জাতীয়
হাদিকে নিয়ে সিইসির মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিলো ইসি
রাজধানীতে আইএফইএস আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) রাতে নির্বাচন কমিশনের জনসংযোগ শাখার পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ ব্যাখ্যা দেয় কমিশন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বক্তব্যের যে তথ্য প্রচারিত হয়েছে, সে বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষিত হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের ব্যাখ্যায় উল্লেখ করা হয়, প্রধান নির্বাচন কমিশনার তার বক্তব্যে মূলত বোঝাতে চেয়েছেন যে ওসমান হাদির ওপর সন্ত্রাসী হামলা আসন্ন নির্বাচনকে কোনোভাবেই বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না। একই সঙ্গে কমিশন তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছে এবং তার পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছে।
নির্বাচন কমিশন জানায়, শরিফ ওসমান হাদির ওপর সন্ত্রাসী হামলাকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনায় নিয়েছেন। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) বিকেল ৪টায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সর্বোচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নিয়ে কমিশন একটি জরুরি সভা অনুষ্ঠিত করে। সভায় দ্রুততম সময়ের মধ্যে হামলাকারীদের আইনের আওতায় এনে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, শরিফ ওসমান হাদির গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় নির্বাচন কমিশন গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা রোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কঠোর নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
জাতীয়
সংসদে বিল আকারে উঠছে না গণভোট : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সদ্য সমাপ্ত গণভোট যে অধ্যাদেশের অধীনে অনুষ্ঠিত হয়েছে, সেটির কার্যকারিতা শেষ হয়ে যাওয়ায় তা বিল আকারে সংসদে পাস করার কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ।
রোববার (২৯ মার্চ) রাতে জাতীয় সংসদ ভবনে বিশেষ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা জানান।
গণভোট অধ্যাদেশ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গণভোট অধ্যাদেশের ব্যবহার হয়ে গেছে। যে কারণে এটি করা হয়েছিল, সেই গণভোট অনুষ্ঠিত হয়ে গেছে। এটার অধীনে সামনে আর কোনো গণভোট অনুষ্ঠিত হবে না। তাই এটাকে আবার অনুমোদন করে বিল আকারে নিয়ে এসে আইন বানানোর কোনো অর্থ নেই।
তিনি আরও ব্যাখ্যা করেন, সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী অধ্যাদেশগুলো সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে। সংসদ অধিবেশন বসার ৩০ দিনের মধ্যে অধ্যাদেশগুলোর ভাগ্য নির্ধারণ করতে হয়। কিন্তু এই অধ্যাদেশের কাজ তো শেষ। এটি কোনো সংবিধানের অংশ ছিল না। আইন প্রণয়ন হয়েছিল একটি গণভোট অনুষ্ঠানের জন্য, সেই অধ্যাদেশ ব্যবহারও শেষ হয়েছে।
বিশেষ কমিটির বৈঠক সম্পর্কে সালাউদ্দিন আহমেদ জানান, মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। আমরা ১৩৩টি অধ্যাদেশের প্রত্যেকটি নিয়ে আলোচনা করেছি। অনেকগুলো অধ্যাদেশ যেভাবে আছে সেভাবেই পাস করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। কিছু কিছু অধ্যাদেশ সংশোধিত আকারে বিল হিসেবে আনা হবে। তবে হাতে সময় কম থাকায় (আগামী ১০ তারিখের মধ্যে) সবগুলোর বিল আনা সম্ভব হবে না। যেগুলো বাকি থাকবে, সেগুলো পরবর্তী সেশনে বিল আকারে নিয়ে আসা হবে।
কমিটির বৈঠকে বিরোধী দলীয় সদস্যদের মতপার্থক্য প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, বিশেষ কমিটিতে বিরোধী দলের কয়েকজন সদস্য এবং সরকারি দলেরও কয়েকজন সদস্য কিছু কিছু অধ্যাদেশের বিষয়ে ‘নোট অফ ডিসেন্ট’ (ভিন্নমত) দিয়েছেন। রিপোর্টে তাদের বক্তব্য যথাযথভাবে প্রতিফলিত হবে। তবে বিল যখন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা উত্থাপন করবেন, তখন ফার্স্ট, সেকেন্ড ও থার্ড রিডিংয়ের সময় সবাই যার যার বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ পাবেন।
নির্ধারিত ৩০ দিনের সময়সীমা পার হলে অধ্যাদেশগুলোর কী হবে—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ৩০ দিনের ভেতরে যে সমস্ত বিল বা অধ্যাদেশ আনা সম্ভব হবে না, সেগুলো অটোমেটিক ল্যাপস (বাতিল) হয়ে যাবে। তাতে অসুবিধার কিছু নেই। আমরা পরবর্তী সেশনে সেগুলো আবার বিল আকারে নিয়ে আসব। যেমন সীমানা নির্ধারণ বা আরপিও—এগুলোর ভবিষ্যৎ ইফেক্ট আছে, তাই এগুলোকে আইনে পরিণত করতে হবে।
