনার সংবাদ।
হাদির ইন্তেকালের খবরে রাত সাড়ে ১২টার দিকে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস শোক প্রকাশ করেন। পাশাপাশি উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল—বিএনপি, জামায়াত, এনসিপিসহ নানা সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন গভীর শোক ও সমবেদনা জানায়।
সরকারের পক্ষ থেকে আজ দোয়া মাহফিল এবং আগামীকাল রাষ্ট্রীয় শোক পালনের আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে এ হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছে।
এমকে
জাতীয়
ঈদ যাত্রায় ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি ১৩ মে থেকে শুরু
আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে ট্রেন যাত্রার অগ্রিম টিকিট বিক্রির তারিখ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। গত ৩০ এপ্রিল অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ রেলওয়ের এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ১৩ মে থেকে ঈদযাত্রার অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হবে।
এদিন যাত্রীরা ২৩ মে’র ট্রেনের টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন। এরপর ধারাবাহিকভাবে ২৪ মে’র টিকিট ১৪ মে, ২৫ মে’র টিকিট ১৫ মে, ২৬ মে’র টিকিট ১৬ মে এবং ২৭ মে যাত্রার টিকিট ১৭ মে বিক্রি করা হবে।
এবার ঈদযাত্রা রেলওয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যাত্রী সাধারণের টিকিট ক্রয় সহজলভ্য করার জন্য পশ্চিমাঞ্চলে চলাচলরত সব আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট সকাল ৮টা এবং পূর্বাঞ্চলে চলাচলরত সকল আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট দুপুর ২টা থেকে বিক্রি শুরু হবে।
এসব টিকিটের শতভাগই অনলাইনে বিক্রি হবে। একজন যাত্রী ঈদে অগ্রিম এবং ফেরত যাত্রার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ একবার করে টিকিট ক্রয় করতে পারবেন। এক্ষেত্রে প্রতিবার সর্বোচ্চ চারটি টিকিট ক্রয় করতে পারবেন।
এছাড়া রেলওয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ঈদের অগ্রিম এবং ফেরত যাত্রার টিকিট রিফান্ড করা যাবে না।
জাতীয়
ভারত থেকে পুশ-ইন হলে ব্যবস্থা নেবে সরকার: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে পুশ-ইনের কোনো ঘটনা ঘটলে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।
মঙ্গলবার (৫ মে) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভারতের পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে যদি সীমান্তে পুশ-ইনের ঘটনা ঘটে, তবে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে বাংলাদেশ।
তিনি আরও জানান, তিস্তা চুক্তি বাস্তবায়নে ভারতের ইতিবাচক অগ্রগতির প্রত্যাশা করছে ঢাকা। একই সঙ্গে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে চীনের প্রস্তাব নিয়েও আলোচনা অব্যাহত থাকবে।
এর আগে ঢাকা সফররত যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। বৈঠক শেষে চুক্তি নিয়ে সমালোচনার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি খুব ভালো হয়েছে। যারা এ নিয়ে সমালোচনা করছেন, তারা অন্যান্য দেশের সঙ্গে তুলনামূলক চিত্র দেখলে বিষয়টি বুঝতে পারবেন।
চীন সফরে তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমি চীন যাচ্ছি। সেখানে তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হবে।
চীন সরকারের আমন্ত্রণে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান মঙ্গলবার চীন সফরে যাচ্ছেন। আগামী ৭ মে পর্যন্ত তিনি বেইজিংয়ে অবস্থান করবেন বলে জানা গেছে।
জাতীয়
শিক্ষার্থীদের জন্য ইলেকট্রিক বাস চালুর সিদ্ধান্ত
শিক্ষার্থীদের যাতায়াত ব্যবস্থা নিরাপদ, আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব করতে দেশে ইলেকট্রিক বাস চালুর নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই উদ্যোগের মাধ্যমে একদিকে জ্বালানি তেলের ওপর নির্ভরতা কমানো, অন্যদিকে ব্যক্তিগত যানবাহনের ব্যবহার হ্রাস করাই প্রধান লক্ষ্য বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার (৫ মে) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, গণপরিবহনে জ্বালানিনির্ভরতা কমিয়ে ধীরে ধীরে বিদ্যুৎচালিত পরিবহন ব্যবস্থায় রূপান্তরের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের জন্য ইলেকট্রিক বাস চালু সেই বৃহৎ পরিকল্পনারই অংশ।
তিনি আরও জানান, প্রথম ধাপে শিক্ষার্থীদের পরিবহনে ব্যবহৃত ইলেকট্রিক বাস আমদানিতে সব ধরনের শুল্ক সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করা হয়েছে, যাতে প্রতিষ্ঠানগুলো সহজে এ ধরনের বাস সংগ্রহ করতে পারে।
