সারাদেশ
ওসমান হাদির গ্রামের বাড়িতে চুরি
ঢাকায় গুলিবিদ্ধ ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান হাদির গ্রামের বাড়ি ঝালকাঠির নলছিটিতে চুরির ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) রাতে শহরের খাসমহল এলাকায় ওই বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
হাদির চাচাতো ভাই সিরাজুল ইসলাম বলেন, কেউ না থাকার সুযোগে জানালা ভেঙে চোর ঘরে প্রবেশ করে। এখন কী পরিমাণ মালামাল নিয়েছে সেটা আমরা জানতে পারিনি।
নলছিটি থানার ওসি আরিফুল আলম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসেছি। আমাদের তদন্ত চলছে।
এদিকে শুক্রবার দুপুর সোয়া ২টার দিকে রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় হাদিকে দুর্বৃত্তরা গুলি করে। গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে মস্তিষ্কে একটি অস্ত্রোপচার শেষে খুলি খুলে রেখে তাকে পাঠানো হয় বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অবস্থিত এভারকেয়ার হাসপাতালে। বর্তমানে সেখানে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) তার চিকিৎসা চলছে। হাদির জীবন সংকটাপন্ন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।
এদিকে তার গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর শুনেই সেদিন বিকালেই ঢাকায় রওনা দেন পরিবারের সদস্যরা।
এমকে
সারাদেশ
এবারের ঈদে চাঁদাবাজি কমেছে, আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে: আইনমন্ত্রী
‘স্বাভাবিকভাবে আমরা অনুধাবন করছি এবারের ঈদে চাঁদাবাজি কমেছে, আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের পর আমাদের যে পরিমাণ দুশ্চিন্তা, সে তুলনায় আমরা শান্তিতে ঈদ করতে পারছি।’
আজ শনিবার (২১ মার্চ) সকালে ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার বারইপাড়া গ্রামে ঈদের নামাজ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
মন্ত্রী আরো বলেন, ‘অন্যবারের চেয়ে এবারের ঈদ শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
বড় ধরনের কোনো দুঃসংবাদ আমরা পাইনি। দুই-একটি দুর্ঘটনা ঘটেছে, লঞ্চ দুর্ঘটনা যেটা নিসন্দেহে সেটা আমাদের দুঃসংবাদের কারণ।’ তিনি বলেন, ‘এ দেশকে, রাষ্ট্রকে ও সমাজকে ঠিক রাখতে হলে সমস্ত প্রকার দুর্বৃত্তায়ন থেকে দূরে থাকতে হবে।’
দুর্বৃত্তায়নের বিরুদ্ধে আমরা অবস্থানের কথা উল্লেখ করে আইনমন্ত্রী আরো বলেন, ‘দুর্বৃত্তায়নের বিরুদ্ধে আমরা অবস্থান নিয়েছি।
আইনের শাসন, ন্যায়বিচার ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা যে প্রত্যয় নিয়ে এসেছি সেটা আমরা বাস্তবায়ন করব।’
স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।
সারাদেশ
গণতান্ত্রিক পরিবেশ থাকায় মানুষ স্বস্তিতে ঈদ উদ্যাপন করছে: অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী
অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, গণতান্ত্রিক পরিবেশ থাকায় মানুষ স্বস্তিতে ঈদ উদ্যাপন করছে।
