Connect with us

আন্তর্জাতিক

বাংলাদেশ সীমান্তের ৮০ শতাংশ এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া দিলো ভারত

Published

on

নারী

দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্র বাংলাদেশ এবং পাকিস্তান থেকে আগত অনুপ্রবেশকারীদের ঠেকাতে পাকিস্তান সীমান্তের ৯৩ শতাংশ এলাকা এবং বাংলাদেশ সীমান্তের ৮০ শতাংশ এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া বসিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

মঙ্গলবার ভারতের পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ লোকসভার অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে এ তথ্য জানিয়েছেন ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রায়।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

প্রসঙ্গত, পাকিস্তানের সঙ্গে ২ হাজার ২৮৯ দশমিক ৬৬ কিলোমিটার এবং বাংলাদেশের সঙ্গে ৪ হাজার ৯৬ দশমিক ৭০ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত আছে ভারতের। মঙ্গলবার লোকসভা অধিবেশনে নিত্যানন্দ রায় জানিয়েছেন, ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে পাকিস্তান সীমান্তের ২ হাজার ১৩৫ দশমিক ১৩৬ কিলোমিটার (শতকরা হিসেবে ৯৩ দশমিক ২৫ শতাংশ এলাকা) এবং বাংলাদেশ সীমান্তের ৩ হাজার ২৩৯ দশমিক ৯২ কিলোমিটার (শতকরা হিসেবে ৭৯ দশমিক ০৮ শতাংশ এলাকা) এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া বসানো হয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

লোকসভা অধিবেশনে নিত্যানন্দ রায় আরও বলেন, মিয়ানমারের সঙ্গে ভঅরতের যে ১ হাজার ৬৪৩ কিলোমিটার দীর্ঘ স্থল সীমান্ত রয়েছে, সেখানেও কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে ৯ দশমকি ২১৪ কিলোমিটার এলাকায় বেড়া বসানোর কাজ শেষও হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ভারতের সঙ্গে পাকিস্তান, বাংলাদেশ, নেপাল, ভুটান, শ্রীলঙ্কা, মিয়ানমার, চীন, মালদ্বীপ-এই আট দেশের সঙ্গে স্থল ও জলসীমান্ত আছে ভারতের।

এই স্থল ও জলসীমান্তের সম্মিলিত দৈর্ঘ্য যথাক্রমে ১৫ হাজার ১০৬ দশমিক ৭ বর্গকিলোমিটার এবং ৭ হাজার ৫১৬ বর্গকিলোমিটার। স্থল সীমান্তের হিসেবে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সীমান্ত সবচেয়ে দীর্ঘ।

লোকসভা অধিবেশনে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভারতে অনুপ্রবেশকারীদের ঠেকানো এবং জাতীয় নিরাপত্তাকে সুরক্ষিত রাখতে সীমান্ত এলাকায় কড়াকড়ি আরোপকে গুরুত্ব দিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। সূত্র: এনডিটিভি।

এমকে

শেয়ার করুন:-

আন্তর্জাতিক

পরমাণু ইস্যু পেছনে রেখে ইরানের ১৪ দফা প্রস্তাব, দ্বিধায় যুক্তরাষ্ট্র

Published

on

নারী

চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সামনে ১৪ দফা প্রস্তাব উপস্থাপন করেছে। এতে পরমাণু ইস্যুকে সাময়িকভাবে পেছনে রেখে যুদ্ধবিরতি, অবরোধ প্রত্যাহার ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে প্রস্তাবটি নিয়ে ওয়াশিংটন এখনো দ্বিধায় রয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

২০২৬ সালের মে মাসের শুরুতে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। দীর্ঘস্থায়ী সামরিক উত্তেজনা, সমুদ্রপথে অবরোধ এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে তেহরান এই নতুন প্রস্তাব পেশ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই প্রস্তাবের ‘ধারণা’ সম্পর্কে অবহিত হলেও এর শর্তাবলী ও বাস্তবায়নযোগ্যতা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