এর আগে, গত ২৭ এপ্রিল জাতীয় রাজস্ব বোর্ড একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। এতে বলা হয়, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় বা অনুরূপ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত ইলেকট্রিক বাস আমদানির ক্ষেত্রে কাস্টমস ডিউটি, রেগুলেটরি ডিউটি, মূল্য সংযোজন কর, সম্পূরক শুল্ক, আগাম কর এবং অগ্রিম আয়করসহ সব ধরনের কর ও শুল্ক অব্যাহতি দেওয়া হবে।
প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিজে অথবা তাদের পক্ষে কোনো সংস্থা এসব বাস আমদানি করলেও একই সুবিধা পাবে। তবে এসব বাসের রং হলুদ হতে হবে এবং ‘স্কুল’, ‘কলেজ’ অথবা ‘স্টুডেন্ট বাস’ শব্দগুলো স্পষ্টভাবে লেখা থাকতে হবে।
এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও সাশ্রয়ী যাতায়াত নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশ সুরক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
জাতীয়
নবম পে স্কেল বাস্তবায়ন হবে তিন ধাপে
দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় নবম পে স্কেল একবারে নয়, তিন ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে গঠিত পুনর্গঠিত কমিটি ইতোমধ্যে সুপারিশ প্রণয়নের কাজ শুরু করেছে।
সরকারি সূত্রে জানা গেছে, আগামী তিন বছরের মধ্যে ধাপে ধাপে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর করার প্রস্তাব বিবেচনায় রয়েছে। এতে অর্থনীতির ওপর অতিরিক্ত চাপ কমানোই প্রধান লক্ষ্য।
প্রাথমিক প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে নতুন পে স্কেলের প্রায় ৫০ শতাংশ বাস্তবায়নের সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে আগামী বাজেটে বেতন-ভাতা ও পেনশন খাতে অতিরিক্ত ৩৫ থেকে ৪০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ বাড়ানোর সুপারিশ আসতে পারে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, কমিটির প্রথম দফার বৈঠকে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে অংশগ্রহণকারীদের বড় একটি অংশ ধাপে ধাপে পে স্কেল বাস্তবায়নের পক্ষে মত দিয়েছেন।
চলতি অর্থবছরের বাজেটে পে স্কেলের জন্য বরাদ্দ রাখা হলেও তা এখনো ব্যবহার হয়নি। আগামী বাজেটে এ খাতে বরাদ্দ আরও বাড়তে পারে বলে ইঙ্গিত মিলেছে।
এদিকে, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) বার্ষিক সভা শেষে অর্থমন্ত্রী দেশে ফিরলে বিষয়টি নিয়ে পুনর্গঠিত কমিটি আবারও গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসতে পারে বলে জানা গেছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সরকারের উচ্চপর্যায়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।
সাবেক অর্থ সচিব মাহবুব আহমেদ মনে করেন, বর্তমান বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক চাপ, উচ্চ মূল্যস্ফীতি এবং বাজেট ঘাটতির বাস্তবতায় একবারে নয়, বরং ধাপে ধাপে পে স্কেল বাস্তবায়নই বেশি বাস্তবসম্মত হতে পারে।
জাতীয়
স্থানীয় সরকার নির্বাচন কবে, জানালেন তথ্য উপদেষ্টা
স্থানীয় সরকার নির্বাচন আগামী বছরের শেষ দিকে শুরু হতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে ১০ মাস থেকে এক বছর সময় লাগতে পারে বলেও জানান তিনি।
মঙ্গলবার (৫ মে) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য দেন।
ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, উপজেলা পরিষদ বাতিলের কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই। বর্তমান কাঠামো বহাল রেখেই নির্বাচন আয়োজন করা হবে।
তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর যেসব সাংবাদিক কারাগারে রয়েছেন, তাদের ক্ষেত্রে কোনো কোনো অভিযোগ অনেক ক্ষেত্রে গুরুতর প্রকৃতির। তবে বর্তমান সরকার অন্যায়ভাবে কোনো সাংবাদিক যেন কারাগারে না থাকে, সে বিষয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
ডেঙ্গু পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকার এ বছর ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়েছে। সঠিক পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে নাগরিকদের সচেতনতার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।
এ ছাড়া তিনি জানান, দেশে জঙ্গিবাদের অস্তিত্ব রয়েছে এবং বিষয়টি নজরদারিতে রাখা হয়েছে।
হাম টিকাদান কর্মসূচি নিয়ে তথ্য দিয়ে তিনি বলেন, প্রায় ১ কোটি ৬১ লাখ শিশু ইতোমধ্যে টিকা পেয়েছে, যা মোট লক্ষ্যের প্রায় ৮৯ শতাংশ। শিগগিরই শতভাগ শিশু টিকার আওতায় আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, হাম রোগে শিশুমৃত্যুর ঘটনা দুঃখজনক। বিষয়টি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে এবং ভবিষ্যতে টিকাদান কার্যক্রমে কোনো ঘাটতি থাকবে না বলে আশ্বাস দেন তিনি।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশে হাম ও উপসর্গে শিশুমৃত্যুর সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।