শনিবার সকালে নগরীর ১০ নম্বর উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ডে তার বাড়ির কাছে দারুছ সালাম জামে মসজিদে ঈদের নামাজ শেষে সাংবাদিকদের তিনি একথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, সবাইকে ঈদ মোবারক। আমি মনে করি, আমাদের সকলের জন্য আজকে ঈদের আনন্দ তো আছেই। একটি দেশে পরিবর্তিত পরিবেশে, একটি গণতান্ত্রিক পরিবেশে আমার মনে হয় এবারের আনন্দটা একটু ভিন্ন। আমরা সবাই যে মালিকানা ফিরে পাওয়ার কথা ছিল, মনে হয় নির্বচানের পরে বহুলাংশে সেটা ফিরে পেয়েছি।
তিনি বলেন, এই ঈদের আনন্দ, একটু অতিরিক্ত আনন্দ উপভোগ করছি সবাই মিলে। আমরা যাতে এভাবেই থাকতে পারি। দেশটা যাতে এভাবেই থাকে। সবাই মুক্ত অবস্থায় থাকতে পারে, মুক্তভাবে কথা বলতে পারে। মুক্তভাবে চলতে পারে। তার সব সাংবিধানিক, গণতান্ত্রিক, রাজনৈতিক অধিকার যাতে সে ভোগ করতে পারে।
সারাদেশ
ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে দেশকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নিজগ্রাম কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে আজ শনিবার (২১ মার্চ) সকাল ৯টায় ঈদের নামাজ আদায় করেন এবং স্থানীয়দের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। পরে তিনি উপজেলা মাঠ পরিদর্শন করে দ্রুত সংস্কারের নির্দেশ দেন।
পরিদর্শন শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ‘ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলেই দেশকে আরো এগিয়ে নেওয়া সম্ভব। সম্প্রতি ভিয়েনায় অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের উদ্যোগে ‘গ্লোবাল সামিট অন ফ্রড’-এর প্রসঙ্গ উল্লেখ করে মন্ত্রী বৈশ্বিক প্রতারণা মোকাবেলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।’
এছাড়া রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনকে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হিসেবে তুলে ধরে তিনি এর টেকসই সমাধানে আন্তর্জাতিক সহায়তা কামনা করেন। পরে তিনি পারিবারিক কবরস্থানে পিতা-মাতার কবর জিয়ারত করেন।
সারাদেশ
শোলাকিয়ায় ১৯৯তম ঈদ জামাতে জনসমুদ্র
লাখো মুসল্লির অংশগ্রহণ ও কঠোর নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ার ঐতিহ্যবাহী ঈদগাহ ময়দানে। শোলাকিয়ায় এটি ছিল ঈদুল ফিতরের ১৯৯তম জামাত।
শনিবার (২১ মার্চ) সকাল ১০টায় শুরু হয় জামাত। এতে ইমামতি করেন মুফতি আবুল খায়ের মুহাম্মদ ছাইফুল্লাহ।
নামাজ শেষে বিশ্বজুড়ে যুদ্ধবিগ্রহ বন্ধ, মুসলিম উম্মাহর শান্তি এবং দেশের সমৃদ্ধি কামনা করে মোনাজাত করা হয়।
সকাল ৭টার আগেই কিশোরগঞ্জ শহরের শোলাকিয়া এলাকা নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয়। চার স্তরের নিরাপত্তাবেষ্টনী গড়ে তোলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ছাতা, লাঠিসোঁটা, দিয়াশলাই বা লাইটার নিয়ে মাঠে ঢুকতে দেওয়া হয়নি।
এসব বাইরে রেখে মুসল্লিদের মাঠে প্রবেশ করতে হয়। প্রত্যেক মুসল্লিকে মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে তল্লাশি করে মাঠে প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হয়।