গত ফেব্রুয়ারি মাস থেকে ইরানের পরমাণু কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল দেশটিতে বোমাবর্ষণ শুরু করে। ওয়াশিংটনের দাবি ছিল, ইরানকে পরমাণু অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখা। এর প্রতিক্রিয়ায় ইরান বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ ‘হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল ও গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দেয়। উল্লেখ্য যে, বিশ্বের প্রায় ২০% জ্বালানি এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। গত চার সপ্তাহ ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল তাদের বোমাবর্ষণ স্থগিত রাখলেও পরিস্থিতি এখনো অত্যন্ত ভঙ্গুর।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ইরানি সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, তেহরান একটি কৌশলগত পরিবর্তন এনেছে। তাদের নতুন প্রস্তাবে পরমাণু আলোচনার চেয়ে যুদ্ধ বন্ধ এবং অর্থনৈতিক অবরোধ প্রত্যাহারের ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবের মূল বিষয়গুলো হলো:

  • নৌপথ উন্মুক্ত করা: হরমুজ প্রণালী দিয়ে পুনরায় জাহাজ চলাচল শুরু করা।
  • অবরোধ প্রত্যাহার: যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইরানের ওপর আরোপিত নৌ-অবরোধ তুলে নেওয়া।
  • সামরিক প্রত্যাহার: ইরানের আশেপাশের অঞ্চল থেকে মার্কিন বাহিনী সরিয়ে নেওয়া।
  • অর্থনৈতিক দাবি: ইরানের জব্দকৃত সম্পদ ফেরত দেওয়া এবং যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতিপূরণ প্রদান।
  • আঞ্চলিক শান্তি: লেবাননসহ সকল ফ্রন্টে যুদ্ধ বন্ধ করা।

সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ইরান বর্তমানে পরমাণু আলোচনাকে পরবর্তী ধাপের জন্য সরিয়ে রাখার প্রস্তাব দিয়েছে। আগে শান্তি স্থাপন ও অবরোধ প্রত্যাহার হবে, তারপর পরমাণু ইস্যুতে আলোচনা চলবে।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বর্তমানে এক কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন। একদিকে তিনি ইরানকে ‘যথেষ্ট মূল্য দিতে হয়নি’ বলে দাবি করছেন, অন্যদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতি সংকটের মুখে।

হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের দাম আকাশচুম্বী হয়েছে, যার প্রভাব পড়েছে মার্কিন গ্যাসোলিন পাম্পগুলোতে।২০২৬ সালের নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে কংগ্রেসের মধ্যবর্তী নির্বাচন। জ্বালানি তেলের উচ্চমূল্য ভোটারদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি করতে পারে, যা রিপাবলিকান পার্টির জন্য বড় রাজনৈতিক ঝুঁকি। ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, ইরান যদি কোনো ‘ভুল আচরণ’ করে, তবে পুনরায় বিমান হামলা শুরু করা হবে। তিনি কংগ্রেসের অনুমতি ছাড়াই যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করার আইনি সক্ষমতার কথাও উল্লেখ করেছেন।

ইরানি কর্মকর্তাদের মতে, পরমাণু ইস্যুকে আলোচনার শেষ ধাপে নিয়ে যাওয়া একটি ‘বড় ছাড়’। তাদের লক্ষ্য হলো প্রথমে একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা যাতে স্থায়ী শান্তি সম্ভব হয়। ইরান এখনো তাদের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অধিকার রক্ষার দাবি জানিয়ে আসছে, যদিও তারা শান্তি চুক্তির বিনিময়ে সাময়িক স্থগিতাদেশে রাজি হতে পারে।