মানবাধিকার কমিশন বা পুলিশ অধ্যাদেশ প্রসঙ্গে তিনি জানান, এগুলো আইন মন্ত্রণালয়ের বিষয় হওয়ায় এ নিয়ে আইনমন্ত্রী বিস্তারিত কথা বলবেন। আগামী ২ এপ্রিল বিশেষ কমিটির রিপোর্ট সংসদে উত্থাপন করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
জাতীয়
শেষ মুহূর্তে স্থগিত চীনের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফর
দুই দেশের পররাষ্ট্র সচিবদের বৈঠকে যোগ দিতে আগামী ২ এপ্রিল ঢাকায় আসার কথা ছিল চীনের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী সুন ওয়েইডংয়ের। তবে পদোন্নতিজনিত কারণে তার এই সফর স্থগিত করা হয়েছে বলে কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে।
জানা গেছে, গতকাল রবিবার (২৯ মার্চ) বিকেলে বেইজিং থেকে ঢাকায় জানানো হয় উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী সুন ওয়েইডংকে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী করা হয়েছে। ফলে আগামী ৩ এপ্রিল অনুষ্ঠেয় পররাষ্ট্রসচিব পর্যায়ের বৈঠকটিতে তিনি অংশ নিতে পারবেন না।
এই পরিস্থিতিতে দুই দেশ পররাষ্ট্রসচিবদের বৈঠকটি স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেয়।
সূচি অনুযায়ী, আগামী ২ এপ্রিল রাতে ঢাকায় আসার কথা ছিল সুন ওয়েইডংয়ের। পরদিন ৩ এপ্রিল পররাষ্ট্রসচিব পর্যায়ের বৈঠকে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি তার পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের সূচি নির্ধারণ করা ছিল। এ ছাড়া ৪ এপ্রিল দুপুরে ঢাকা ছাড়ার আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করারও কথা ছিল সুন ওয়েইডংয়ের।
প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের জুনে দুই দেশের পররাষ্ট্রসচিব পর্যায়ের শেষ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল বেইজিংয়ে।
জাতীয়
জনসেবা বাড়াতে সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য ১১ নির্দেশনা জারি
সরকারি সেবা আরও কার্যকর ও প্রশাসনিক গতিশীলতা নিশ্চিত করতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ১১টি বিশেষ নির্দেশনা জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
রোববার (২৯ মার্চ) মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সকল দপ্তর, সংস্থা এবং বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) কাছে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা পাঠানো হয়।
মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সকাল ৯টা থেকে ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত আবশ্যিকভাবে নিজ নিজ অফিস কক্ষে অবস্থান করতে হবে। ইতোপূর্বে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হলেও মাঠ পর্যায়ে এর বিচ্যুতি বা ব্যত্যয় পরিলক্ষিত হচ্ছে। জনসেবা নিশ্চিত করতে এই সময়ে কর্মকর্তাদের ডেস্কে থাকা অপরিহার্য।
এছাড়া বর্তমান পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে অধিকতর সাশ্রয়ী ও দায়িত্বশীল আচরণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে অফিস কক্ষের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং কর্মপরিবেশ সুন্দর রাখার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
চিঠিতে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারি কাজের শৃঙ্খলা ও জনস্বার্থে এই ১১টি নির্দেশনা প্রতিপালন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এই আদেশ কঠোরভাবে অনুসরণের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
নির্দেশনাগুলো হলো–
১. প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত নিজ অফিস কক্ষে আবশ্যিকভাবে অবস্থান করতে হবে। দাপ্তরিক কর্মসূচি প্রণয়নের ক্ষেত্রেও উক্ত সময়সীমা যাতে বিঘ্নিত না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।
২. দিনের বেলায় পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো থাকলে বৈদ্যুতিক বাতি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে হবে এবং জানালা ও দরজা কিংবা ব্লাইন্ড খোলা রেখে প্রাকৃতিক আলো ব্যবহার করতে হবে।
৩. অফিস চলাকালীন শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় সংখ্যক লাইট, ফ্যান, এয়ার কন্ডিশনার ও অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে হবে।
৪. এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহারের ক্ষেত্রে তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার ওপরে রাখতে হবে।