রেওয়াজ অনুযায়ী নামাজ শুরুর আগে বন্দুকের গুলির মাধ্যমে সংকেত দেওয়া হয়। ১৫ মিনিট আগে তিনটি, ১০ মিনিট আগে দুটি এবং পাঁচ মিনিট আগে একটি গুলি ছোড়া হয়।
এ কার্যক্রম পরিচালনা করে জেলা পুলিশ।
ভোর থেকেই নরসুন্দা নদীর তীরে অবস্থিত এই ঈদগাহ মাঠে মুসল্লিদের ঢল নামে। ঈদগাহমুখী সব রাস্তাঘাট মুসল্লিতে ভরে যায়। কয়েক ঘণ্টার জন্য শহরের সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। জামাত শুরুর প্রায় এক ঘণ্টা আগেই সাত একর আয়তনের মাঠ কানায় কানায় ভরে যায়।
অনেকে মাঠে জায়গা না পেয়ে পাশের সড়ক, ফাঁকা জায়গা, নদীর পাড় এবং আশপাশের বাড়ির ছাদে দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করেন।
নারীদের জন্য শহরের সরযূবালা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে পৃথক ঈদ জামাতের আয়োজন করা হয়। সেখানেও বহু নারী ঈদের জামাতে অংশ নেন।
নামাজ শুরুর আগে মুসল্লিদের স্বাগত জানিয়ে বক্তব্য দেন কিশোরগঞ্জ-৬ আসনের সংসদ সদস্য বস্ত্র ও পাটপ্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক ও ঈদগাহ কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা এবং জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল।
২০১৬ সালে শোলাকিয়ায় জঙ্গি হামলা হয়। এর পর থেকেই এই ঈদগাহে বাড়তি সতর্কতা ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এবারও ছিল নজিরবিহীন নিরাপত্তা। চার প্লাটুন সেনাবাহিনী, পাঁচ প্লাটুন বিজিবি, প্রায় ১১০০ পুলিশ, শতাধিক র্যা ব সদস্য, এপিবিএন ও আনসার সদস্য মাঠে দায়িত্ব পালন করেন। ড্রোন ক্যামেরা ও সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে পুরো এলাকা পর্যবেক্ষণ করা হয়। মাঠে ছয়টি ওয়াচ টাওয়ার বসানো হয়। অ্যান্টি-টেররিজম ও বোম ডিসপোজাল ইউনিটও মোতায়েন ছিল।
শোলাকিয়া মাঠ ও শহরের অলিগলিতে বসানো হয় নিরাপত্তা চৌকি। দায়িত্ব পালন করেন ১৩ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। মাঠে ছিল তিনটি অ্যাম্বুলেন্সসহ মেডিক্যাল টিম ও অগ্নিনির্বাপণ দল। বিপুল সংখ্যক স্কাউট সদস্য স্বেচ্ছাসেবকের দায়িত্ব পালন করেন।
ঈদের জামাতে কিশোরগঞ্জ-৬ আসনের সংসদ সদস্য, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, স্থানীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা, পুলিশ সুপার ড. এস এম ফরহাদ হোসেনসহ জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
গত ৪০ বছর ধরে ময়মনসিংহের নান্দাইলের আরিফুল ইসলাম (৭০) এখানে ঈদের নামাজ আদায় করেন। প্রতিবছরই তিনি জামাতের একদিন আগে কিশোরগঞ্জে চলে আসেন। তিনি বলেন, যতদিন বেঁচে আছেন ততদিন শোলাকিয়ার ঈদ জামাতে অংশ নেবেন।
কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর থেকে নাতিকে নিয়ে জামাতে আসেন রফিকুল ইসলাম (৬০)। তিনি বলেন, এখানে নামাজ আদায় করলে শান্তি পাওয়া যায়। তাই বারবার ছুটে আসেন শোলাকিয়ায়।