অন্যদিকে, হোয়াইট হাউস মনে করছে পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ ছাড়া যেকোনো চুক্তি হবে অর্থহীন। ট্রাম্পের ভাষায়, ‘তারা আমাকে চুক্তির ধারণাটি বলেছে, এখন আমি লিখিত নথির অপেক্ষায় আছি।

এই যুদ্ধের ফলে বিশ্ববাজার অস্থির হয়ে পড়েছে। হাজার হাজার মানুষের প্রাণহানির পাশাপাশি বিশ্ব অর্থনীতিতে মন্দার কালো ছায়া দেখা দিয়েছে। যদি হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়া না হয় এবং মার্কিন অবরোধ বহাল থাকে, তবে জ্বালানি সংকট আরও প্রকট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

২০২৬ সালের ৩ মে পর্যন্ত পাওয়া তথ্যানুযায়ী, বল এখন হোয়াইট হাউসের কোর্টে। ট্রাম্প কি অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক চাপের মুখে ইরানের প্রস্তাব মেনে নেবেন, নাকি পরমাণু ইস্যুতে অনড় থেকে পুনরায় সামরিক অভিযানের পথে হাঁটবেন? এর ওপরই নির্ভর করছে মধ্যপ্রাচ্য তথা সমগ্র বিশ্বের ভবিষ্যৎ স্থিতিশীলতা। ইরানের এই নতুন প্রস্তাব একটি কূটনৈতিক সাফল্যের সুযোগ তৈরি করলেও, অবিশ্বাসের দেয়াল এখনো অনেক উঁচু।

এমএন

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধেও ২২ কোটি ডলারের তেল নিয়ে এগোচ্ছে ইরানি ট্যাংকার

Published

on

নারী

যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ সত্ত্বেও প্রায় ২২ কোটি ডলারের অপরিশোধিত তেল নিয়ে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের পৌঁছেছে ইরানের একটি বিশাল তেলের ট্যাংকার।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ‘ট্যাংকারট্র্যাকারস ডটকম’ -এর বরাতে জানা গেছে, ন্যাশনাল ইরানিয়ান ট্যাংকার কোম্পানির মালিকানাধীন ‘হিউজ’ নামের জাহাজটি প্রায় ১৯ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল বহন করছে। যার বাজারমূল্য প্রায় ২২ কোটি মার্কিন ডলার।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

সংস্থাটি জানায়, এক সপ্তাহ আগে জাহাজটিকে শ্রীলঙ্কার উপকূলে দেখা গেলেও বর্তমানে এটি ইন্দোনেশিয়ার লম্বক প্রণালি হয়ে রিয়াউ দ্বীপপুঞ্জের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

মার্কিন অবরোধ ঘোষণার সময় জাহাজটি ইরানের জলসীমায় ছিল। এরপর দীর্ঘ সময় ধরে জাহাজটির ট্র্যাকিং সিস্টেম (এআইএস) বন্ধ রাখা হয়, ফলে এর অবস্থান শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে।

এদিকে ইরান দাবি করেছে, তাদের অন্তত ৫২টি জাহাজ সফলভাবে অবরোধ ভেঙেছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের মতে, তারা ৪১টি ইরান-সংশ্লিষ্ট জাহাজকে গতিপথ পরিবর্তনে বাধ্য করেছে।

মার্কিন কর্মকর্তারা বলছেন, অবরোধের কারণে ইরানের তেল রপ্তানি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং এতে দেশটির কয়েক বিলিয়ন ডলার ক্ষতি হয়েছে।

তথ্যসূত্র : আলজাজিরা

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

ইরানের ১৪ দফা শান্তি প্রস্তাব পর্যালোচনার ঘোষণা ট্রাম্পের

Published

on

নারী

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের পাঠানো সর্বশেষ শান্তি প্রস্তাবটি দ্রুত পর্যালোচনা করবেন বলে জানিয়েছেন। তবে একই সঙ্গে তিনি এটিকে গ্রহণযোগ্য বলে মনে করছেন না বলে সরাসরি মন্তব্য করেছেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