৫. অফিস কক্ষ ত্যাগ করার সময় কক্ষের বাতি, ফ্যান, এয়ার কন্ডিশনারসহ সকল বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বন্ধ করতে হবে।
৬. অফিসের করিডোর, সিঁড়ি, ওয়াশরুম ইত্যাদি স্থানে অপ্রয়োজনীয় বাতি ব্যবহার বন্ধ করতে হবে।
৭. অফিস সময় শেষ হওয়ার পর সকল বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি (লাইট, ফ্যান, কম্পিউটার, প্রিন্টার, স্ক্যানার, এয়ার কন্ডিশনার ইত্যাদি) বন্ধ নিশ্চিত করতে হবে।
৮. সরকারি নির্দেশনা ব্যতিরেকে আলোকসজ্জা পরিহার করতে হবে।
৯. জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে হবে।
১০. অফিস কক্ষ, করিডোর, টয়লেট, সিঁড়ি, সিঁড়ির হাতল ইত্যাদি নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।
১১. উক্ত নির্দেশনা প্রতিপালন/মনিটরিংয়ের জন্য সকল দপ্তর/সংস্থা/কার্যালয়কে ভিজিল্যান্স টিম গঠন করতে হবে।
এমএন
জাতীয়
ডিএমপির মুখপাত্র হলেন নাসিরুদ্দিন
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) উপকমিশনার এনএম নাসিরুদ্দিনকে ডিএমপির গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের মুখপাত্র করা হয়েছে।
শনিবার ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার এক আদেশে নাসিরুদ্দিনকে ডিএমপির পরিবহণ বিভাগ থেকে বদলি করে মুখপাত্র করেন।
একই আদেশে ডিএমপির উপকমিশনার মোহাম্মদ আহাদুজ্জামান মিয়াকে ডিএমপির পরিবহণ বিভাগের উপকমিশনার হিসেবে বদলি করা হয়েছে। এছাড়া ডিএমপির পি অ্যান্ড আর বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার মো. ওয়াহিউল ইসলামকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম উত্তর বিভাগে বদলি করা হয়েছে।
জাতীয়
বাংলা নববর্ষ উদযাপনে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের কর্মসূচি
‘নববর্ষের ঐক্যতান, গণতন্ত্রের পুনরুদ্ধার’ প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে এবার উদযাপন করা হবে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩। আগের বছরের মতো এবারও পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের উদ্যোগে বের হবে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা।
রবিবার (২৯ মার্চ) দুপুরে সাংস্কৃতিক মন্ত্রণালয় আয়োজিত প্রস্তুতি সভায় এ তথ্য জানানো হয়। নববর্ষের কর্মসূচি নিয়ে অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী।
সভায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।
বাংলা নববর্ষ উদযাপনকে সর্বজনীন, সুশৃঙ্খল ও তাৎপর্যপূর্ণ করার জন্য সভা থেকে প্রাথমিক কয়েকটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
এতে সিদ্ধান্ত হয়, ছায়ানটের উদ্যোগে রমনা বটমূলে বরাবরের মতো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে। অনুষ্ঠানটি সরকারি ও বেসরকারি টেলিভিশন এবং বেতার মাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।
বেসরকারি চ্যানেলগুলো বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) ফিডের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সম্প্রচার করবে। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিসহ অন্যান্য সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানও নিজ উদ্যোগে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করবে।
এতে আরো সিদ্ধান্ত হয়, ঢাকাসহ সারা দেশের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে শিল্পকলা একাডেমি, জেলা ও উপজেলা প্রশাসন যথাযথ অনুষ্ঠান আয়োজন করবে। এ কাজে জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থাকে (জাসাস) সম্পৃক্ত করা হবে।
সভায় সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী সর্বস্তরের জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলা নববর্ষকে বাঙালির অসাম্প্রদায়িক চেতনা, ঐক্য ও সংস্কৃতির প্রতীক হিসেবে উদযাপনের আহ্বান জানান।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের ডিন ড. আজহারুল ইসলাম শেখ, অধ্যাপক কাওসার হাসান টগর, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি রেজাউদ্দিন স্টালিন, ঢাকা মেট্রোপলিটন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার নজরুল ইসলাম, বিএনপির সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জ্বল, জাসাস সভাপতি হেলাল খান ও বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান। সভা সঞ্চালনা করেন সাংস্কৃতিক মন্ত্রণালয়ের সচিব মফিদুর রহমান।