শোলাকিয়া ঈদগাহ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা জানান, এবার দুই লক্ষাধিক মুসল্লি নামাজ আদায় করেছেন বলে তাদের ধারণা। ঈদের কয়েক দিন আগেই কিশোরগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলা ও দেশের নানা জেলা থেকে বহু মুসল্লি এখানে চলে আসেন। অনেকে হোটেলে থাকেন, আবার কেউ আত্মীয়দের বাড়িতে ওঠেন।
ঈদের দিন মুসল্লিদের যাতায়াতের সুবিধার্থে দুটি বিশেষ ট্রেন চালু করা হয়। একটি ট্রেন ভৈরব থেকে সকাল ৬টায় ছেড়ে এসে সকাল ৮টায় কিশোরগঞ্জ পৌঁছায়। অন্যটি ময়মনসিংহ থেকে সকাল পৌনে ৬টায় ছেড়ে সকাল সাড়ে ৮টায় কিশোরগঞ্জে পৌঁছায়। নামাজ শেষে যাত্রীদের নিয়ে আবার ফিরে যায় ট্রেন দুটি।
জনশ্রুতি অনুযায়ী, মোগল আমলে এখানকার পরগনার রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ ছিল শ লাখ টাকা। মানে এক কোটি টাকা। কালের বিবর্তনে শ লাখ থেকে বর্তমান শোলাকিয়া হয়েছে। অন্য আরেকটি বিবরণে রয়েছে, ১৮২৮ সালে শোলাকিয়া ঈদগাহে সোয়া লাখ মুসল্লি একসঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করেন। সেই থেকে ঈদগাহটি একসময় শোয়ালাকিয়া ও পরে শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠ হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।
সারাদেশ
শোলাকিয়ার মুসল্লিদের জন্য ঈদ স্পেশাল ট্রেন
প্রতি বছরের মতো এবারও শোলাকিয়ায় ঈদুল ফিতরের জামাতে মুসল্লিদের অংশ নিতে ‘শোলাকিয়া ঈদ স্পেশাল’ নামে দুটি ট্রেন থাকছে। এর মধ্যে একটি ট্রেন ময়মনসিংহ থেকে ছেড়ে ঈদ জামাত শেষে আবার ময়মনসিংহে ফিরবে। অন্যটি ভৈরব থেকে কিশোরগঞ্জে এসে জামাত শেষে আবার ভৈরবে ফিরে যাবে।
কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দান পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা ও কিশোরগঞ্জ রেলওয়ের স্টেশন মাস্টার খলিলুর রহমানকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ময়মনসিংহ জংশন থেকে ‘শোলাকিয়া ঈদ স্পেশাল’ নামে বিশেষ একটি ট্রেন ময়মনসিংহ থেকে ভোর পৌনে ৬টায় ছেড়ে সকাল সাড়ে ৮টায় কিশোরগঞ্জ স্টেশনে পৌঁছাবে এবং ঐতিহ্যবাহী শোলাকিয়া মাঠে ঈদের জামাত শেষে ওই ট্রেনটি কিশোরগঞ্জ স্টেশন থেকে দুপুর ১২টায় ছেড়ে বিকেল ৩টায় ময়মনসিংহে পৌঁছাবে।
ট্রেনটি চলাচলের পথে ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ রুটের শম্ভুগঞ্জ, বিসকা, গৌরিপুর, বোকাইনগর, ঈশ্বরগঞ্জ, সোহাগী, আঠারবাড়ী, নান্দাইল রোড, মুসুল্লি, নীলগঞ্জ স্টেশনে দুই মিনিট করে যাত্রাবিরতি করবে।
অপরদিকে ভৈরব জংশন থেকে ভোর ৬টায় আরেকটি ঈদ স্পেশাল ট্রেন কিশোরগঞ্জ অভিমুখে ছেড়ে সকাল ৮টায় পৌঁছাবে এবং ঈদ জামাত শেষে আবার দুপুর ১২টায় কিশোরগঞ্জ ছেড়ে দুপুর ২টায় ভৈরব পৌঁছাবে। পথে কালিকা প্রসাদ, ছয়সূতি, কুলিয়ারচর, বাজিতপুর, সরারচর, হালিম মকসুদপুর, মানিকখালি ও গচিহাটা স্টেশনে যাত্রাবিরতি করবে।
এবার কিশোরগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে ১৯৯তম ঈদুল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ১০টায়। দেশের সর্ববৃহৎ ঈদ জামাতে যেন ময়মনসিংহ অঞ্চলের মুসল্লিরা অংশ নিতে পারেন, এজন্য প্রতি ঈদে এমন বিশেষ ট্রেন চালু করে আসছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।