শনিবার ট্রাম্প তাঁর সোশ্যাল মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, “ইরান যে পরিকল্পনা পাঠিয়েছে, তা শিগগিরই দেখব। কিন্তু এটা গ্রহণ করা সম্ভব হবে বলে আমি মনে করছি না। গত ৪৭ বছরে তারা মানবতা ও বিশ্বের যে ক্ষতি করেছে, তার জন্য এখনো তারা যথাযথ মূল্য দেয়নি।”

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ফ্লোরিডার ওয়েস্ট পাম বিচে অবস্থানকালে এই প্রতিক্রিয়া জানান ট্রাম্প। ইরানের প্রস্তাবে ঠিক কী কী শর্ত বা বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, তা এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ট্রাম্পের এই মনোভাবে দুই দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনা কমিয়ে আনার সম্ভাবনা আরও দুর্বল হয়ে পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

তথ্যসূত্র: এএফপি

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্রে বিমান বিধ্বস্ত, সব আরোহী নিহত

Published

on

নারী

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস হিল কান্ট্রিতে একটি ছোট বিমান বিধ্বস্ত হয়ে পাইলটসহ পাঁচজনই মারা গেছেন। পাইলটসহ ছাড়া বাকি সবাই পিকেলবল খেলোয়াড় ছিলেন এবং একটি টুর্নামেন্টে অংশ নিতে যাচ্ছিলেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

খেলোয়াড়রা সান আন্তোনিওর কাছাকাছি নিউ ব্রাউনফেলস শহরে একটি প্রতিযোগিতায় যোগ দিতে যাচ্ছিলেন। এই শহরটি সান আন্তোনিও থেকে প্রায় ৩০ মাইল দূরে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাত প্রায় ১১টার দিকে উইম্বার্লি এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

একজন কর্মকর্তা জানান, পাইলটসহ চারজন যাত্রী ঘটনাস্থলেই মারা যান। নিহতদের নাম এখনো প্রকাশ করা হয়নি। তবে অ্যামারিলো পিকেলবল ক্লাব নিশ্চিত করেছে, নিহতরা তাদের ক্লাবের সদস্য ছিলেন এবং টুর্নামেন্টে অংশ নিতে যাচ্ছিলেন।

ফ্লাইট তথ্য অনুযায়ী, সেসনা ৪২১সি মডেলের বিমানটি অ্যামারিলো থেকে উড্ডয়ন করে নিউ ব্রাউনফেলস ন্যাশনাল এয়ারপোর্টের দিকে যাচ্ছিল। অস্টিন আমেরিকান-স্টেটসম্যান কর্তৃক অনলাইনে পোস্ট করা আকাশ থেকে তোলা ছবিতে দেখা গেছে, বিমানটি একটি জঙ্গল এলাকায় বিধ্বস্ত হয়েছে। ফেডারেল কর্তৃপক্ষ এই তদন্তের নেতৃত্ব দিচ্ছে।

শুক্রবার টুর্নামেন্টটি বাতিল করা হয়।

পরদিন শনিবার খেলা শুরুর আগে নিহত খেলোয়াড়দের স্মরণে প্রার্থনা করার পরিকল্পনা রয়েছে।

অ্যামারিলো পিকেলবল ক্লাবের সভাপতি ড্যান ডায়ার বলেন, নিহত পাঁচজনের মধ্যে চারজনের সঙ্গে তিনি নিজে অনেকবার খেলেছেন। তিনি তাদের পদকও দিয়েছিলেন এবং বলেন, তারা খুব ভালো খেলোয়াড় ছিলেন।

তিনি আরো বলেন, অনেকেই এই খেলায় এতটাই আগ্রহী হয়ে পড়েন যে টুর্নামেন্টে অংশ নিতে বিভিন্ন জায়গায় ভ্রমণ করেন।ডায়ার জানান, একই সময়ে অ্যামারিলো থেকে আরেকটি বিমানও ওই অনুষ্ঠানে যাচ্ছিল, তবে সেটি নিরাপদে নিউ ব্রাউনফেলস বিমানবন্দরে অবতরণ করেছে।

এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের তথ্য অনুযায়ী, দ্বিতীয় বিমানের পাইলট বলেছিলেন, তিনি প্রথম বিমানের সঙ্গে যোগাযোগ পাচ্ছিলেন না। পরে কন্ট্রোলার জানান, বিমানটি হঠাৎ অস্বাভাবিকভাবে চলতে শুরু করে এবং রাডার থেকে হারিয়ে যায়। একজন পাইলট নিশ্চিত করেছেন, দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমান থেকে জরুরি সংকেত পাঠানো হয়েছিল, এরপর কন্ট্রোলার ৯১১-এ ফোন করেন। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, দুর্ঘটনার আগে আকাশ মেঘলা ছিল এবং কয়েক ঘণ্টা পর সেখানে ঝড়-বৃষ্টি হয়।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

ইরান যুদ্ধের জন্য অনুমোদনের প্রয়োজন নেই: কংগ্রেসকে ট্রাম্প

Published

on

নারী

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কংগ্রেসকে জানিয়েছেন, চলমান যুদ্ধবিরতির সময় ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের শত্রুতা ‘শেষ’ হয়ে গেছে। আর সে কারণে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে কংগ্রেসের অনুমোদনের নির্ধারিত সময়সীমা মানার প্রয়োজন তার নেই বলে তিনি যুক্তি দিয়েছেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

আইন অনুযায়ী, সামরিক পদক্ষেপের বিষয়ে কংগ্রেসকে জানানোর ৬০ দিনের মধ্যে প্রেসিডেন্ট কংগ্রেসের অনুমোদন নিতে বাধ্য, অন্যথায় তাকে যুদ্ধের কার্যক্রম বন্ধ করতে হয়। কিন্তু কংগ্রেসের নেতাদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে ট্রাম্প বলেছেন, গত মাসে ইরানের সঙ্গে হওয়া যুদ্ধবিরতির কারণে ওই আইনের বাধ্যবাধকতা তার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান এখনো আলোচনার মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি কোনো শান্তিচুক্তিতে পৌঁছাতে পারেনি, যদিও ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, শুক্রবার পাকিস্তানের মাধ্যমে তেহরান থেকে একটি নতুন প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ইরানের ওপর হামলার বিষয়ে কংগ্রেসকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানোর ৬০তম দিনে শুক্রবার ট্রাম্প কংগ্রেস নেতাদের লিখেছেন, ‘২০২৬ সালের ৭ এপ্রিল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী ও ইরানের মধ্যে আর কোনো গুলিবিনিময় হয়নি। ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি যে শত্রুতামূলক কার্যক্রম শুরু হয়েছিল, তা এখন শেষ হয়েছে।’

ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছে, আলোচনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দেওয়ার জন্য তেহরানের নূতন প্রস্তাব পাকিস্তানকে দেওয়া হয়েছে। তবে সংবাদ সংস্থাটি প্রস্তাবটির বিস্তারিত প্রকাশ করেনি।

তবে ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘আমরা মাত্রই ইরানের সঙ্গে কথা বলেছি। দেখা যাক কী হয়। তবে আমি বলব, আমি এতে সন্তুষ্ট নই।’

তিনি বলেন, একটি চুক্তিতে পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়েছে এবং আংশিকভাবে এর কারণ হলো যুদ্ধে ইরানের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের কয়েকজন নিহত হওয়ায় তাদের নেতৃত্ব ‘খুব বিভ্রান্ত’ অবস্থায় রয়েছে।

ট্রাম্প আরো জানান, বৃহস্পতিবার মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড তার সামনে বিভিন্ন বিকল্প উপস্থাপন করেছে। এর মধ্যে ছিল ‘তাদের (ইরানের) ওপর ভয়াবহ হামলা চালিয়ে পুরোপুরি শেষ করে দেওয়া’ থেকে শুরু করে ‘একটি চুক্তিতে পৌঁছানো’ পর্যন্ত।

শুক্রবার ট্রাম্প বলেছেন, ‘তারা আমাদের প্রয়োজন অনুযায়ী চুক্তির দিকে এগোচ্ছে না। আমরা বিষয়টি ঠিকভাবে শেষ করব। আমরা তাড়াহুড়া করে সরে যাব না, যাতে তিন বছর পর আবার একই সমস্যা ফিরে আসে।’

যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয় একটি সতর্কবার্তা জারি করে বলেছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাতায়াতের জন্য ইরানকে কোনো ব্যক্তি বা কোম্পানি যদি ‘টোল’ দেয়, তাহলে তারা মার্কিন নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ এখনো কার্যত বন্ধ রয়েছে, যার ফলে বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক প্রভাব পড়ছে।

কংগ্রেসে আইন প্রণেতারা ক্রমবর্ধমান প্রশ্নের মুখে পড়েছেন, তারা উভয় কক্ষে ভোটের ব্যবস্থা করবেন কি না, যাতে যুদ্ধটি আনুষ্ঠানিক অনুমোদন পাবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়।

এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রাসঙ্গিক আইনে প্রেসিডেন্টের ওপর নির্দিষ্ট কিছু বাধ্যবাধকতা আছে। যখন তিনি মার্কিন সশস্ত্র বাহিনীকে যুদ্ধে ব্যবহার করেন, তখন কংগ্রেসের অনুমোদন নিতে হয় ‘৬০ ক্যালেন্ডার দিনের মধ্যে’।

এই আইনে বলা আছে, কংগ্রেস আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধ ঘোষণা না করলে বা সর্বোচ্চ ৩০ দিনের জন্য সময় বাড়ানোর অনুমতি না দিলে প্রেসিডেন্টকে সশস্ত্র বাহিনীর ব্যবহার বন্ধ করতে হবে, যাতে দ্রুত সেনা প্রত্যাহার করা যায়। প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সনের ভিয়েতনাম যুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে জড়িয়ে থাকার ক্ষমতা সীমিত করার জন্য ১৯৭৩ সালে এই আইনটি পাস করা হয়েছিল।

বৃহস্পতিবার কংগ্রেসের এক শুনানিতে প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ যুক্তি দেন, আইন প্রণেতাদের অনুমোদন নেওয়ার নির্ধারিত সময়সীমার ‘ঘড়ি’ আপাতত থেমে আছে।

এর প্রতিক্রিয়ায় ডেমোক্র্যাটিক সিনেটর টিম কেইন বলেন, ‘আমি মনে করি না, এই আইনে এমন ব্যাখ্যার সমর্থন পাওয়া যায়।’

কংগ্রেসের উভয় কক্ষেই ট্রাম্পকে ইরান ইস্যুতে সীমাবদ্ধ করার জন্য ডেমোক্র্যাটদের উদ্যোগ বারবার ব্যর্থ হয়েছে। বেশিরভাগ রিপাবলিকান ডেমোক্র্যাটদের এই প্রচেষ্টার বিরোধিতা করেছেন, যদিও কেউ কেউ ইঙ্গিত দিয়েছেন যে ৬০ দিনের সময়সীমা পার হওয়ার পর তারা তাদের অবস্থান পুনর্বিবেচনা করতে পারেন।

শুক্রবার কংগ্রেসের অনুমোদন নেওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, ‘অনেকেই এটাকে সম্পূর্ণ অসাংবিধানিক বলে মনে করেন।’

ট্রাম্প প্রশাসনের এসব ব্যাখ্যা নিয়ে কিছু বিশেষজ্ঞ প্রশ্ন তুলেছেন। ওয়াশিংটন ডিসির জর্জটাউন ইউনিভার্সিটি ল’-এর অধ্যাপক হেদার ব্র্যান্ডন-স্মিথ বলেন, যুদ্ধবিরতি আইনগতভাবে কার্যকর থাকলেও তা ৬০ দিনের সময়সীমার গণনা থামাবে না।

তিনি বলেন, ‘যুদ্ধবিরতি কোনো স্থায়ীভাবে সংঘাতের সমাপ্তি নয়। আমার মতে, স্থায়ীভাবে সংঘাত শেষ হলেই ৬০ দিনের সময়সীমা সত্যিকার অর্থে শেষ হবে।’

তার মতে, যদি ট্রাম্প প্রশাসন সংঘাত চালিয়ে যায়, তাহলে আদালত বা কংগ্রেসই একমাত্র উপায় হতে পারে যুদ্ধ থামানোর।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর ব্যাপক হামলা চালালে এই সংঘাত শুরু হয়। এতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নিহত হন। এর জবাবে ইরান ইসরায়েল এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোর ওপর হামলা চালায়।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির বিরুদ্ধে পশ্চিমা দেশগুলোর নেতৃত্ব দিচ্ছে এবং দাবি করছে যে দেশটি পারমাণবিক বোমা তৈরি করতে চাইছে, যদিও তেহরান এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

পুঁজিবাজারের সর্বশেষ

নারী নারী
পুঁজিবাজার15 hours ago

নারী স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগে ব্যর্থ কোম্পানিগুলোকে বিএসইসির নির্দেশনা

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর পরিচালনা পর্ষদে নারী স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগ নিশ্চিত করতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।...

নারী নারী
পুঁজিবাজার16 hours ago

ডিএসই টাওয়ারে যাচ্ছে বিএপিএলসি অফিস, চুক্তি স্বাক্ষর সম্পন্ন

বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব পাবলিকলি লিস্টেড কোম্পানিজ (বিএপিএলসি) তাদের কার্যালয় নিকুঞ্জে অবস্থিত ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) টাওয়ারে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ...

নারী নারী
পুঁজিবাজার17 hours ago

ব্লক মার্কেটে লেনদেন ৪১ কোটি টাকার

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে মোট ৩৭টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এদিন ব্লক মার্কেটে ৪১ কোটি...

নারী নারী
পুঁজিবাজার17 hours ago

দরপতনের শীর্ষে মার্কেন্টাইল ব্যাংক

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে দরপতনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে মার্কেন্টাইল ব্যাংক পিএলসি।...

নারী নারী
পুঁজিবাজার17 hours ago

দর বৃদ্ধি শীর্ষে মীর আক্তার হোসেন

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৯৬টি কোম্পানির মধ্যে ১৬৫টির শেয়ারদর বৃদ্ধি পেয়েছে।...

নারী নারী
পুঁজিবাজার17 hours ago

লেনদেনের শীর্ষে সিটি ব্যাংক

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে সিটি ব্যাংক পিএলসি।  AdLink...

নারী নারী
পুঁজিবাজার17 hours ago

প্রথম কার্যদিবসে সূচকের মিশ্র প্রতিক্রিয়া, লেনদেন ৮২৯ কোটি

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্য সূচকের মিশ্র প্রতিক্রিয়ায় লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন লেনদেন হওয়া...

সোশ্যাল মিডিয়া

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭৩০
৩১  
নারী
কর্পোরেট সংবাদ14 hours ago

ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভা অনুষ্ঠিত

নারী
সারাদেশ15 hours ago

সখিপুর থানা পুলিশের পৃথক অভিযান মাদকসহ তিনজন আটক

নারী
রাজনীতি15 hours ago

জাপানের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে প্রবাসীদের আহ্বান

নারী
পুঁজিবাজার15 hours ago

নারী স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগে ব্যর্থ কোম্পানিগুলোকে বিএসইসির নির্দেশনা

নারী
অর্থনীতি16 hours ago

এপ্রিলে রেমিট্যান্স এলো ৩১২ কোটি ৭০ লাখ ডলার

নারী
পুঁজিবাজার16 hours ago

ডিএসই টাওয়ারে যাচ্ছে বিএপিএলসি অফিস, চুক্তি স্বাক্ষর সম্পন্ন

নারী
অর্থনীতি16 hours ago

মে মাসে এলপিজির দাম অপরিবর্তিত, অটোগ্যাসে সামান্য বৃদ্ধি

নারী
পুঁজিবাজার17 hours ago

ব্লক মার্কেটে লেনদেন ৪১ কোটি টাকার

নারী
পুঁজিবাজার17 hours ago

দরপতনের শীর্ষে মার্কেন্টাইল ব্যাংক

নারী
পুঁজিবাজার17 hours ago

দর বৃদ্ধি শীর্ষে মীর আক্তার হোসেন

নারী
কর্পোরেট সংবাদ14 hours ago

ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভা অনুষ্ঠিত

নারী
সারাদেশ15 hours ago

সখিপুর থানা পুলিশের পৃথক অভিযান মাদকসহ তিনজন আটক

নারী
রাজনীতি15 hours ago

জাপানের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে প্রবাসীদের আহ্বান

নারী
পুঁজিবাজার15 hours ago

নারী স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগে ব্যর্থ কোম্পানিগুলোকে বিএসইসির নির্দেশনা

নারী
অর্থনীতি16 hours ago

এপ্রিলে রেমিট্যান্স এলো ৩১২ কোটি ৭০ লাখ ডলার

নারী
পুঁজিবাজার16 hours ago

ডিএসই টাওয়ারে যাচ্ছে বিএপিএলসি অফিস, চুক্তি স্বাক্ষর সম্পন্ন

নারী
অর্থনীতি16 hours ago

মে মাসে এলপিজির দাম অপরিবর্তিত, অটোগ্যাসে সামান্য বৃদ্ধি

নারী
পুঁজিবাজার17 hours ago

ব্লক মার্কেটে লেনদেন ৪১ কোটি টাকার

নারী
পুঁজিবাজার17 hours ago

দরপতনের শীর্ষে মার্কেন্টাইল ব্যাংক

নারী
পুঁজিবাজার17 hours ago

দর বৃদ্ধি শীর্ষে মীর আক্তার হোসেন

নারী
কর্পোরেট সংবাদ14 hours ago

ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভা অনুষ্ঠিত

নারী
সারাদেশ15 hours ago

সখিপুর থানা পুলিশের পৃথক অভিযান মাদকসহ তিনজন আটক

নারী
রাজনীতি15 hours ago

জাপানের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে প্রবাসীদের আহ্বান

নারী
পুঁজিবাজার15 hours ago

নারী স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগে ব্যর্থ কোম্পানিগুলোকে বিএসইসির নির্দেশনা

নারী
অর্থনীতি16 hours ago

এপ্রিলে রেমিট্যান্স এলো ৩১২ কোটি ৭০ লাখ ডলার

নারী
পুঁজিবাজার16 hours ago

ডিএসই টাওয়ারে যাচ্ছে বিএপিএলসি অফিস, চুক্তি স্বাক্ষর সম্পন্ন

নারী
অর্থনীতি16 hours ago

মে মাসে এলপিজির দাম অপরিবর্তিত, অটোগ্যাসে সামান্য বৃদ্ধি

নারী
পুঁজিবাজার17 hours ago

ব্লক মার্কেটে লেনদেন ৪১ কোটি টাকার

নারী
পুঁজিবাজার17 hours ago

দরপতনের শীর্ষে মার্কেন্টাইল ব্যাংক

নারী
পুঁজিবাজার17 hours ago

দর বৃদ্ধি শীর্ষে মীর আক্তার হোসেন